সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

ভরণপোষণ

যুক্তরাষ্ট্রে বিবাহবিচ্ছেদের পরিবর্তিত আইনি কাঠামো নিয়ে সতর্ক করেছেন নিউইয়র্কের পারিবারিক আইনজীবী জ্যাকলিন হারুনিয়ান। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
যুক্তরাষ্ট্রে বিবাহবিচ্ছেদের নিয়ম বদলাচ্ছে, গৃহিণীদের জন্য আইনজীবীর সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রে বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত কিছু ধারণা দ্রুত বদলে যাচ্ছে বলে মনে করছেন নিউইয়র্কের পারিবারিক আইনজীবী জ্যাকলিন হারুনিয়ান। বিশেষ করে যেসব স্বামী বা স্ত্রী সংসার ও সন্তান পালনের জন্য চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি সঙ্গীর আয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন, বিচ্ছেদের পর তাদের আর্থিক নিরাপত্তা আগের মতো নাও থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।   নিউইয়র্কভিত্তিক আইনজীবী হারুনিয়ান পারিবারিক আইন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তিনি নিউজউইককে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিবাহবিচ্ছেদের কাঠামো ধীরে ধীরে এমন একটি ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে, যেখানে প্রত্যেক স্বামী-স্ত্রীকে আলাদা অর্থনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফলে একজন সঙ্গী আয় করেন আর অন্যজন ঘর ও সন্তান সামলান, এমন পুরোনো পারিবারিক কাঠামো থেকে বিচ্ছেদ হলে আগের মতো দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সুরক্ষা পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই।   হারুনিয়ানের ভাষায়, “আইন বদলাচ্ছে। যারা আয় করেন, তারা তাদের অর্থের বেশি অংশ নিজেদের কাছে রাখতে পারবেন, আর নির্ভরশীল সঙ্গী সহায়তা পেলেও তা হয়তো স্বল্প সময়ের জন্য।” তাঁর মতে, গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের পারিবারিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। আগে অনেক পরিবারে স্বামী ছিলেন প্রধান উপার্জনকারী এবং স্ত্রী সন্তান লালন-পালন ও ঘরের দায়িত্ব সামলাতেন। বিচ্ছেদের পর আদালত অনেক ক্ষেত্রে উপার্জন না করা সঙ্গীর জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভরণপোষণ ও সম্পদের অংশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করত।   কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। বাবারা সন্তান পালনে আগের তুলনায় বেশি সক্রিয় হচ্ছেন এবং যৌথ হেফাজত বা সন্তান পালনের দায়িত্ব সমানভাবে ভাগ করার দাবি করছেন। একই সময়ে নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ও আয়ও বেড়েছে। ফলে একসময় যে আর্থিক সমীকরণে স্বামী উপার্জন করতেন এবং স্ত্রী নির্ভরশীল ছিলেন, তা এখন আর সব পরিবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।   হারুনিয়ানের দাবি, এই পরিবর্তনের ফলে কর্মজীবন থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকা স্বামী বা স্ত্রী, বিশেষ করে গৃহিণীরা, বিচ্ছেদের পর আগের তুলনায় কম ভরণপোষণ, কম আইনি খরচ এবং বৈবাহিক সম্পদের ক্ষেত্রে প্রত্যাশার চেয়ে কম অংশ পেতে পারেন। তবে এ বিষয়টি পুরো যুক্তরাষ্ট্রে একইভাবে কার্যকর হচ্ছে এমন ধারণা করা ঠিক নয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে বিবাহবিচ্ছেদের আইন মূলত অঙ্গরাজ্যভিত্তিক। টেক্সাসের পারিবারিক আইনজীবী হান্না হেমব্রি বেল নিউজউইককে বলেন, “একটি মাত্র আমেরিকান বিবাহবিচ্ছেদ ব্যবস্থা নেই।” তাঁর মতে, নিউইয়র্কে যে ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, টেক্সাস বা অন্য অঙ্গরাজ্যে তার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে।   টেক্সাসে বিবাহবিচ্ছেদের পর আদালতের মাধ্যমে স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়া আর্থিক সহায়তা সাধারণত সীমিত। বেলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে আদালত-নির্ধারিত ভরণপোষণ দেওয়া হলেও তা সাধারণত প্রয়োজন মেটানোর জন্য সীমিত সময়ের ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। টেক্সাসে এই ধরনের সহায়তার পরিমাণও নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে।   একই সঙ্গে টেক্সাস ‘কমিউনিটি প্রপার্টি’ নীতির আওতায় পড়ে। অর্থাৎ বিবাহ চলাকালে উপার্জিত আয় ও অর্জিত সম্পদ সাধারণভাবে বৈবাহিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, কে সেই অর্থ উপার্জন করেছেন তার ওপর বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে না। ফলে উচ্চ আয়ের স্বামী বা স্ত্রী চাইলেই বিবাহকালীন সব সম্পদ নিজের কাছে রেখে দিতে পারবেন, এমন ধারণাও সঠিক নয়। তবে দুই আইনজীবী একটি বিষয়ে একমত, আর তা হলো আর্থিক নির্ভরশীলতা বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একজন ব্যক্তি যদি সন্তান লালন-পালন বা সংসারের দায়িত্ব পালনের জন্য দীর্ঘ সময় চাকরি বা পেশা থেকে দূরে থাকেন, বিচ্ছেদের পর নিজের আয় তৈরি করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।   হারুনিয়ান বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন তাদের নিয়ে, যারা সন্তান বড় করার জন্য পুরোপুরি কর্মজীবন ছেড়ে দেন। তাঁর মতে, সংসার চলাকালে একটি পরিবারে একজনের আয় দিয়ে অন্যজনের জীবনযাপন স্বাভাবিকভাবেই চলতে পারে। কিন্তু বিবাহবিচ্ছেদের পর সেই একই আর্থিক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন বজায় থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। তিনি বলেন, “আজ আপনি হয়তো বাজার, খাবার ও জীবনযাত্রার খরচ বহন করতে পারছেন। কিন্তু বিচ্ছেদ হয়ে গেলে দীর্ঘ সময় একই মাত্রার আর্থিক সহায়তা পাওয়া নাও যেতে পারে।”   হারুনিয়ানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হলো, “আজীবন ভরণপোষণ” পাওয়ার ধারণাটিও অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত নয়। গৃহিণী বা গৃহস্বামী বিচ্ছেদের পর ভরণপোষণ পেতে পারেন, কিন্তু সেটিকে নিশ্চিত অধিকার হিসেবে ধরে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। এ কারণে বিচ্ছেদের কথা ভাবার আগেই প্রত্যেক সঙ্গীকে নিজের আইনি অধিকার, আর্থিক দায়িত্ব এবং সন্তানদের হেফাজত নিয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই আইনজীবী।   বিবাহের আগে করা চুক্তি বা প্রিনাপচুয়াল এগ্রিমেন্ট নিয়েও মানুষের মধ্যে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে বলে মনে করেন হারুনিয়ান। তাঁর মতে, এ ধরনের চুক্তি মূলত বিবাহের আগে থাকা আলাদা সম্পদ, উত্তরাধিকার এবং নির্দিষ্ট আর্থিক অধিকার সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এটিকে গৃহে থেকে সন্তান লালন-পালন করা সঙ্গীর জন্য পূর্ণাঙ্গ আর্থিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা ঠিক নয়। তিনি আরও বলেন, ব্যবসার মালিকদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিবাহের সময় কোনো ব্যবসা থেকে একজন সঙ্গী বিপুল আয় করলেও বিচ্ছেদের পর সেই ব্যবসা ও আয় থেকে অন্য সঙ্গীর প্রত্যাশা আগের মতো নাও হতে পারে। অবশ্য কোন সম্পদ বৈবাহিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং কে কতটা অংশ পাবেন, তা সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যের আইন ও মামলার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।   তবে হারুনিয়ানের বক্তব্যকে যুক্তরাষ্ট্রের সব পরিবারের জন্য একই নিয়ম হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আইনজীবী হান্না হেমব্রি বেলের বক্তব্যও সে বিষয়টি স্পষ্ট করে। অঙ্গরাজ্যভেদে ভরণপোষণ, সম্পদ বণ্টন, সন্তানের হেফাজত এবং বিচ্ছেদের পর আর্থিক সহায়তার নিয়মে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, শুধু সামাজিক ধারণা বা পরিচিত কারও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর না করে বিচ্ছেদের আগে সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যের পারিবারিক আইন সম্পর্কে পেশাদার পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে যিনি দীর্ঘদিন কর্মজীবনের বাইরে থেকে সন্তান ও সংসারের দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁর জন্য নিজের আর্থিক অবস্থান, সম্পদ, আয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের বিষয়টি আগে থেকেই বিবেচনায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।   যুক্তরাষ্ট্রের পরিবারব্যবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকা যেমন বদলাচ্ছে, তেমনি বদলাচ্ছে সন্তান পালনের ধরন, যৌথ হেফাজতের প্রবণতা এবং বিচ্ছেদের পর আর্থিক সম্পর্কের কাঠামো। ফলে বহু বছর ধরে প্রচলিত ‘একজন আয় করবেন, অন্যজন সংসার সামলাবেন এবং বিচ্ছেদের পর দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সহায়তা পাবেন’ ধরনের সরল ধারণা এখন আর সব ক্ষেত্রে বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।   সূত্র: নিউজউইক

মোহাম্মদ ইব্রাহিম অক্টোবর ৪, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

মার্কিন নাগরিকদের নির্দিষ্ট চার ধরনের আত্মীয়কে পরিবারভিত্তিক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে

ফ্যামিলি ভিসায় পরিবারের ৪ সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে নিতে পারেন মার্কিন নাগরিকরা, জানুন বিস্তারিত নিয়ম

অক্টোবর ১, ২০২৬ ১৪:০