সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে নারী নিহত, পুলিশের গুলিতে হামলাকারীও নিহত

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৩১, ২০২৬ ২১:২৮
নিউইয়র্কের ব্যস্ত টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতের পর ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের ব্যস্ত টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতের পর ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের ব্যস্ত টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। হামলার পর ছুরি হাতে পুলিশের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অভিযোগে পুলিশের গুলিতে হামলাকারী আরেক নারীও নিহত হয়েছেন। সোমবার ৩১ আগস্ট বিকেলে ম্যানহাটনের ওয়েস্ট ৪১ থেকে ৪৩ স্ট্রিট ও সেভেন্থ অ্যাভিনিউ এলাকার কাছে এ ঘটনা ঘটে। 

 

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারী ৪৯ বছর বয়সী কুইন্সের বাসিন্দা পামেলা সিসনেরোস। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি দুটি রান্নাঘরের ছুরি নিয়ে হঠাৎ পথচারীদের ওপর হামলা চালান। প্রথমে তিনি সাবওয়ে থেকে বের হওয়া ৬৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তির পেটে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়। 

 

দুই আহত ব্যক্তিকেই হাসপাতালে নেওয়া হয়। ৩২ বছর বয়সী নারী পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ৬৮ বছর বয়সী পুরুষের অবস্থা স্থিতিশীল বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত নারী ও আহত পুরুষের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। 

 

ছুরিকাঘাতের পর সিসনেরোস উত্তর দিকে গিয়ে টাইমস স্কয়ারের কাছে থাকা নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের একটি সাবস্টেশনের দিকে এগিয়ে যান। সেখানে পুলিশ সদস্যরা তাকে ছুরি ফেলে দিতে বারবার নির্দেশ দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টেজারও ব্যবহার করে। তবে এতে তিনি থামেননি এবং ছুরি হাতে পুলিশ সদস্যদের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। পরে দুই পুলিশ সদস্য গুলি চালান বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 

 

গুলিতে গুরুতর আহত সিসনেরোসকে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে এলোমেলো বা উদ্দেশ্যহীন হামলা বলে মনে হচ্ছে এবং এর সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 

 

নিউইয়র্ক পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ জানিয়েছেন, হামলাকারীর মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত পূর্ববর্তী রেকর্ড ছিল। তবে তার বিরুদ্ধে আগে কোনো গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ঘটনার পুরো পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত চলছে। 

 

ঘটনার পর তদন্তের জন্য টাইমস স্কয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পুলিশ ব্যারিকেড বসানো হয় এবং সেভেন্থ অ্যাভিনিউর কয়েকটি অংশে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। নিউইয়র্ক পুলিশ সাধারণ মানুষকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়। 

 

টাইমস স্কয়ার নিউইয়র্কের অন্যতম ব্যস্ত পর্যটন এলাকা এবং ওয়ান টাইমস স্কয়ারের পাশেই ঘটনাটি ঘটে। সেখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকের সমাগম হয়। ফলে ব্যস্ত এই এলাকায় এমন সহিংস ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
বিয়ের সাত মাস আগে মারা যান ২৫ বছর বয়সী দিয়েগো হার্নান্দেজ
বিয়ের কয়েক মাস আগে বরের মৃত্যু, ১৬ হাজার ডলার ফেরত দিতে নারাজ বিয়ের ভেন্যু কর্তৃপক্ষ

বিয়ের সাত মাস আগে মারা যান ২৫ বছর বয়সী দিয়েগো হার্নান্দেজ। এরপর অনুষ্ঠান বাতিল করে আগাম পরিশোধ করা প্রায় ১৬ হাজার ডলার ফেরত চান তাঁর বাগ্‌দত্তা। টাকা ফেরত না পেয়ে তিনি মামলা করলে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে পাল্টা মামলা করে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অনুষ্ঠানস্থল পোজি মেডোজ কর্তৃপক্ষ। কেএসএট ইনভেস্টিগেটসের সংগ্রহ করা আদালতের নথিতে এ বিরোধের তথ্য উঠে এসেছে।  কেএসএটির ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হেইস কাউন্টির সান মার্কোসের কাছে পোজি মেডোজে আগামী ২০ নভেম্বর তাঁদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এপ্রিলের শেষ দিকে দিয়েগোর মৃত্যু হয়। এর আগেই এই জুটি অনুষ্ঠানস্থলের জন্য ১৫ হাজার ৯০৯ ডলার ২৮ সেন্ট পরিশোধ করেছিলেন।   দিয়েগোর মৃত্যুর খবর জানানোর পর পরিবার টাকা ফেরত চায়। তাঁর মা লুসি হার্নান্দেজের ভাষ্য, মে মাসের শুরুতে মালিক জুলি ক্যাম্পবেল ফোনে জানিয়ে দেন, টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। জুনের শেষ দিকে দিয়েগোর বাগ্‌দত্তার আইনজীবী টাকা ফেরত চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠান। সমাধান না হওয়ায় জুলাইয়ের শেষ দিকে হেইস কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করেন তিনি। পরে পোজি মেডোজ পাল্টা মামলায় অভিযোগ করে, ওই নারী পরিশোধিত অর্থ ফেরত চাওয়ার পাশাপাশি চুক্তি অনুযায়ী বাকি অর্থ দিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়েছে।    চুক্তিতে অনুষ্ঠান বাতিল হলে পরিশোধ করা অর্থ ফেরত না দেওয়ার শর্ত রয়েছে। তবে বিয়ের পাত্র বা পাত্রীর মৃত্যু হলে কী হবে, সে বিষয়ে আলাদা কোনো ধারা নেই বলে জানিয়েছে কেএসএটি। মৃত্যুর প্রমাণ দেওয়া নিয়েও দুই পক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। পোজি মেডোজের অভিযোগ, পরিবার মৃত্যুর প্রমাণ দেয়নি। বিপরীতে ওই নারীর আইনজীবী জানিয়েছেন, মামলা করার আগেই তিনি মৃত্যুসনদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন, কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবীদের কাছ থেকে সাড়া পাননি। কেএসএটি চাইলে তিনি সনদের কপি সরবরাহ করেন। পরে সেটি মামলার নথিতেও যুক্ত হয়।    তবে কেএসএটির পাওয়া ইমেইলে দেখা যায়, ক্যাম্পবেল বুকিং ভবিষ্যতের কোনো তারিখে সরিয়ে নেওয়া কিংবা অন্য ধরনের অনুষ্ঠানে পরিশোধিত অর্থ ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। নির্ধারিত তারিখটি অন্য কারও কাছে বুকিং দিতে পারলে আংশিক অর্থ ফেরতের সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি। প্রতিবেদনটির জন্য মন্তব্য চেয়ে যোগাযোগ করা হলেও ক্যাম্পবেল সাড়া দেননি।  দিয়েগোর বাগ্‌দত্তা সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে চাননি এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ জানিয়েছেন। তাঁর মা লুসি বলেছেন, ছেলেকে হারানোর শোকের মধ্যে এই বিরোধ পরিবারকে মানসিকভাবে আরও বিপর্যস্ত করেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ২:২৩
ইমার্জেন্সি স্নো শভলার পদে ঘণ্টায় ৩০ ডলার পারিশ্রমিক পাবেন কর্মীরা

নিউইয়র্কে তুষার সরানোর কাজে ঘণ্টায় ৩০ ডলার, আজ রেজিস্ট্রেশন

ক্যালিফোর্নিয়ার সান ক্লেমেন্তে ও সান হুয়ান ক্যাপিস্ট্রানো এলাকায় দাবানলের কারণে হাজারো বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে পুড়ল একাধিক বাড়ি, ১৬ হাজার মানুষকে সরানোর নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন ৭১ বছর বয়সী স্টিভেন হ্যামিলটন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ফ্লোরিডায় মাছ ধরতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে ৭১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু

করোনাকালে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পার্সেল পৌঁছে দেওয়ায় ভার্জিনিয়ার বাসিন্দাদের কাছ থেকে সংবর্ধনা পান ইউপিএস চালক অ্যান্থনি গ্যাসকিন্স। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
করোনার লকডাউনে ঘরে ঘরে পার্সেল পৌঁছে দিতেন, সেই ইউপিএস চালককে ধন্যবাদ জানাতে রাস্তায় শত শত মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে করোনাভাইরাস মহামারির সময় নিয়মিত পার্সেল পৌঁছে দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন ইউপিএসের এক চালক। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে প্রতিদিনের মতো নিজের নির্ধারিত পথে পণ্য পৌঁছে দিতে গিয়ে তিনি দেখেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে রাস্তার পাশে অপেক্ষা করছেন শত শত মানুষ। কারও হাতে ধন্যবাদ লেখা প্ল্যাকার্ড, কেউ বাজাচ্ছেন ঘণ্টা, আবার কেউ গাড়ির হর্ন বাজিয়ে জানাচ্ছেন কৃতজ্ঞতা। অপ্রত্যাশিত এই আয়োজনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন চালক অ্যান্থনি গ্যাসকিন্স।   ঘটনাটি ঘটে ভার্জিনিয়ার রিচমন্ড শহরের কাছের হলসলি আবাসিক এলাকায়। সেদিন নিজের নিয়মিত সরবরাহের পথে একটি মোড় ঘুরতেই গ্যাসকিন্স দেখতে পান, তাঁকে ঘিরে রেখেছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁর কাজের স্বীকৃতি জানাতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইউপিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও যোগ দেন। প্রতিদিনের সাধারণ কর্মদিবসটি মুহূর্তেই পরিণত হয় ব্যতিক্রমী এক সংবর্ধনায়।   করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সময় ঘরে থাকার বিধিনিষেধ ও সামাজিক দূরত্বের কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাপকভাবে বদলে গিয়েছিল। অনেক পরিবার তখন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহের জন্য সরবরাহকর্মীদের ওপর নির্ভর করত। খাবার, ওষুধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী থেকে শুরু করে দূরে থাকা আত্মীয়স্বজনের পাঠানো উপহারও পৌঁছে দিতেন ডেলিভারি চালকেরা। ওই সময় গ্যাসকিন্সও নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এলাকার অনেক পরিবারের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।   বাসিন্দাদের কাছে তাঁর অবদান শুধু পার্সেল পৌঁছে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকা মানুষের কাছে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি ছিল বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগের একটি পরিচিত মাধ্যম। প্রতিদিনের কাজে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং যত্ন নিয়ে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের মনে বিশেষ জায়গা করে নেয়। মহামারির অনিশ্চয়তা ও বিচ্ছিন্নতার মধ্যে এই পরিচিত মুখটি অনেকের কাছে স্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছিল।   এলাকার বাসিন্দা প্যাটি ফ্রিডম্যান গ্যাসকিন্সকে ধন্যবাদ জানানোর উদ্যোগটি সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি উপলব্ধি করেন, চালকটির আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার প্রতি এলাকার মানুষের মধ্যে গভীর কৃতজ্ঞতা তৈরি হয়েছে। সেই অনুভূতিকে সম্মিলিতভাবে প্রকাশ করার জন্য তিনি অন্য বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং চমকপ্রদ আয়োজনটির পরিকল্পনা করেন। পরে শত শত মানুষ এতে অংশ নেন।   আয়োজনের সময় বাসিন্দারা বিভিন্ন বার্তা লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়ান। ঘণ্টা বাজিয়ে ও গাড়ির হর্ন দিয়ে তাঁরা গ্যাসকিন্সকে স্বাগত জানান। সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য পৌঁছে দিয়ে পরবর্তী গন্তব্যে চলে যাওয়াই ছিল তাঁর কাজ। কিন্তু সেদিন সেই পরিচিত পথেই তাঁকে থামতে হয় মানুষের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা গ্রহণের জন্য। তাঁর কর্মস্থলের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি আয়োজনটিকে আরও বিশেষ করে তোলে।   ঘটনাটি দেখিয়ে দেয়, সংকটের সময় মানুষের পাশে থাকা অনেক কর্মীর অবদান হয়তো প্রতিদিন চোখে পড়ে না, কিন্তু তা মানুষের মনে গভীর ছাপ রেখে যায়। মহামারির সময়ে স্বাস্থ্যকর্মী, সরবরাহকর্মী, পরিবহনকর্মী ও দোকানের কর্মচারীদের মতো পেশাজীবীরা নানা ঝুঁকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও জরুরি সেবা চালু রেখেছিলেন। গ্যাসকিন্সের জন্য এলাকাবাসীর এই আয়োজন ছিল সেই নীরব অবদানের প্রতি সম্মিলিত স্বীকৃতি।   একটি সাধারণ ডেলিভারি রুটে শত শত মানুষের উপস্থিতি তাই কেবল একজন কর্মীকে চমকে দেওয়ার ঘটনা ছিল না। দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতার সময়ে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, পারস্পরিক নির্ভরতা এবং ছোট ছোট দায়িত্বের বড় প্রভাবের কথাও মনে করিয়ে দেয় এটি। নিজের নিয়মিত কাজের মধ্য দিয়েই গ্যাসকিন্স যে মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন, এলাকাবাসীর এই উদ্যোগ ছিল তারই এক আন্তরিক প্রতিফলন।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ২২:৩৪
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলার পর তদন্ত চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে হামলা চালানো কিশোর ছিল ওই বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী

নেভাডায় একটি পিকআপ থেকে উদ্ধার করা সন্দেহভাজন মাদকের প্যাকেট। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেপ্তার অবৈধ অভিবাসী

নিউইয়র্ক সিটিতে গ্রিল ব্যবহারের সময় ভবন ও দাহ্য বস্তু থেকে অন্তত ১০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম রয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

বারবিকিউ থেকে অগ্নিকাণ্ড রোধে নিউ ইয়র্ক সিটির কড়াকড়ি, মানতে হবে যেসব আইন

ওরেগনের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলার ঘটনায় বন্দুকধারীকে থামাতে এগিয়ে আসেন দুই সন্তানের বাবা কাইলুব জিয়ামাঙ্কো। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
দুই মেয়ের স্কুলে গুলির শব্দ শুনে ছুটে গিয়ে বন্দুকধারীকে থামালেন বাবা, বাঁচালেন বহু প্রাণ

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর হামলার সময় নিজের দুই মেয়ের স্কুলে ছুটে গিয়ে হামলাকারীকে থামান ৩৬ বছর বয়সী কাঠমিস্ত্রি কাইলুব জিয়ামাঙ্কো। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষে বাড়ি ফেরার পথে গুলির শব্দ শুনে তিনি স্কুলটিতে যান। পরে স্কুলের ভেতরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে পৌঁছে ১৬ বছর বয়সী বন্দুকধারীকে গুলি করে হত্যা করেন তিনি। এ ঘটনায় তিন শিশু ও এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরও এক শিশু ও এক শিক্ষক।   ঘটনাটি ঘটেছে ওরেগনের বেন্ড শহরের সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কাইলুবের ভাই কাইল গিয়ামাঙ্কো জানিয়েছেন, তাঁর ভাই দুপুর ১টার দিকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় স্কুলের কাছ থেকে গুলির শব্দ শুনতে পান তিনি। কাইলুবের নিজের দুই মেয়েও ওই বিদ্যালয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি ঘটনাস্থলে এগিয়ে যান এবং স্কুলে প্রবেশ করা বন্দুকধারীকে থামানোর চেষ্টা করেন।   নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাইলুবের কাছে বৈধভাবে গোপনে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি ছিল। তিনি বন্দুকধারীকে অনুসরণ করে স্কুলের বিশেষ শিক্ষার শ্রেণিকক্ষে পৌঁছান এবং সেখানে তাকে গুলি করেন। এতে ১৬ বছর বয়সী সন্দেহভাজন হামলাকারী জন জে. গ্রিফিন দ্বিতীয় নিহত হয়। তবে এ ঘটনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা থাকলেও কাইলুব নিজেকে নায়ক হিসেবে তুলে ধরতে চান না বলে জানিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।   কাইলুবের মা হিসেবে পরিচয় দেওয়া কেন্ডা ফ্রিম্যান নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেন, ছেলের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে তিনি অত্যন্ত গর্বিত। তবে এমন ভয়াবহ ঘটনার পর কাইলুব মানসিকভাবে কঠিন সময় পার করছেন। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, আরও বেশি মানুষের জীবন রক্ষা করতে না পারার জন্য তিনি অপরাধবোধে ভুগছেন। এ কারণে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নন এবং ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।   পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাইলুব কোনো ধরনের প্রচার বা স্বীকৃতি চাইছেন না। বরং এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানো জরুরি সেবাকর্মী, স্কুলের কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দুই মেয়েও ওই স্কুলের শিক্ষার্থী হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ জানিয়েছেন। তাঁরা আপাতত কোনো সাক্ষাৎকারে অংশ নেবেন না বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাইলুবের সাহসিকতার প্রশংসা করে তাঁকে ‘একজন মহান নায়ক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কাইলুব দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। তবে ঘটনাটিতে প্রাণহানির পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা এবং স্কুলের শিক্ষার্থী ও পরিবারের সদস্যদের মানসিক অবস্থাও এখন স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫৯ মিনিটে সিলভার রেইল এলিমেন্টারি স্কুলে হামলার খবর পায় বেন্ড পুলিশ। প্রথমে একটি গাড়িতে গুলি চালানোর খবর আসে। এর পরপরই জরুরি সেবা বিভাগে একাধিক ফোন আসে, যেখানে জানানো হয়, এক বন্দুকধারী স্কুলের ভেতরে ঢুকে গুলি চালাচ্ছে। দুপুর ১টা ২ মিনিটে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্দেহভাজন হামলাকারী নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়।   পুলিশের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেটিভিজেড জানিয়েছে, বন্দুকধারী স্কুলের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং দরজার কাচে গুলি চালিয়ে প্রবেশপথ তৈরি করে। পরে সে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের একটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে গুলি চালায়। ওই শ্রেণিকক্ষে হামলাকারীকে ঠেকানোর চেষ্টা করেন এক শিক্ষকও। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষকের প্রতিরোধের ঘটনাটিও হামলা থামানোর প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ছিল।   হামলায় পাঁচ, আট ও ১১ বছর বয়সী তিন শিশু এবং ২৫ বছর বয়সী শিক্ষক মেগান ল্যামবার্ট নিহত হয়েছেন। আহত সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী এবং ৫৪ বছর বয়সী এক শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহত শিশুটির অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার পাশাপাশি নিহতদের পরিবারের প্রতি সহায়তা এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   বেন্ড পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, হামলার উদ্দেশ্য এবং কিশোরটি কীভাবে আগ্নেয়াস্ত্রটি পেয়েছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবহৃত অস্ত্রটি ছিল তার মায়ের পাম্প-অ্যাকশন শটগান। স্কুলটির সঙ্গে হামলাকারীর পূর্ববর্তী সম্পর্ক কী ছিল, সেটিও তদন্তের বিষয়। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছানোর ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   সূত্র: এনবিসি নিউজ, নিউইয়র্ক পোস্ট, বেন্ড পুলিশ বিভাগ ও কেটিভিজেড।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ২১:১৬
হলিউড অভিনেতা টিমোথি বাসফিল্ডের বিরুদ্ধে শিশু যৌ ন নিপীড়নের মামলা খারিজ করলেন বিচারক

হলিউড অভিনেতা টিমোথি বাসফিল্ডের বিরুদ্ধে শিশু যৌ ন নিপীড়নের মামলা খারিজ করলেন বিচারক

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫ বছরের শিশুকে লাঞ্চবক্স দিয়ে আঘাত, গ্রেপ্তার থেরাপিস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫ বছরের শিশুকে লাঞ্চবক্স দিয়ে আঘাত, গ্রেপ্তার থেরাপিস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে বন্দুক হা মলায় প্রাণ গেল ২৫ বছরের শিক্ষিকার, দরিদ্র শিশুদের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে স্কুলে বন্দুক হা মলায় প্রাণ গেল ২৫ বছরের শিক্ষিকার, দরিদ্র শিশুদের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ

0 Comments