গোপনে উড়োজাহাজে আবুধাবি গেলেন নেতানিয়াহু, বৈঠক করলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি সফর করে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইসরায়েলের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে সফরের কথা জানিয়েছেন। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে আবুধাবি যান। সফরের বিষয়ে আগে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। রয়টার্সের প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত নেতানিয়াহুর দপ্তর বা আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই সফরের আগে ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে দাবি করা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার প্রায় দেড় সপ্তাহ আগে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট নেতানিয়াহুকে বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। নেতানিয়াহু ওই দাবি অস্বীকার করেছেন এবং সংবাদপত্রটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। রোববারের বৈঠকে সেই প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২০ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এর আগে মে মাসে নেতানিয়াহুর দপ্তর আমিরাতে তাঁর আরেকটি গোপন সফরের দাবি করলেও আমিরাত সরকার সেটি অস্বীকার করেছিল। রোববারের সফর নিয়ে আমিরাতের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিশ্ব
View moreবেলজিয়ামের একটি আশ্রয়প্রার্থী কেন্দ্র থেকে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে নিয়ে গিয়ে যৌন নিপীড়নের পর ছোট নৌকায় যুক্তরাজ্যে আনার অভিযোগ উঠেছে এক আফগান নাগরিকের বিরুদ্ধে। যুক্তরাজ্যের আদালতে মামলাটি ওঠার পর গত রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে এর তথ্য প্রকাশিত হয়। অভিযোগের বিচার বেলজিয়ামে হওয়ার কথা রয়েছে। দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটির শুরু ২০২৫ সালের জুনে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বেলজিয়ামের আশ্রয়প্রার্থী কেন্দ্র থেকে কিশোরীটিকে নিয়ে যান ওই ব্যক্তি। পরে ফ্রান্স হয়ে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে তাঁরা যুক্তরাজ্যে পৌঁছান। কিশোরীটি তুরস্কের নাগরিক বলে আদালতে জানানো হয়েছে। তাঁর পরিচয় প্রকাশ পেতে পারে, এমন আশঙ্কায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নামও প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর বয়স নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে; কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি ভিন্ন ভিন্ন জন্মতারিখ দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় অপরাধ সংস্থা জানিয়েছে, বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষের খোঁজা ওই ব্যক্তিকে গত ১৯ আগস্ট পশ্চিম লন্ডনের ফেলথামে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া চলাকালে তিনি হেফাজতে আছেন। অপহরণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
গোপনে উড়োজাহাজে আবুধাবি গেলেন নেতানিয়াহু, বৈঠক করলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে
কানাডিয়ান কিশোরকে অপহরণের অভিযোগ, আমেরিকা- কানাডা সীমান্তে দুই বাংলাদেশি আটক
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৮ মার্কিন মেরিন সেনা আহত
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী ও দেশটির প্রখ্যাত চিকিৎসক সিতি হাসমাহ মোহামাদ আলী মারা গেছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে চ্যানেল নিউজএশিয়া ও মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বারনামা। সিতি হাসমাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে তান শ্রী মোখজানি মাহাথির। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয় বলে বিভিন্ন মালয়েশীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। সিতি হাসমাহ মালয়েশিয়ার প্রথমদিকের মালয় নারী চিকিৎসকদের একজন ছিলেন। চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা শেষে তিনি দীর্ঘ সময় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কাজ করেন। জনস্বাস্থ্য, মা ও শিশুস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরবর্তী সময়ে জনস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, শিক্ষা, মাদকবিরোধী সচেতনতা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও কাজ করেন। সিঙ্গাপুরের কিং এডওয়ার্ড সপ্তম মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাশাস্ত্র পড়েন সিতি হাসমাহ। ১৯৫৫ সালে তিনি চিকিৎসাশাস্ত্রে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিকিৎসক হিসেবে যোগ দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করেন। বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় তার ভূমিকার কথা মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোতে উঠে এসেছে। ১৯৫৬ সালে মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সিতি হাসমাহ। তাদের দাম্পত্য জীবনে সাত সন্তান রয়েছে। সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও রাজনীতিক মুখরিজ মাহাথির এবং লেখক ও সমাজকর্মী মারিনা মাহাথির। মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। প্রথমবার ১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এবং পরে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশটির সরকারপ্রধান ছিলেন। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সিতি হাসমাহকে দেশটির ‘ফার্স্ট লেডি’ হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বাস্থ্য কার্যক্রমে সক্রিয় দেখা গেছে। চিকিৎসক হিসেবে নিজের পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি সিতি হাসমাহ বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে কাজ করেছেন। বিশেষ করে মা ও শিশুস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, সাক্ষরতা, মাদকাসক্তি প্রতিরোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তিনি ভূমিকা রাখেন। এ বছরের ১২ জুলাই সিতি হাসমাহ ১০০ বছর পূর্ণ করেন। এর এক মাসেরও কম সময় পর, ৫ আগস্ট, মাহাথির ও সিতি হাসমাহ তাদের ৭০তম বিবাহবার্ষিকী পালন করেন। আগস্টে আসিয়ান রেকর্ডস সিতি হাসমাহকে জীবিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বয়স্ক স্ত্রী হিসেবে এবং মাহাথিরকে জীবিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। সিতি হাসমাহর মৃত্যুতে মালয়েশিয়ার রাজপরিবারও শোক প্রকাশ করেছে। দেশটির রাজা সুলতান ইব্রাহিম ও রানি রাজা জারিথ সোফিয়া তার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত মুখ ছিলেন সিতি হাসমাহ। চিকিৎসা পেশা, জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি প্রায় সাত দশকের দাম্পত্য জীবনে মাহাথির মোহাম্মদের রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোর সঙ্গী ছিলেন তিনি। সিতি হাসমাহ তার স্বামী মাহাথির মোহাম্মদ এবং সাত সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। সূত্র: বারনামা, চ্যানেল নিউজএশিয়া ও মালয়েশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।
অস্ট্রেলিয়ায় নৌপথে আসা ৩০ হাজারের বেশি আশ্রয়প্রার্থী পেলেন স্থায়ী ভিসা
বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানিতে চীনকে পেছনে ফেলে অষ্টম স্থানে উঠে এল তুরস্ক
কানাডা থেকে ভারতীয়দের অপসারণে রেকর্ড গতি, ৮ মাসেই ৪,২২৭ জন
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের যোধপুরে বহুজাতিক বিমান মহড়া ‘তরঙ্গ শক্তি ২০২৬’-এ যোগ দিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও দুই শতাধিক বিমানবাহিনীর সদস্য। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্জিও গোর এ তথ্য জানান। এই মহড়ায় প্রথমবার অংশ নিচ্ছে মার্কিন এফ-৩৫। গোর জানান, মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো ভারতের বিমানবাহিনী ও মহড়ায় অংশ নেওয়া অন্য দেশগুলোর বিমানের সঙ্গে উড়বে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর আয়োজনে যোধপুর বিমানঘাঁটিতে শনিবার শুরু হওয়া মহড়াটি চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরাসরি অংশ নিচ্ছে। আরও কয়েকটি দেশ পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছে। এফ-৩৫ এর আগে ভারতে বিমান প্রদর্শনীতে অংশ নিলেও ‘তরঙ্গ শক্তি’ মহড়ায় এবারই প্রথম যোগ দিল। যৌথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর বিমানবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এই মহড়ার উদ্দেশ্য।
বন্যার পানিতে ফ্রিজে ভেসে বাঁচলেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে, পরে জন্ম হলো কন্যার
মাঝ আকাশে ত্রুটি! কানাডার কুইবেকে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে সব আরোহী নিহত