সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

নগর পরিকল্পনা

২০৫০ সালে আমেরিকার শহরগুলোতে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী বহুতল ভবনের আধিক্য দেখা যাবে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
২০৫০ সালে বদলে যাবে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়িঘর, রোবটে তৈরি হবে শহর, স্বয়ংক্রিয় হবে বাড়ি

২০৫০ সালের মধ্যে রোবট দিয়ে পুরো একটি সম্প্রদায় বা শহরের কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। ভবিষ্যতে চালকবিহীন গাড়ি এবং রোবটের সাহায্যে তৈরি টেকসই বহুতল ভবনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠবে শহরের আবাসন ব্যবস্থা। সম্প্রতি বিশ্ব স্থাপত্য দিবস উপলক্ষে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজউইককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় স্থপতিরা। জাতিসংঘের মতে, বিশ্বজুড়ে এখনো প্রায় ৩৪০ কোটি মানুষের নিরাপদ ও পর্যাপ্ত আবাসনের অভাব রয়েছে। তাই আবাসন সংকট মেটাতে ভবিষ্যতের বাড়িঘরগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।   স্থপতিদের মতে, ভবিষ্যতে একক পরিবারের জন্য তৈরি আলাদা বাড়ির ধারণা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ শহরে বসবাস করবে। স্থপতি জেমস সাইসাকর্ন জানান, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার এই চাপ সামলাতে ব্যক্তিগত জমিতে একক পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণ মোটেও টেকসই কোনো সমাধান নয়। এর পরিবর্তে বহুতল ভবন এবং মিশ্র ব্যবহারের ওপর জোর দিতে হবে। জমির সীমাবদ্ধতা, নির্মাণ ব্যয় এবং দক্ষ শ্রমিকের অভাবে একক বাড়ি নির্মাণ করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করেন স্থপতি মাইলস স্মিথ।   এই পরিবর্তনের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুনরায় ছোট শহরতলী বা মিসিং মিডল ঘরানার আবাসন ব্যবস্থা ফিরে আসবে বলে মনে করেন স্থপতি ক্লারা ওয়াইনবার্গ। বড় ব্যক্তিগত উঠানের পরিবর্তে এই ব্যবস্থায় এমন ছোট ছোট বাড়ি বা টাউনহাউস তৈরি করা হবে, যা দেখতে বাড়ির মতোই মনে হবে তবে সেখানে ঘনত্ব বেশি থাকবে। এর ফলে বাড়তি জায়গাগুলো সবার ব্যবহারের জন্য সবুজ পার্ক বা সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত করা সম্ভব হবে। স্থপতি বেন ওয়ানও মনে করেন যে, সঠিক নীতিমালার মাধ্যমে মাঝারি আকারের বহুতল ভবন নির্মাণের পথ সুগম হলে তা ভবিষ্যতে প্রাণবন্ত কমিউনিটি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ২০৫০ সালের বাড়িঘরগুলোতেও বড় ধরনের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে। স্থপতি ড্যানিয়েল বাউম্যান জানান, ভবিষ্যতের বাড়িগুলোকে তীব্র গরম, ভারী বৃষ্টিপাত এবং বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করার উপযোগী করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে এসব বাড়িতে পানি ও বিদ্যুতের ব্যবহার অনেক কমিয়ে আনতে হবে। স্থপতি স্কট স্পেক্ট মনে করেন, ভবিষ্যতের বাড়িগুলো নিজেদের প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের বেশিরভাগ নিজেরাই উৎপাদন ও সংরক্ষণ করতে পারবে। তারা বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর কেবল জরুরি ব্যাকআপ হিসেবে নির্ভর করবে।   পরিবেশবান্ধব বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের স্থপতিরা কংক্রিটের চেয়ে কাঠ ও প্রকৃতির ওপর বেশি নির্ভরশীল হবেন। কংক্রিটের তুলনায় কাঠ কম তাপ ধরে রাখে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের চেয়ে ক্রস-ল্যামিনেটেড টিম্বার বা বিশেষ ধরনের কাঠ ভবিষ্যতে প্রধান নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাবে বলে ধারণা করছেন জেমস সাইসাকর্ন। এই ধরনের কাঠের প্যানেলগুলো অত্যন্ত মজবুত, দ্রুত স্থাপনযোগ্য এবং টেকসই হয়। এছাড়া প্রাকৃতিক আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকায় কৃত্রিম শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরতাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।   ভবিষ্যতের শহরগুলো গাড়িকেন্দ্রিক না হয়ে মানুষকেন্দ্রিক হবে বলে জানিয়েছেন স্থপতি ক্লারা ওয়াইনবার্গ। চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি ভবিষ্যতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনবে। এর ফলে স্থপতিদের বাড়ির নকশায় বড় গ্যারেজ বা পার্কিংয়ের জন্য বাড়তি জায়গা রাখার প্রয়োজন পড়বে না। সেই খালি জায়গাগুলো রাস্তা, পার্ক এবং মানুষের আড্ডার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ট্রানজিট-ভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে আবাসন প্রকল্পগুলোকে যুক্ত করলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা যেমন কমবে, তেমনি হাঁটার উপযোগী সুন্দর শহর গড়ে উঠবে।   ভবিষ্যতের আবাসন ব্যবস্থা শুধু সাশ্রয়ী নয়, বরং উন্নত সামাজিক কাঠামো গড়ার দিকেও নজর দেবে। স্থপতি ম্যাক্স বার্গার এবং ড্যানিয়েল বাউম্যান মনে করেন, বিচ্ছিন্ন আবাসন প্রকল্পের বদলে ভবিষ্যতের পাড়াগুলো সমন্বিত ব্যবস্থায় গড়ে উঠবে। সেখানে ছাদের ওপর বাগান, শরীরচর্চা কেন্দ্র এবং কাজের জায়গাগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মাইলস স্মিথ বিষয়টিকে আধুনিক যুগের কান্ট্রি ক্লাব স্টাইলের জীবনযাপন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যেখানে একই ভবনের বাসিন্দারা আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা একসঙ্গে উপভোগ করতে পারবেন এবং পরিবর্তনশীল চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন।   তথ্যসূত্র: নিউজউইক

মোহাম্মদ ইব্রাহিম অক্টোবর ১১, ২০২৬ ১৪:০
আটলান্টা শহরের দৃশ্য | ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে খারাপ ট্রাফিকের শহরের তালিকায় আবারও আটলান্টা

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে খারাপ যানজটপূর্ণ শহরগুলোর তালিকায় আবারও উঠে এসেছে জর্জিয়ার মেট্রো আটলান্টার নাম। ভোক্তা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমার অ্যাফেয়ার্সের নতুন এক সমীক্ষায় দেশটির সবচেয়ে খারাপ ট্রাফিক পরিস্থিতির মহানগর এলাকার মধ্যে আটলান্টার অবস্থান হয়েছে অষ্টম।   তবে শহরটির বাসিন্দাদের জন্য সামান্য স্বস্তির খবরও রয়েছে। ২০২৫ সালের তালিকায় যেখানে আটলান্টার অবস্থান ছিল পঞ্চম, এবার তা কিছুটা উন্নতি করে অষ্টম স্থানে নেমে এসেছে। যদিও যানজটের ভোগান্তি এখনো শহরটির অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবেই রয়ে গেছে।   কনজ্যুমার অ্যাফেয়ার্স তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকলে গাড়ির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, ফলে দ্রুত যন্ত্রাংশ ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত যানজট সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণায়।   প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মঘণ্টায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অপর্যাপ্ত গণপরিবহন ব্যবস্থা এবং দীর্ঘ যাতায়াতের সংস্কৃতি—এসব কারণে আটলান্টাসহ বেশ কয়েকটি বড় শহরে ট্রাফিক পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।   তালিকায় সবচেয়ে খারাপ ট্রাফিকের শহর হিসেবে শীর্ষে রয়েছে লস এঞ্জেলস। এরপর রয়েছে ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক সিটি, সান ফ্রান্সিসকো, হিউস্টন, সিয়াটল এবং মিয়ামি। আটলান্টার পর তালিকায় রয়েছে সান জোসে ও রিভারসাইড।   অন্যদিকে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক ট্রাফিক পরিস্থিতির শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রচেস্টের, নিউইয়র্ক। এছাড়া সেন্ট লুইস, ওকলাহোমা সিটি, গ্র্যান্ড রেপিডস ও সল্ট লেক সিটির মতো শহরগুলো তুলনামূলকভাবে কম যানজটপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় শহরগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কার্যকর গণপরিবহন ব্যবস্থা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে যানজট সমস্যা কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। আটলান্টার ক্ষেত্রেও একই চ্যালেঞ্জ সামনে রয়েছে বলে মনে করছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

Unknown মে ২১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, জাপানি বিজ্ঞানীদের ওষুধে আবার গজাবে দাঁত

দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, জাপানি বিজ্ঞানীদের ওষুধে আবার গজাবে দাঁত

অক্টোবর ৮, ২০২৬ ১৪:০