সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
শিক্ষা

১৫ দিনের মধ্যে এসএসসিতে ফেল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ১২:১৭
বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এই তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এই তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে এবং অকৃতকার্য হওয়ার পর দীর্ঘ অপেক্ষা এড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর বগুড়ার শেরপুরে পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী। 

 

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি আয়োজিত ৪৯তম বিসিএসের সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে তিনি অকৃতকার্য ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এগিয়ে গেলে চলবে না, পিছিয়ে পড়াদের জন্যও ব্যবস্থা নিতে হবে। 

 

নতুন পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, এসএসসিতে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হলে ফল প্রকাশের পর দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। এই পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পুনঃপরীক্ষাতেও সফল না হলে তাদের কারিগরি বা বৃত্তিমূলক শিক্ষায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। 

 

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে পুনঃপরীক্ষার সময়সীমা ও সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোন শিক্ষাবর্ষ থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে, আবেদন কীভাবে করতে হবে কিংবা পরীক্ষার ফি ও সময়সূচি কী হবে, সে বিষয়ে একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি। 

 

একই অনুষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকে এসব কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়ে আনন্দময় পরিবেশে শেখার সুযোগ বাড়াতে কাজ করছে সরকার। সাধারণ শিক্ষায় বারবার অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট না করে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়াও সরকারের পরিকল্পনার অংশ। 

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা সরদার কেরামত আলী। উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশাসহ শিক্ষা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। 


সূত্র: একাত্তর টিভি


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

শিক্ষা

View more
বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এই তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
১৫ দিনের মধ্যে এসএসসিতে ফেল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে এবং অকৃতকার্য হওয়ার পর দীর্ঘ অপেক্ষা এড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর বগুড়ার শেরপুরে পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী।    জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি আয়োজিত ৪৯তম বিসিএসের সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে তিনি অকৃতকার্য ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এগিয়ে গেলে চলবে না, পিছিয়ে পড়াদের জন্যও ব্যবস্থা নিতে হবে।    নতুন পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, এসএসসিতে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হলে ফল প্রকাশের পর দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। এই পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পুনঃপরীক্ষাতেও সফল না হলে তাদের কারিগরি বা বৃত্তিমূলক শিক্ষায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।    শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে পুনঃপরীক্ষার সময়সীমা ও সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোন শিক্ষাবর্ষ থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে, আবেদন কীভাবে করতে হবে কিংবা পরীক্ষার ফি ও সময়সূচি কী হবে, সে বিষয়ে একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।    একই অনুষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চতুর্থ শ্রেণি থেকে এসব কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়ে আনন্দময় পরিবেশে শেখার সুযোগ বাড়াতে কাজ করছে সরকার। সাধারণ শিক্ষায় বারবার অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট না করে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়াও সরকারের পরিকল্পনার অংশ।    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা সরদার কেরামত আলী। উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশাসহ শিক্ষা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।  সূত্র: একাত্তর টিভি

প্রকাশ: অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ১২:১৭
অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার নিয়মে নতুন পরিবর্তন

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যেতে চান! শিক্ষার্থী ভিসা ও পরিবারের আবেদন নিয়ে জেনে নিন নতুন নিয়ম

চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের মেয়ে শান্তা যাদব

সিলেটের চা শ্রমিকের মেয়ে শান্তা এখন হার্ভার্ডের শিক্ষার্থী, পড়ছেন স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে

ট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে চলমান অচলাবস্থা আরও গভীর হয়েছে

চুয়েটে উপাচার্য অপসারণের দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের অসহযোগ, ২০ দিন ধরে বন্ধ ক্লাস-পরীক্ষা

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার বিশেষ সুযোগ
টেক্সাসে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিনা ফিতে কলেজে আবেদনের সুযোগ, যেভাবে আবেদন করবেন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ফি ছাড়াই আবেদন করার বিশেষ সুযোগ পাচ্ছেন যোগ্য শিক্ষার্থীরা। ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ কর্মসূচি চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে যোগ্য টেক্সাসের বাসিন্দারা রাজ্যের সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাক্রমে আবেদন করতে পারবেন বিনা আবেদন ফিতে।   টেক্সাসের উচ্চশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের আর্থিক বাধা কমানো এবং আরও বেশি শিক্ষার্থীকে কলেজে আবেদন করতে উৎসাহিত করা। বিশেষ করে যাঁরা একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে চান, তাঁদের জন্য এটি অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করেছে।   টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের এই কর্মসূচিতে দুই লাখ ষাট হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। এবারও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এই সুবিধা গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।   কারা আবেদন করতে পারবেন?   এই কর্মসূচির আওতায় টেক্সাসের বাসিন্দা হিসেবে যোগ্য শিক্ষার্থীরা রাজ্যের সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাক্রমে আবেদন করতে পারবেন। প্রথমবার কলেজে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্থানান্তরিত হয়ে ভর্তি হতে আগ্রহীরাও এই সুযোগ পেতে পারেন।   আবেদনকারীর টেক্সাসের বাসিন্দা হিসেবে যোগ্যতা যাচাই করা হবে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা কিংবা টেক্সাসে পড়াশোনা করার কারণে কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই সুবিধার যোগ্য হবেন না।   কর্মসূচিটি মূলত স্নাতক পর্যায়ের আবেদনের জন্য। সাধারণ নিয়মে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের আবেদন এই ফি মওকুফের আওতায় পড়ে না। তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব উদ্যোগে অতিরিক্ত সুবিধা দিচ্ছে।   কীভাবে আবেদন করবেন?   শিক্ষার্থীদের প্রথমে ApplyTexas ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে অথবা বিদ্যমান অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর পছন্দের কলেজ, শিক্ষাবিষয় এবং ভর্তির সময় নির্বাচন করে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।   আবেদনে ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রতিষ্ঠানের চাওয়া অন্যান্য তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। সব তথ্য যাচাই করে আবেদনটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে।   ২০২৬ সালের ১৮ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট সেন্ট্রাল ডে-লাইট টাইমের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, শেষ সময়টি হবে ১৯ অক্টোবর সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট। আবেদন তৈরি করে রেখে দিলে হবে না; নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়ার প্রমাণ থাকতে হবে।যোগ্য আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ApplyTexas-এর মাধ্যমে জমা দেওয়া আবেদনের ফি মওকুফ হবে। আবেদনপ্রক্রিয়ায় ফি বা অর্থ পরিশোধের নির্দেশনা দেখা গেলেও যোগ্য আবেদনকারীদের এই সপ্তাহে জমা দেওয়া আবেদনের জন্য অর্থ দিতে হবে না বলে প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে। আবেদনের ওয়েবসাইট: https://www.applytexas.org/   কত টাকা সাশ্রয় হতে পারে?   কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আবেদন ফি আলাদা। কোনো শিক্ষার্থী একাধিক প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে চাইলে প্রতিটি আবেদনের জন্য আলাদা ফি দিতে হতে পারে। এই কর্মসূচিতে যোগ্য শিক্ষার্থীরা একাধিক প্রতিষ্ঠানে আবেদন করে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় করতে পারবেন।   তবে সাশ্রয়ের নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত আবেদন ফি এবং শিক্ষার্থী কতটি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করছেন তার ওপর। আবেদন ফি মওকুফের অর্থ এই নয় যে টিউশন ফি, ভর্তি-পরবর্তী অন্যান্য খরচ বা আবাসনের খরচও মওকুফ হবে।   বাংলাদেশি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কী নিয়ম?   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই রাজ্যব্যাপী কর্মসূচি সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত নয়। সুবিধাটি টেক্সাসের বাসিন্দা হিসেবে যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেই কেউ এই সুবিধা পাবেন না।   যাঁরা বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যেতে চান অথবা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করতে চান, তাঁদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আবেদন ফি মওকুফের নিয়ম যাচাই করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আবেদনের ফি, যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নিয়ম আলাদা হতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১২, ২০২৬ ১৭:৪
মাস্টার্স ছাড়াই ফুল ফান্ড পিএইচডির সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রে

মাস্টার্স ছাড়াই ফুল ফান্ড পিএইচডির সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ে, জানুন বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির অনুমতি

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির অনুমতিতে ৭০ হাজার ডলার ফি প্রস্তাব, উদ্বেগে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা

যুক্তরাজ্যের আলস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে পিএইচডি শুরু করতে আগ্রহীদের জন্য ফান্ডিংসহ গবেষণা

যুক্তরাজ্যে ফুল ফান্ডিংয়ে পিএইচডি! আলস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাবেন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরাও

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাজের সুযোগে নতুন বাধা, ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থী ও দক্ষ কর্মীদের জন্য অভিবাসনসংক্রান্ত নিয়ম কঠোর করার নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।এর অংশ হিসেবে নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বিনিময়ভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা ভিসার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।   পাশাপাশি পড়াশোনা শেষে শিক্ষার্থীদের কাজ করার সুযোগের সঙ্গে যুক্ত একটি কর্মসূচিতেও বড় অঙ্কের ফি আরোপের প্রস্তাব এসেছে। এসব পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়ার পরিকল্পনা করা বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে পারে।    ৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ঘোষণা দেন, হার্ভার্ড, ইয়েল ও স্ট্যানফোর্ডসহ নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হবে। প্রশাসনের অভিযোগ, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য ব্যবহৃত জে-১ ভিসা কর্মসূচি যথাযথভাবে ব্যবহার করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।   এই ভিসা সাধারণত শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মতো নির্দিষ্ট কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের জন্য ব্যবহৃত হয়। তদন্তের আওতায় থাকা নয়টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়, পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভিস শাখা, ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, অ্যারিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি।   প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে ইতিমধ্যে তদন্তসংক্রান্ত নথি তলবের চিঠি পাঠানো হয়েছে। স্ট্যানফোর্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভিস শাখা তদন্তে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছে। অন্য কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ও নথি পর্যালোচনা বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের কথা বলেছে।    এই তদন্তের পাশাপাশি ৭ অক্টোবর বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কাজ করার সুযোগ নিয়েও নতুন প্রস্তাব সামনে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বেচ্ছামূলক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বা ওপিটিতে অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার ডলার ফি দিতে হবে, এমন প্রস্তাব করেছে প্রশাসন।   ওপিটি কর্মসূচির মাধ্যমে যোগ্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের পড়াশোনার বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কাজে সাময়িকভাবে যুক্ত হতে পারেন। তবে এটি এখনো প্রস্তাবিত নিয়ম; কার্যকর হয়ে গেছে এমন সিদ্ধান্ত হিসেবে একে দেখা ঠিক হবে না।    বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার পর অনেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নিজেদের বিষয়ে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে ওপিটি কর্মসূচির ওপর নির্ভর করেন।   প্রস্তাবিত ফি বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কীভাবে এর ব্যয় বহন করবে, শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগে কী প্রভাব পড়বে এবং নিয়মটি কবে কার্যকর হতে পারে, তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠবে। তবে এখনই সব বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কাজের অনুমতি বন্ধ হচ্ছে বা তাঁদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে, এমন কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ১৩:৪৩
নিউইয়র্কের স্কুলে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার

নিউইয়র্কের স্কুলে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই বিশেষ ছাড়, অনলাইনে পড়ার সুযোগ

বর্তমানে যেসব ফুল ফ্রি স্কলারশিপে আবেদন চলছে, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল সুযোগ

বর্তমানে যেসব ফুল ফ্রি স্কলারশিপে আবেদন চলছে, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল সুযোগ

অভিভাবকদের সাথে শিক্ষার্থীদের গ্রুপ ফটো।

নিউইয়র্কে শিশুদের ভবিষ্যৎ শিক্ষার জন্য সঞ্চয়ের সুযোগ, বাংলাভাষী অভিভাবকদের জন্য বিশেষ কর্মশালা

0 Comments