সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

ভোরে নামাজের আগে মসজিদের ইমামকে গুলি করে হত্যা, সীমান্তে চাঞ্চল্য

Unknown প্রকাশ: জুলাই ২১, ২০২৬ ৩:৩৪
ছবি: প্রতিকী
ছবি: প্রতিকী

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত শহর মিরজাভেহে অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের হামলায় সুন্নি ধর্মীয় নেতা মাওলভি মোহাম্মদ আনভার রিগি নিহত হয়েছেন। সোমবার, ২০ জুলাই ভোরে সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশে এ হামলা ঘটে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। 

মাওলভি আনভার রিগি মিরজাভেহ শহরের আলী ইবনে আবি তালিব মসজিদের জুমার নামাজের ইমাম ছিলেন। মিরজাভেহর গভর্নর মোখতার মোহসেন মোবারাকি জানান, সশস্ত্র ব্যক্তিরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তার মৃত্যু হয়। 

 

 

 

 

হামলাকারীদের পরিচয় কিংবা হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কোনো গোষ্ঠীও হামলার দায় স্বীকার করেনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলমান থাকায় কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। 

স্থানীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং সাম্প্রদায়িক বিভেদ উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হামলার পেছনে কারা রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। 

 

 

 

হত্যাকাণ্ডের পর সিস্তান-বালুচিস্তানের শিয়া ও সুন্নি ধর্মীয় নেতারা পৃথকভাবে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি করেছেন। 

পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী সিস্তান-বালুচিস্তানে বিপুলসংখ্যক সুন্নি বালুচ জনগোষ্ঠীর বসবাস। ইরানের দরিদ্রতম অঞ্চলগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত প্রদেশটিতে অতীতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
শীতের আগে গ্যাসের মজুত নিয়ে চাপে ইউরোপ
শীত আসার আগেই গ্যাসের মজুত নিয়ে উদ্বেগে ইউরোপ, যুদ্ধের প্রভাবে বাড়তে পারে জ্বালানির দাম

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন দেখা দেওয়ায় শীতের আগে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত নিয়ে চাপে পড়েছে ইউরোপ। সরবরাহে অনিশ্চয়তা দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে শীত মৌসুমে গ্যাসের চাহিদা বাড়ার সময় সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল ইউরোপের গ্যাস সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তাঁর সতর্কবার্তায় শীতের আগে জ্বালানি মজুতের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইউরোপের দেশগুলো শীতকালে ঘরবাড়ি গরম রাখা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পকারখানা সচল রাখতে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভর করে। ফলে শীত শুরুর আগে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত করা দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে গেলে বা আমদানি ব্যয় বেড়ে গেলে মজুত পূরণের পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। এতে একই পরিমাণ গ্যাস সংগ্রহ করতেও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উৎপাদন ও পরিবহন অঞ্চলের একটি। এ অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন, পরিবহন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচল ব্যাহত হলে জ্বালানি সরবরাহের খরচ ও সময়—দুটিই বেড়ে যেতে পারে। ইউরোপের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে, কারণ অঞ্চলটির দেশগুলোকে শীতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আগেভাগে গ্যাসের মজুত নিশ্চিত করতে হয়। সরবরাহের অনিশ্চয়তার মধ্যে মজুত বাড়ানোর প্রতিযোগিতা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানার ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের জ্বালানি বিলে। গ্যাসের দাম বাড়লে শুধু পরিবারগুলোর ব্যয়ই বাড়ে না, উৎপাদন খরচও বেড়ে যায় বিভিন্ন শিল্পে। বিশেষ করে যেসব কারখানায় গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি বা কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেগুলো বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারে। জ্বালানির উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হলে পণ্য ও সেবার দামেও তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। তবে ইউরোপের গ্যাস পরিস্থিতি নির্ভর করবে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি, আন্তর্জাতিক সরবরাহ কতটা স্বাভাবিক থাকে, বাজারে বিকল্প জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং দেশগুলো কত দ্রুত মজুত বাড়াতে পারে—এসব বিষয়ের ওপর। সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্ন দেখা দিলে শীতের চাহিদা মেটাতে ইউরোপকে আরও বেশি ব্যয় করতে হতে পারে। ফাতিহ বিরলের সতর্কবার্তা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন শীতের প্রস্তুতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা ইউরোপের নীতিনির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুদ্ধের কারণে সরবরাহব্যবস্থার অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে গ্যাসের মজুত পূরণ, মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা ইউরোপের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ২০:১২
যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই বড় বার্তা ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন আলোচনার আহ্বান

যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই বড় বার্তা ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন আলোচনার আহ্বান

কলম্বিয়ার আমাজন অরণ্যে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিন ছোট ভাইবোনকে নিয়ে ৪০ দিন প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে ছিল ১৩ বছরের লেসলি মুকুতুই। ছবি: সংগৃহীত

আমাজনে ৪০ দিন তিন ভাইবোনকে আগলে রেখেছিল ১৩ বছরের লেসলি, বেঁচে ছিলেন প্রত্যেকেই

জন্মের পরই নবজাতকের মুখে ঘন কালো গোঁফ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

জন্মের পরই নবজাতকের মুখে ঘন কালো গোঁফ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়

২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামিয়েছিলাম, দাবি ট্রাম্পের
২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামিয়েছিলাম, দাবি ট্রাম্পের

পারমাণবিক অস্ত্রধারী ভারত ও পাকিস্তানকে প্রাণঘাতী যুদ্ধে জড়ানো থেকে বিরত রাখতে নিজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে আবারও দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ফ্লোরিডায় এক নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এই দাবি করেন।   ট্রাম্প জানান, সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে উভয় দেশের ওপর ২৫০ শতাংশ বাণিজ্য শুল্ক আরোপের কড়া হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, বাণিজ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কারণেই ভারত ও পাকিস্তান গুলি চালানো বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এত বড় সংঘাত থামানোসহ মোট আটটি যুদ্ধ মীমাংসার পেছনে নিজের কৃতিত্ব থাকার পরও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।   গত বছরের এপ্রিলে কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ২০২৫ সালের ৭ মে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করে ভারতীয় বাহিনী, যার মাধ্যমে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালানো হয়।   ভারতের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের সামরিক অভিযানের মহাপরিচালক (ডিজিএমও) ভারতীয় সমকক্ষের কাছে সামরিক পদক্ষেপ বন্ধের অনুরোধ জানালে ১০ মে ভারত তাদের অভিযান স্থগিত করে এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারবার এই যুদ্ধবিরতির পুরো কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করে এলেও নয়াদিল্লি শুরু থেকেই তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ভারতের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এই সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের বিন্দুমাত্র মধ্যস্থতা ছিল না; বরং দুই দেশের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমেই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ১১:৫২
পশ্চিমা দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ হারাম, শায়খ আসিম আল-হাকিমের ফতোয়া ঘিরে বিতর্ক

পশ্চিমা দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ হারাম, শায়খ আসিম আল-হাকিমের ফতোয়া ঘিরে বিতর্ক

ক্যানসারের নতুন টিকায় সাফল্য, রোগ ফিরে আসা ও মৃ ত্যুর ঝুঁকি কমেছে ৪২ শতাংশ

ক্যানসারের নতুন টিকায় সাফল্য, রোগ ফিরে আসা ও মৃ ত্যুর ঝুঁকি কমেছে ৪২ শতাংশ

মার্কিন নাগরিকদের ওপর হা মলার আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে কর্মী সরাচ্ছে ওয়াশিংটন

মার্কিন নাগরিকদের ওপর হা মলার আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে কর্মী সরাচ্ছে ওয়াশিংটন

অসুস্থতার কারণে ছুটি নেওয়ার পর চিকিৎসকের সনদ জমা দেওয়া সত্ত্বেও চাকরি হারানোর অভিযোগ তুলেছেন এক কর্মী। ছবি: সংগৃহীত
চিকিৎসকের সনদ দিয়েও অসুস্থতার ছুটির পর অফিসে গিয়ে দেখেন চাকরি নেই

অসুস্থতার কারণে ছুটি নেওয়ার পর চাকরি হারিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক কর্মী। তাঁর দাবি, অনুপস্থিতির কারণ জানাতে চিকিৎসকের সনদও জমা দিয়েছিলেন তিনি। জিস্টের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবরণে এই অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। তবে সেখানে কর্মীর পরিচয়, প্রতিষ্ঠানের নাম, ঘটনাস্থল কিংবা চাকরি হারানোর নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।    প্রকাশিত বিবরণে নিয়োগদাতার বক্তব্য বা চাকরিচ্যুতির আনুষ্ঠানিক কারণও পাওয়া যায়নি। ফলে অসুস্থতার ছুটি নেওয়াই চাকরি হারানোর কারণ ছিল কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। চিকিৎসকের সনদে কী উল্লেখ ছিল, ছুটি অনুমোদিত হয়েছিল কি না এবং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল, সেসব তথ্যও অনুপস্থিত। এ অবস্থায় ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট কর্মীর অভিযোগ হিসেবেই বিবেচ্য।   অভিযোগটি কর্মক্ষেত্রে অসুস্থতার সময় ছুটি ও সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছে। তবে ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য কর্মীর বক্তব্যের পাশাপাশি নিয়োগদাতার ব্যাখ্যা, ছুটির নীতিমালা ও চাকরিচ্যুতির নথি প্রয়োজন। এসব তথ্য ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম ভেঙেছে কিংবা চিকিৎসকের সনদ অগ্রাহ্য করেই কর্মীকে বরখাস্ত করেছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ১০:৩৯
যুক্তরাজ্যের বার্কশায়ারের রিডিংয়ে প্রবীণদের ফ্ল্যাটে পরিবারসহ বসবাস নিয়ে বিরোধের অবসানে বাসা ছাড়তে সমঝোতায় পৌঁছেছেন বাংলাদেশি শহিদুল হক। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে প্রবীণদের নির্ধারিত ফ্ল্যাটে পরিবারসহ বসবাস, বাংলাদেশি শহিদুল হকের পরিবারেকে ছাড়তে হল ফ্ল্যাট

৯ বছর বয়সে চাঁদে মানুষের প্রথম পদক্ষেপ দেখেছিলেন, সেই নায়কের বাড়ি বাঁচাতে দিলেন ৪ লাখ ডলার

৯ বছর বয়সে চাঁদে মানুষের প্রথম পদক্ষেপ দেখেছিলেন, সেই নায়কের বাড়ি বাঁচাতে দিলেন ৪ লাখ ডলার

শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঝুঁকি কমাতে গুজরাটের বীর নর্মদ সাউথ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলগুলোতে বিশেষ স্প্রিংযুক্ত সিলিং ফ্যান বসানো হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় বসানো হচ্ছে বিশেষ স্প্রিংযুক্ত সিলিং ফ্যান, মানসিক সেবা নিয়ে প্রশ্ন

0 Comments