সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

গাজা যুদ্ধে এক পা হারানো সাবেক ইসরায়েলি সেনা অ্যাডিডাসের জুতার বিজ্ঞাপনে; সমালোচনা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৫:৫
ইসরায়েলের বাজারে একক জুতা বিক্রির প্রচারণায় সাবেক সেনাসদস্য শালেভ বিটনকে যুক্ত করেছে অ্যাডিডাস। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের বাজারে একক জুতা বিক্রির প্রচারণায় সাবেক সেনাসদস্য শালেভ বিটনকে যুক্ত করেছে অ্যাডিডাস। ছবি: সংগৃহীত

জার্মান ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস ইসরায়েলের বাজারে চালু করা একক জুতা বিক্রির নতুন কর্মসূচির প্রচারণায় শালেভ বিটন নামের এক সাবেক ইসরায়েলি সেনাসদস্যকে যুক্ত করায় সমালোচনার মুখে পড়েছে। ২০২১ সালে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় এক পা হারানো বিটনকে এই প্রচারণায় ব্যবহার করায় মানবাধিকারকর্মী ও ফিলিস্তিনপন্থী বিভিন্ন সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

 

অ্যাডিডাসের ইসরায়েল শাখা সম্প্রতি ‘একক জুতা সেবা’ নামে এই কর্মসূচি চালু করেছে। এর আওতায় নিম্নাঙ্গের কোনো অংশ হারানো বা এমন শারীরিক অবস্থার মানুষ, যাদের একটির বেশি জুতার প্রয়োজন নেই, তারা পুরো জোড়ার বদলে একটি জুতা কিনতে পারবেন। একটি জুতার দাম রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ জোড়ার দামের অর্ধেক।

 

এই কর্মসূচির প্রচারণায় শালেভ বিটনকে বিভিন্ন অ্যাডিডাসের দোকানে দেখা যাচ্ছে। ২০২১ সালের মে মাসে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় গুরুতর আহত হওয়ার পর তার একটি পা কেটে ফেলতে হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তিনি কৃত্রিম পা ব্যবহার করে হাঁটতে শেখেন।

 

বিটনের এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাই একক জুতা বিক্রির প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সামনে আনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সাধারণত জুতা জোড়ায় বিক্রি হওয়ায় একটি পা হারানো ব্যক্তিদেরও দুটি জুতা কিনতে হয়। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে একটি জুতারই প্রয়োজন থাকায় অন্যটি অব্যবহৃত থেকে যায়। অ্যাডিডাসের নতুন কর্মসূচি সেই সমস্যার একটি বাণিজ্যিক সমাধান হিসেবে চালু করা হয়েছে।

 

তবে বিটনের সামরিক পরিচয় সামনে আসার পরই প্রচারণাটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। মানবাধিকারকর্মী ও ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠনগুলোর অভিযোগ, গাজায় ইসরায়েলি সামরিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত একজন সাবেক সেনাসদস্যকে ব্যবহার করে অ্যাডিডাস তাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ভাবমূর্তি তুলে ধরছে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন ব্যবহারকারী প্রশ্ন করেছেন, পা হারানো ফিলিস্তিনিদের জন্যও অ্যাডিডাস একই ধরনের সুবিধা দিচ্ছে কি না। অন্য এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, অ্যাডিডাসের উচিত দ্বিতীয় জুতাটি গাজার শিশুদের দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা।

 

কেউ কেউ আবার অ্যাডিডাসের এই প্রচারণা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের আপত্তির মূল বিষয় হলো, গাজা যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন সাবেক ইসরায়েলি সেনাকে কেন প্রতিষ্ঠানটির এই কর্মসূচির প্রচারণার মুখ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণাটিকে কেন্দ্র করে অ্যাডিডাসের বিরুদ্ধে সমালোচনা ও বর্জনের আহ্বানও দেখা গেছে।

 

অ্যাডিডাসের একক জুতা বিক্রির কর্মসূচি অবশ্য শুধু ইসরায়েলেই শুরু হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের শুরুতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু করেছিল। পরে আগস্টে ইসরায়েলের বাজারেও কর্মসূচিটি চালু করা হয়। ইসরায়েলে অ্যাডিডাসের নিজস্ব দোকান ও ছাড়ের দোকানগুলোতে এই সুবিধা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

 

অ্যাডিডাসের এই উদ্যোগের লক্ষ্য মূলত নিম্নাঙ্গের প্রতিবন্ধকতা বা অঙ্গহানির কারণে যাদের একটি জুতার প্রয়োজন, তাদের জন্য আলাদা করে জুতা কেনার সুযোগ তৈরি করা। তবে সেই কর্মসূচির প্রচারণায় শালেভ বিটনের অংশগ্রহণের কারণে বিষয়টি এখন মানবাধিকার ও ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

 

অ্যাডিডাসকে ঘিরে এ ধরনের বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রতিষ্ঠানটির একটি জুতার প্রচারণা থেকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন সুপারমডেল বেলা হাদিদকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তও আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত হয়েছিল। সে সময় ইসরায়েলি সরকার ও ইসরায়েলপন্থী বিভিন্ন প্রভাবশালী গোষ্ঠীর চাপের বিষয়টি সামনে এসেছিল।

 

বর্তমান ঘটনাতেও একদিকে অঙ্গহানির শিকার মানুষের জন্য একক জুতা কেনার সুবিধার কথা সামনে এসেছে, অন্যদিকে সেই কর্মসূচির প্রচারণায় গাজা যুদ্ধে এক পা হারানো সাবেক ইসরায়েলি সেনাকে যুক্ত করায় সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ফলে অ্যাডিডাসের নতুন এই বাণিজ্যিক প্রচারণা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একসঙ্গে কোরআনে হাফেজ হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন ভাই
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একসঙ্গে কোরআনে হাফেজ হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন ভাই

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একসঙ্গে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করে এক অনন্য গৌরবের অধিকারী হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন সহোদর। মুসআব মোহাম্মদ আজাদ, সাদ মোহাম্মদ আজাদ ও মুআজ মোহাম্মদ আজাদ নামের এই তিন ভাইয়ের অসামান্য অর্জনে প্রবাসী বাংলাদেশি ও স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।   সিডনির ব্যাংকসটাউনে অবস্থিত 'দারুল নাসিহাহ অস্ট্রেলিয়া' নামের একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাঁরা এই কোরআন হিফজের শিক্ষা সম্পন্ন করেন। প্রবাসের মাটিতে জন্ম নিয়ে এবং পশ্চিমা আবহে বেড়ে ওঠার পরও তাঁদের এই অর্জন পরিবার ও কমিউনিটির জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।   গত ১৭ অক্টোবর, শনিবার ব্যাংকসটাউনে মাগরিবের নামাজের পর দারুল নাসিহাহ অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে এক বিশেষ হিফজ সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আড়ম্বরপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে কোরআনের হাফেজ হওয়া তিন ভাইয়ের পাশাপাশি ইব্রাহিম খান নামের আরেক নবীন হাফেজকেও বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়।   স্থানীয় আলেম-ওলামা, শিক্ষক, অভিভাবক ও মুসলিম সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বক্তারা প্রবাসে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রসার ও মূল্যবোধ চর্চার ওপর জোর দেন।   পশ্চিমা সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠার পরও নিজেদের ধর্ম ও শেকড়ের প্রতি অবিচল থেকে তিন ভাইয়ের এই অসামান্য অর্জনকে প্রবাসীদের জন্য এক দারুণ উদাহরণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পরিবারের সঠিক দিকনির্দেশনা ও পরিচর্যা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এই ঘটনা তারই প্রমাণ। তাঁদের এই সাফল্য অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারগুলোকে কোরআন শিক্ষার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১৭:৩০
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি ইরানের, এবার হা মলার নিশানায় বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি ইরানের, এবার হা মলার নিশানায় বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা

প্রেমের টানে সর্বস্ব বিক্রি করে ১,৯০০ কিলোমিটার পাড়ি, পরে জানলেন প্রেমিকা এআইয়ের তৈরি

প্রেমের টানে সর্বস্ব বিক্রি করে ১,৯০০ কিলোমিটার পাড়ি, পরে জানলেন প্রেমিকা এআইয়ের তৈরি

সৌদি আরবে মৃ ত্যুদণ্ডে প্রাণ গেল দুই বাংলাদেশির, আইনি সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগ দূতাবাসের বিরুদ্ধে

সৌদি আরবে মৃ ত্যুদণ্ডে প্রাণ গেল দুই বাংলাদেশির, আইনি সহায়তা না দেওয়ার অভিযোগ দূতাবাসের বিরুদ্ধে

যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সময় ই-গেটে পাসপোর্ট না রেখে ফেসিয়াল রিকগনেশন ক্যামেরায় পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ চালু করেছে বর্ডার ফোর্স। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের ১২ বিমানবন্দরে পাসপোর্ট চেকিংয়ে আসছে নতুন প্রযুক্তি, চেহারা দেখেই পার হওয়া যাবে গেট

যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সময় যোগ্য যাত্রীদের আর ই গেটের রিডারে পাসপোর্ট রাখতে হবে না। ক্যামেরায় তোলা মুখের ছবি দিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটির বর্ডার ফোর্স। গত ৬ অক্টোবর ইস্ট মিডল্যান্ডস বিমানবন্দরে শুরু হওয়া এই সুবিধা পর্যায়ক্রমে মোট ১৩টি বিমানবন্দরে সম্প্রসারণ করা হবে। প্রাথমিকভাবে শুধু ব্রিটিশ নাগরিকেরা এটি ব্যবহার করতে পারবেন।    ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বর্ডার ফোর্সের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রী ই গেটের সামনে গেলে ক্যামেরা তাঁর মুখের ছবি তুলবে। সেই ছবি আগে থেকে যাচাই করা অভিবাসন, ভ্রমণ ও পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই সফলভাবে শেষ হলে গেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে।    তবে এই সুবিধা চালুর অর্থ পাসপোর্ট ছাড়া ভ্রমণের অনুমতি নয়। যাত্রীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে। মুখের ছবি দিয়ে যাচাই সম্পন্ন না হলে বা বাড়তি পরীক্ষা প্রয়োজন হলে রিডারে পাসপোর্ট রাখতে বলা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে বর্ডার ফোর্সের কর্মকর্তার কাছেও যেতে হবে।    সরকারি তালিকায় ইস্ট মিডল্যান্ডসসহ মোট ১৩টি বিমানবন্দর রয়েছে। বাকি ১২টি হলো বার্মিংহাম, ব্রিস্টল, কার্ডিফ, এডিনবরা, গ্যাটউইক, গ্লাসগো, হিথ্রো, লন্ডন সিটি, লুটন, ম্যানচেস্টার, নিউক্যাসল ও স্ট্যানস্টেড। অর্থাৎ একটি বিমানবন্দরে শুরু হওয়া ব্যবস্থা আরও ১২টিতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।    বর্ডার ফোর্স জানিয়েছে, ধাপে ধাপে প্রযুক্তিটি চালু করে ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বিমানবন্দরগুলোর সব ই গেট হালনাগাদ করার লক্ষ্য রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বর্তমানে ই গেট ব্যবহারের যোগ্য অন্য দেশের নাগরিকদেরও এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। নতুন প্রযুক্তির কারণে ই গেট ব্যবহারের বিদ্যমান যোগ্যতা পরিবর্তন হচ্ছে না।    প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আমাডেউসও ১৯ অক্টোবর জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের ১৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের ব্যবস্থার মাধ্যমে এই পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য চালুর পর পর্যায়ক্রমে যোগ্য বিদেশি নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।    ব্রিটিশ সরকারের দাবি, পরীক্ষায় নতুন ব্যবস্থাটি পাসপোর্ট রিডারে রেখে ই গেট ব্যবহারের তুলনায় সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ দ্রুত কাজ করেছে। তবে অভিবাসন ও নিরাপত্তার সব পরীক্ষা বহাল থাকবে। ই গেটগুলোও বর্ডার ফোর্সের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১৩:৪
ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো দেশটি সফরে তেহরানে পৌঁছেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম ইরান সফরে তেহরানে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিলি জিন কিং কাপ টেনিসে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করবেন ইয়ারা আল হোগবানি, লারা বুখারি ও মাইসান বিন হাসিন। ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক টেনিস প্রতিযোগিতা বিলি জিন কিং কাপে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্বে ৩ নারী

বেঙ্গালুরুতে ৪০০ ফুট উঁচুতে নির্মিত বিজয় মালিয়ার বিলাসবহুল ‘স্কাই ম্যানশন’। ছবি: সংগৃহীত

৪০০ ফুট উঁচু ভবনের ২ কোটি ডলারের বিলাসবহুল বাড়ি! এক দিনের জন্যও পা রাখেননি মালিক বিজয়

উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে মুসলিমদের ওপর নির্যাতন নিয়ে মানবাধিকার রিপোর্ট। ছবি: সংগৃহীত
উত্তর প্রদেশে নির্বাচনের আগে মুসলিমদের ওপর হামলা ও গ্রেপ্তার, দুই মাসে নিহত ৪

ভারতের উত্তর প্রদেশে ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে মুসলিমদের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও বাড়িঘর উচ্ছেদের অভিযোগ উঠে এসেছে নতুন এক মানবাধিকার প্রতিবেদনে। সাউথ এশিয়া জাস্টিস ক্যাম্পেইনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে সন্দেহভাজন ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক হামলায় অন্তত চারজন মুসলিম নিহত হয়েছেন। একই সময়ে পুলিশের গুলিতে অন্তত ৭০ জন আহত এবং নির্বিচারে ১৫২ জনকে গ্রেপ্তার বা আটক করার অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে।   সংগঠনটির প্রকাশিত ‘ইলেকশন ওয়াচ উত্তর প্রদেশ ২০২৭’ প্রতিবেদনের প্রথম সংস্করণে ১ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই মাসের ঘটনাবলি তুলে ধরা হয়েছে। এতে মুসলিম সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, পুলিশি অভিযান, রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য এবং নির্বাচনের আগে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত চারজনের মধ্যে ২০ বছর বয়সী এক যুবক রয়েছেন। তাঁর এক আত্মীয়ের বোরকা পরা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। অন্য একটি ঘটনায় ‘লাভ জিহাদ’ ষড়যন্ত্রতত্ত্বের উল্লেখ করে এক স্কুলশিক্ষককে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।   সংগঠনটির হিসাবে, এই চারটি হত্যাকাণ্ডসহ ২০২৬ সালে উত্তর প্রদেশে সন্দেহভাজন ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক হামলায় নিহত মুসলিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয়জনে। ২০২৫ সালের পুরো বছরে এ ধরনের ঘটনায় সাতজন মুসলিম নিহত হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া ৫ আগস্ট শামলি এলাকায় পুলিশের গুলিতে এক মুসলিম ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনাও পৃথকভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।   পুলিশি অভিযানে গুলিবর্ষণের ঘটনাও প্রতিবেদনে গুরুত্ব পেয়েছে। এতে বলা হয়েছে, উত্তর প্রদেশের ৭৫টি জেলার মধ্যে ২৭টিতে গ্রেপ্তারের আগে পুলিশের গুলিতে অন্তত ৭০ জন মুসলিম আহত হয়েছেন। এ ধরনের অভিযান সাধারণভাবে ‘হাফ এনকাউন্টার’ নামে পরিচিত। আহতদের মধ্যে ৫২ জনের বিরুদ্ধে গরু জবাই বা গবাদিপশু চুরির অভিযোগ ছিল।   একই সময়ে অন্তত ১৫২ জন মুসলিমকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার বা আটক করার অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। তাঁদের মধ্যে সাতজন নারী রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করায় কয়েকজনকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   এ ছাড়া দুই মাসে অন্তত আরও ১৬ জন মুসলিম শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। তাঁদের মধ্যে ১২ বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় শিশুটিকে মারধর করা হয়।   প্রতিবেদনে নথিভুক্ত ১৪টি হামলার ঘটনার কোনোটিতেই হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। বরং দুটি ঘটনায় পুলিশ হামলাকারীদের পরিবর্তে ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।   রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাউথ এশিয়া জাস্টিস ক্যাম্পেইন। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে অন্তত ২১টি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বক্তব্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে দায়ী করা হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যোগী আদিত্যনাথ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ‘বাবরের অনুসারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী মাদ্রাসায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের মানসিকতার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীদের তুলনা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজ্যের এক মন্ত্রী ‘আমাদের মুসলিম শব্দের প্রয়োজন নেই’ বলেও মন্তব্য করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   এসব বক্তব্যের পর সংশ্লিষ্ট পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।   প্রতিবেদনে ২০১৩ সালের মুজাফফরনগর সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিচারিক সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে একটি আদালত ওই সহিংসতার আগে দেওয়া বক্তব্যের ঘটনায় বিজেপি নেতা ও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সদস্যসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দেন। ২০১৩ সালের ওই সহিংসতায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন, যাঁদের অধিকাংশই মুসলিম।   মুসলিমদের বাড়িঘর ও ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সংগঠনটির দাবি, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে অন্তত নয়টি ঘটনায় মুসলিমদের ৩৪টি বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।   এ ছাড়া উত্তর প্রদেশ সরকার রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ডিগ্রি প্রদানের ক্ষমতা প্রত্যাহার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। এর ফলে প্রায় ৩৭ হাজার মুসলিম শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।   বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের চলাফেরা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার অভিযোগও নথিভুক্ত করা হয়েছে। অন্তত ১০টি জেলার ১২টি ঘটনায় বিরোধী নেতাদের গৃহবন্দি রাখা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।   পুলিশি হেফাজতে মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে যাওয়া কিংবা মুখ্যমন্ত্রীর সফরের সময় প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ঠেকাতে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই তিনবার আটক হয়েছিলেন।   ভারতের সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে দেশটির মোট মুসলিম জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশের বেশি মানুষের বসবাস। সাউথ এশিয়া জাস্টিস ক্যাম্পেইন জানিয়েছে, ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগগুলো নথিভুক্ত করাই তাদের মাসিক প্রতিবেদন প্রকাশের উদ্দেশ্য।   তবে প্রতিবেদনে উল্লেখিত সব অভিযোগ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এসব বিষয়ে উত্তর প্রদেশ সরকার ও পুলিশের পূর্ণাঙ্গ প্রতিক্রিয়াও প্রকাশিত তথ্যে পাওয়া যায়নি।   সূত্র: মাকতুব মিডিয়া

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ৯:৩৮
আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেওয়ায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ৩০০ জন আহত। ছবি সংগৃহীত

আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশ স্টেশনে আগুন, সংঘর্ষে আহত প্রায় ৩০০

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

‘ফ্রান্স জ্বলছে’, সহিংসতার জন্য অভিবাসন ও মুসলমানদের দায়ী করে সীমান্ত বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে নবজাতকদের সবচেয়ে প্রচলিত পদবি হিসেবে স্মিথের সঙ্গে খানের ব্যবধান কমে এসেছে

২০২৭ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে নবজাতকদের পদবিতে 'স্মিথকে' ছাড়াতে পারে 'খান'

0 Comments