সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিনোদন

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের মেয়ে ভিভিয়েনর বাবার পদবি বাদ দিতে আইনি পদক্ষেপ

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২২, ২০২৬ ১:৪৬
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের মেয়ে ভিভিয়েনর বাবার পদবি বাদ দিতে আইনি পদক্ষেপ
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের মেয়ে ভিভিয়েনর বাবার পদবি বাদ দিতে আইনি পদক্ষেপ

হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের ১৮ বছর বয়সী মেয়ে ভিভিয়েন মারশেলিন জোলি-পিট তাঁর আইনি নাম থেকে বাবার পদবি ‘পিট’ বাদ দিতে আদালতে আবেদন করেছেন। জুলাইয়ে লস অ্যাঞ্জেলেস সুপিরিয়র কোর্টে করা আবেদনে তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘ভিভিয়েন মারশেলিন জোলি’ করার অনুরোধ জানান। আবেদনে নাম পরিবর্তনের কারণ হিসেবে ‘ব্যক্তিগত’ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। 

 

ভিভিয়েন ২০২৬ সালের ১২ জুলাই ১৮ বছরে পা দেওয়ার আট দিন পর, ১৭ জুলাই নাম পরিবর্তনের আবেদন করেন। ক্যালিফোর্নিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, নাম পরিবর্তনের আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁর আবেদন লস অ্যাঞ্জেলেস ডেইলি জার্নালে নির্ধারিত কয়েকটি তারিখে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদালতে শুনানি আগামী ২ নভেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে। 

 

ভিভিয়েনের এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন জোলি ও পিটের সন্তানদের কয়েকজনের নাম থেকে ‘পিট’ পদবি বাদ দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তাঁদের মেয়ে শিলোহ ২০২৪ সালে আইনিভাবে নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘শিলোহ জোলি’ করেছেন। অন্যদিকে বড় মেয়ে জাহারা এবং ছেলে ম্যাডক্সও নিজেদের নাম থেকে ‘পিট’ বাদ দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়েছেন। 

 

ভিভিয়েন এর আগেও জনসমক্ষে ‘জোলি’ নাম ব্যবহার করেছেন। ২০২৪ সালে ব্রডওয়ের ‘দ্য আউটসাইডার্স’ নাটকের প্রযোজনায় কাজ করার সময় তাঁকে প্রকাশিত তালিকায় ‘ভিভিয়েন জোলি’ নামে উল্লেখ করা হয়েছিল। নাটকটির প্রযোজনায় তিনি মায়ের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। 

 

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিট ২০১৪ সালে বিয়ে করেন এবং ২০১৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। তাঁদের ছয় সন্তান রয়েছে, যাদের মধ্যে ভিভিয়েন ও তাঁর যমজ ভাই নক্স সবচেয়ে ছোট।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিনোদন

View more
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের মেয়ে ভিভিয়েনর বাবার পদবি বাদ দিতে আইনি পদক্ষেপ
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের মেয়ে ভিভিয়েনর বাবার পদবি বাদ দিতে আইনি পদক্ষেপ

হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের ১৮ বছর বয়সী মেয়ে ভিভিয়েন মারশেলিন জোলি-পিট তাঁর আইনি নাম থেকে বাবার পদবি ‘পিট’ বাদ দিতে আদালতে আবেদন করেছেন। জুলাইয়ে লস অ্যাঞ্জেলেস সুপিরিয়র কোর্টে করা আবেদনে তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘ভিভিয়েন মারশেলিন জোলি’ করার অনুরোধ জানান। আবেদনে নাম পরিবর্তনের কারণ হিসেবে ‘ব্যক্তিগত’ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।    ভিভিয়েন ২০২৬ সালের ১২ জুলাই ১৮ বছরে পা দেওয়ার আট দিন পর, ১৭ জুলাই নাম পরিবর্তনের আবেদন করেন। ক্যালিফোর্নিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, নাম পরিবর্তনের আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁর আবেদন লস অ্যাঞ্জেলেস ডেইলি জার্নালে নির্ধারিত কয়েকটি তারিখে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদালতে শুনানি আগামী ২ নভেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।    ভিভিয়েনের এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন জোলি ও পিটের সন্তানদের কয়েকজনের নাম থেকে ‘পিট’ পদবি বাদ দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তাঁদের মেয়ে শিলোহ ২০২৪ সালে আইনিভাবে নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘শিলোহ জোলি’ করেছেন। অন্যদিকে বড় মেয়ে জাহারা এবং ছেলে ম্যাডক্সও নিজেদের নাম থেকে ‘পিট’ বাদ দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়েছেন।    ভিভিয়েন এর আগেও জনসমক্ষে ‘জোলি’ নাম ব্যবহার করেছেন। ২০২৪ সালে ব্রডওয়ের ‘দ্য আউটসাইডার্স’ নাটকের প্রযোজনায় কাজ করার সময় তাঁকে প্রকাশিত তালিকায় ‘ভিভিয়েন জোলি’ নামে উল্লেখ করা হয়েছিল। নাটকটির প্রযোজনায় তিনি মায়ের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।    অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিট ২০১৪ সালে বিয়ে করেন এবং ২০১৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। তাঁদের ছয় সন্তান রয়েছে, যাদের মধ্যে ভিভিয়েন ও তাঁর যমজ ভাই নক্স সবচেয়ে ছোট।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২২, ২০২৬ ১:৪৬
কানাডার ঐতিহাসিক কাসা লোমা দুর্গ ভাড়া করে গথ ধারার স্ট্রিমার পিংচুর সঙ্গে র‍্যাপার ড্রেকের বিশেষ ডেট। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমিকার অনুরোধে কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে, তার জন্য পুরো দুর্গ ভাড়া নিলেন ড্রেক

মাত্র ৩৬ বছরেই চলে গেলেন ‘‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’ তারকা হেইডেন প্যানেটিয়ার

মাত্র ৩৬ বছরেই চলে গেলেন ‘‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’ তারকা হেইডেন প্যানেটিয়ার

বিয়ের ছবিতে নীল রঙের ‘ইভিল আই’ প্রতীক দিয়ে স্বামীর মুখ ঢেকে রাখায় নেটদুনিয়ায় বিচ্ছেদের ও নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

অন্য নারীর নজর থেকে স্বামীকে বাঁচাতে বিয়ের ছবিতে মুখ ঢাকলেন ‘ইভিল আই’ স্টিকারে

ডেটিং অ্যাপে কথিত প্রোফাইল ঘিরে বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশন ও সাবা আজাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ডেটিং অ্যাপে হৃতিকের প্রোফাইল, আবারও কি সিঙ্গেল হৃতিক রোশন!

বলিউড তারকা হৃতিক রোশনের নামে সেলিব্রিটিদের ডেটিং অ্যাপ ‘রায়া’য় একটি কথিত প্রোফাইল সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী সাবা আজাদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কে থাকা হৃতিক কেন ডেটিং অ্যাপে, সেই প্রশ্ন থেকেই তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে প্রোফাইলটি সত্যিই হৃতিকের কি না কিংবা সেটি বর্তমানে সক্রিয় কি না, তার কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।   ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেডিটে একজন ব্যবহারকারী হৃতিকের বলে দাবি করা রায়া প্রোফাইলের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন। এরপরই সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং হৃতিক ও সাবার সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়।   তবে শুধু একটি স্ক্রিনশটের ভিত্তিতে হৃতিক এখন রায়া ব্যবহার করছেন বা নতুন সম্পর্কে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। এখন পর্যন্ত হৃতিক বা সাবা কেউই বিচ্ছেদের কোনো ঘোষণা দেননি। কথিত রায়া প্রোফাইল নিয়েও তাদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য আসেনি।   বিষয়টিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে পুরোনো তথ্য। ২০২৪ সালেও হৃতিকের নামে রায়ায় একটি প্রোফাইল থাকার দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে সম্প্রতি সামনে আসা স্ক্রিনশটটি নতুন বা বর্তমানে সক্রিয় কোনো অ্যাকাউন্টের কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।   হৃতিক ও সাবার সম্পর্কের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২২ সালে। ওই বছরের শুরুতে মুম্বাইয়ে তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও পারিবারিক আয়োজনে একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে নিজেদের সম্পর্ক কার্যত প্রকাশ্যেই রাখেন তারা।   এমনকি চলতি বছরের জানুয়ারিতে হৃতিকের ৫২তম জন্মদিনে সাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন। গত জুলাইয়েও হৃতিককে সাবা এবং তার দুই ছেলে হ্রেহান ও হৃদানকে সঙ্গে নিয়ে ছুটি কাটিয়ে ফেরার সময় বিমানবন্দরে দেখা যায়। অর্থাৎ কথিত ডেটিং প্রোফাইল নিয়ে নতুন গুঞ্জনের অল্প সময় আগেও তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে।   রায়া সাধারণ ডেটিং অ্যাপগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ব্যক্তিগত ও সদস্যপদনির্ভর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। বিনোদনজগতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে অ্যাপটি ব্যবহারের নজির রয়েছে। সদস্যদের গোপনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কারণে সেখানে থাকা কোনো ব্যক্তির প্রোফাইল সম্পর্কে বাইরে থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া কঠিন।   ফলে হৃতিকের নামে ছড়িয়ে পড়া প্রোফাইলটি আসল কি না, সেটি পুরোনো নাকি বর্তমানে সক্রিয় এবং সাবা আজাদের সঙ্গে তার সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা কী, এসব প্রশ্নের কোনো নিশ্চিত উত্তর এখনো নেই। হৃতিক বা সাবার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত তাদের বিচ্ছেদের খবরকে নিশ্চিত তথ্য নয়, গুঞ্জন হিসেবেই দেখতে হচ্ছে।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৫, ২০২৬ ১১:৫
ইংল্যান্ডে বিয়ের অনুষ্ঠানে জেমস ও নিকি রোডনাইট দম্পতির সঙ্গে হলিউড তারকা কিয়ানু রিভস। ছবি: সংগৃহীত

বিয়েতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন কিয়ানু রিভসকে, পরক্ষণে সত্যিই হাজির হলেন হলিউড তারকা!

ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও মডেল জর্জিনা রদ্রিগেজ

এক দশকের প্রেমের পর জর্জিনাকে বিয়ে করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

'ওই সময় মানসিক যন্ত্রণা এতটাই তীব্র ছিল আত্মহত্যার কথা মাথায় এসেছিল', ব্র্যাড পিটের স্বীকারোক্তি

'ওই সময় মানসিক যন্ত্রণা এতটাই তীব্র ছিল আত্মহত্যার কথা মাথায় এসেছিল', ব্র্যাড পিটের স্বীকারোক্তি

ইসলাম ধর্মে শান্তি খুজে পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন ভারতীয় অভিনেত্রী দীপিকা
ইসলাম ধর্মে শান্তি খুজে পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন ভারতীয় অভিনেত্রী দীপিকা

ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী দীপিকা কাকর কেন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, অভিনেতা শোয়েব ইব্রাহিমকে বিয়ে করার কারণেই তিনি ধর্মান্তরিত হন। তবে এই ধারণাকে নাকচ করে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন তার সহশিল্পী জয়তী ভাটিয়া।   ভারতীয় টেলিভিশন উপস্থাপক সিদ্ধার্থ কান্নানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়তী ভাটিয়া বলেন, ‘সসুরাল সিমর কা’ ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করার সময় দীপিকা ও শোয়েবের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তার ভাষায়, দীপিকা যে কাজই করেন, মনপ্রাণ দিয়ে করেন। সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তিনি একই আন্তরিকতা দেখিয়েছিলেন।   জয়তী জানান, একসময় তিনি নিজেই দীপিকাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, শোয়েবকে বিয়ে করার জন্যই কি তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। উত্তরে দীপিকা তাকে জানান, বিষয়টি মোটেও তা নয়।   জয়তীর বক্তব্য অনুযায়ী, জীবনের এক কঠিন সময়ে দীপিকা আজমীর শরীফ দরগাহে গিয়েছিলেন। সেই সফরের সময় তিনি মানসিক শান্তি ও ভেতরের শক্তি অনুভব করেন। এরপরই ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। দীপিকার ভাষায়, এটি ছিল সম্পূর্ণ তার নিজের অনুভূতি ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, যার সঙ্গে বিয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না।   জয়তী আরও বলেন, যদি কোনো ধর্মের প্রার্থনা একজন মানুষকে মানসিক শক্তি দেয় এবং সেই বিশ্বাস থেকে তিনি নতুন জীবনদর্শন বেছে নেন, তবে সেটি তার একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।   দীপিকা স্বামীর ধর্মের কাছে নতিস্বীকার করেছেন— এমন সমালোচনারও জবাব দেন জয়তী। তিনি বলেন, দীপিকা ও শোয়েব সবসময় একে অপরকে সমানভাবে সমর্থন করেছেন। দীপিকা অসুস্থ হলে শোয়েব তার পাশে ছিলেন। আবার দীর্ঘদিন ধরে শোয়েবের পরিবারকেও সমর্থন দিয়ে আসছেন দীপিকা।   ২০২৫ সালে দীপিকা কাকরের ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর তিনি ও শোয়েব তাদের ভিডিও ব্লগের মাধ্যমে চিকিৎসা এবং সুস্থতার বিভিন্ন আপডেট ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন।   জয়তী আরও উল্লেখ করেন, তাদের ইউটিউব চ্যানেলের নাম ‘দীপিকা কি দুনিয়া’। তার মতে, এটি দেখায় যে দীপিকার নিজস্ব পরিচয় ও ব্যক্তিত্বকে সবসময় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও দর্শকদের কাছে তিনি এখনো ‘সিমর’ চরিত্রের জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়।   উল্লেখ্য, দীপিকা কাকর ও শোয়েব ইব্রাহিম ২০১৮ সালে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাদের রুহান নামে এক পুত্রসন্তান রয়েছে। দীপিকার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে জয়তী ভাটিয়ার এই সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬ ২:১৫
কানিয়ের সঙ্গে সংসার করা ছিল দুঃসহ, হুটহাট আমার ল্যাম্বরগিনিগুলো মানুষকে দিয়ে দিত

কানিয়ের সঙ্গে সংসার করা ছিল দুঃসহ, হুটহাট আমার ল্যাম্বরগিনিগুলো মানুষকে দিয়ে দিত

লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রথম যখন গিয়েছিলাম, তখন বাসাভাড়া দেওয়ার মতো টাকাও ছিল না

লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রথম যখন গিয়েছিলাম, তখন বাসাভাড়া দেওয়ার মতো টাকাও ছিল না

দক্ষিণ ফ্রান্সে নৌভ্রমণের সময় ক্যাটি পেরি ও জাস্টিন ট্রুডো। ছবি: সংগৃহীত

নৌভ্রমণে ক্যাটি পেরির বুকে সানস্ক্রিন মেখে দিলেন জাস্টিন ট্রুডো, ফ্রান্সে ধরা পড়ল প্রেমের অন্য রূপ

0 Comments