সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন মার্কিন সেনাসচিব ড্যান ডিসক্রল, নতুন চ্যালেঞ্জে পেন্টাগন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ১৮:৭
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন মার্কিন সেনাসচিব ড্যান ডিসক্রল
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন মার্কিন সেনাসচিব ড্যান ডিসক্রল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের মতবিরোধ ও টানাপোড়েনের জেরে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন মার্কিন সেনাসচিব (আর্মি সেক্রেটারি) ড্যান ডিসক্রল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।

 

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ডিসক্রলের প্রশংসা করে জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামরিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে এবং ঐতিহাসিক সামরিক অভিযানগুলোতে তিনি অত্যন্ত দক্ষ নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে বিবৃতিতে পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

 

পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের সঙ্গে ডিসক্রলের সম্পর্ক বেশ কিছুদিন ধরেই বৈরী ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য সাবেক এই সেনাসচিব বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হোয়াইট হাউসে ডিসক্রলের এই সরাসরি প্রবেশাধিকার ও প্রভাবকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে একধরনের বাইপাস বা হুমকি হিসেবে দেখছিলেন।

 

এই দ্বন্দ্ব আরও প্রকট আকার ধারণ করে যখন চলতি বছরের এপ্রিলে হেগসেথ আকস্মিকভাবে আর্মি চিফ অব স্টাফ জেনারেল রেন্ডি জর্জকে বরখাস্ত করেন। জেনারেল জর্জের সঙ্গে ডিসক্রলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কাজের সম্পর্ক ছিল এবং এই বরখাস্তের ঘটনা তাদের মধ্যকার চাপা উত্তেজনাকে সম্পূর্ণ প্রকাশ্যে নিয়ে আসে।

 

ডিসক্রলের এই পদত্যাগ এমন এক স্পর্শকাতর সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান সামরিক সংঘাত ষষ্ঠ মাসে গড়িয়েছে। সংঘাত শেষ হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ওপর মারাত্মক চাপ তৈরি হচ্ছে।

 

সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথকে দেওয়া এক গোপন মূল্যায়নে (সেক্রেটারি অব ডিফেন্স অর্ডার্স বুক) শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, ইউরোপ, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার অনেক যুদ্ধজাহাজ, বিমান ও সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়ায় অন্যান্য অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর নিয়মিত কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ ব্যাহত হচ্ছে।

 

বিশেষ করে নৌবাহিনীর ওপর এই যুদ্ধের চাপ সবচেয়ে বেশি। নৌবাহিনীর প্রধান স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমান মাত্রায় এই অভিযান দীর্ঘায়িত করা কোনোভাবেই টেকসই নয়।

 

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত এবং সামরিক সম্পদের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সীমানা ও অন্যান্য বৈশ্বিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে।

 

ঠিক এই রকম একটি জটিল ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ড্যান ডিসক্রলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্তার বিদায়ে পেন্টাগনের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হলো, যা মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভবিষ্যৎ কৌশল ও স্থিতিশীলতাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
আমেরিকায় হেলথ ইন্স্যুরেন্স ছাড়া চিকিৎসার খরচ হাসপাতাল ও রোগীভেদে ভিন্ন হয়। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকায় স্বাস্থ্যবিমা ছাড়া চিকিৎসা করালে কত খরচ? জেনে নিন বিস্তারিত

আমেরিকায় ইন্স্যুরেন্স ছাড়া চিকিৎসা করালে খরচ কত হবে, তার একক উত্তর নেই। একই চিকিৎসার বিল হাসপাতাল, চিকিৎসক, পরীক্ষা ও রোগীর অবস্থাভেদে বদলে যায়। তবে ইন্স্যুরেন্স না থাকলেও কম খরচে চিকিৎসা, বিলের আর্থিক সহায়তা এবং নির্ধারিত চিকিৎসার আগে সম্ভাব্য খরচ জানার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য এসব সুবিধার শর্ত বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।   যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি হেলথ ইন্স্যুরেন্স মার্কেটপ্লেসের তথ্য অনুযায়ী, তিন দিন হাসপাতালে থাকার গড় খরচ প্রায় ৩০ হাজার ডলার হতে পারে। ভাঙা পায়ের চিকিৎসায় খরচ হতে পারে সাড়ে সাত হাজার ডলার। এগুলো খরচ বোঝানোর উদাহরণ, কোনো নির্দিষ্ট রোগীর চূড়ান্ত বিল নয়।   প্রাইমারি কেয়ার ডাক্তার দেখানো, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, সন্তান প্রসব কিংবা অপারেশনের জন্য দেশজুড়ে একই মূল্য প্রযোজ্য নয়। হাসপাতালের প্রকাশিত চার্জ, সেলফ-পে মূল্য এবং আর্থিক সহায়তার পর রোগীর প্রদেয় অর্থও আলাদা হতে পারে। চিকিৎসকের ফি ও হাসপাতালের ফ্যাসিলিটি চার্জের জন্য পৃথক বিল আসতে পারে বলেও জানিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি হেলথ অ্যান্ড হসপিটালস।   যাঁরা ইন্স্যুরেন্স ছাড়া নিজের খরচে চিকিৎসা নেবেন, এমন রোগীরা নির্ধারিত চিকিৎসার আগে লিখিত সম্ভাব্য খরচ চাইতে পারেন। এটি ‘গুড ফেইথ এস্টিমেট’ নামে পরিচিত। সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেস বা সিএমএস জানিয়েছে, সাধারণভাবে অন্তত তিন কর্মদিবস আগে চিকিৎসার সময় নির্ধারণ করলে অথবা খরচের হিসাব চাইলে এই সুবিধা প্রযোজ্য হয়।   কোনো সেবাদাতার চূড়ান্ত বিল গুড ফেইথ এস্টিমেটের চেয়ে অন্তত ৪০০ ডলার বেশি হলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আপত্তি জানানোর সুযোগ আছে। তবে ইমার্জেন্সি চিকিৎসার সময় আগাম এই এস্টিমেট দেওয়া হয় না।   নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দাদের জন্য এনওয়াইসি কেয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প। তবে এটি হেলথ ইন্স্যুরেন্স নয়। ইন্স্যুরেন্সের যোগ্য নন বা তার খরচ বহন করতে পারেন না, এমন বাসিন্দাদের নিউইয়র্ক সিটি হেলথ অ্যান্ড হসপিটালস ব্যবস্থায় চিকিৎসা পাওয়ার কর্মসূচি এটি।   এনওয়াইসি কেয়ারে সদস্যপদ বা মাসিক প্রিমিয়াম নেই। আয় ও পরিবারের সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে সেবার ফি নির্ধারিত হয়, যা শূন্য ডলার থেকেও শুরু হতে পারে। কর্মসূচিটি জানিয়েছে, তারা অভিবাসনসংক্রান্ত অবস্থার তথ্য নথিভুক্ত করে না। ভাষাগত সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।   অন্যদিকে মেডিকেইড ও এসেনশিয়াল প্ল্যানের মতো স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি থাকলেও সবাই এসব সুবিধা পাবেন, এমন নয়। আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও চলতি যোগ্যতার নিয়ম পরীক্ষা করা প্রয়োজন। নিউইয়র্কের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ফেডারেল নীতির পরিবর্তনের কারণে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে এসেনশিয়াল প্ল্যানের সম্প্রসারিত অংশে থাকা অনেকের মার্কেটপ্লেসের অন্য ইন্স্যুরেন্সে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে। ফলে পুরোনো আয়সীমা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না।   নিউইয়র্কের বাইরেও কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের মাধ্যমে তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফেডারেল সংস্থা হেলথ রিসোর্সেস অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এইচআরএসএ জানিয়েছে, ইন্স্যুরেন্স থাকুক বা না থাকুক, এসব কেন্দ্রে সেবা নেওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী আয় ও পরিবারের সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে ফি কমানো হয়। তাই সব ক্লিনিকে নির্দিষ্ট ৩০ বা ৮০ ডলারে চিকিৎসা পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।   হাসপাতালের বিল এলে সেটি উপেক্ষা না করে বিলিং বিভাগ বা ফিন্যান্সিয়াল কাউন্সেলরের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। নিউইয়র্ক সিটি হেলথ অ্যান্ড হসপিটালস জানিয়েছে, ইন্স্যুরেন্সের যোগ্য নন, ইন্স্যুরেন্সের খরচ বহন করতে পারেন না কিংবা চিকিৎসার বিল দেওয়ার সামর্থ্য নেই, এমন রোগীরা তাদের আর্থিক সহায়তার যোগ্য হতে পারেন। সহায়তার পরিমাণ নির্ভর করে আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও কর্মসূচির নিয়মের ওপর। সবার বিল নির্দিষ্ট হারে কমবে বা পুরোপুরি মওকুফ হবে, এমন নয়।   প্রেসক্রিপশনের ওষুধ কেনার সময় গুডআরএক্সের মতো ডিসকাউন্ট সেবার মূল্যও তুলনা করা যায়। তবে এটি ইন্স্যুরেন্স নয় এবং একই ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে ইন্স্যুরেন্সের সঙ্গে একত্রে ব্যবহার করা যায় না। কত সাশ্রয় হবে, তা ওষুধ, ফার্মেসি ও চলতি মূল্যের ওপর নির্ভর করে।   জরুরি অবস্থায় খরচের ভয়ে চিকিৎসা বিলম্ব করা উচিত নয়। সিএমএসের নির্দেশনা অনুযায়ী, মেডিকেয়ার অর্থায়ন গ্রহণকারী হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে ইন্স্যুরেন্স বা অর্থ দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলেও জরুরি অবস্থা যাচাইয়ের পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় স্থিতিশীল করার চিকিৎসার অধিকার রয়েছে। নাগরিকত্ব না থাকার কারণেও এই সেবা প্রত্যাখ্যান করা যায় না। তবে জরুরি চিকিৎসা পাওয়ার এই অধিকার মানেই চিকিৎসা বিনা মূল্যে হবে, এমন নয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ১১:৩০
নিউইয়র্কে নি হত ফায়ার সার্ভিস ক্যাপ্টেনের স্মরণে আলোকিত ম্যুরাল, চার বছরেও ভোলেননি সহকর্মীরা

নিউইয়র্কে নি হত ফায়ার সার্ভিস ক্যাপ্টেনের স্মরণে আলোকিত ম্যুরাল, চার বছরেও ভোলেননি সহকর্মীরা

নিউইয়র্কের স্কুলশিক্ষিকার মেসিকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগে তোলপাড়

নিউইয়র্কের স্কুলশিক্ষিকার মেসিকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগে তোলপাড়

ক্যালিফোর্নিয়ায় স্ত্রী জেসমিন গিলকে হত্যার অভিযোগে স্বামী গুরিন্দর গিল গ্রেপ্তার। ছবি: সংগৃহীত

জেসমিনকে আইসিই নিয়ে গেছে বলে দাবি স্বামীর, অবশেষে হত্যা মামলায় তাকেই আটক করল পুলিশ

নিউইয়র্কে সোনার চেইন ছিনতাই করতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার মাকে ছু রি কা ঘাত
নিউইয়র্কে সোনার চেইন ছিনতাই করতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার মাকে ছু রি কা ঘাত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বর্তমানে এক নতুন আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে মোটরচালিত বাইক বা স্কুটারে ঘুরে বেড়ানো ছিনতাইকারী চক্র। অবৈধ অভিবাসী গ্যাং সদস্যদের নিয়ে গঠিত এই চক্রটি সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে খোদ পুলিশ সদস্যদের গলা থেকেও হাজার হাজার ডলার মূল্যের অলংকার ছিনিয়ে নিচ্ছে।   নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (NYPD) তথ্যমতে, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে এ পর্যন্ত ২০টির বেশি চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে অন্তত ১০টি রূপ নিয়েছিল সহিংসতায়। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তার মতে, শহরের আনাচে-কানাচে এ ধরনের শত শত ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে, যা রেকর্ডের বাইরেই থেকে যাচ্ছে।   এই ছিনতাইয়ের পেছনে মূলত নব্বইয়ের দশকে রাইকার্স আইল্যান্ডে ডোমিনিকান বন্দীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত কুখ্যাত 'ট্রিনিটারিওস' (Trinitarios) গ্যাং জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রঙ্কস এবং আপার ম্যানহাটনে এদের ব্যাপক আধিপত্য রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুটারে দুজন মিলে চেইন ছিনতাই করা এদের অন্যতম প্রধান কৌশল।   তারা প্রায়ই নিজেদের মুখ পুরোপুরি ঢেকে রাখে, ফলে নজরদারি ক্যামেরাতেও তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। সম্প্রতি এই গ্যাংয়ের দুই অবৈধ অভিবাসী সদস্য এক এনওয়াইপিডি গোয়েন্দার মায়ের দেওয়া চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় তাকে ১০ বার ছুরিকাঘাত করে।   এর আগে ব্রুকলিনে এক নারী পুলিশ কর্মকর্তার গলা থেকেও ৮০০ ডলার মূল্যের একটি চেইন ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া গত জুলাইয়ে ম্যানহাটনে এক অফ-ডিউটি বর্ডার পেট্রোল এজেন্টকে গুলি করার ঘটনায় ‘অপারেশন সালভো’ চালিয়ে এই গ্যাংয়ের ৫৪ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।   ছিনতাইকারীদের এই বেপরোয়া আচরণের বড় শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি হোর্হে বেলত্রে নামের এক ব্যক্তি তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলেকে স্কুল থেকে আনার পথে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। নিজের ১৪ ক্যারেট সোনার চেইন বাঁচাতে গিয়ে তিনি পায়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন, তবে পথচারীদের সহায়তায় ১৭ বছর বয়সী এক ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলতে সক্ষম হন। কিন্তু হতাশার বিষয় হলো, ওই কিশোর মাত্র ৯০০ ডলার জামিনে দ্রুতই মুক্তি পেয়ে যায়।   পুলিশের মতে, নিউইয়র্ক একটি 'স্যাংচুয়ারি সিটি' হওয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (ICE) হাতে তুলে দেওয়া যায় না। বিচারকরাও অনেক সময় দ্রুত জামিন মঞ্জুর করায় অপরাধীরা ছাড়া পেয়ে আবারও একই অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে।   সমালোচকরা এই পরিস্থিতির জন্য নিউইয়র্কের বর্তমান মেয়র জোহরান মামদানির নীতিকে আংশিক দায়ী করছেন। ডেলিভারি অ্যাপ কর্মীদের সুবিধার্থে ই-বাইক চালকদের ওপর কড়াকড়ি কমানোর যে নীতি তিনি গ্রহণ করেছেন, তার সুযোগ নিচ্ছে এই অপরাধীরা।   জন জে কলেজ অফ ক্রিমিনাল জাস্টিসের অধ্যাপক ও সাবেক এনওয়াইপিডি গোয়েন্দা মাইকেল আলকাজার মনে করেন, এই মহামারি ঠেকাতে পুলিশের 'ব্রোকেন-উইন্ডো' থিওরি এবং সাধারণ পোশাকের অ্যান্টি-ক্রাইম ইউনিটগুলোকে পুনরায় মাঠে নামানো প্রয়োজন।   তবে এনওয়াইপিডির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাতের পর সম্প্রতি ব্রঙ্কস এলাকায় চেইন ছিনতাইয়ের ঘটনা কিছুটা কমেছে। এছাড়া চলতি বছর শহরজুড়ে বড় ধরনের অপরাধ ৭ শতাংশ এবং ব্রঙ্কসে ১২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ৭:৩৪
যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের বেড়ে ওঠার পরিবেশের সূচকে শীর্ষে টেক্সাসের ফ্রিসকো

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের বেড়ে ওঠার পরিবেশের সূচকে শীর্ষে টেক্সাসের ফ্রিসকো, বাফেলো ৯৯তম

কলম্বিয়ার বোগোটা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাগামী ডেলটা এয়ার লাইনসের একটি ফ্লাইটে আসন বদল নিয়ে বিরোধ

আসন বদল না করতে চাওয়ায় যাত্রীকে নামাল ডেল্টা, নিয়ম ভাঙার দাবি এয়ারলাইনসের

ভারতীয় নাগরিক মুকেশকুমার সোমাভাই চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বলে সাধারণ নির্বাচনে ভোট দেওয়ায় ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে আইসিই

ফ্লোরিডার টাম্পায় প্রথমবার বাড়ি কিনতে যোগ্য ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ডাউন পেমেন্ট সহায়তার কর্মসূচি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ফ্লোরিডার টাম্পায় প্রথমবার বাড়ি কিনতে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা, কারা পাবেন এই সুবিধা?

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের জন্য রয়েছে সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার সুযোগ। নগর কর্তৃপক্ষের দুটি পৃথক কর্মসূচির আওতায় যোগ্য ক্রেতারা এই সহায়তা পেতে পারেন। কর্মসূচি দুটি হলো ‘ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম’ এবং ‘কমিউনিটি রিডেভেলপমেন্ট এরিয়া’ বা সিআরএ ডাউন পেমেন্ট সহায়তা কর্মসূচি। তবে এই অর্থ সবার জন্য নিশ্চিত নয়; আবেদনকারীর পারিবারিক আয়, বাড়ির অবস্থান এবং কর্মসূচির নির্ধারিত শর্ত পূরণের ওপর সহায়তার পরিমাণ নির্ভর করে।    টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম কর্মসূচিতে যোগ্য প্রথমবারের বাড়ি ক্রেতারা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত সহায়তা পেতে পারেন। অন্যদিকে, সিআরএ কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত পুনর্গঠন এলাকার মধ্যে বাড়ি কিনলে আরও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত সহায়তার সুযোগ রয়েছে। দুই কর্মসূচির আওতায় যোগ্যতা অর্জন করলে মোট সহায়তার পরিমাণ ১ লাখ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। ২০২৬ সালের জুনে নগর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন একজন ক্রেতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়, যিনি দুটি কর্মসূচির অর্থ মিলিয়ে মোট ১ লাখ ডলার সহায়তা পেয়েছেন।    তবে দুটি কর্মসূচির আওতায় সর্বোচ্চ সহায়তা পেতে হলে আবেদনকারীকে উভয় কর্মসূচির শর্ত পূরণ করতে হবে। ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম কর্মসূচির ক্ষেত্রে বাড়িটি অবশ্যই টাম্পা নগরসীমার মধ্যে হতে হবে। পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং বাড়ির ক্রয়মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি হতে পারবে না। এ ছাড়া আবেদনকারীকে অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। চুক্তিবদ্ধ হওয়ার আগেই কর্মসূচির নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি।    সিআরএ কর্মসূচির ক্ষেত্রে বাড়িটি টাম্পার নির্ধারিত কমিউনিটি রিডেভেলপমেন্ট এলাকার ভেতরে অবস্থিত হতে হবে। শুধু নির্দিষ্ট কোনো ডাক-সংকেত বা জিপ কোডের মধ্যে বাড়ি হলেই সহায়তা পাওয়া যাবে, এমন নয়। বাড়িটির প্রকৃত অবস্থান সংশ্লিষ্ট সিআরএ এলাকার সীমানার মধ্যে পড়ছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। এ কর্মসূচিতেও পরিবারের আয়, ক্রেতার যোগ্যতা, নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ এবং অনুমোদিত ঋণের ধরনসহ বিভিন্ন শর্ত প্রযোজ্য।    পরিবারের আয়ের ভিত্তিতে সহায়তার পরিমাণও পরিবর্তিত হয়। নগর কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্ধারিত এলাকার মধ্যম পারিবারিক আয়ের ৫০ দশমিক ০১ থেকে ৮০ শতাংশের মধ্যে আয় হলে যোগ্য ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার পেতে পারেন। আয় ৮০ দশমিক ০১ থেকে ১২০ শতাংশের মধ্যে হলে সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ডলার এবং ১২০ দশমিক ০১ থেকে ১৪০ শতাংশের মধ্যে হলে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার হতে পারে। তবে আয়সীমার পাশাপাশি অন্যান্য যোগ্যতার শর্তও পূরণ করতে হবে।    এই সহায়তাকে সরাসরি নগদ অনুদান হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। কর্মসূচিগুলোর আওতায় সাধারণত শূন্য সুদের বিলম্বিত পরিশোধযোগ্য ঋণের মাধ্যমে অর্থ দেওয়া হয়। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে বাড়িটি নিজের প্রধান বাসস্থান হিসেবে রেখে বসবাস করলে ২০ বছর পর ঋণ মওকুফের সুযোগ রয়েছে। তবে বাড়ি বিক্রি, মালিকানা পরিবর্তন বা বসবাসসংক্রান্ত শর্ত ভঙ্গ করলে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে ঋণের চুক্তি ও মওকুফের শর্ত ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি।    প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের জন্য এই কর্মসূচি বাড়ির প্রাথমিক অর্থ বা ডাউন পেমেন্টের চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা বাড়ি কেনার সামর্থ্য রাখলেও শুরুতে বড় অঙ্কের অর্থ জোগাড় করতে সমস্যায় পড়েন, তাঁদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তবে সহায়তার অর্থ ও কর্মসূচির তহবিলের প্রাপ্যতা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। আবেদন করার আগে টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট বিভাগ অথবা অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বর্তমান যোগ্যতা, আবেদনপ্রক্রিয়া এবং তহবিলের অবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ২২:৩৩
অনলাইন ডেটিংয়ের সূত্র ও ডিএনএ পরীক্ষার ফল দুই নারী হত্যার রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

রাস্তার পাশে স্যুটকেসে মিলল দুই নারীর মরদেহ, ডিএনএ পরীক্ষায় ধরা পড়েন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

এনভিসির চিঠি পাওয়ার পর আবেদনকারীদের অনলাইনে ফি পরিশোধ, আবেদনপত্র পূরণ ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হয়। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার চিঠি পেয়েছেন? এরপর কী করবেন, জেনে নিন

জ্বালানি, বিমানভাড়া ও হোটেলের খরচ বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে শীতের ছুটির ভ্রমণ ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

শীতের ছুটিতে ভ্রমণের পথে বাধা মূল্যস্ফীতি, দুশ্চিন্তায় ৪৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিক

0 Comments