চা রপ্তানি, বিনামূল্যে লিভার প্রতিস্থাপন, যৌথ কারখানা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের একাধিক প্রস্তাব
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, শিল্প, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, যৌথ শিল্পকারখানা স্থাপন এবং বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।
বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।
বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্প সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন ছিল আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা ইতোমধ্যে পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। আরও ৩৫ জন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়লে প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্কুল অব পাবলিক পলিসি এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির সঙ্গে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস একাডেমির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আগ্রহ জানিয়েছে পাকিস্তান। এসব সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের চূড়ান্ত সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে বছরে ১০ হাজার মেট্রিক টন চা শুল্কমুক্ত আমদানির কোটা থাকার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। তাঁর মতে, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের চা রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি আনারস ও চিংড়ি পাকিস্তানে রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা। তবে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী বাস্তবে কত পরিমাণ চা রপ্তানি হচ্ছে, সে বিষয়ে বৈঠকের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
শিল্প খাতে যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন কারখানা স্থাপনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। পাকিস্তানের শিয়ালকোটের ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা যৌথভাবে কাজ করতে পারেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদনপণ্যের মধ্যে রয়েছে টেনিস বলসহ বিভিন্ন ধরনের বল ও অন্যান্য ক্রীড়াসামগ্রী। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা খাতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দেশটির হাইকমিশনার জানিয়েছেন, পাকিস্তান কিডনি অ্যান্ড লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে প্রতিবছর ১০ জন বাংলাদেশি রোগীর বিনা মূল্যে লিভার প্রতিস্থাপনে তাঁরা আগ্রহী। পাশাপাশি বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত প্রকাশিত আগ্রহ ও প্রস্তাব; রোগী নির্বাচনের নিয়ম, চিকিৎসার অন্যান্য ব্যয় এবং কার্যক্রম শুরুর সময় সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা আসেনি।
বৈঠকে ওষুধশিল্প, পর্যটন, পাটশিল্প, শিক্ষা ও বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচিত হয়েছে। চিকিৎসাসেবা বিনিময় ও চিকিৎসা পর্যটন সম্প্রসারণের বিষয়েও দুই পক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে। এসব খাতে যৌথ উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়লে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে। পাকিস্তানের হাইকমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৪ বছর পর সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হওয়া দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখবে। তবে বিমান চলাচলের বর্তমান সময়সূচি, ফ্লাইটের সংখ্যা কিংবা যাত্রী পরিবহনের পরিসংখ্যান বৈঠকসংক্রান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ, শিল্প উৎপাদন এবং স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে পাকিস্তানের আগ্রহ উঠে এসেছে বৈঠকে। তবে প্রস্তাবগুলোর বাস্তব অগ্রগতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী আলোচনা, আনুষ্ঠানিক চুক্তি এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মোবাইল কেনার সামর্থ্য ছিল না পরিবারের। মা একটি ছাগল বিক্রি করে ফোন কিনে দিয়েছিলেন। সেই ফোন মডেম হিসেবে ব্যবহার করে প্রযুক্তি শেখা শুরু করা কুষ্টিয়ার মো. নাসিম আল আওয়াল এখন জাপানে মাইক্রোসফটের ডেটা সেন্টার পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে যুক্ত। তাঁর পথচলায় রয়েছে কারখানায় কাজ, নিজের চেষ্টায় দক্ষতা অর্জন এবং চাকরির আবেদনে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ার অভিজ্ঞতা। সময়ের আলো ও রূপালী বাংলাদেশের প্রতিবেদনে তাঁর এই যাত্রা উঠে এসেছে। কুষ্টিয়ার আমলা-সদরপুরে বেড়ে ওঠা নাসিমের ডাকনাম কবি। ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রনিক যন্ত্র কীভাবে কাজ করে, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল। পরিচিতদের মোবাইল ফোন ও টেলিভিশন সারানোর চেষ্টা করতেন। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় ডিনেটের কম্পিউটার লিটারেসি প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে হাতে-কলমে কম্পিউটার শেখার সুযোগ পান। পরে ভর্তি হন কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার প্রযুক্তি বিভাগে। পলিটেকনিকে পড়ার সময় মা মোছা. নাজমার কিনে দেওয়া মোবাইলটি তাঁর শেখার সুযোগ বাড়িয়ে দেয়। ফোন দিয়ে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে ভিডিও দেখতেন, অনলাইন ফোরামে প্রশ্ন করতেন এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান খুঁজতেন। পরিবারের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে এভাবেই পড়াশোনার বাইরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে থাকেন। ২০১২ সালে ডিনেটে প্রোগ্রাম অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে যোগ দেন নাসিম। পরে প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট ও সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সময়ের আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় দেশের প্রায় ৩৫০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কাজ এবং প্রায় তিন হাজার শিক্ষককে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিজ্ঞতা হয় তাঁর। ২০১৮ সালের শেষ দিকে জাপানে যান নাসিম। প্রথমে নাগোয়ার একটি গাড়ি কারখানার উৎপাদন লাইনে কাজ করেন। নতুন ভাষা ও পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি চালিয়ে যান। ২০২০ সালের মে মাসে এনটিটি কমিউনিকেশনসে নেটওয়ার্ক অপারেশনস সেন্টার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন। সেখানে সাবমেরিন কেবলের সিগন্যাল পর্যবেক্ষণ ও আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের প্রযুক্তিগত সহায়তার কাজে যুক্ত ছিলেন। চাকরির পাশাপাশি অনলাইনে কোর্স করে প্রযুক্তিগত ও ভাষাগত দক্ষতা বাড়ান। তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করেও সফল হননি। ২০২২ সালে মাইক্রোসফটে তাঁর আবেদনও প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর প্রস্তুতির ঘাটতি খুঁজে নতুন করে শেখা চালিয়ে যান। পরবর্তী সময়ে মাইক্রোসফট জাপানের ক্লাউড অপারেশনস অ্যান্ড ইনোভেশনস দলে কাজের সুযোগ পান। রূপালী বাংলাদেশের প্রতিবেদনে নাসিমের বক্তব্য, ‘আমি কখনো অসাধারণ ছাত্র ছিলাম না। কিন্তু হাল ছাড়িনি।’ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করতে চান তিনি, যাতে চাকরির আবেদনে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরও তাঁরা শেখা ও প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে পারেন। সূত্র: পাবলিকিয়ান
নেটফ্লিক্সে প্রায় এক হাজার কর্মীর পদ ছাঁটাই! চার বছরে সবচেয়ে বড় কাটছাঁট করলো এই স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান
ডায়রিয়া আক্রান্ত ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে, মাকে দিয়েই পরিষ্কার করানো হলো হাসপাতালের মেঝে
প্রেমের টানে রাশিয়া থেকে ভারতে তরুণী, প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতি ঘিরে চাঞ্চল্য
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, শিল্প, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। এ লক্ষ্যে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, যৌথ শিল্পকারখানা স্থাপন এবং বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্প সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন ছিল আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা ইতোমধ্যে পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। আরও ৩৫ জন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়লে প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে পাকিস্তানের ন্যাশনাল স্কুল অব পাবলিক পলিসি এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমির সঙ্গে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিস একাডেমির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আগ্রহ জানিয়েছে পাকিস্তান। এসব সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে। তবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের চূড়ান্ত সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে বছরে ১০ হাজার মেট্রিক টন চা শুল্কমুক্ত আমদানির কোটা থাকার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার। তাঁর মতে, পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশের চা রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি আনারস ও চিংড়ি পাকিস্তানে রপ্তানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা। তবে নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী বাস্তবে কত পরিমাণ চা রপ্তানি হচ্ছে, সে বিষয়ে বৈঠকের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। শিল্প খাতে যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন কারখানা স্থাপনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। পাকিস্তানের শিয়ালকোটের ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা যৌথভাবে কাজ করতে পারেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্ভাব্য উৎপাদনপণ্যের মধ্যে রয়েছে টেনিস বলসহ বিভিন্ন ধরনের বল ও অন্যান্য ক্রীড়াসামগ্রী। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দেশটির হাইকমিশনার জানিয়েছেন, পাকিস্তান কিডনি অ্যান্ড লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে প্রতিবছর ১০ জন বাংলাদেশি রোগীর বিনা মূল্যে লিভার প্রতিস্থাপনে তাঁরা আগ্রহী। পাশাপাশি বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত প্রকাশিত আগ্রহ ও প্রস্তাব; রোগী নির্বাচনের নিয়ম, চিকিৎসার অন্যান্য ব্যয় এবং কার্যক্রম শুরুর সময় সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা আসেনি। বৈঠকে ওষুধশিল্প, পর্যটন, পাটশিল্প, শিক্ষা ও বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচিত হয়েছে। চিকিৎসাসেবা বিনিময় ও চিকিৎসা পর্যটন সম্প্রসারণের বিষয়েও দুই পক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে। এসব খাতে যৌথ উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়লে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। ঢাকা–করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে। পাকিস্তানের হাইকমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৪ বছর পর সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হওয়া দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখবে। তবে বিমান চলাচলের বর্তমান সময়সূচি, ফ্লাইটের সংখ্যা কিংবা যাত্রী পরিবহনের পরিসংখ্যান বৈঠকসংক্রান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। সামগ্রিকভাবে, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ, শিল্প উৎপাদন এবং স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা সম্প্রসারণে পাকিস্তানের আগ্রহ উঠে এসেছে বৈঠকে। তবে প্রস্তাবগুলোর বাস্তব অগ্রগতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী আলোচনা, আনুষ্ঠানিক চুক্তি এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর।
তথ্য লুকিয়ে এক সাথে পাঁচটি কোম্পানীতে ফুল টাইম জব করে এবার আদালতের কাঠগড়ায় ইস্ট লন্ডনের এক বাঙালী
রোবট দিয়ে কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, জার্মানিতে দুইজনের বিরুদ্ধে তদন্ত
বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে: ভারতের জেন জি আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরা
ইয়েমেনের হুতিদের ধারাবাহিক হা মলার মধ্যে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কঠোর নিরাপত্তায় বাংকার সুবিধাসম্পন্ন বিভিন্ন রাজপ্রাসাদে পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। যুবরাজের চলাচল সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, বিশেষভাবে বাছাই করা নিরাপত্তা দল তাঁর সুরক্ষার দায়িত্বে রয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬ অক্টোবর একটি জাতীয় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর যুবরাজকে তখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তাঁর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য জানতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সংবাদমাধ্যমটি। গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হা মলায় অন্তত ১৩ জন নি হত এবং ৩০০ জনের বেশি আ হত হন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ওই হা মলা ঠেকাতে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হয়েছিল, তা তদন্ত করছে সৌদি আরব। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক অনুসন্ধানে আগে ড্রোন এবং পরে ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। ধারাবাহিক হা মলায় রিয়াদের বিমান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে। আগের পাঁচ দিনে কিং খালিদ বিমানবন্দরে চারবার হা মলা হয়। উড়োজাহাজ চলাচলবিষয়ক তথ্যপ্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের হিসাবে, সোমবার বিমানবন্দরটির নির্ধারিত ফ্লাইটের প্রায় ৬০ শতাংশ বাতিল হওয়ার আশঙ্কা ছিল। হা মলা প্রতিহত করতে গিয়ে সৌদি আরবের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও কমে আসছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক কর্মকর্তারা। গত মাসে এপিকে তাঁরা বলেন, আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদারে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান ও মিসরের কাছে সহায়তা চেয়েছে রিয়াদ। এদিকে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সভাপতিত্বে সৌদি মন্ত্রিসভা হুতিদের ধারাবাহিক হা মলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানায়। একই রাতে ধাহরানে সৌদি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হা মলার পর সীমিত অগ্নিকাণ্ড ঘটে। বুধবার সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই ঘটনায় কেউ হতা হত হননি। উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে। গত রোববার সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির মধ্যে ফোনালাপ হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নিতে সহায়তার প্রস্তুতি থাকার কথা জানিয়েছেন আরাগচি। ২০১৫ সালে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের পক্ষে সৌদি আরব সামরিক হস্তক্ষেপ করার পর হুতিদের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হয়। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও সাম্প্রতিক হা মলা ও পাল্টা সামরিক অভিযানে দুই পক্ষের উত্তেজনা আবার বেড়েছে।
সমুদ্রকে প্লাস্টিকমুক্ত করতে ডাচদের বিশাল অভিযান ইতিমধ্যেই সরিয়েছে ৬ কোটি কেজির বেশি বর্জ্য
টেক্সাসের ইউটি অস্টিনে ফুল ফান্ডে পিএইচডি, আবেদন ১৫ নভেম্বরের মধ্যে