- প্রচ্ছদ
- Topic
#চাকরিপ্রার্থী
প্রায় ১৯ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা নিয়েও চাকরি হারানোর আট মাস পর নতুন কাজ পাননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির সাবেক কর্মী থমাস রোমান। লিংকডইনে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেছেন, অসংখ্য আবেদন, রিক্রুটারদের সঙ্গে আলোচনা এবং ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতির পরও তাঁর চাকরির সন্ধান চলছে। রোমানের ভাষ্য অনুযায়ী, বাজেট কমানোর কারণে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে তাঁর পদটি বাতিল হয়। আকস্মিকভাবে কাজ হারানোর পর থেকেই আবার কর্মজীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন তিনি। তবে আট মাসের চেষ্টাতেও নতুন চাকরি নিশ্চিত করতে পারেননি। নিজের পরিস্থিতি প্রকাশ করা সহজ ছিল না বলে জানিয়েছেন রোমান। পোস্টে তিনি লিখেছেন, এটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন পোস্টগুলোর একটি। তবু নিজের সংকোচ সরিয়ে চাকরি খোঁজার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, ‘আমি সহানুভূতি চাইছি না।’ রোমান জানিয়েছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা শুধু একটি কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পণ্য ও সেবা কেনার প্রক্রিয়া, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ভবন ও স্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনা, মজুত ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহকারীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্বও পালন করেছেন। নিজের কাজের বিবরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের মজুত সামলেছেন, প্রতিষ্ঠানের খরচ কমাতে ভূমিকা রেখেছেন এবং কর্মীদের দল পরিচালনা করেছেন। দক্ষ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। এরপরও নতুন চাকরি খোঁজার দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি। রোমানের বক্তব্যে চাকরি হারানোর পর একজন অভিজ্ঞ পেশাজীবীর অনিশ্চয়তার চিত্র উঠে এসেছে। তাঁর ক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও পরিচিত প্রতিষ্ঠানে কাজের পটভূমি থাকা সত্ত্বেও দ্রুত নতুন কর্মসংস্থান হয়নি। চাকরি খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মধ্যেই সেই বাস্তবতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
নিউইয়র্কে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্টেট সরকারের বিভিন্ন দপ্তর। অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে শুরু করে পুলিশ কমিউনিকেশনস টেকনিশিয়ানসহ একাধিক পদে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এসব চাকরির মধ্যে কয়েকটিতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার পরিবর্তে নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পর্যন্ত প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদের আবেদনের শেষ সময় ১৩ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যে। নিউইয়র্ক স্টেটের সরকারি চাকরির পোর্টাল স্টেটজবসএনওয়াইতে ৭ অক্টোবর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রুকলিনে অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং ম্যানহাটনে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদ। দুটি পদই এনওয়াই হেল্পস কর্মসূচির আওতাভুক্ত। অন্যদিকে নিউইয়র্ক সিটির পুলিশ কমিউনিকেশনস টেকনিশিয়ান পদের পরীক্ষায় আবেদন গ্রহণ চলছে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। ব্রুকলিনে অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগ নিউইয়র্ক স্টেটের ডিপার্টমেন্ট অব ট্যাক্সেশন অ্যান্ড ফাইন্যান্স ব্রুকলিনের কিংস কাউন্টিতে অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট ১ পদে নিয়োগ দিচ্ছে। এই পদের ভ্যাকেন্সি নম্বর ২২৬৫৯০ এবং স্যালারি গ্রেড ৬। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বার্ষিক বেতন ৩৭ হাজার ৮৬২ থেকে ৪৬ হাজার ৮৪৩ ডলার। এটি একটি ফুলটাইম স্থায়ী পদ। সপ্তাহে সাড়ে ৩৭ ঘণ্টা কাজ করতে হবে এবং নিয়মিত কর্মদিবস সোমবার থেকে শুক্রবার। পদটিতে নির্বাচিত কর্মীকে অফিসের নথিপত্র সংরক্ষণ, বিভিন্ন ডকুমেন্ট যাচাই, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক সহায়তার কাজ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে ৭ অক্টোবর। আবেদনের শেষ সময় ২২ অক্টোবর ২০২৬। আবেদন করার সময় ভ্যাকেন্সি নম্বর ২২৬৫৯০ ব্যবহার করে সরকারি পোর্টালে পদের বিস্তারিত যোগ্যতা ও আবেদনপদ্ধতি দেখে নিতে হবে। ম্যানহাটনে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে সুযোগ নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ১ অথবা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেইনি পদে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। এই পদের ভ্যাকেন্সি নম্বর ২২৬৫৮৫। কর্মস্থল নিউইয়র্ক কাউন্টি, অর্থাৎ ম্যানহাটন। বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে ৭ অক্টোবর এবং আবেদনের শেষ সময় ১৮ অক্টোবর। এনওয়াই হেল্পস কর্মসূচির আওতায় থাকা এই পদে নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করলে ট্রেইনি পর্যায় থেকেও নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তবে ট্রেইনি হিসেবে আবেদন করতে পারা মানেই কোনো অভিজ্ঞতা বা শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি পাওয়া যাবে, এমন নয়। আবেদনকারীদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত শর্ত পূরণ করতে হবে। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কমিউনিকেশনস টেকনিশিয়ান নিউইয়র্ক সিটির পুলিশ ডিপার্টমেন্টে পুলিশ কমিউনিকেশনস টেকনিশিয়ান পদে নিয়োগ পরীক্ষার আবেদনও চলমান রয়েছে। এই পদে কর্মরত ব্যক্তিরা ৯১১ ইমার্জেন্সি কল গ্রহণ, জরুরি সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং পুলিশ ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন। পরীক্ষার নম্বর ৭৩০৭। প্রাথমিক বার্ষিক বেতন ৫১ হাজার ৭৯০ ডলার। আবেদনের শেষ সময় ১৩ অক্টোবর ২০২৬ এবং লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রম ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরীক্ষার আবেদন ফি ৬৮ ডলার। তবে বেকার ব্যক্তি, নির্দিষ্ট সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত আবেদনকারী এবং যোগ্য অন্য কিছু শ্রেণির প্রার্থীদের ফি মওকুফের সুযোগ রয়েছে। এই পদে রাতের শিফট, সাপ্তাহিক ছুটি এবং সরকারি ছুটির দিনেও কাজ করতে হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে কাজের সময়সূচি ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরিতে পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগের সুযোগ নিউইয়র্ক স্টেটের এনওয়াই হেল্পস কর্মসূচির অন্যতম সুবিধা হলো, অন্তর্ভুক্ত পদগুলোতে সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ পাওয়া যায়। স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল সার্ভিস জানিয়েছে, এই কর্মসূচিতে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা পূরণকারী ব্যক্তিদের স্থায়ী সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তবে চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, ইন্টারভিউ এবং অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে। পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগের সুযোগ থাকলেও চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের বার্ষিক বেতন ৪২ হাজার ২০৯ থেকে ৬১ হাজার ৭৬ ডলার। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেইনি ১ পদে আবেদন করতে অন্তত ছয় মাসের প্রশাসনিক কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। ট্রেইনি ২ পদের জন্য এক বছর এবং পূর্ণাঙ্গ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট ১ পদের জন্য দুই বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট বিষয়ে অ্যাসোসিয়েট ডিগ্রি বা স্বীকৃত সার্টিফিকেশন থাকলে অভিজ্ঞতার শর্তে বিকল্প যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। এই পদের কাজের মধ্যে রয়েছে আইনি নথি ব্যবস্থাপনা, অফিসের প্রশাসনিক সহায়তা, ডেটা এন্ট্রি, রিপোর্ট প্রস্তুত এবং অ্যাটর্নিদের প্রয়োজনীয় অফিসিয়াল কাজে সহযোগিতা করা। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আবেদনকারীর যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠানটি নতুন কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক ভিসা স্পনসর করবে না। বেসরকারি খাতেও চাকরির বিজ্ঞপ্তি সরকারি চাকরির পাশাপাশি নিউইয়র্কের বেসরকারি খাতেও বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। চাকরির প্ল্যাটফর্ম জব টুডের একটি সংকলনে ম্যানহাটনে ১৬১টি ক্যারিয়ার জব এবং নিউইয়র্ক স্টেটে ১৮৯টি চাকরির বিজ্ঞপ্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই সংখ্যাগুলো ৮ অক্টোবর নতুন প্রকাশিত স্বতন্ত্র শূন্যপদের সংখ্যা হিসেবে নিশ্চিত করা যায়নি। এছাড়া রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েটসের এক্সিকিউটিভ শেফ পদে বছরে ৯৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার ডলার বেতনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বোনাসের সুযোগের একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার বর্তমান বিজ্ঞপ্তি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তাই পদটি এখনো আবেদন গ্রহণ করছে কি না, তা সরাসরি যাচাই করা প্রয়োজন। একইভাবে এনওয়াইসি হেলথ অ্যান্ড হসপিটালসে স্টাফ নার্স নিয়োগের তথ্যও রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পদের নির্দিষ্ট আবেদনসীমা, বেতন ও যোগ্যতার শর্ত নিশ্চিত না হওয়ায় আগ্রহীদের প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ক্যারিয়ার পোর্টালে বিজ্ঞপ্তি যাচাই করতে হবে। আবেদন করবেন যেভাবে নিউইয়র্ক স্টেট সরকারের চাকরিতে আবেদন করতে স্টেটজবসএনওয়াইয়ের সাধারণ আবেদনকারীদের জন্য নির্ধারিত বিভাগে গিয়ে পদের নাম অথবা ভ্যাকেন্সি নম্বর দিয়ে খুঁজতে হবে। সেখানে কাজের বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বেতন, কর্মস্থল, আবেদনপদ্ধতি এবং শেষ তারিখ উল্লেখ থাকে। নিউইয়র্ক সিটির চাকরির জন্য সিটির নিজস্ব ক্যারিয়ার পোর্টাল এবং সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য ডিপার্টমেন্ট অব সিটিওয়াইড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেসের বিজ্ঞপ্তি দেখতে হবে। বিশেষ করে পুলিশ কমিউনিকেশনস টেকনিশিয়ান পদের পরীক্ষায় আগ্রহীদের ১৩ অক্টোবরের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। এই পদে নিয়োগের জন্য শুধু আবেদন করাই যথেষ্ট নয়। নির্ধারিত পরীক্ষা ও পরবর্তী নিয়োগপ্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এদিকে সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত সময়সীমার পাশাপাশি আবেদনকারীদের কাজের অনুমতি, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের বিষয়গুলোও গুরুত্ব দিতে হবে। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির যাঁরা নতুন চাকরি খুঁজছেন কিংবা বেসরকারি চাকরি থেকে সরকারি খাতে যেতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য এনওয়াই হেল্পসের পদগুলো বিশেষভাবে বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। তবে সব পদ এন্ট্রি লেভেল নয় এবং সব চাকরির জন্য একই ধরনের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় না। ফলে নিজের যোগ্যতার সঙ্গে মিলিয়ে পদ নির্বাচন করাই গুরুত্বপূর্ণ। প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ব্রুকলিনের অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের আবেদন শেষ হবে ২২ অক্টোবর, ম্যানহাটনের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের ১৮ অক্টোবর এবং পুলিশ কমিউনিকেশনস টেকনিশিয়ান পরীক্ষার আবেদন শেষ হবে ১৩ অক্টোবর। আবেদনের সময়সীমা কাছাকাছি হওয়ায় আগ্রহীদের নির্ধারিত তারিখের আগেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে এবং চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই কার্যকর হবে।
নিউইয়র্কে সরকারি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর একাধিক নতুন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। নিউইয়র্ক স্টেটের অফিসিয়াল চাকরির পোর্টাল স্টেটজবসএনওয়াইয়ের তালিকায় একই দিনে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি পদে এখনো আবেদন করা যাচ্ছে। পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের অফিসিয়াল চাকরির তালিকাতেও নতুন স্কুলভিত্তিক পদ যুক্ত হয়েছে। স্টেটজবসএনওয়াইয়ের পাবলিক তালিকা অনুযায়ী, ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত পদগুলোর মধ্যে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের মেডিকেইড ফ্রড কন্ট্রোল ইউনিটের দুটি আইটি সাপোর্ট স্পেশালিস্ট পদ রয়েছে। একটি পদ মনরো কাউন্টিতে, যার ভ্যাকেন্সি আইডি ২২৫৪৮৬ এবং আবেদনের শেষ তারিখ ২৩ অক্টোবর। আরেকটি নিউইয়র্ক কাউন্টিতে, ভ্যাকেন্সি আইডি ২২৫৪৬৪ এবং এর শেষ তারিখও ২৩ অক্টোবর। নিউইয়র্ক সিটির পদটির ক্ষেত্রে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে বার্ষিক বেতন ৮৬ হাজার ৬৮৬ ডলার এবং লোকেশন পে হিসেবে আরও ৪ হাজার ১৫০ ডলারের কথা উল্লেখ রয়েছে। এটি ফুলটাইম পদ এবং কর্মস্থল নিউইয়র্ক সিটির ২৮ লিবার্টি স্ট্রিট। পদটির দায়িত্বের মধ্যে প্রযুক্তিগত সহায়তা, কম্পিউটার ও সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ, নেটওয়ার্ক সংযোগ সমস্যা সমাধান এবং সিকিউরিটি আপডেটসহ বিভিন্ন কাজ রয়েছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ হলো হিয়ারিং অফিসার ১, প্যারোল রিভোকেশন, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ল জাজ। নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনস অ্যান্ড কমিউনিটি সুপারভিশনের অধীনে থাকা এই পদটির ভ্যাকেন্সি আইডি ২২৫৪৭৫। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের শেষ তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর এবং বার্ষিক বেতন ১ লাখ ৬৭১ ডলার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৭৫ ডলার পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। পদটি ফুলটাইম এবং নিউইয়র্ক কাউন্টিতে। এ ছাড়া নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সিনিয়র অ্যাটর্নি, এসজি-২৫ পদটিও ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছে। ভ্যাকেন্সি আইডি ২২৫৫১৯-এর এই পদে আবেদনের শেষ তারিখ ৭ অক্টোবর। অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে বার্ষিক বেতন ৬৯ হাজার ৯৬৪ ডলার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৭৫ ডলার পর্যন্ত উল্লেখ রয়েছে এবং পদটি ফুলটাইম। অন্যদিকে নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের অফিসিয়াল চাকরির তালিকায় ২৩ সেপ্টেম্বর বেশ কয়েকটি নতুন স্কুলভিত্তিক পদ দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে ফ্যামিলি ওয়ার্কার এবং স্কুল এইডের একাধিক পদ রয়েছে। একই দিনে ডিউইট ক্লিনটন হাইস্কুলে কমিউনিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের আবেদনের শেষ তারিখ ৫ অক্টোবর, ব্রুকলিন কলেজ একাডেমিতে প্যারেন্ট কো-অর্ডিনেটর পদের শেষ তারিখ ৬ অক্টোবর এবং পি১৮৬এক্স ওয়াল্টার জে. ড্যামরশ স্কুলে প্যারেন্ট কো-অর্ডিনেটর পদের শেষ তারিখ ৯ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, একই পদের যোগ্যতা, বেতন, কর্মস্থল, প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা এবং আবেদনের নিয়ম পদভেদে আলাদা হতে পারে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা তৃতীয় পক্ষের চাকরির সাইটের তথ্যের ওপর নির্ভর না করে স্টেটজবসএনওয়াই এবং নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি দেখে আবেদন করা উচিত। বিশেষ করে আইনি, পেশাগত বা লাইসেন্সনির্ভর পদে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতা ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এসব বিজ্ঞপ্তির বেশ কয়েকটির আবেদনের সময়সীমা অক্টোবরের প্রথম বা তৃতীয় সপ্তাহে শেষ হচ্ছে। ফলে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনের আগে শেষ তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট পদের বিস্তারিত শর্ত যাচাই করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি চাকরির আবেদন করার ক্ষেত্রে বৈধভাবে কাজের অনুমতি এবং পদভেদে নির্ধারিত শিক্ষাগত, পেশাগত বা লাইসেন্স সংক্রান্ত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে পাবলিক এনগেজমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (প্রফেশনাল এক্সচেঞ্জেস) পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। সম্প্রতি ইউএস অ্যাম্বাসি ঢাকার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থী পেশাগত এক্সচেঞ্জ কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা তৈরিতে কাজ করবেন। এ জন্য প্রার্থীর সাংগঠনিক দক্ষতা, খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগ এবং পেশাগত এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম পরিচালনা ও সমন্বয়ের বিষয়ে আগ্রহ থাকা প্রয়োজন। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সরকার, সুশীল সমাজ, থিংকট্যাংক, পেশাজীবী সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পেশাজীবীদের নিয়ে বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম সমন্বয় করবেন। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ তৈরি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর কাজ করতে হবে। পদের নাম পাবলিক এনগেজমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (প্রফেশনাল এক্সচেঞ্জেস)। আবেদন করার শেষ তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২৬। নিয়োগের অন্যান্য যোগ্যতা, বেতন ও সুবিধাসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে ইউএস অ্যাম্বাসি ঢাকার অফিসিয়াল চাকরি সংক্রান্ত পেজে দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের ইউএস অ্যাম্বাসি ঢাকার ওয়েবসাইটের চাকরি সংক্রান্ত পেজের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার আগে প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদনের শর্তগুলো ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের এই নিয়োগে পেশাগত যোগাযোগ, সংগঠন পরিচালনা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের অভিজ্ঞতা বা দক্ষতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য তাই আবেদন করার আগে নিজেদের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা বিজ্ঞপ্তির শর্তের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় নতুন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। যদিও রাজ্যটির বেকারত্বের হার এখনো তুলনামূলকভাবে কম, তবুও নতুন কর্মসংস্থান তৈরির ধীরগতি শ্রমবাজারে চাপ বাড়াচ্ছে। টেনেসির সাম্প্রতিক শ্রমবাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত এক বছরে রাজ্যটিতে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজারেরও বেশি কমে প্রায় ৩৩ লাখ ৭২ হাজারে নেমে এসেছে, যা ২০২৪ সালের শেষ দিকের পর সর্বনিম্ন। অন্যদিকে নিয়োগদাতাদের জরিপে অ-কৃষি খাতে কিছু নতুন চাকরি সৃষ্টি হলেও সেই প্রবৃদ্ধি আগের তুলনায় অনেক ধীর। একই সময়ে মৌসুমি সমন্বয় করা বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৬ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব টেনেসির বয়েড সেন্টার ফর বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চের পরিচালক অর্থনীতিবিদ ডন ব্রুস বলেন, সমস্যার মূল কারণ চাকরির ঘাটতি নয়; বরং শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার কমে যাওয়া। অনেক মানুষ শ্রমবাজার ছেড়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের সামগ্রিক চিত্রে এক ধরনের বৈপরীত্য তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঙ্গরাজ্যের মতো টেনেসিতেও ‘লো-হায়ার, লো-ফায়ার’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানগুলো বড় পরিসরে কর্মী ছাঁটাইও করছে না, আবার নতুন নিয়োগেও আগের মতো আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ফলে নতুন চাকরি খুঁজছেন এমন ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং একটি পদের জন্য প্রতিযোগীও বেড়ে যাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়েও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে জুন মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাণিজ্য নীতির অনিশ্চয়তা, উচ্চ ঋণব্যয় এবং নিয়োগে সতর্ক অবস্থানের কারণে শ্রমবাজারে এই ধীরগতি দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বেকারত্বের হার কম থাকলেও কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি আরও কমে গেলে নতুন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং চাকরি পেতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগতে পারে। তাই আগামী কয়েক মাসের শ্রমবাজারের গতিপ্রকৃতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।