সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

ফরিদপুরে একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম, চার নবজাতকের মৃত্যু

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৩, ২০২৬ ২:৫১
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসাথে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া তরুণী মা চাঁদনী বেগম ও তাঁর পরিবার | ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসাথে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া তরুণী মা চাঁদনী বেগম ও তাঁর পরিবার | ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচটি নবজাতক সন্তানের জন্ম দিয়েছেন চাঁদনী বেগম নামের এক তরুণী মা। তবে গর্ভধারণের মেয়াদ মাত্র সাড়ে ছয় মাস পার হওয়ায় এবং নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে জন্ম নেওয়ায় চরম স্বাস্থ্য জটিলতা দেখা দেয়। ফলে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতকের মধ্যে চারজনই মারা গেছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অত্যন্ত কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

 

গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিটের মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে কোনো ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে শিশুগুলো একে একে ভূমিষ্ঠ হয়। জন্ম নেওয়া শিশুদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে সন্তান ছিল। বিয়ের পর চাঁদনী বেগমের গর্ভে পাঁচটি সন্তান থাকার খবর পেয়ে পরিবারটিতে আনন্দের বন্যা বয়ে গেলেও এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবারে এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নবজাতকদের বাবা মাহামুদুল হাসান ডলার ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরে প্রবাসী জীবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দেড় বছর আগে নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামের চাঁদনী বেগমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল।

 

হাসপাতালটির লেবার ওয়ার্ডের নার্সরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই প্রসূতিকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনেরা। ভর্তির কিছুক্ষণ পর মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যবধানে পাঁচটি বাচ্চা প্রসব করেন তিনি। অস্ত্রোপচার ছাড়াই বাচ্চাগুলো ২৮ সপ্তাহে জন্মগ্রহণ করেছে, যেখানে স্বাভাবিকভাবে ৪০ সপ্তাহে সন্তান প্রসব হওয়ার কথা। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম নেওয়ায় বাচ্চাগুলোর ওজন ছিল মাত্র ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের মধ্যে।

 

হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে আনার পর পাঁচটি বাচ্চাই জীবিত ছিল। তবে ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের নবজাতক অত্যন্ত কম ওজনের শিশু শ্রেণিতে পড়ে, যাদের জন্য নিবিড় নবজাতক পরিচর্যা বা এনআইসিইউ অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু হাসপাতালে পর্যাপ্ত এনআইসিইউ সুবিধা না থাকায় তাদেরকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও স্বজনেরা তা নেননি।

 

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতের বিভিন্ন সময়ে একে একে চারটি শিশু মারা যায়, যার মধ্যে সর্বশেষ শিশুটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে ভোররাতের দিকে। বর্তমানে একমাত্র জীবিত থাকা ছেলে শিশুটিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডে অক্সিজেন দিয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
রাশিয়া থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়ামবাহী কার্গো বিমান ঢাকায় পৌঁছেছে। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের আকাশসীমা পেরিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমান

রাশিয়া থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়ামবাহী প্রথম কার্গো বিমান ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে জটিলতার কারণে সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত চালান পিছিয়ে যাওয়ার পর শুক্রবার, ২ অক্টোবর রাতে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত প্রায় ১১টা ৪৫ মিনিটে বিমানটি ঢাকায় পৌঁছায় এবং এরপর জ্বালানি নামানোর কাজ শুরু হয়।   এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য প্রথম ব্যাচের পারমাণবিক জ্বালানি দেশে আসার কথা ছিল। তবে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের ছাড়পত্র না পাওয়ায় ওই চালান স্থগিত হয়। পরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে কারিগরি ও পদ্ধতিগত বিষয় হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য ছিল, কূটনৈতিক ফ্লাইট ও ওভারফ্লাইট অনুমোদনের আবেদন নির্ধারিত নিয়ম এবং বেসামরিক বিমান চলাচলবিষয়ক প্রটোকল অনুযায়ী প্রক্রিয়া করা হয়।   পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ফ্লাইটের রুট ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমোদনের সঙ্গে বিভিন্ন বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে কখনো কখনো নির্ধারিত সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। দেশটি বিষয়টিকে কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছিল।   এদিকে জটিলতা কাটার পর নতুন সূচিতে রাশিয়া থেকে পারমাণবিক জ্বালানি পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটম জানিয়েছে, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। চুক্তি ও প্রকল্পের সময়সূচি অনুযায়ী কয়েকটি কার্গো ফ্লাইটে এসব জ্বালানি বাংলাদেশে পাঠানো হবে।   ঢাকায় পৌঁছানোর পর আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুযায়ী ইউরেনিয়ামবাহী চালান গ্রহণ ও নামানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থায় চালানটি পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নেওয়া হবে। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ পরিবহনের নিরাপত্তায় নেতৃত্ব দেবে। মহাসড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।   রূপপুর প্রকল্পের প্রশাসন বিভাগের প্রধান গোলাম মাহবুব জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে মোট নয়টি ফ্লাইটে ২০০টির বেশি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি বাংলাদেশে আসবে। এর মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ১৬৩টি অ্যাসেম্বলি রয়েছে। একই সঙ্গে প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত প্রয়োজন মেটাতেও জ্বালানি সরবরাহ করা হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রথম ইউনিটের প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পারমাণবিক জ্বালানি ২০২৩ সালেই বাংলাদেশে পৌঁছেছিল। চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ দিকে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোড করার মাধ্যমে কমিশনিং প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং মে মাসের মধ্যে রিঅ্যাক্টরে ১৬৩টি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি স্থাপন করা হয়।   প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। সম্প্রতি ইউনিটটির চাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চচাপ পরীক্ষা সফল হয়েছে। প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়ে শেষ করা গেলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন চালানটি তাই রূপপুর প্রকল্পের পরবর্তী ধাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার কারণে সরবরাহ সূচিতে যে বিলম্ব হয়েছিল, নতুন চালান আসার মধ্য দিয়ে সেই বাধা কাটিয়ে জ্বালানি সরবরাহ আবার শুরু হলো। ডিসেম্বরের মধ্যে ধারাবাহিক ফ্লাইটে বাকি জ্বালানি দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।   সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার, রসাটম

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬ ২১:৫৫
দন্ত চিকিৎসক ও ভ্রমণবিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা ডা. ওরাকাতুল জান্নাত

শাহজালাল বিমানবন্দরের যাত্রীভোগান্তি লাইভে তুলে ধরে ভাইরাল ডা. ওরাকাতুল জান্নাত

জমজমের পানি দিতে দেরি, বিমানের দুই কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

জমজমের পানি দিতে দেরি, বিমানের দুই কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

সাইবার অপরাধ তদন্তে স্বতন্ত্র ইউনিট চালু,

সাইবার অপরাধ তদন্তে স্বতন্ত্র ইউনিট চালু, জনবল কাঠামোয় ৪ হাজার ৫৯২ পদ

ঢাকার মেট্রোরেল ছবি:সংগৃহীত
মেট্রোরেলের আট প্যাকেজে ৫৮ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকার কাজ অনুমোদন

ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বড় অগ্রগতি হয়েছে। মেট্রোরেল লাইন-১ এবং লাইন-৫ নর্দান রুটের বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে আটটি প্যাকেজের কাজের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এসব কাজের মোট মূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা।   দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর সংশোধিত প্রস্তাব একনেকে অনুমোদনের পর বৃহস্পতিবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্যাকেজের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর ফলে রাজধানীতে মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫ নর্দান রুটের গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।   অনুমোদিত কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ডিপো নির্মাণ, সিভিল ওয়ার্কস, রেললাইন স্থাপন, বৈদ্যুতিক অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা এবং স্টেশন নির্মাণ।   মেট্রোরেল লাইন-১-এর আওতায় নদ্দা থেকে রামপুরা পর্যন্ত মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের জন্য জাপানের তোকিউ কনস্ট্রাকশন এবং বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের যৌথ উদ্যোগ তোকিউ-ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রায় ১৮ হাজার ৩৭ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে।   নদ্দা থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার অংশের মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের জন্য আরেকটি প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা। একই প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ অংশ নির্মাণেও জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগ কাজ করবে।   লাইন-১-এর রেললাইন ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামো স্থাপনের জন্য জাপান-ভারত যৌথ উদ্যোগ এলঅ্যান্ডটি-সুমিতোমো কনসোর্টিয়াম পেয়েছে প্রায় ১১ হাজার ৬৫ কোটি টাকার কাজ।সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপনের জন্য ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো প্রায় ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে।    চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ লাইন-১-এর ডিপোর সিভিল ও ভবন নির্মাণকাজের জন্য প্রায় ৪ হাজার ২৮৫ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে। এছাড়া চায়না রেলওয়ে গ্রুপ ও চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের যৌথ উদ্যোগও মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের একটি প্যাকেজ পেয়েছে।   অন্যদিকে মেট্রোরেল লাইন-৫ নর্দান রুট হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এই প্রকল্পের আওতায় হেমায়েতপুর-আমিনবাজার এবং নদ্দা-ভাটারা অংশে এলিভেটেড মূল লাইন ও পাঁচটি স্টেশন নির্মাণে চীন ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগ প্রায় ২ হাজার ৬৭০ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে। ডিপোর সিভিল ও ভবন নির্মাণে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগ পেয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকার কাজ।   সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী, মেট্রোরেল লাইন-১ ও লাইন-৫ নর্দান রুটের পুরো প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ২ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে লাইন-১-এর ব্যয় প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি এবং লাইন-৫ নর্দান রুটের ব্যয় প্রায় ৮৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।   অর্থাৎ, নতুন অনুমোদিত আটটি প্যাকেজের ৫৮ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা পুরো মেট্রোরেল প্রকল্পের মোট ব্যয় নয়; এটি নির্দিষ্ট আটটি নির্মাণ ও অবকাঠামো প্যাকেজের চুক্তিমূল্য। এই পার্থক্যটি সংবাদে উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬ ৬:৪৭
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছবি:সংগৃহীত

আকাশসীমার জটিলতা কাটিয়ে আজ ঢাকায় আসছে রূপপুরের নতুন ইউরেনিয়াম চালান

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। ছবি: সংগৃহীত

‘বসতভিটা না থাকায়’ সুপারিশ পেয়েও সহকারী শিক্ষক পদে বাদ ইবির সাবেক শিক্ষার্থী

অননুমোদিত গুদামে শুল্কমুক্ত মদ মজুত রাখার অভিযোগে টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডের গুদামে কাস্টমস গোয়েন্দাদের অভিযান। ছবি: সংগৃহীত

গুদামে মদ মজুতের অভিযোগ, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের চার গুদাম সিলগালা

বৈধ কাগজপত্র থাকা তিন নারীর বিদেশযাত্রা আটকে দেওয়ার ঘটনায় হাইকোর্টে রিট হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
নারীদের বিদেশযাত্রায় বাধা নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্ন, সামনে আসছে বিমানবন্দরে হয়রানির অভিজ্ঞতা

বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও তিন প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে নেপাল যেতে বাধা দেওয়ার ঘটনা নতুন করে সামনে এনেছে বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও ইমিগ্রেশনে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ। তিন নারী আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পর এবার নিজেদের পুরোনো অভিজ্ঞতাও প্রকাশ করছেন অনেকে। তাদেরই একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী, যিনি ২০২১ ও ২০২২ সালে ঢাকা বিমানবন্দরে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া দুটি ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।   গত ৮ আগস্ট নেপালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান রিফা তামান্না, সোহানি ইসলাম সমাপ্তি ও নাজনীন। তাদের আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং তাদের কাছে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি ছিল। তাদের বিদেশযাত্রায় কোনো আদালতের নিষেধাজ্ঞাও ছিল না। এরপরও ইমিগ্রেশনে তাদের বৈবাহিক অবস্থা, পরিবারের সম্মতি এবং অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ নিয়ে প্রশ্ন করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত নেপাল যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।   ঘটনাটি এখন আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ জানতে চেয়েছেন, বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও তিন নারীকে বিদেশ যেতে বাধা দেওয়ার কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে পুলিশের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিপিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইনগত ভিত্তি ছাড়া ভবিষ্যতে ওই তিন নারীর বিদেশযাত্রায় বাধা না দিতেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।   তবে ইমিগ্রেশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা এসেছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, মানব পাচারের ঝুঁকির কারণে নেপালগামী যাত্রীদের কাগজপত্র বিশেষভাবে যাচাই করা হচ্ছে। তাদের দাবি, ওই তিন নারী যে সেমিনারে যাওয়ার কথা বলেছিলেন, তার আমন্ত্রণপত্র এবং হোটেল বুকিং দেখাতে পারেননি। পুলিশের সদর দপ্তর জানিয়েছে, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় তারা এ নিয়ে মন্তব্য করতে চায় না।   ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের দুটি অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন এক সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে স্বামীর সঙ্গে নেপাল যাওয়ার সময় ঢাকা বিমানবন্দরে এক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা তার পাসপোর্টে স্বামীর নাম না থাকার কারণ জানতে চান। তিনি জানান, বিয়ের আগে পাসপোর্ট করা হয়েছিল। এরপর ওই কর্মকর্তা তাদের বিয়ের কাবিননামা দেখতে চান বলে তার অভিযোগ।   তার ভাষ্য, বৈধ পাসপোর্টে বিদেশ যেতে কাবিননামা কেন প্রয়োজন - এমন প্রশ্ন তোলার পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রথমে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে রাজি হননি। পরে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে অন্য কর্মকর্তা তার ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। সেই অভিজ্ঞতার বিপরীতে নেপালের বিমানবন্দরে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন খুঁজতে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। তার দাবি, বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ফোনটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন। পরে জানা যায়, বিমানবন্দরে আসার গাড়িতেই ফোনটি ফেলে এসেছিলেন তিনি এবং চালক সেটি ফেরত দিয়ে যান।   পরের বছর, ২০২২ সালের ১৫ আগস্ট ভারত থেকে দেশে ফেরার সময় ঢাকা বিমানবন্দরের কাস্টমসে আরেক দফা হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন ওই গণমাধ্যমকর্মী। তার ভাষ্য, তার পাসপোর্ট ও লাগেজ আটকে রেখে বিদেশে কেনাকাটা, ডলার এনডোর্সমেন্ট এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের করসংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন করা হয়। একপর্যায়ে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ব্যবহার করে ফোন করার পর তার পাসপোর্ট ও লাগেজ ফেরত দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।   এই দুটি ব্যক্তিগত অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ফলে এগুলো ওই গণমাধ্যমকর্মীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বর্ণনা হিসেবেই বিবেচ্য। তবে বিমানবন্দরে বিশেষ করে একা ভ্রমণকারী নারীদের বৈবাহিক অবস্থা, স্বামীর অনুমতি বা অভিভাবকের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করার আরও অভিজ্ঞতা সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে একাধিক নারী একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।   বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদ নাগরিকের চলাফেরা এবং দেশ ত্যাগ ও পুনঃপ্রবেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়, যদিও জনস্বার্থে আইন অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে। সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং লিঙ্গের ভিত্তিতে বৈষম্য না করার বিধানও রয়েছে। বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার, ১৯৭৩-এ একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী অবিবাহিত হওয়া কিংবা স্বামী বা অভিভাবক সঙ্গে না থাকাকে বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়ার স্বতন্ত্র কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।   তিন নারীর নেপালযাত্রা আটকে দেওয়ার ঘটনায় হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের পর তাই প্রশ্নটি এখন শুধু একটি বিমানযাত্রা নষ্ট হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বৈধভাবে বিদেশ যেতে চাওয়া একজন নাগরিককে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা ঠিক কোন পরিস্থিতিতে থামাতে পারবেন এবং সেই ক্ষমতার সীমা কোথায় - আদালতের চলমান প্রক্রিয়ায় সেই প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১, ২০২৬ ২০:৪৭
শ্রমজীবী মায়ের মেয়ে নোয়াখালির নাবিলাহ, এখন জর্জিয়ার সিনেটে গড়লেন ইতিহাস

শ্রমজীবী মায়ের মেয়ে নোয়াখালির নাবিলাহ, এখন জর্জিয়ার সিনেটে গড়লেন ইতিহাস

রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করার ছবি:সংগৃহীত।

শিক্ষায় অবদান রাখা গুণীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের

জামায়াত আর আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: উমামা ফাতেমা

জামায়াত আর আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: উমামা ফাতেমা

0 Comments