বিশ্ব

রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের জন্য কড়া বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
রাশিয়ার তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আসলে সংকটে পড়তে পারে ভারত।
রাশিয়ার তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আসলে সংকটে পড়তে পারে ভারত।

বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মধ্যে রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে ভারতসহ কয়েকটি দেশকে সাময়িক ছাড় দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেই সুবিধা আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফলে ভারতের জ্বালানি সরবরাহে নতুন করে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, এই ছাড়ের বড় সুবিধাভোগী ছিল ভারত। হরমুজ প্রণালির আশপাশে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও দিল্লি রাশিয়া থেকে তেল আমদানি চালিয়ে যেতে পেরেছিল। কিন্তু ছাড়ের মেয়াদ শেষ হলে সেই সুযোগ আর থাকবে না।

 

সরকারি সূত্রের বরাতে বলা হয়, নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার পর ভারত রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেল কেনার অর্ডার দেয়। এর আগে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারতের শোধনাগারগুলো—যেমন রিলায়েন্স—রাশিয়ার রসনেফট ও লুকওইলের মতো কোম্পানি থেকে তেল সংগ্রহ করেছিল।

 

এদিকে, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইরানের তেলের ওপর দেওয়া সাধারণ লাইসেন্স আর নবায়ন করা হবে না।

 

উল্লেখ্য, মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ভারতের শোধনাগারগুলোকে সমুদ্রে থাকা রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাঙ্কার থেকে তেল কেনার অনুমতি দিয়েছিল। পরবর্তীতে ইরানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ছাড় দেওয়া হয়। রাশিয়ার তেলের ক্ষেত্রে এই সুবিধার মেয়াদ ছিল ১১ এপ্রিল পর্যন্ত, আর ইরানের তেলের জন্য তা ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
লাইফবোটে থাকা অন্যান্য উত্তরজীবীদের সাথে লরা মেবেল ফ্রাঙ্কাতেলি (বৃত্ত চিহ্নিত)। জাহাজে থাকা ২,২২০ জন যাত্রীর মধ্যে মাত্র ৭০০ জনের মতো বেঁচে ফিরতে পেরেছিলেন (ডানে)। নিলামে ওঠা সেই লাইফ জ্যাকেট (বাঁয়ে)।
টাইটানিক থেকে বেঁচে ফেরা যাত্রীর লাইফ জ্যাকেট নিলামে, বিক্রি হতে পারে ৫ কোটি টাকায়

টাইটানিক ডুবে যাওয়ার ১১৪ বছর পর সেই ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডির এক বিরল এবং আবেগঘন স্মারক প্রকাশ্যে এসেছে। জাহাজটি ডুবে যাওয়ার সময় এক বেঁচে যাওয়া যাত্রীর ব্যবহৃত একটি লাইফ জ্যাকেট প্রথমবারের মতো সর্বসাধারণের জন্য নিলামে তোলা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান 'হেনরি অলড্রিজ অ্যান্ড সন' এই নিলামের আয়োজন করছে। নিলামকারীদের মতে, ক্যানভাস ও কর্ক দিয়ে তৈরি এই লাইফ জ্যাকেটটি ১৯১২ সালের সেই কালরাত্রিতে লরা মেবেল ফ্রাঙ্কাতেলি (Laura Mabel Francatelli) নামে এক প্রথম শ্রেণির যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়েছিল। জ্যাকেটটির বিশেষত্ব হলো, এতে লরা মেবেল এবং লাইফবোট নম্বর ১-এর আরও সাতজন বেঁচে যাওয়া যাত্রীর স্বাক্ষর রয়েছে। আগামী শনিবার ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নিলামে জ্যাকেটটির দাম ৩ লাখ ১২ হাজার ডলার থেকে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ কোটির বেশি টাকা) পর্যন্ত উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্ড্রু অলড্রিজ বলেন, "টাইটানিক থেকে বেঁচে ফেরা কোনো যাত্রীর ব্যবহৃত লাইফ জ্যাকেট নিলামে ওঠার ঘটনা এটিই প্রথম। এটি টাইটানিক স্মারক সংগ্রাহকদের জন্য এক অনন্য সুযোগ।" লরা মেবেল ফ্রাঙ্কাতেলি টাইটানিকের সেই কুখ্যাত ১ নম্বর লাইফবোটে করে রক্ষা পেয়েছিলেন, যা মাত্র ১২ জন যাত্রী নিয়ে সমুদ্রে ভাসানো হয়েছিল, যদিও এর ধারণক্ষমতা ছিল অনেক বেশি। জ্যাকেটটি দীর্ঘ ৯৫ বছর ফ্রাঙ্কাতেলি পরিবারের কাছেই ছিল। পরে ২০০৭ সালে এটি প্রথমবারের মতো এক ব্যক্তিগত সংগ্রাহক কিনে নেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এটি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিতে নিলামের মঞ্চে ফিরছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
পোপ লিও

বিশ্বজুড়ে ‘স্বৈরাচারীদের’ রাজত্ব, ট্রাম্পের আক্রমণের মুখে কড়া জবাব পোপ লিওর

তুরস্কের পার্লামেন্ট স্পিকার নুমান কুর্তুলমুস

জাতিসংঘ থেকে ইসরায়েলকে বহিষ্কার করার দাবি তুরস্কের

ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধের পরিধি বৃদ্ধি: ‘নিষিদ্ধ পণ্য’বাহী জাহাজে তল্লাশির ঘোষণা

হরমুজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটের ভয়
হরমুজ বন্ধের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটের ভয়

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের একজন শীর্ষ অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এবং তা মোকাবিলার সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।   জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ভারত, সুদান, কেনিয়া, ব্রাজিল ও থাইল্যান্ডসহ অনেক দেশে গুরুত্বপূর্ণ বপন মৌসুম চলছে। এই সময়ে জ্বালানি ও সারের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে কৃষকরা প্রয়োজনীয় উপকরণ কম ব্যবহার করতে বাধ্য হবেন, যা সরাসরি উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে।   তিনি ব্যাখ্যা করেন, হরমুজ প্রণালি বিশ্বে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং সারের সরবরাহের একটি প্রধান রুট। এই পথ বন্ধ বা অচল থাকলে উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং বাজারে খাদ্যের প্রাপ্যতা কমে যেতে পারে।   তোরেরো আরও বলেন, যদি দ্রুত কোনো সমঝোতা না হয়, তবে ক্ষতি ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। এমনকি প্রণালি পুনরায় খুলে গেলেও বাণিজ্য স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে এবং বাজারের ধাক্কা সামাল দিতে প্রায় ৯০ দিন সময় লাগতে পারে। এই সময়সীমা কৃষি ও সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   তার মতে, যদি অচলাবস্থা দ্রুত শেষ করা যায়, তাহলে তিন থেকে চার মাসের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে পারে এবং সম্ভাব্য খাদ্যসংকট এড়ানো সম্ভব।   এদিকে, চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তারা জানিয়েছে, ইরানের স্বার্থ ও অধিকার স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।   ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের এক সামরিক উপদেষ্টা বলেন, যেকোনো ভবিষ্যৎ চুক্তিতে অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং সতর্কতার সঙ্গে নতুন সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্যও ইরান প্রস্তুত রয়েছে।   সব মিলিয়ে, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান এই অচলাবস্থা শুধু জ্বালানি খাত নয়, বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ট্রাম্পের ক্ষমতা কমানোর এই প্রস্তাব চারবার ব্যর্থ হল। সংগৃহীত ছবি

ট্রাম্পকে থামানোর প্রস্তাব ফের নাকচ

রাশিয়ার তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আসলে সংকটে পড়তে পারে ভারত।

রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের জন্য কড়া বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে ‘গঠনমূলক’ ভূমিকার আহ্বান তুরস্কের

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাধা—ফিরে গেল কত জাহাজ?

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর থেকে কোনো জাহাজই এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পার হতে পারেনি বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।   তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বা দেশটির উপকূলে যাওয়া–আসা করা জাহাজগুলোকে আটকে দেওয়া হচ্ছে বা পথ পরিবর্তনে বাধ্য করা হচ্ছে। তবে অন্যান্য দেশের গন্তব্যে থাকা জাহাজগুলোকে নির্দিষ্ট শর্তে চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।   সাম্প্রতিক এক আপডেটে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০টি জাহাজকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কোনো জাহাজই এই অবরোধ ভেঙে যেতে পারেনি।   এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হিসেবে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি উল্লেখ করে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে জাহাজ থেকে ইরান যে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছিল, তা বন্ধ করা এবং একই সঙ্গে দেশটির তেল রপ্তানিতে চাপ সৃষ্টি করা।   অন্যদিকে, ইরান এই অবরোধকে ‘সমুদ্র দস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। প্রতিক্রিয়ায় তারা পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর ও লোহিত সাগরে নৌ চলাচলে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে।   মার্কিন বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ইরানি পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ বন্দর আব্বাস ত্যাগের পর অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস স্প্রুয়ান্স সেটিকে বাধা দিয়ে অন্যদিকে যেতে বাধ্য করে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংলাপ ত্বরান্বিত করতে কাতারে শাহবাজ শরিফ

ইরানি তেল রপ্তানিতে কড়াকড়ি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

ইরানি তেল রপ্তানিতে কড়াকড়ি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

পরমাণু ইস্যুতে ছাড়ের ইঙ্গিত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির আশা ইরানের

0 Comments