সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

কাতারে আটক ইরানি পাইলটদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান তেহরানের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২২, ২০২৬ ১৩:২১
কাতারে আটক ইরানি পাইলটদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান তেহরানের
কাতারে আটক ইরানি পাইলটদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান তেহরানের

কাতারে আটক থাকা ইরানি পাইলটদের শারীরিক অবস্থা চরম সংকটাপন্ন বলে দাবি করেছে তেহরান। অবিলম্বে তাদের সমুদ্র থেকে সরিয়ে স্থলভাগের কোনো উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের জোর দাবি জানিয়েছে ইরান। শনিবার (২২ আগস্ট) ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নিখোঁজ ব্যক্তি অনুসন্ধান কমিটির কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

 

পাইলটদের বর্তমান অবস্থানটি চিকিৎসা দেওয়ার জন্য একেবারেই উপযুক্ত নয় উল্লেখ করে, তাদের জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (আইসিআরসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

 

ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে জানা যায়, অসুস্থ ও আহত এই বন্দিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে কাতারে একটি 'এয়ার অ্যাম্বুলেন্স' পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাঘেরজাদেহ। তবে এই পাইলটদের আটকের বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু অস্পষ্টতা ও মতবিরোধ রয়েছে।

 

গত সপ্তাহেই দোহা তাদের হেফাজতে কোনো জীবিত ইরানি পাইলট থাকার কথা সরাসরি অস্বীকার করেছিল। কাতারের দাবি ছিল, বছরের শুরুতে আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাইলটদের দিক থেকে কোনো সাড়া মেলেনি।

 

এমনকি নিহত এক পাইলটের মরদেহ হস্তান্তর এবং উদ্ধার অভিযানের তথ্য পর্যালোচনার জন্য তেহরানকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও সে সময় ইরানের দিক থেকে কোনো দৃশ্যমান সাড়া পায়নি দোহা।

 

এদিকে, সম্প্রতি পাইলট ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য ইরানি প্রতিনিধি দলকে কাতার সফরের প্রস্তাব উন্মুক্ত রেখেছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দোহার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও ইরানি কর্মকর্তা বাঘেরজাদেহ অভিযোগ করেছেন যে, তাদের বিমান বাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ ও তথ্যানুসন্ধানকারী দল কয়েক মাস ধরে কাতারে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

 

কিন্তু কাতারি কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা ও দীর্ঘসূত্রিতার কারণে তদন্ত কার্যক্রম বারবার ব্যাহত হচ্ছে। এখন দুই দেশের কূটনৈতিক সমঝোতার ওপরই নির্ভর করছে আটকে পড়া এই পাইলটদের ভাগ্য ও পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের ভবিষ্যৎ।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
চার দশক আগে অ্যারিজোনায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরের পরিচয় অবশেষে ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
১৯৮২ সালে পাওয়া দেহাবশেষের পরিচয় মিলল, ৪৩ বছর পর জানা গেল কিশোরের নাম

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অজ্ঞাত থাকা এক কিশোরের দেহাবশেষের পরিচয় অবশেষে শনাক্ত হয়েছে। ১৯৮২ সালে হোয়াইট ট্যাঙ্ক মাউন্টেন রিজিওনাল পার্কের একটি দুর্গম এলাকায় পাওয়া দেহাবশেষটি ছিল মিচেল জন পলির। ডিএনএ ডো প্রজেক্ট জানিয়েছে, অনুসন্ধানমূলক জেনেটিক জিনিয়োলজি ও পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।   মিচেল জন পলি যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইসে ১৯৬৪ সালে জন্মেছিলেন। পরে তাঁর পরিবার অ্যারিজোনার বাকআই এলাকায় চলে যায়। ডিএনএ ডো প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে প্রায় ১৪ বছর বয়সে তিনি নিখোঁজ হন। বহু বছর ধরে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই অজ্ঞাত দেহাবশেষের সঙ্গে যুক্ত ছিল না।   ১৯৮২ সালের ২২ এপ্রিল ফিনিক্সের পশ্চিমে হোয়াইট ট্যাঙ্ক মাউন্টেন রিজিওনাল পার্কের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় একটি খুলিসহ মেরুদণ্ডের কিছু হাড় পাওয়া যায়। ডিএনএ ডো প্রজেক্টের পুরোনো কেস রেকর্ড অনুযায়ী, মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্যরা একটি হারিয়ে যাওয়া গান পডের সন্ধানে ওই এলাকায় অভিযান চালানোর সময় দেহাবশেষটি দেখতে পান।   ঘটনাস্থল থেকে কোনো পোশাক বা ব্যক্তিগত জিনিস পাওয়া যায়নি। সে সময় চিকিৎসা পরীক্ষকের কার্যালয় অনুমান করেছিল, দেহাবশেষটি ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী এক কিশোরের এবং আবিষ্কারের এক থেকে তিন বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। পরিচয় না মেলায় মামলাটি কয়েক দশক ধরে ‘জন মারিকোপা কাউন্টি ডো’ নামে নথিভুক্ত ছিল।   মারিকোপা কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনারের অফিস চলতি বছরের মে মাসে মামলাটি ডিএনএ ডো প্রজেক্টের কাছে পাঠায়। এই অনুসন্ধানে অর্থায়ন করে ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়েটেড চিলড্রেন। এরপর গবেষকেরা ডিএনএ মিলের সূত্র ধরে কিশোরটির পারিবারিক বংশপরিচয় খুঁজতে শুরু করেন।   তদন্তে প্রথমে তাঁর পূর্বপুরুষদের সঙ্গে জার্মানির যোগসূত্র পাওয়া যায়। পরে কেনটাকি ও মিসৌরির বিভিন্ন পরিবারের সঙ্গে ডিএনএ সংযোগ মিলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত গবেষকদের নজর যায় সেন্ট লুইসের কয়েকটি পরিবারের দিকে।   ডিএনএ ডো প্রজেক্টের টিম লিডার মেগান পাসিকার ভাষ্য অনুযায়ী, অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে তাঁরা ১৯৬৪ সালে সেন্ট লুইসে জন্ম নেওয়া এমন এক ছেলের সন্ধান পান, যার পরবর্তী জীবনের কোনো নির্ভরযোগ্য রেকর্ড পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে জানা যায়, ১৯৬৭ সালে তার পরিবার অ্যারিজোনার বাকআই এলাকায় চলে যায়।   সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্রটি ছিল ভৌগোলিক অবস্থান। মিচেলের পরিবার যে এলাকায় বসবাস করত, সেখান থেকে দেহাবশেষ পাওয়ার স্থানটির দূরত্ব ছিল মাত্র প্রায় পাঁচ মাইল। এরপর গবেষকেরা তাঁর পারিবারিক পূর্বপুরুষ এবং ‘জন মারিকোপা কাউন্টি ডো’র ডিএনএ ম্যাচের মধ্যে একাধিক সংযোগ খুঁজে পান।   এসব তথ্যের ভিত্তিতে মিচেল জন পলিকে সম্ভাব্য পরিচয় হিসেবে মারিকোপা কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনারের অফিসের কাছে উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষা শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত করে, ১৯৮২ সালে পাওয়া দেহাবশেষটি মিচেলেরই।   ডিএনএ ডো প্রজেক্ট এমন একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যারা অজ্ঞাত মানবদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে ইনভেস্টিগেটিভ জেনেটিক জিনিয়োলজি ব্যবহার করে। এই পদ্ধতিতে সরাসরি কোনো ব্যক্তির ডিএনএ রেকর্ড না থাকলেও দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের ডিএনএ ম্যাচ, পারিবারিক বংশতালিকা, জন্ম ও বসবাসের রেকর্ডসহ বিভিন্ন তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হয়।   অ্যারিজোনায় দীর্ঘদিন ধরে বহু অজ্ঞাত মৃতদেহের মামলা রয়েছে। ডিএনএ ডো প্রজেক্ট এর আগেও রাজ্যটির একাধিক ‘জন ডো’ ও ‘জেন ডো’র পরিচয় শনাক্ত করতে সহায়তা করেছে।   মিচেলের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় ৪৩ বছরের একটি রহস্যের অবসান হয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল, তিনি ঠিক কখন নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা ছিল কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নতুন কোনো তথ্য জানানো হয়নি। এখন অন্তত কয়েক দশক ধরে অজ্ঞাত থাকা কিশোরটির একটি নাম ফিরে এসেছে, মিচেল জন পলি।

প্রকাশ: অক্টোবর ৭, ২০২৬ ৯:৪৬
ভারতের উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে আইফোন চুরির ঘটনায় এক ভুক্তভোগী নারী আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

এক মাস আগে নারীর আইফোন চুরি, পরে পাসওয়ার্ড চেয়ে নিজেই মেসেজ দিল চোর

৬০ লাখ রুপি দেওয়ার পর স্বামীর প্রতারণার অভিযোগ থাই নারীর

৬০ লাখ রুপি দেওয়ার পর ভারতে এসে থাই নারী জানলেন স্বামী আগে থেকেই বিবাহিত

স্বর্ণের গহনার কাজ ছেড়ে আলি জামান ৬ বছরে হাতে লিখলেন বিশাল পবিত্র কোরআন

স্বর্ণের গহনার কাজ ছেড়ে আলি জামান ৬ বছরে হাতে লিখলেন বিশাল পবিত্র কোরআন

বাংলাদেশিদের ভুয়া সমকামী পরিচয়ে অ্যাসাইলাম আবেদন
বাংলাদেশিদের ভুয়া সমকামী পরিচয়ে অ্যাসাইলাম আবেদন, লন্ডনে গ্রেফতার ৩

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভুয়া সমকামী পরিচয় দেখিয়ে অ্যাসাইলাম পেতে সহায়তার অভিযোগে একটি সন্দেহভাজন চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ব্রিটিশ হোম অফিসের ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বিভাগ। মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর লন্ডনের বিভিন্ন ঠিকানায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে প্রতারণা ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে এবং তৃতীয় ব্যক্তিকে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে অবস্থানের সন্দেহে আটক করা হয়েছে।   বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন চক্রটি বাংলাদেশি পুরুষদের কাছ থেকে ১ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত নিয়ে তাদের অ্যাসাইলাম আবেদনের পক্ষে ভুয়া বা সাজানো প্রমাণ তৈরিতে সহায়তা করত বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে জাল নথি, সাজানো ছবি এবং সমলিঙ্গের সম্পর্কের পক্ষে তৈরি করা চিঠিসহ বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র থাকার অভিযোগ তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।   অভিযানে মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার এবং কয়েক হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি।   হোম অফিসের অপরাধ তদন্ত বিভাগের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ক্রিস ফস্টারের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, সন্দেহভাজন এসব আবেদনের সঙ্গে পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলভিত্তিক বাংলাদেশি কমিউনিটির এলজিবিটি সংগঠন ‘আপনজন’-এর যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফস্টারের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তকারীদের কাছে এমন তথ্য রয়েছে যে ১ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে ভুয়া চিঠি ও অন্যান্য নথি সরবরাহ করা হয়ে থাকতে পারে।   তবে তদন্ত এখনো চলমান এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।   হোম অফিসের অ্যাসাইলাম কেসওয়ার্কাররা একাধিক আবেদনের মধ্যে কিছু অস্বাভাবিক মিল শনাক্ত করার পর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর কয়েক মাস ধরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করেন। এখন ‘আপনজন’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক অ্যাসাইলাম আবেদন নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।   কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, সন্দেহভাজন ভুয়া প্রমাণের ভিত্তিতে করা কয়েকটি আবেদন ইতোমধ্যে অনুমোদনও পেয়ে থাকতে পারে। ফলে শুধু চলমান আবেদন নয়, আগে নিষ্পত্তি হওয়া কিছু মামলাও নতুন করে যাচাইয়ের আওতায় আসতে পারে।   যুক্তরাজ্যের কয়েকটি ইমিগ্রেশন ট্রাইব্যুনাল মামলাতেও বাংলাদেশি আবেদনকারীদের যৌন পরিচয়সংক্রান্ত দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক একটি মামলায় এক বাংলাদেশি নাগরিক নিজেকে সমকামী দাবি করে দেশে ফেরত গেলে ঝুঁকির মুখে পড়বেন বলে অ্যাসাইলাম চেয়েছিলেন। হোম অফিস তার দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা গ্রহণ করেনি এবং ট্রাইব্যুনালও মামলার তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। তবে প্রতিটি অ্যাসাইলাম আবেদন আলাদাভাবে তার নিজস্ব তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়।   এ ঘটনার পেছনে চলতি বছরের এপ্রিলে বিবিসির একটি গোপন অনুসন্ধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওই অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠে, কিছু ইমিগ্রেশন পরামর্শক ও মধ্যস্থতাকারী যুক্তরাজ্যে থাকার অনুমতি পেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের ভুয়া সমকামী পরিচয় তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছিলেন। সাজানো ছবি, সংগঠনের সমর্থনপত্র এবং অন্যান্য নথি তৈরি করে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যাসাইলাম কেস দাঁড় করানোর কথাও উঠে আসে প্রতিবেদনে।   সে সময় ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ অ্যাসাইলাম ব্যবস্থার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। যৌন পরিচয় বা লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে প্রকৃত নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের জন্য থাকা সুরক্ষা ব্যবস্থার অপব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি সতর্ক করেন।   ব্রিটিশ হোম অফিসের নিয়ম অনুযায়ী, যৌন অভিমুখিতা বা লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে করা অ্যাসাইলাম আবেদন অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে এবং প্রতিটি ব্যক্তির পরিস্থিতি আলাদাভাবে যাচাই করতে হয়। কেবল নিজেকে সমকামী হিসেবে পরিচয় দিলেই কোনো আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হয় না।   আবেদনকারীর বক্তব্য, ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, দেশে ফিরে গেলে সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সামগ্রিক তথ্যপ্রমাণ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ২০২৬ সালের বাংলাদেশবিষয়ক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের এলজিবিটি জনগোষ্ঠীর সদস্যরা সামাজিক বৈষম্য, হয়রানি বা অরাষ্ট্রীয় পক্ষের কাছ থেকে গুরুতর ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এ কারণে ভুয়া আবেদন ও সংগঠিত প্রতারণার অভিযোগকে প্রকৃত যৌন সংখ্যালঘু আশ্রয়প্রার্থীদের বৈধ দাবির সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই।   যুক্তরাজ্যের আইনে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণামূলক নথি ব্যবহার গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রতারণামূলক মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের অপরাধ ক্রাউন কোর্টে প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। একই সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে পাওয়া ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস বাতিল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশত্যাগের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।   লন্ডনে মঙ্গলবারের অভিযানের পর এখন তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য সন্দেহভাজন চক্রটির কার্যক্রমের পরিধি, কতজন আবেদনকারী এর মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং কোনো আবেদন ভুয়া প্রমাণের ভিত্তিতে অনুমোদিত হয়েছিল কি না তা নির্ধারণ করা। শতাধিক আবেদন পর্যালোচনার ফলেই এই অভিযোগের প্রকৃত ব্যাপ্তি আরও পরিষ্কার হতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৭, ২০২৬ ০:৫২
প্রায় ৫১ লাখ রুপি প্রতারণার অভিযোগে ভারতীয় সুবেদারের কোর্ট মার্শালের নির্দেশ

প্রায় ৫১ লাখ রুপি প্রতারণার অভিযোগে ভারতীয় সুবেদারের কোর্ট মার্শালের নির্দেশ

ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ইসলাম ও অভিবাসনকে দায়ী করে  ট্রাম্প

ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ইসলাম ও অভিবাসনকে দায়ী করে আলোচনাকে ভিন্ন খাতে নিলেন ট্রাম্প

আল-আকসায় ইসরায়েলি বাহিনীর ২৬ বার অনুপ্রবেশ, দেড় শতাধিকবার আজান বন্ধ

আল-আকসায় ইসরায়েলি বাহিনীর ২৬ বার অনুপ্রবেশ, দেড় শতাধিকবার আজান বন্ধ

রুয়েট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা, পিএইচডির মাঝেই অ্যামাজনে প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিলেন আকিব জাবেদ
রুয়েট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা, পিএইচডির মাঝেই অ্যামাজনে প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিলেন আকিব জাবেদ

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে প্রকৌশল শিক্ষার যাত্রা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি এবার বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসে (এডব্লিউএস) প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়েছেন আকিব জাবেদ।   রুয়েটের ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৬ ব্যাচের এই অ্যালামনাই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব আমেরিকায় পিএইচডি করছেন। একই সঙ্গে এডব্লিউএসে এনডিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে শুরু করেছেন পেশাগত জীবনের নতুন অধ্যায়।   রুয়েট থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান আকিব। সেখানে দ্য ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব আমেরিকায় বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন তিনি। দেশে ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনার পর যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর উচ্চশিক্ষার পথ এগিয়ে যায় বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দিকে।   মাস্টার্সে পড়াশোনার সময় একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি নেতৃত্ব ও অবদানের জন্যও স্বীকৃতি পান আকিব। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ‘দ্য এডওয়ার্ড এল. জুনিয়র অ্যান্ড রুথ এস. হেনেসি ডিস্টিংগুইশড স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘দ্য ভাইস অ্যাডমিরাল লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার যাত্রায় এই দুটি অর্জন তাঁর একাডেমিক ও নেতৃত্বের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে যুক্ত হয়েছে।   মাস্টার্স শেষ করেই উচ্চশিক্ষার পথ থামাননি আকিব। বর্তমানে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যয়ন করছেন তিনি। উচ্চতর গবেষণার এই পর্যায়ে থাকার মধ্যেই আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি খাতে পেশাগত ক্যারিয়ারও শুরু করেছেন রুয়েটের সাবেক এই শিক্ষার্থী।   অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসে এনডিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছেন আকিব জাবেদ। এর মধ্য দিয়ে একদিকে পিএইচডি পর্যায়ের গবেষণা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতে পেশাগত অভিজ্ঞতা, দুই ক্ষেত্রেই একসঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।   রুয়েটের ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে শুরু হওয়া আকিবের পথচলায় রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। দেশে প্রকৌশল শিক্ষার ভিত্তি তৈরি, এরপর যুক্তরাষ্ট্রে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স, একাডেমিক ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি, পিএইচডি পর্যায়ের গবেষণা এবং সবশেষে এডব্লিউএসের মতো বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পেশাগত ক্যারিয়ার। এই ধারাবাহিকতা তাঁর শিক্ষা ও কর্মজীবনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে।   বিশেষ করে রুয়েটের ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন অ্যালামনাই হিসেবে এডব্লিউএসে আকিবের যোগদান বিভাগের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। দেশের প্রকৌশল শিক্ষা থেকে আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে পৌঁছানোর তাঁর এই পথচলা বর্তমান শিক্ষার্থীদের সামনেও নতুন সম্ভাবনার উদাহরণ তুলে ধরছে।   আকিব জাবেদের বর্তমান যাত্রায় উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত সাফল্য একই জায়গায় এসে মিলেছে। রুয়েটের শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু হওয়া সেই পথ এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি গবেষণা এবং অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের পেশাগত অঙ্গনে পৌঁছেছে।   তাঁর এই পথচলা শুধু একজন প্রকৌশলীর ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার অগ্রগতির গল্প নয়। রুয়েটসহ বাংলাদেশের প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের জন্যও এটি বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি খাতে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সম্ভাবনার একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।

প্রকাশ: অক্টোবর ৬, ২০২৬ ১৯:৩১
ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ দেবে রাশিয়া, প্রথম কিস্তির  অর্থ প্রস্তুত

ইরানকে ২০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ দেবে রাশিয়া, প্রথম কিস্তির অর্থ প্রস্তুত

দেশরক্ষায় সম্ভাব্য মার্কিন হামলা মোকাবেলায় অস্ত্র হাতে ইরানের লাখো নারী

দেশরক্ষায় সম্ভাব্য মার্কিন হামলা মোকাবেলায় অস্ত্র হাতে ইরানের লাখো নারী

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষিণ এশিয়ায় নেপালেরও পেছনে বাংলাদেশ, শীর্ষে বন্ধু দেশ ভারত

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে দক্ষিণ এশিয়ায় নেপালেরও পেছনে বাংলাদেশ, শীর্ষে বন্ধু দেশ ভারত

0 Comments