সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
তথ্যপ্রযুক্তি

এআইয়ে কোন চাকরি টিকবে? বিল গেটসের ভবিষ্যদ্বাণীতে রয়েছে ৩ পেশা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ৯:৪৯
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির ফলে বৈশ্বিক চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিল গেটস। ছবি: সংগৃহীত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতির ফলে বৈশ্বিক চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিল গেটস। ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতিতে আগামী বছরগুলোতে চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। ২০২৫ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং, জৈববিজ্ঞান এবং জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞদের কাজ তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ থাকতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রও এআইয়ের প্রভাবের বাইরে থাকবে, এমন নিশ্চয়তা তিনি দেননি। 

 

গেটসের বক্তব্য অনুযায়ী, এআই অনেক পেশার মানুষের কাজ দ্রুত ও দক্ষভাবে করতে পারবে। চিকিৎসা ও শিক্ষার মতো ক্ষেত্রেও এআইয়ের সক্ষমতা বাড়বে। তবে জটিল সমস্যা সমাধান, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নতুন প্রযুক্তি তৈরি এবং বাস্তব জগতের জটিল সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মানুষের ভূমিকা কিছু সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

 

তিনটি ক্ষেত্রের মধ্যে সফটওয়্যার প্রোগ্রামিংকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এআই ইতোমধ্যে কোড লেখা, কোড বিশ্লেষণ ও ত্রুটি শনাক্ত করার মতো কাজে সক্ষম হলেও জটিল সফটওয়্যার তৈরি ও পরিচালনায় মানুষের তদারকি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তবে গেটসের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টও এআইয়ের কারণে চাকরির চাহিদা পরিবর্তনের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

 

জৈববিজ্ঞান বা বায়োসায়েন্সও গেটসের তালিকায় রয়েছে। এআই বিপুল পরিমাণ বৈজ্ঞানিক তথ্য বিশ্লেষণ, রোগ শনাক্তকরণ ও ডিএনএ গবেষণায় সহায়তা করতে পারলেও নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে মানুষের সৃজনশীলতা ও গবেষণার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ থাকবে বলে তার বক্তব্যে উঠে এসেছে। 

 

তৃতীয় ক্ষেত্র জ্বালানি। জ্বালানি উৎপাদন, অবকাঠামো, নিরাপত্তা, নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মতো জটিল বিষয় থাকায় এ খাত পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করা কঠিন বলে গেটসের মত। 

 

তবে ২০২৬ সালে গেটসের অবস্থান আরও বিস্তৃত হয়েছে। তার সাম্প্রতিক লেখায় তিনি বলেছেন, এআই আইন, কাস্টমার সার্ভিস, চিকিৎসা, সফটওয়্যার ও উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে কাজের ধরন দ্রুত বদলে দেবে এবং অনেক চাকরি স্থায়ীভাবেও হারিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে তিনি কিছু কাজ মানুষের জন্য সংরক্ষণ করার পক্ষেও মত দিয়েছেন। 

 

গেটসের মতে, ভবিষ্যতে শুধু কোন চাকরি থাকবে বা থাকবে না, সেই প্রশ্নের চেয়ে এআইয়ের কারণে শ্রমবাজারে যে পরিবর্তন আসবে, সেটি কীভাবে সামলানো হবে সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কর্মীদের নতুন দক্ষতা অর্জনের সুযোগ, নীতিগত প্রস্তুতি এবং মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো সংরক্ষণে এখন থেকেই পরিকল্পনা করা দরকার বলে তিনি মনে করেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

তথ্যপ্রযুক্তি

View more
বাংলাদেশি প্রকৌশলী তারেক সরোয়ার
ইলন মাস্কের টেসলা রোডস্টারের গবেষণায়  বাংলাদেশের বুয়েটের তারেক সরোয়ার! জানালেন অভিজ্ঞতা

টেসলার গাড়ির নিচের কাঠামো বা আন্ডারবডির দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব মূল্যায়নে কাজ করেছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী তারেক সরোয়ার। নিজের কাজের বিবরণে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে ইন্টার্নশিপের সময় প্রতিকূল আবহাওয়ায় এই কাঠামোর কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই মূল্যায়নের ফল পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট অংশের চূড়ান্ত নকশা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে।   গাড়ির বাইরের নকশার আড়ালে থাকা এই কাঠামো নিয়েই ছিল তাঁর গবেষণা। তারেকের বর্ণনা অনুযায়ী, তীব্র গরম, প্রচণ্ড ঠান্ডা, বৃষ্টি ও লবণাক্ত পরিবেশে দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর আন্ডারবডি কেমন অবস্থায় থাকবে, তা মূল্যায়ন করা ছিল তাঁর দায়িত্ব। কোনো যন্ত্রাংশ তৈরি করা সম্ভব হওয়ার পাশাপাশি ব্যবহারের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সেটির স্থায়িত্ব যাচাই করাও এই কাজের অংশ ছিল। তারেক তাঁর কাজকে টেসলার নতুন রোডস্টারের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তবে রোডস্টারের নির্দিষ্ট কোন অংশে তাঁর গবেষণার ফল প্রয়োগ করা হয়েছে, সে বিষয়ে টেসলার প্রকাশ্য নথিতে স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। একইভাবে পুরো আন্ডারবডি এক খণ্ডে তৈরি এবং প্রতি পাঁচ সেকেন্ডে এমন একটি অংশ উৎপাদনের দাবির পক্ষেও রোডস্টারসংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এসব উৎপাদনসংক্রান্ত দাবিকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ নেই।   তবে টেসলায় তাঁর ইন্টার্নশিপের বিষয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনায় তথ্য রয়েছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির ইইই বিভাগের স্টুডেন্ট হ্যান্ডবুকে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৫ মে টেসলায় চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে একটি ওয়েবিনারে বক্তব্য দেন তারেক সরোয়ার। সেখানে তাঁকে ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ার ইন্টার্ন হিসেবে পরিচয় করানো হয়। ওয়েবিনারে জীবনবৃত্তান্ত তৈরি, প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন, চাকরির আবেদন ও ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।    তারেকের গবেষণার সঙ্গে মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির সংযোগও প্রকাশিত গবেষণাপত্রে পাওয়া যায়। ২০২১ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে ‘এমডি সরোয়ার তারেক’ নামের লেখকের প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির যন্ত্রকৌশল বিভাগের নাম রয়েছে। গবেষণাটি ছিল করোনাভাইরাস মহামারির সময় থ্রিডি প্রিন্টিংসহ অ্যাডিটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে। এটি তাঁর গবেষণার পটভূমির তথ্য দেয়, তবে রোডস্টারের নকশায় অবদান রাখার দাবির স্বতন্ত্র প্রমাণ নয়।  সূত্র: আইবিএল ইন্টারন্যাশনাল  

প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ৩:৪৯
আইফোন ডুও

বাজারে আসার কয়েক ঘণ্টায় আইফোন ডুওর মজুত শেষ, পুনর্বিক্রিতে দাম চাওয়া হচ্ছে ১০ হাজার ডলার!

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোন ‘ডুয়ো’

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোন ‘ডুয়ো’ কিনতে বিশ্বজুড়ে ক্রেতাদের ভিড়

ডালাস ও ফোর্ট ওয়ার্থ, অস্টিন এবং হিউস্টনকে ঘিরে তিনটি এয়ার ট্যাক্সি নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা

ডালাসসহ টেক্সাসের তিন অঞ্চলে এয়ার ট্যাক্সি চালুর নতুন পরিকল্পনা আর্চার এভিয়েশনের

ভিডিও কিকস্টার্ট বোনাস
এক্সে ১৫ ভিডিওতে বোনাসের সুযোগ, নেই কোন ফলোয়ারের শর্ত

মৌলিক ভিডিও প্রকাশে নির্মাতাদের উৎসাহ দিতে ‘ভিডিও কিকস্টার্ট বোনাস’ নামে পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চালু করেছে এক্স। এতে আমন্ত্রণ পাওয়া নির্মাতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলাদা ১৫ দিনে অন্তত ১৫টি যোগ্য ভিডিও পোস্ট করতে হবে। তবে শুধু ভিডিও প্রকাশ করলেই প্রত্যেক ব্যবহারকারী প্রায় চার লাখ টাকা পাবেন, এমন কোনো সর্বজনীন ঘোষণা দেয়নি প্ল্যাটফর্মটি।      এক্সের ক্রিয়েটর প্রোডাক্ট বিভাগের অ্যালেগ্রা জাকিয়ার ঘোষণার ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিন হাজার ডলার পর্যন্ত বোনাসের কথা এসেছে। তবে এক্সের নিজস্ব নির্দেশিকা বলছে, নির্মাতার বোনাসের অঙ্ক তাঁর আমন্ত্রণপত্র ও ক্রিয়েটর স্টুডিওতে দেখানো হবে। আমন্ত্রণের সময় এক্সসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে মোট ফলোয়ারের ভিত্তিতে এই অঙ্ক নির্ধারিত হয়। তাই সবার বোনাস সমান নয়।  কর্মসূচির প্রথম পর্ব ১৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। এই পর্বে যোগ দিতে আমন্ত্রিত নির্মাতাদের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে। সব সময়সীমা যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক সময় অনুযায়ী গণনা করা হবে। একই দিনে একাধিক ভিডিও দিলেও সেটি এক দিন হিসেবেই ধরা হবে। অতিরিক্ত ভিডিও প্রকাশে বোনাস বাড়বে না।      যোগ্য ভিডিও হতে হবে নিজের তৈরি, খাড়া বা ভার্টিক্যাল ফরম্যাটে ৯:১৬ অনুপাতের এবং তিন মিনিটের কম দৈর্ঘ্যের। নিজের ভিডিও আগে অন্য প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হলেও গ্রহণযোগ্য হতে পারে, তবে অন্য প্ল্যাটফর্মের নাম, লোগো বা ওয়াটারমার্ক থাকা যাবে না। নিবন্ধনের পর প্রকাশিত ভিডিওই গণনায় আসবে। অন্যের ভিডিও কিংবা একই ভিডিও বারবার পোস্ট করে শর্ত পূরণ করা যাবে না।      অংশগ্রহণকারীর বয়স অন্তত ১৮ বছর হতে হবে। ভালো অবস্থানে থাকা অ্যাকাউন্ট, ভেরিফাইড ইমেইল এবং যোগ্য এক্স প্রিমিয়াম সদস্যতা অথবা প্রিমিয়াম বিজনেসের অধিভুক্তি প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ গ্রহণের জন্য সক্রিয় এক্স মানি অ্যাকাউন্ট এবং অন্য দেশের ক্ষেত্রে সংযুক্ত ও যাচাইকৃত স্ট্রাইপ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মসূচি ও অর্থ গ্রহণের সুবিধাও থাকতে হবে।    আমন্ত্রণ পাওয়া নির্মাতারা ক্রিয়েটর স্টুডিওর ‘প্রোগ্রামস’ বিভাগে নিবন্ধন করতে পারবেন। সেখানে ভিডিও ও পোস্ট করার দিনের অগ্রগতি দেখা যাবে। তবে ট্র্যাকারে শর্ত পূরণ দেখালেও সেটি অর্থপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা নয়। পর্ব শেষে চূড়ান্ত পর্যালোচনা হবে। এক্সের শর্তাবলি অনুযায়ী, বোনাস নিশ্চিত মাসিক আয় নয়; অর্থ দেওয়া ও তার পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষমতা প্ল্যাটফর্মটির হাতে রয়েছে। 

প্রকাশ: অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ১০:১৬
টেসলার এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট অশোক এলুসওয়ামি

টেসলার এআই সফটওয়্যারের নেতৃত্বে ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট অশোক

চু রি করা আইফোনে সতর্কবার্তা

ফ্রান্সে অ্যাপল স্টোরে লু ট পা টের পর চো রদের আইফোনেই ভেসে উঠল সতর্কবার্তা

সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট বন্ধ, বাংলাদেশের প্রস্তুতি কতটা আর ঝুঁকিই বা কী

ফেসবুকে কনটেন্ট পৌঁছানোর হিসাব দেখাতে পরিচিত ‘রিচ’ সূচকের জায়গায় গুরুত্ব পাচ্ছে ‘ভিউয়ারস’। ছবি: সংগৃহীত
ফেসবুকে বন্ধ হচ্ছে পরিচিত ‘রিচ’, জায়গা নিচ্ছে নতুন সূচক ‘ভিউয়ারস’

ফেসবুকে কনটেন্ট কতজন আলাদা দর্শকের কাছে পৌঁছাচ্ছে, সেই হিসাব দেখানোর ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসছে। পরিচিত ‘রিচ’ সূচকের জায়গায় গুরুত্ব পাচ্ছে ‘ভিউয়ারস’। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ম্যানিলা শেকারের ২০ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ফেসবুক অ্যানালিটিকসে রিচের পরিবর্তে ভিউয়ারস ব্যবহার করা হবে। তবে পরিবর্তনটিকে কনটেন্ট মানুষের কাছে পৌঁছানো বন্ধ হয়ে যাওয়া হিসেবে বোঝার সুযোগ নেই। এটি দর্শকসংখ্যা পরিমাপ ও প্রদর্শনের পরিবর্তন।    ভিউয়ারস দিয়ে বোঝানো হয়, নির্ধারিত সময়ে কতটি আলাদা অ্যাকাউন্ট কোনো কনটেন্ট দেখেছে। একই অ্যাকাউন্ট একাধিকবার দেখলেও আলাদা দর্শকের হিসাবে সেটিকে একবারই গণনা করা হয়। পেজ পরিচালনাকারী, সংবাদমাধ্যম, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য এই সূচক দর্শকের বিস্তার বোঝার কাজে ব্যবহৃত হবে।    অন্যদিকে ‘ভিউস’ ও ‘ভিউয়ারস’ এক বিষয় নয়। ভিউস হলো কনটেন্ট কতবার দেখা বা প্রদর্শিত হয়েছে, তার হিসাব। এতে একই ব্যক্তির একাধিকবার দেখাও যুক্ত হতে পারে। ফলে একটি পোস্টের ভিউস বেশি হলেও তার অর্থ এই নয় যে সমানসংখ্যক আলাদা মানুষ পোস্টটি দেখেছেন।    রিচ থেকে ভিউয়ারসভিত্তিক হিসাবে যাওয়ার প্রক্রিয়া অবশ্য আগেই শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্ল্যাটফর্ম আইকনোস্কোয়ারের নথি অনুযায়ী, তৃতীয় পক্ষের অ্যানালিটিকস সেবায় ব্যবহৃত ফেসবুকের পুরোনো একাধিক রিচ সূচক সরানোর সময় নির্ধারিত ছিল চলতি বছরের ১৫ জুন। ওই পরিবর্তনের জন্য প্রতিষ্ঠানটি জুন থেকেই ভিউয়ারসভিত্তিক তথ্য ব্যবহার শুরু করে। তাই অ্যাপ, ড্যাশবোর্ড ও বাইরের বিশ্লেষণসেবায় পরিবর্তন দেখানোর সময় এক নাও হতে পারে।    পুরোনো রিচ ও নতুন ভিউয়ারসের সংখ্যা সরাসরি তুলনা করলেও সতর্কতা প্রয়োজন। এমপ্লিফাইয়ের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আগের হিসাবে কনটেন্ট স্ক্রিনে আসার ভিত্তিতে আলাদা দর্শক গণনা করা হতো। নতুন হিসাবে কনটেন্ট চালু হওয়া বা প্রদর্শিত হওয়ার ভিত্তিতে দর্শক গণনা করা হচ্ছে। সংজ্ঞা ও গণনাপদ্ধতি বদলানোর কারণে সংখ্যার পরিবর্তন দেখা যেতে পারে, যা সব ক্ষেত্রে দর্শক বাড়া বা কমার সমান নয়।    তৃতীয় পক্ষের কিছু বিশ্লেষণসেবায় অর্গানিক, পেইড, ভাইরাল ও ননভাইরাল রিচের পুরোনো বিভাজনও আর পাওয়া যাচ্ছে না। আইকনোস্কোয়ার জানিয়েছে, নতুন ভিউয়ারস সূচকে মোট আলাদা দর্শকের হিসাব থাকলেও আগের মতো এসব ভাগ নেই। ফলে নিয়মিত পেজের পারফরম্যান্স প্রতিবেদন তৈরির সময় কোন সূচক ও কোন সময়ের তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছে, তা স্পষ্ট রাখা প্রয়োজন।

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ১২:১৫
এআই ও শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় জেনসেন হুয়াং

এআই নিয়ে প্রচলিত ধারণা বদলে দিলেন এনভিডিয়া সিইও, শিল্পখাতকে দিলেন জরুরি পরামর্শ

প্রেমের টানে ১২০০ মাইল, বাস্তবে প্রেমিকা এআই!

স্বপ্নের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, সামনে গিয়ে জানলেন তিনি আসলে এআই

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন তরুণ কায়রান কাজী

১৪ বছরেই স্পেসএক্সে চাকরি, ১৬তে ওয়াল স্ট্রিটে  বাংলাদেশি কায়রান

0 Comments