স্কটিশ পার্লামেন্ট সদস্যের কেরালার মন্দিরে বিয়ে, পূরণ হলো দীর্ঘদিনের ইচ্ছা
স্কটিশ পার্লামেন্টের সদস্য মার্টিন ডে কেরালার ত্রিশূরের বিখ্যাত গুরুয়ায়ুর মন্দিরে মালয়ালি সঙ্গী নিধিন চন্দের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী রীতিতে বিয়ে করেছেন। যুক্তরাজ্যে বিয়ের আইনি নিবন্ধনের প্রায় নয় বছর পর মঙ্গলবার গুরুয়ায়ুর মন্দিরে এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নিধিনের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল গুরুয়ায়ুর মন্দিরে বিয়ে করা।
মন্দিরে সকাল ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত বিয়ের অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ স্বজন ও বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। নিধিনের ২২ বছর বয়সী ছেলে ভেদিক শঙ্করও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মন্দিরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুষ্পাঞ্জলি অডিটোরিয়ামে বিয়ের পরবর্তী আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
পিরাভোমের বাসিন্দা নিধিন ২০০৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট ভিসায় যুক্তরাজ্যে যান। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা শেষে তিনি আইটি ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স করেন এবং পরে পিএইচডিও সম্পন্ন করেন।
যুক্তরাজ্যে থাকার সময় বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিবর্তনের প্রভাব তার ওপরও পড়ে। এরপর তিনি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে তুলে ধরতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন এবং পার্লামেন্টারি কমিটির কাছেও বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন। সেই সময়ই তৎকালীন ব্রিটিশ এমপি মার্টিন ডের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
২০১৬ সালে তাদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। পরে যুক্তরাজ্যেই তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়। তবে নিধিনের ইচ্ছা ছিল গুরুয়ায়ুর মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী রীতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সেই ইচ্ছা এবার পূরণ হলো। কেরালায় মার্টিনের আগের সফরগুলোতে বন্যা, কোভিড মহামারি ও পারিবারিক নানা কারণে গুরুয়ায়ুরে যাওয়া সম্ভব হয়নি বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
মার্টিন ডে এর আগে তিন মেয়াদে প্রায় নয় বছর যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি স্কটিশ পার্লামেন্টের সদস্য এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সর্বদলীয় পার্লামেন্টারি গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreযুক্তরাজ্যের বোর্নমাউথে এক নারীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনায় সিরীয় তরুণ মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। ২০২৫ সালের ৬ জুলাই ভোরে সমুদ্রসৈকতের কাছে একটি অস্থায়ী টয়লেটে ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। মামলার শুনানিতে আবদুল্লাহ দাবি করেছিলেন, তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্কটি সম্মতিতে হয়েছিল। তবে বোর্নমাউথ ক্রাউন কোর্টের জুরি তাকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। আদালতে বলা হয়, ঘটনার রাতে ওই নারী এক বন্ধুর সঙ্গে বাইরে ছিলেন। পরে তারা আলাদা হয়ে গেলে তিনি বাড়ি ফেরার জন্য সমুদ্রসৈকত ধরে হাঁটছিলেন। তার ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়ায় ট্যাক্সি ডাকতেও সমস্যায় পড়েন তিনি। এ সময় আবদুল্লাহ ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে ওই নারীর দেখা হয়। বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে আবদুল্লাহ তাকে বৈদ্যুতিক বাইকে তুলে নেন। প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু দূর যাওয়ার পর তিনি তাকে একটি অস্থায়ী টয়লেটের কাছে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে যৌন নিপীড়ন এবং পরে টয়লেটের ভেতরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আদালতে আরও জানানো হয়, ঘটনার পর ওই নারী জুতা খুলে দৌড়ে পালিয়ে সাহায্য চান। পরে এক পথচারীর ফোন ব্যবহার করে মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন তাকে ঘটনার পর অত্যন্ত বিপর্যস্ত অবস্থায় দেখেছিলেন বলে আদালতে জানান। আবদুল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ওই নারী নিজেই তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চেয়েছিলেন এবং তাদের যৌন সম্পর্ক সম্মতিতে হয়েছিল। তবে জুরি তার বক্তব্য গ্রহণ করেননি এবং তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ২০২৩ সালে সিরিয়া থেকে যুক্তরাজ্যে আসেন। তিনি পারিবারিক পুনর্মিলন কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাজ্যে থাকার অনুমতি পান এবং পরে স্থায়ীভাবে থাকার অধিকারও দেওয়া হয়। আদালত তাকে হেফাজতে পাঠিয়েছেন। বিচারক রবার্ট পসন জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে কারাদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং পরবর্তী শুনানিতে সাজা নির্ধারণ করা হবে।
২০২৬ সালে ২ লাখ ৩০ হাজার বিদেশি কর্মী নেবে কানাডা, বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুযোগ
স্কটিশ পার্লামেন্ট সদস্যের কেরালার মন্দিরে বিয়ে, পূরণ হলো দীর্ঘদিনের ইচ্ছা
ড্রাইভারদের অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করায় উবারকে ৯৬৬ মিলিয়ন ডলার জরিমানা
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস ও কাজ করা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্ক পারমিট কাজের অনুমতি রয়েছে। কাজের ধরন ও ব্যক্তির অবস্থার ওপর ভিত্তি করে এসব পারমিট দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রিল্যান্স ওয়ার্ক পারমিট, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও রয়েছে স্টুডেন্ট ট্রেনিং অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট পারমিট। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ বা প্রশিক্ষণের সুযোগ পাওয়া যায়।যারা একাধিক প্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন কাজ করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে পার্টটাইম ওয়ার্ক পারমিট। নির্দিষ্ট সময়ের কাজ বা প্রকল্পের জন্য রয়েছে টেম্পোরারি ওয়ার্ক পারমিট। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা গোল্ডেন ভিসাধারী বাংলাদেশিদের জন্যও আলাদা ওয়ার্ক পারমিটের ব্যবস্থা রয়েছে।পরিবারের স্পন্সরশিপে রেসিডেন্স ভিসায় থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্যও নির্দিষ্ট শর্তে কাজের অনুমতি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর যারা ব্যক্তিগতভাবে পড়াতে চান, তাদের জন্য রয়েছে প্রাইভেট টিউশন ওয়ার্ক পারমিট—ব্যক্তিগতভাবে পড়ানোর অনুমতি। নির্দিষ্ট যোগ্যতা পূরণ করলে শিক্ষক ও অন্যান্য যোগ্য ব্যক্তিরা এই পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারেন। অর্থাৎ, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুধু সাধারণ চাকরিই নয়, ফ্রিল্যান্সিং, পার্টটাইম কাজ, শিক্ষার্থীদের কাজ, প্রাইভেট টিউশন এবং বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী কাজের জন্যও আইনি সুযোগ রয়েছে। তবে কোন পারমিটের জন্য আবেদন করা যাবে, তা নির্ভর করবে আবেদনকারীর ভিসার ধরন, কাজের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার ওপর। তাই কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নিশ্চিত করতে হবে।
বিদেশি প্রতিনিধিদের চার ধরনের পরিচয়পত্রকে বসবাসের অনুমতি দিল আমিরাত সরকার
পাকিস্তানে পুরুষের ধূমপান কমলেও বাড়ছে নারী ধূমপানের হার
গাজাগামী ত্রাণবহর আটকের ঘটনায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চাইল তুরস্ক
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শুক্রবার দেওয়া এক অভিনন্দন বার্তায় পেজেশকিয়ান মির্জা ফখরুলকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ইরানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করার বিষয়ে তেহরানের আগ্রহের কথা জানান। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এ তথ্য প্রকাশ করেছে। অভিনন্দন বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, বাংলাদেশের আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান ও সংসদ সদস্যদের আস্থা মির্জা ফখরুলের দূরদর্শিতা, অঙ্গীকার এবং গণতন্ত্র শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের প্রতি আস্থার প্রতিফলন।ইরানের প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন, নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের জনগণের জন্য স্থিতিশীলতা, কল্যাণ ও অগ্রগতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ইরান সরকার ও জনগণ বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক—দুই দেশের মধ্যে, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রস্তুত। অর্থাৎ, শুধু কূটনৈতিক শুভেচ্ছার মধ্যেই বার্তাটি সীমাবদ্ধ ছিল না; বাংলাদেশ ও ইরানের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার রাজনৈতিক আগ্রহও এতে তুলে ধরা হয়েছে। এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমেদ পান ৮৮ ভোট। মোট ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য ভোট দেন।এরপর ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন দেশ থেকেও অভিনন্দন বার্তা এসেছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আশা প্রকাশের পাশাপাশি মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। চীনের ঢাকাস্থ দূতাবাসও নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দু-শিখ-জৈনদের ৬ মাসে নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা অমিত শাহের
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়র ভূগোল থেকে স্পেসএক্স-এ যোগ দিলেন হৃদয়