সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

আইফোন ডুয়ো

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোন ‘ডুয়ো’
অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোন ‘ডুয়ো’ কিনতে বিশ্বজুড়ে ক্রেতাদের ভিড়

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোন ‘আইফোন ডুয়ো’ কিনতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অ্যাপল স্টোরের সামনে ভিড় করেছেন প্রযুক্তিপ্রেমীরা। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রসহ ৭০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে নতুন এই আইফোনের বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রায় ২ হাজার ডলার দামের ফোনটি কিনতে কোথাও রাতভর অপেক্ষা করেছেন ক্রেতারা, আবার কোথাও আগাম অর্ডার দেওয়া ফোন সংগ্রহ করতে দোকানের সামনে লাইন দেখা গেছে। তবে ব্যাপক আগ্রহের বিপরীতে সরবরাহ সীমিত থাকায় অনেক ক্রেতাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুর, চীনের সাংহাই, যুক্তরাজ্যের লন্ডন, জার্মানির বার্লিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে আইফোন ডুয়ো ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহ দেখা গেছে। শুক্রবার সকালে বেশ কয়েকটি অ্যাপল স্টোরের সামনে ক্রেতারা লাইনে দাঁড়ান। কেউ আগে থেকেই ফোনটির প্রি-অর্ডার করেছিলেন, আবার কেউ সরাসরি দোকানে গিয়ে কেনার চেষ্টা করেন। তবে আগের কয়েকটি আইফোন বাজারে আসার সময় যে ধরনের দীর্ঘ লাইন ও ব্যাপক ভিড় দেখা যেত, এবার সব জায়গায় তেমন পরিস্থিতি ছিল না। সীমিত সরবরাহ এবং অনলাইনে আগাম অর্ডারের ব্যবস্থাও এর একটি কারণ।   গত ৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে আইফোন ডুয়ো উন্মোচন করে অ্যাপল। এটি প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে প্রথম ফোল্ডিং আইফোন। বইয়ের মতো খুলে ব্যবহার করা যায় ফোনটি। বন্ধ অবস্থায় এতে রয়েছে ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির একটি ডিসপ্লে। আর খুললে পাওয়া যায় ৭ দশমিক ৬ ইঞ্চির বড় স্ক্রিন। অ্যাপলের দাবি, এখন পর্যন্ত তৈরি আইফোনগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় ডিসপ্লের মডেল। বড় স্ক্রিনে ভিডিও দেখা, গেম খেলা, বই পড়া এবং একই সঙ্গে একাধিক অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা রাখা হয়েছে।   নতুন আইফোনটির সবচেয়ে আলোচিত বৈশিষ্ট্য এর ফোল্ডিং ডিজাইন। বিশেষ প্রযুক্তির হিঞ্জ ব্যবহার করায় ফোনটি সহজে খোলা ও বন্ধ করা যায়। অ্যাপলের দাবি, সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় এটি এখন পর্যন্ত তাদের তৈরি সবচেয়ে পাতলা আইফোন। ফোনটির স্ক্রিনে বিশেষ ন্যানো-টেক্সচার প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে আলো প্রতিফলন এবং ভাঁজের দাগ কম চোখে পড়ে। তবে নতুন প্রযুক্তির এই ডিজাইন দীর্ঘমেয়াদে কতটা টেকসই হবে, তা বাস্তব ব্যবহারের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হবে।   আইফোন ডুয়োতে রয়েছে অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো চিপ এবং আইওএস ২৭-এর বিশেষভাবে তৈরি সফটওয়্যার সুবিধা। ফোল্ডিং স্ক্রিনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অ্যাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে স্প্লিট ভিউ সুবিধার মাধ্যমে একই সঙ্গে দুটি অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি ফোনটি কোন অবস্থায় খোলা বা বন্ধ রয়েছে, সেই অনুযায়ী স্ক্রিনের কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়। অ্যাপলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সুবিধাও নতুন ফোনে যুক্ত করা হয়েছে।   ক্যামেরার ক্ষেত্রেও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে অ্যাপল। ফোনটিতে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের ডুয়াল ফিউশন ক্যামেরা সিস্টেম, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা যায়। ফোল্ডিং ডিজাইনের কারণে ফোনটি আংশিক খুলে রেখেও ছবি তোলা কিংবা ভিডিও কল করার সুবিধা রয়েছে। তবে প্রাথমিক প্রযুক্তি পর্যালোচনায় ক্যামেরার কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উঠে এসেছে। পাশাপাশি সব অ্যাপ এখনো নতুন বড় ডিসপ্লের জন্য পুরোপুরি উপযোগী নয় বলেও জানিয়েছেন কয়েকজন পর্যালোচক।   যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন ডুয়োর প্রাথমিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার। ফোনটি ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টেরাবাইট এবং ২ টেরাবাইট স্টোরেজ সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে। স্টার হোয়াইট ও নাইট স্কাই, এই দুটি রঙে বাজারে আনা হয়েছে নতুন মডেলটি। গত ১৬ অক্টোবর ফোনটির প্রি-অর্ডার শুরু হয়। অ্যাপলের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক চাহিদা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ায় কিছু ক্রেতার সম্ভাব্য ডেলিভারির সময় আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে।   বিক্রির প্রথম দিন লন্ডনের একটি অ্যাপল স্টোরের সামনে বৃষ্টির মধ্যেও অপেক্ষা করতে দেখা যায় ক্রেতাদের। পল ফ্রান্সিস নামের একজন ক্রেতা রয়টার্সকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে তিনি লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। নতুন ধরনের অ্যাপল ফোন ব্যবহারের আগ্রহ থেকেই এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেছেন তিনি। অন্যদিকে সাংহাইয়ের কয়েকজন ক্রেতা জানান, ফোল্ডিং ফোনের বাজারে অ্যাপলের প্রবেশ তাঁদের আগ্রহী করেছে। বড় স্ক্রিন ও ফোনটির ডিজাইন তাঁদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের বিষয়।   তবে উচ্চমূল্যের কারণে আইফোন ডুয়ো সবার নাগালের মধ্যে থাকবে না বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা। সাধারণ আইফোনের তুলনায় প্রায় ২ হাজার ডলারের এই ফোন কিনতে ক্রেতাদের উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হবে। এর পাশাপাশি ফোল্ডিং প্রযুক্তির দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব, সফটওয়্যারের কার্যকারিতা এবং মেরামতের খরচও ক্রেতাদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রাথমিক পর্যালোচনায় ফোনটির ডিজাইন ও হিঞ্জ প্রযুক্তির প্রশংসা করা হলেও কিছু ব্যবহারিক সীমাবদ্ধতার কথাও উঠে এসেছে।   ফোল্ডিং স্মার্টফোনের বাজারে অবশ্য অ্যাপল প্রথম প্রতিষ্ঠান নয়। স্যামসাং ও হুয়াওয়ের মতো কোম্পানি কয়েক বছর ধরেই এ ধরনের ফোন বিক্রি করছে। তবে অ্যাপলের বাজারে প্রবেশের ফলে এই প্রযুক্তির প্রতি সাধারণ ক্রেতাদের আগ্রহ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা। বিশেষ করে অ্যাপলের নিজস্ব সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের সমন্বয় ফোল্ডিং ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করতে পারে। তবে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি সফলতা নির্ভর করবে ফোনটির ব্যবহারিক সুবিধা, দাম ও সরবরাহের ওপর।   নতুন আইফোনের বিক্রি শুরু হওয়ার আগে অ্যাপল জানিয়েছিল, সরাসরি দোকানে এসে কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য সীমিতসংখ্যক আইফোন ডুয়ো রাখা হবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ কিছু বাজারে এই সুবিধা রয়েছে। অন্যদিকে চীন, ভারত, জাপান এবং কয়েকটি দেশে প্রথম দিনে মূলত আগে থেকে অর্ডার দেওয়া গ্রাহকদের ফোন সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে বিভিন্ন দেশে অ্যাপল স্টোরে ভিড়ের ধরনও আলাদা ছিল।   আইফোন ডুয়োর বাজারে আসা অ্যাপলের স্মার্টফোন ব্যবসায় নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ডিজাইনের আইফোন তৈরির পর প্রতিষ্ঠানটি এবার ফোল্ডিং প্রযুক্তিতে প্রবেশ করল। প্রথম দিনের বিক্রি ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহ স্পষ্ট হলেও ফোনটি কতটা জনপ্রিয় হবে, তা নির্ভর করবে আগামী মাসগুলোর বিক্রি এবং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার ওপর। আপাতত প্রায় ২ হাজার ডলারের নতুন এই আইফোনকে ঘিরে প্রযুক্তিবিশ্বে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

নুরুল্লাহ সাইদ অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা লটারি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডিভি লটারি চালুর নির্দেশ, ১ নভেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন শুরু

অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১৪:০