সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ডাকযোগে ভোটকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বললেও ফ্লোরিডায় নিজেই সেই পদ্ধতিতে ভোট দিলেন ট্রাম্প

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ২১:৫৩
ডাকযোগে ভোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ডাকযোগে ভোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

ডাকযোগে ভোট বা মেইল-ইন ব্যালট ব্যবস্থাকে ‘পুরোপুরি দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে বারবার সমালোচনা করলেও নিজেই আবার সেই পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডায় রিপাবলিকান পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে তিনি ডাকযোগে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো জানিয়েছে, পাম বিচ কাউন্টির ভোটিং রেকর্ড অনুযায়ী, ট্রাম্প গত জুলাইয়ের শেষের দিকে একটি মেইল ব্যালটের জন্য আবেদন করেছিলেন। এরপর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রাইমারি নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে, গত ১৩ আগস্ট তিনি সেটি পূরণ করে জমা দেন। এ নিয়ে চলতি বছর নিজের বর্তমান ঠিকানা ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ডাকযোগে ভোট দিলেন ট্রাম্প।

 

এর আগে গত মার্চ মাসে ফ্লোরিডার একটি বিশেষ নির্বাচনেও ট্রাম্প ডাকযোগে ভোট দিয়েছিলেন, যদিও সেই সময় তিনি প্রকাশ্যে এই পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করছিলেন। সে সময় ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার কারণেই ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) সে সময় জানিয়েছিল, যখন সশরীরে আগাম ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল, তখন ট্রাম্প পাম বিচেই অবস্থান করছিলেন। হোয়াইট হাউস অবশ্য তখন ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে হওয়া সমালোচনাকে 'ভিত্তিহীন' বলে উড়িয়ে দিয়েছিল।

 

ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী আচরণের কড়া সমালোচনা করেছেন তরুণ ভোটারদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন 'ভোটারস অব টুমরো'-এর নির্বাহী পরিচালক সান্তিয়াগো মেয়ার। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজউইককে ইমেইলে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “এটি সত্যিই একটি হাস্যকর ব্যাপার। ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো ভাবেন আমরা সবাই বোকা। প্রেসিডেন্ট দিনের পর দিন ডাকযোগে ভোট দেওয়ার বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন, আবার নিজেই সেই পদ্ধতিতে ভোট দেন। তিনি যদি ডাকযোগে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে এত স্বাচ্ছন্দ্যে মিথ্যা বলতে পারেন, তবে ভেবে দেখুন তিনি আমাদের কাছে আরও কত বিষয় নিয়ে মিথ্যা বলছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন যে তিনি একজন চরম ভণ্ড এবং গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় হুমকি। এখন সময় এসেছে এমন একটি কংগ্রেস নির্বাচন করার, যারা এই দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় আনবে।”

 

এ বিষয়ে নিউজউইকের পক্ষ থেকে সোমবার ইমেইলের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসের মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

গত জুলাই মাসেও ট্রাম্প ডাকযোগে ব্যালট ব্যবস্থাকে "পুরোপুরি দুর্নীতিগ্রস্ত" বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি এই ব্যবস্থার ব্যবহার সীমিত করার পক্ষে মত দিয়ে বলেছিলেন, এটি কেবল অসুস্থতা, শারীরিক অক্ষমতা, সামরিক দায়িত্ব পালন বা ভ্রমণের মতো বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত।

 

তবে ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল পাননি তথ্য যাচাইকারী বিশেষজ্ঞরা। ডাকযোগে ভোটে ব্যাপক জালিয়াতির কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ২০২৫ সালের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি এক কোটি ডাকযোগে পড়া ভোটের মধ্যে বড়জোর চারটিতে জালিয়াতির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট ডাকযোগে দেওয়া হয়েছিল।

 

এদিকে, কেন্দ্রীয় নির্বাচনে ভোটার নিবন্ধনের জন্য মার্কিন নাগরিকত্বের প্রামাণ্য দলিল বাধ্যতামূলক করতে 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট' পাসের জন্য কংগ্রেসের ওপর চাপ প্রয়োগের নানা কৌশল অবলম্বন করছেন ট্রাম্প। এর অংশ হিসেবে তিনি প্রতিরক্ষা ব্যয় বিলের সঙ্গে এই ভোটিং বিলটি জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্টের মাধ্যমে বিলটিকে সর্বোচ্চ আইনি অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরে আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।

 

ট্রাম্পের সমর্থকদের দাবি, এই প্রস্তাবটি নির্বাচনী স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি করবে। তবে বিরোধীদের মতে, এটি যোগ্য নাগরিকদের জন্য ভোট দেওয়াকে আরও কঠিন করে তুলবে। আর অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার যে সমস্যার কথা বলে এই বিল পাসের চেষ্টা করা হচ্ছে, বাস্তবে তার কোনো বড় ভিত্তি নেই।

 

সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে 'সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট' নিয়ে এক পোস্টে ট্রাম্প ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আনেন। তিনি লেখেন, “চলতি মাসের শুরুতে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আমাদের প্রশাসনকে জিজ্ঞেস করেছিলেন বৈধ ছবিযুক্ত আইডি ছাড়া আপনারা কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন করেন? ভারতের সর্বশেষ নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ভোটার অংশ নিয়েছিলেন! সেখানে ১ শতাংশেরও কম মানুষ ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন এবং প্রতিটি ভোটারের কাছে বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র ছিল। আমাদের এখনই সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাস করতে হবে!”


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের চাকরির বাজারে ধীরগতির নতুন চিত্র উঠে এসেছে সর্বশেষ প্রতিবেদনে
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে চাকরির বাজারে ধীরগতি, প্রভাব পড়তে পারে সুদ ও খরচে

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ চাকরির প্রতিবেদনে দেশটির শ্রমবাজারে ধীরগতির চিত্র উঠে এসেছে। সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন নিয়োগদাতারা ২৯ হাজার নতুন চাকরি যোগ করেছেন, যা অর্থনীতিবিদদের প্রায় ৯০ হাজার নতুন চাকরির পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক কম। একই সময়ে বেকারত্বের হার ছিল ৪ দশমিক ২ শতাংশ।   শ্রমবাজারের এই ধীরগতির তথ্য প্রকাশের পরও শেয়ারবাজারে উল্টো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। অর্থনীতি বিশ্লেষক স্যামুয়েল টবের মতে, চাকরির বাজার প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।   এর একটি কারণ হতে পারে সুদের হার নিয়ে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সিদ্ধান্ত। দুর্বল চাকরির বাজার এবং বেকারত্বের হার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় অক্টোবরের শেষ দিকে ফেডারেল রিজার্ভ আবার সুদের হার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা কমতে পারে—এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মোট বেসরকারি ও সরকারি খাতে নন-ফার্ম চাকরি ২৯ হাজার বেড়েছে। আগের ১২ মাসে মাসে গড়ে প্রায় ৪৫ হাজার চাকরি যোগ হয়েছিল। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের প্রবৃদ্ধি সাম্প্রতিক গড়ের চেয়েও কম। স্বাস্থ্যসেবা খাতে ১৭ হাজার চাকরি বেড়েছে, যদিও এই খাতেও আগের এক বছরের গড় বৃদ্ধির তুলনায় গতি কমেছে।   একই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুলাই ও আগস্টের চাকরি বৃদ্ধির আগের হিসাবও কমিয়ে সংশোধন করা হয়েছে। জুলাইয়ের হিসাব ২১ হাজার থেকে কমিয়ে ১০ হাজার চাকরি কমেছে হিসেবে সংশোধন করা হয়েছে। আগস্টের চাকরি বৃদ্ধির হিসাব ১ লাখ ৬২ হাজার থেকে কমিয়ে ১ লাখ ৩৩ হাজার করা হয়েছে। ফলে জুলাই ও আগস্ট মিলিয়ে আগের হিসাবের তুলনায় মোট ৬০ হাজার কম চাকরি যোগ হয়েছিল বলে নতুন হিসাব দেখাচ্ছে।   এই চাকরির তথ্য এমন সময়ে প্রকাশিত হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি ও অর্থনীতি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে। সেপ্টেম্বরের এক এপি-নরস জরিপে অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের উদ্বেগের চিত্রও উঠে এসেছে। জরিপটি ২৪ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ২ হাজার ১৪০ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর পরিচালিত হয়।   সাধারণ মানুষের জন্য চাকরির বাজারের এই পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি ও পরোক্ষ—দুইভাবেই পড়তে পারে। নিয়োগ ধীর হলে নতুন চাকরি খোঁজা কঠিন হতে পারে এবং আয় বৃদ্ধির গতি কমতে পারে। অন্যদিকে, শ্রমবাজার দুর্বল হওয়ার লক্ষণ ফেডারেল রিজার্ভকে সুদের হার নিয়ে অপেক্ষাকৃত সতর্ক অবস্থান নিতে উৎসাহিত করতে পারে। সুদের হার কমলে ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ও বাড়ির অর্থায়নের খরচে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন আসতে পারে।   মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এটিই শেষ মাসিক চাকরির প্রতিবেদন হওয়ায় অর্থনীতি নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনাতেও এর গুরুত্ব রয়েছে। তবে চাকরির একটি মাসের তথ্য দিয়ে পুরো অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা নির্ধারণ করা যায় না। পরবর্তী মাসগুলোর চাকরি, মজুরি, মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার—সবগুলো তথ্য একসঙ্গে দেখলেই অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩, ২০২৬ ৩:৪৩
এটিএমের ওপর পড়ে থাকা ১ লাখ ২৮ হাজার ডলার পুলিশের হাতে তুলে দিলেন টেক্সাসের এক নাপিত

টেক্সাসে এটিএমে ফেলে যাওয়া ব্যাংক অব আমেরিয়ার কর্মীর ১ লাখ ২৮ হাজার ডলার ফিরিয়ে দিলেন নাপিত

২৪ বছর বয়সী দিয়েগো রদ্রিগেজ-অর্ডোনেজকে প্রায় ১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইবার গ্রে ফ তার করা হয়েছে

সকালে ডা কা তি, রাতে শ্লীলতা হা নি র অভিযোগ; ১৮ ঘণ্টায় দুইবার গ্রে ফ তার অবৈধ অভিবাসী

মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউতে সত্য তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

ভিসা ইন্টারভিউতে মিথ্যা তথ্য দিলে হতে পারে স্থায়ী অ যোগ্যতা, সতর্ক করল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

প্রথমবার বাড়ি কেনার জন্য সবচেয়ে কঠিন শহর এখন নিউইয়র্ক
প্রথমবার বাড়ি কেনার জন্য সবচেয়ে কঠিন শহর এখন নিউইয়র্ক, আর্থিক চাপে ক্রেতারা

প্রথমবার বাড়ি কিনতে ডাউন পেমেন্ট জমানোর হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের বড় আবাসন বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন অবস্থানে রয়েছে নিউইয়র্ক সিটি। রকেটের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্থানীয় একটি মধ্যম আয়ের পরিবার বছরে আয়ের ৫ শতাংশ সঞ্চয় করলে গবেষণায় পাওয়া মধ্যম ডাউন পেমেন্টের সমপরিমাণ অর্থ জমাতে প্রায় ৬৫ বছর লাগতে পারে। ২ অক্টোবর নিউইয়র্ক পোস্ট এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।    তবে এই হিসাবের অর্থ বাড়ি কিনতে সবাইকে ৬৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে, এমন নয়। এটি নির্দিষ্ট সঞ্চয়হার ধরে তৈরি একটি তুলনামূলক হিসাব। রকেট মর্টগেজের প্রথমবার বাড়ি কেনা গ্রাহকদের ডাউন পেমেন্ট এবং স্থানীয় পরিবারের আয়ের ব্যবধান বোঝাতে বিশ্লেষণটি করা হয়েছে।    গবেষণায় নিউইয়র্কে প্রথমবারের ক্রেতাদের মধ্যম ডাউন পেমেন্ট পাওয়া গেছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ডলার, যা বাড়ির ক্রয়মূল্যের প্রায় ৩০ শতাংশ। ব্যবহৃত মধ্যম বার্ষিক পারিবারিক আয় ৮১ হাজার ২২৮ ডলার। এর ৫ শতাংশ সঞ্চয় করলে বছরে জমে প্রায় ৪ হাজার ৬১ ডলার। সেই হিসাবে ওই ডাউন পেমেন্ট জমাতে সময় লাগে ৬৫ দশমিক ২ বছর।    রকেটের বিশ্লেষণটি জুনে প্রকাশিত হয়। এতে ২০২৫ সালের ২০ মে থেকে ২০২৬ সালের ১৯ মে পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে মর্টগেজ নিয়ে প্রথম বাড়ি কেনা গ্রাহকদের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। পরিবারের আয়ের তথ্য নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনসাস ব্যুরোর ২০২৪ সালের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভে থেকে। ফলে ফলাফলটি সব ক্রেতার অভিজ্ঞতা বা মর্টগেজের ন্যূনতম ডাউন পেমেন্টের শর্তকে প্রতিনিধিত্ব করে না।    একই পদ্ধতির হিসাবে সান ফ্রান্সিসকোয় মধ্যম ডাউন পেমেন্ট জমাতে প্রয়োজন ৫৭ দশমিক ২ বছর এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪১ দশমিক ৫ বছর। বিপরীতে মিশিগানের ওয়ারেনে সময় লাগে প্রায় ৩ দশমিক ১ বছর, ডেট্রয়েটে ৩ দশমিক ৯ বছর। ওই দুই বাজারে প্রথমবারের ক্রেতাদের মধ্যম ডাউন পেমেন্ট যথাক্রমে ৮ হাজার ৭৯৭ ও ৭ হাজার ৬০০ ডলার।    এই ব্যবধানের পেছনে বাড়ির দাম ছাড়াও শুরুতে ক্রেতারা কত শতাংশ অর্থ দিচ্ছেন, সেটি বড় বিষয়। নিউইয়র্কে গবেষণার মধ্যম ডাউন পেমেন্ট ক্রয়মূল্যের ৩০ শতাংশ হলেও ওয়ারেন ও ডেট্রয়েটে তা প্রায় ৫ শতাংশ।    রেডফিনের নিউইয়র্কভিত্তিক এজেন্ট জেসন ওয়ার্নার রকেটের প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, শহরের অনেক কো-অপ ও কনডো ভবনে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের শর্ত থাকে। বেশি অর্থ শুরুতে দিলে মর্টগেজের পরিমাণ ও মাসিক কিস্তি কমে, যা ঋণদাতার আয় ও ঋণের অনুপাতসংক্রান্ত শর্ত পূরণেও সহায়তা করতে পারে।    সঞ্চয়ের এই হিসাবে বোনাস, বিনিয়োগের আয়, পরিবারের সহায়তা বা ডাউন পেমেন্ট সহায়তার অর্থ ধরা হয়নি। এসব কারণে একজন ক্রেতার বাস্তব প্রস্তুতির সময় গবেষণার হিসাব থেকে আলাদা হতে পারে। বিশ্লেষণটির মূল বার্তা হলো, প্রথম বাড়ি কেনার জন্য শুরুতে প্রয়োজনীয় অর্থ জমানোর বাধা একেক আবাসন বাজারে একেক রকম।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩, ২০২৬ ০:২৮
টেক্সাসের বিগ বেন্ড অঞ্চলে সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণে ফেডারেল আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পর স্বস্তিতে পরিবেশবাদীরা। ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসের বিগ বেন্ড অঞ্চলে ট্রাম্প প্রশাসনের সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণ সাময়িকভাবে আটকে দিল আদালত

শিশু লুনার মৃত্যুর পর তদন্ত শুরু করে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। ছবি: সংগৃহীত

লস অ্যাঞ্জেলেসে ডাস্টবিনে মিলল ৪ মাস বয়সী শিশুর মরদেহ, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মা

নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড ও কুইন্স এলাকায় নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ অভিযান। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে তিন দিনের অভিযানে নিখোঁজ ৩৪ শিশু-কিশোর উদ্ধার

ক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বজনদের পুনর্মিলনে দীর্ঘ অপেক্ষার মুখে পড়তে হয় অনেককে। ছবি: সংগৃহীত
ভাই-বোন আমেরিকার নাগরিক, তবু কেন যেতে পারছি না যুক্তরাষ্ট্রে? আসল কারণ জানলে অবাক হবেন

আমেরিকায় থাকা ভাই বা বোন নাগরিক হওয়ার পরও বাংলাদেশে থাকা স্বজনদের অনেকেরই প্রশ্ন থাকে, “আমাকে এখনো আমেরিকায় নিয়ে যাচ্ছে না কেন?” বাস্তবে বিষয়টি সব সময় ইচ্ছা বা চেষ্টা না করার কারণে হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা নির্দিষ্ট নিয়মে ভাই-বোনের জন্য ইমিগ্রেশন আবেদন করতে পারেন। তবে ভাই-বোনের আবেদন এফ-৪ ফ্যামিলি প্রেফারেন্স ক্যাটাগরিতে পড়ে এবং এই ক্যাটাগরিতে ভিসার সংখ্যা সীমিত। ফলে আবেদন করার পরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।   অক্টোবর ২০২৬-এর ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলাদেশসহ বেশিরভাগ দেশের এফ-৪ ক্যাটাগরিতে বর্তমানে ২২ অক্টোবর ২০১১-এর আগের প্রায়োরিটি ডেটের আবেদনগুলো ভিসার জন্য বিবেচিত হচ্ছে। অর্থাৎ এখন নতুন করে ভাই-বোনের জন্য আবেদন করলে অপেক্ষার সময় প্রায় ১৫ বছরের কাছাকাছি হতে পারে। তবে এই সময় নির্দিষ্ট নয়। ভিসা বুলেটিনের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে অপেক্ষার সময় ভবিষ্যতে কমতেও পারে, আবার বাড়তেও পারে।   অনেকেই মনে করেন ভাই-বোনকে আনার আবেদন মানে শুধু একটি ফর্ম পূরণ করা। বাস্তবে প্রক্রিয়াটি এত সহজ নয়। প্রথম ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিককে ফর্ম আই-১৩০ জমা দিতে হয় এবং ভাই-বোনের সম্পর্কের প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে হয়। বর্তমানে আই-১৩০-এর সরকারি ফাইলিং ফি অনলাইনে ৬২৫ ডলার এবং কাগজে জমা দিলে ৬৭৫ ডলার। এর বাইরে জন্মসনদ, নাগরিকত্বের প্রমাণ, নাম পরিবর্তনের কাগজসহ পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন ডকুমেন্ট লাগতে পারে।   অনেক আবেদনকারী নিজেরা ইমিগ্রেশন ফর্ম পূরণ করতে পারেন না। তখন ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি বা অনুমোদিত প্রতিনিধির সহায়তা নিতে হয়, যার জন্য সরকারি ফি’র বাইরে আলাদা পেশাগত খরচ হতে পারে। ডকুমেন্ট সংগ্রহ, অনুবাদ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের খরচও থাকতে পারে। ফলে শুরু থেকেই এটি একটি সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া হয়ে দাঁড়াতে পারে।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা তাদের স্বামী বা স্ত্রী, ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তান এবং ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী বাবা-মাকে ইমিডিয়েট রিলেটিভ হিসেবে আনার সুযোগ পান। এসব সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভাই-বোনের মতো বার্ষিক ফ্যামিলি প্রেফারেন্স ভিসা কোটার দীর্ঘ অপেক্ষা থাকে না। তবে আবেদনকারী ও যার জন্য আবেদন করা হচ্ছে, উভয়ের নির্ধারিত যোগ্যতা ও অন্যান্য ইমিগ্রেশন শর্ত পূরণ করতে হয়।   প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের ক্ষেত্রেও নিয়ম আলাদা। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী অবিবাহিত সন্তান এফ-১ এবং বিবাহিত সন্তান এফ-৩ ফ্যামিলি প্রেফারেন্স ক্যাটাগরিতে পড়েন। ফলে তাদের ক্ষেত্রেও ভিসা নম্বর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। কোন ক্যাটাগরিতে কত সময় লাগবে, তা সংশ্লিষ্ট ভিসা ক্যাটাগরি, প্রায়োরিটি ডেট এবং ভিসা বুলেটিনের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে।   ভাই-বোনের ক্ষেত্রে দীর্ঘ অপেক্ষা এবং আবেদন প্রক্রিয়ার খরচ ও কাগজপত্রের জটিলতার কারণে অনেক বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিক আবেদন করার বিষয়টি নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। কেউ ভাবেন, এত বছর পর ভাই-বোনের বয়স, পরিবার বা পরিস্থিতি বদলে যাবে। আবার কেউ মনে করেন, এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হলে এখন আবেদন করে লাভ কী। ফলে কেউ আবেদন করেন না, আবার অনেকে আবেদন করে বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন।   তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা জরুরি। ভাই-বোনের জন্য আবেদন করা এবং দ্রুত আমেরিকায় নিয়ে আসা এক বিষয় নয়। একজন যোগ্য মার্কিন নাগরিক আবেদন করে প্রায়োরিটি ডেট তৈরি করতে পারেন, কিন্তু ভিসা নম্বর পাওয়ার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়। তাই আমেরিকায় থাকা ভাই বা বোন আপনাকে দ্রুত নিয়ে আসতে পারছেন না মানেই তিনি চেষ্টা করছেন না, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে মূল বাধা হলো দীর্ঘ ভিসা ব্যাকলগ ও সীমিত ভিসা সংখ্যা।   পরিবারের কাউকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার পরিকল্পনা থাকলে তাই আগে বুঝতে হবে সম্পর্কটি কোন ইমিগ্রেশন ক্যাটাগরিতে পড়ছে, সেই ক্যাটাগরিতে ভিসার সংখ্যা কীভাবে নির্ধারিত হয় এবং বর্তমান ভিসা বুলেটিনে তার অবস্থান কোথায়। কারণ স্বামী বা স্ত্রী, বাবা-মা, নাবালক অবিবাহিত সন্তান, ভাই-বোন এবং প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান সবার জন্য একই নিয়ম বা একই অপেক্ষার সময় প্রযোজ্য নয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬ ২৩:৩৭
যুক্তরাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা ও সামরিক চাকরিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বেতন ও অবসর সুবিধা। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ, শেরিফ নাকি সেনাবাহিনী, যুক্তরাষ্ট্রে কোন চাকরিতে বেতন ও সুবিধা বেশি?

দুটি বৈদ্যুতিক স্কুটারের ওপর সোফা বসিয়ে সড়কে চলছিলেন দুই ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত

রাস্তায় গাড়ির বদলে সোফা চালাচ্ছিলেন দুই ব্যক্তি, থামাল পুলিশ

নতুন অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড প্রত্যাশীদের জন্য নতুন সুযোগ ও কাট-অফ ডেট ঘোষণা করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড প্রত্যাশীদের জন্য নতুন সুযোগ, অক্টোবরেই কার্যকর হচ্ছে যেসব নিয়ম

0 Comments