সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হুতি হা মলায় নি হত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত সৌদিয়া এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ১৩:৩১
সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হুতি  হা মলায় নি হত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত সৌদিয়া এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ
সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হুতি হা মলায় নি হত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত সৌদিয়া এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ

সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ হামলায় তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবারের এই হামলায় সৌদিয়া এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিমানবন্দর এলাকায় প্রচণ্ড ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে অনেক ফ্লাইটের শিডিউল বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

 

শুক্রবার সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদিয়া এয়ারলাইনস নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় নিহতদের মধ্যে তাদের একজন কর্মীও রয়েছেন। তবে প্রাথমিক সাময়িক অচলাবস্থার পর রিয়াদ বিমানবন্দরে ধীরে ধীরে আকাশপথে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

 

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার রেশ ধরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সম্প্রতি সৌদি আরবে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সৌদি আরবের রাজধানীতে বিশ্বের শীর্ষ তেল-প্রধানদের একটি বড় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

ঠিক এমন একটি সময়ে সৌদি আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে হামলার কড়া জবাব দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বৃহস্পতিবার রাতভর ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতিদের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা ও তীব্র বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

 

জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা হুতিদের ব্যবহৃত অন্তত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ধ্বংস করেছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যেকোনো হামলার আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

 

সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংঘাত আরও চরম আকার ধারণ করেছে। হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজে সরকারি বাহিনীকে ঘিরে ফেলেছে এবং লোহিত সাগর উপকূলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে। গত মাসে তারা লোহিত সাগর উপকূলের বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল।

 

তবে সোমবার তীব্র সৌদি বিমান হামলার সহায়তায় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ওই অঞ্চলটি পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছে। যদিও উপকূলের কিছুটা ওপরে মোখা অঞ্চলে এখনও হুতিদের শক্ত অবস্থান রয়েছে এবং সরকারি বাহিনী পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকাগুলো থেকে তাদের হটানোর জন্য নিরলস লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
উজবেকিস্তানে ডাম্বেল আকৃতির পানির বোতল, পানি শেষ হলেও কাজে লাগবে জিমে
উজবেকিস্তানে ডাম্বেল আকৃতির পানির বোতল, পানি শেষ হলেও কাজে লাগবে জিমে

সাধারণ পানির বোতলের ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়ে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো ঝড় তুলেছে উজবেকিস্তানের পানীয় জলের ব্র্যান্ড ‘এস্টেট ওয়াটার’। তারা বাজারে নিয়ে এসেছে এমন একটি অভিনব পানির বোতল, যা দেখতে অবিকল জিমে ব্যবহৃত ডাম্বেলের মতো।   ৫ লিটার ধারণক্ষমতার এই বিশেষ বোতলটির মাঝখানের অংশটিকে এমন সুনিপুণ ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে নকশা করা হয়েছে, যাতে এটি খুব সহজেই মুঠোর ভেতর শক্তভাবে ধরে তোলা যায়। দৈনন্দিন জীবনের সাদামাটা একটি পণ্যকে কীভাবে আরও বেশি জনবান্ধব ও বহুমুখী করা যায়, এই বোতলটি তারই একটি নিখুঁত উদাহরণ।   বোতলটি যখন পুরোপুরি পানিতে ভর্তি থাকে, তখন এর ওজন দাঁড়ায় ঠিক ৫ কেজি। ফলে এটি কেবল তেষ্টাই মেটায় না, বরং পানি পান করার পাশাপাশি বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রে হাত ও কাঁধের হালকা ব্যায়াম করার জন্য এক চমৎকার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। ফিটনেস সচেতন মানুষরা যাতে যেকোনো জায়গায় খুব সহজেই এটিকে নিজেদের প্রতিদিনের শরীরচর্চার সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, সেই ভাবনা থেকেই এই অভিনব নকশাটি তৈরি করা হয়েছে।   সবচেয়ে দারুণ ব্যাপার হলো বোতলটির পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ব্যবহারযোগ্যতা। ভেতরের পানি শেষ হয়ে গেলে সাধারণ প্লাস্টিকের বোতলের মতো এটি ফেলে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বোতলটিকে পুনরায় পানি, বালি বা অন্য কোনো ভারী উপাদান দিয়ে ভর্তি করে দীর্ঘস্থায়ী ব্যায়ামের ডাম্বেল হিসেবে অনায়াসেই ব্যবহার করা যায়।   এর ফলে একদিকে যেমন ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ কমছে এবং পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাও বাড়ছে। দৈনন্দিন পণ্যের নকশায় এমন উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োগ বিশ্বজুড়ে ভোক্তাদের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ১৬:৪
৯৭ লাখ পাউন্ডের লটারি জিতে কোটিপতি, সব হারিয়ে ফের ময়লা সংগ্রহের কাজে মাইকেল

৯৭ লাখ পাউন্ডের লটারি জিতে কোটিপতি, সব হারিয়ে ফের ময়লা সংগ্রহের কাজে মাইকেল

সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হুতি  হা মলায় নি হত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত সৌদিয়া এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ

সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হুতি হা মলায় নি হত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত সৌদিয়া এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক

দিল্লিতে ২৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, ট্রেন বাতিল, মেট্রো চলাচল সীমিত করল মোদি সরকার

প্যারামজিত ও নামিন্দারের যমজ কন্যা আভনুর ও আজুনি
২০ বার সন্তান হারিয়ে আশা ছেড়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত চল্লিশের কোঠায় জন্ম দিলেন যমজ কন্যা

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেছেন প্যারামজিত ও তাঁর স্বামী নামিন্দার। এ সময়ে আইভিএফ চিকিৎসার ব্যর্থতা, একাধিক গর্ভপাত, জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ এবং সন্তান হারানোর মতো কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁদের। সব মিলিয়ে ২০টি গর্ভধারণজনিত ক্ষতির পর একসময় সন্তান নেওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন প্যারামজিত। কিন্তু ২০২২ সালে ভারতে ধর্মীয় স্থান পরিদর্শনের পর প্রার্থনা করার প্রায় এক মাসের মাথায় জানতে পারেন, তিনি আবার গর্ভবতী। পরে পরীক্ষায় জানা যায়, তাঁর গর্ভে রয়েছে যমজ সন্তান। ২০২৩ সালে পরিকল্পিত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় তাঁদের দুই কন্যা আভনুর ও আজুনি।   ২০০৯ সালে বিয়ের পরপরই পরিবার গড়ার চেষ্টা শুরু করেন প্যারামজিত ও নামিন্দার। কিন্তু বারবার তাঁদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় গর্ভধারণের জটিলতা। সন্তান নেওয়ার জন্য প্যারামজিতকে আইভিএফসহ বিভিন্ন চিকিৎসা নিতে হয়। প্রতিবার নতুন করে আশা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতা ও সন্তান হারানোর বেদনা তাঁকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছিল।   প্যারামজিত জানান, প্রতিবার মাসিক শুরু হলে তাঁর মনে হতো, আবারও বুঝি মা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো না। কখন গর্ভধারণ করতে পারবেন, আদৌ পারবেন কি না—এমন প্রশ্ন তাঁকে তাড়া করত। পরিবার শুরু করার জন্য নিজের ওপর একধরনের চাপও অনুভব করতেন তিনি।   আইভিএফ চিকিৎসার প্রক্রিয়াও ছিল কঠিন। ওষুধ গ্রহণ, ইনজেকশন, ডিম্বাণু সংগ্রহ এবং ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের মতো বিভিন্ন ধাপ পার হতে হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসাবিষয়ক জটিল শব্দ ও প্রক্রিয়া বুঝতে সমস্যা হতো। তাঁর সংস্কৃতিতে আইভিএফ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা কম হওয়ায় চিকিৎসার বিষয়টি অনেকটা গোপন রেখেই এগিয়ে যেতে হয়েছিল বলে জানান তিনি।   ভ্রূণ প্রতিস্থাপনের পর প্রতিবার গর্ভধারণ পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় থাকতেন প্যারামজিত। তাঁর মনে হতো, এবার হয়তো কাঙ্ক্ষিত সুখবর পাবেন। কিন্তু পরীক্ষায় নেতিবাচক ফল আসায় ভেঙে পড়তেন। এরপরও আবার চেষ্টা করেছেন। এভাবে একের পর এক গর্ভপাত, জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ এবং গর্ভধারণের প্রাথমিক পর্যায়ে সন্তান হারানোর অভিজ্ঞতা জমতে থাকে।   ২০১৮ সালে তাঁদের জীবনে নেমে আসে সবচেয়ে বড় শোক। প্যারামজিতের গর্ভে থাকা যমজ সন্তান—একটি ছেলে ও একটি মেয়ে, যাদের নাম রাখা হয়েছিল অমৃত ও ফতেহ—প্রায় ২০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় হারিয়ে যায়।   সেই সময় প্যারামজিতের শরীরে গর্ভাবস্থার শুরুর দিকেই গুরুতর প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া দেখা দিয়েছিল। এ অবস্থায় উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হতে পারে, যা মা ও অনাগত সন্তানের জন্য বিপজ্জনক। চিকিৎসকেরা তাঁকে জানান, একটি শিশুর হৃদস্পন্দন পাওয়া যাচ্ছে না এবং অন্য শিশুটিকেও বাঁচানো সম্ভব নয়। একই সঙ্গে প্যারামজিতের নিজের জীবন নিয়েও ঝুঁকির কথা বলা হয়।   সন্তান হারানোর অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনকে পুরোপুরি বদলে দেয়। প্যারামজিতের ভাষায়, তখন তাঁর মনে হয়েছিল, সন্তানদের ছাড়া আর বেঁচে থাকার শক্তি নেই। এই গভীর শোক তাঁর দাম্পত্য সম্পর্কেও প্রভাব ফেলে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। একই বাড়িতে থেকেও তাঁরা মাসের পর মাস নীরবতায় দিন কাটাতেন।   এরপর দীর্ঘ চিকিৎসা ও বারবার ক্ষতির অভিজ্ঞতায় ক্লান্ত হয়ে প্যারামজিত ও নামিন্দার সিদ্ধান্ত নেন, আর সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করবেন না। তাঁদের মনে হয়েছিল, এত কিছুর পর হয়তো আর কখনো মা-বাবা হওয়া সম্ভব হবে না।   কিন্তু ২০২২ সালে ভারতে ধর্মীয় স্থান হুজুর সাহিব ও অমৃতসর পরিদর্শনে গিয়ে প্যারামজিত আবার প্রার্থনা করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি সৃষ্টিকর্তার কাছে সন্তান চেয়ে প্রার্থনা করেন এবং সন্তান হলে তাকে নিয়ে আবার সেখানে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দেন।   প্রায় এক মাস পর তাঁর মাসিক বন্ধ হয়। প্রথমে ভ্রমণ কিংবা কাজের ব্যস্ততার কারণে এমন হয়েছে বলে ভেবেছিলেন তিনি। পরে গর্ভধারণ পরীক্ষা করলে ফল ইতিবাচক আসে। ১৩ বছরের চেষ্টা ও ২০টি গর্ভধারণজনিত ক্ষতির পর আবার গর্ভবতী হওয়ার খবরটি তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।   ছয় সপ্তাহের পরীক্ষার সময় আরেকটি চমক অপেক্ষা করছিল। চিকিৎসাকর্মী তাঁকে জানান, তাঁর গর্ভে একটি নয়, দুটি সন্তান রয়েছে। আনন্দে কেঁদে ফেলেছিলেন প্যারামজিত। তবে একই সঙ্গে ২০১৮ সালের স্মৃতি তাঁকে আতঙ্কিত করে তোলে। আগের মতো আবারও সন্তান হারাতে হবে কি না, সেই ভয় তাঁকে ঘিরে ধরে।   এবার তাঁর গর্ভাবস্থায় বিশেষ নজরদারি রাখা হয়। আগে প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকায় চিকিৎসকেরা নিয়মিত তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। তাঁকে অ্যাসপিরিন ও রক্ত পাতলা রাখার ওষুধসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। টুইনস ট্রাস্টের মাতৃত্বকালীন সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমেও বিশেষজ্ঞদের সহায়তা পান তিনি। নিকি ও লরা নামের দুই বিশেষজ্ঞ ধাত্রী পুরো গর্ভাবস্থায় তাঁর পাশে ছিলেন।   প্যারামজিত জানান, এবার তাঁর উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কোনো সমস্যা নিয়ে চিন্তিত হলে তিনি হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারতেন। এতে নিজের স্বাস্থ্য ও গর্ভের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তুলনামূলকভাবে আশ্বস্ত বোধ করতেন।   গর্ভাবস্থার ৩৬ সপ্তাহে পরিকল্পিত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যমজ কন্যা আভনুর ও আজুনির জন্ম হয়। একটি শিশুর ওপর চাপ পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। একই সময়ে প্যারামজিতের শরীরেও ফোলা ও রক্তচাপ বাড়ার লক্ষণ দেখা যায়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।   দুই মেয়েকে প্রথমবার কোলে নেওয়ার মুহূর্তকে জীবনের সবচেয়ে আনন্দের সময় বলে বর্ণনা করেছেন প্যারামজিত। দীর্ঘ ১৩ বছরের সংগ্রাম, বারবার গর্ভধারণজনিত ক্ষতি এবং প্রথম যমজ সন্তানদের হারানোর পর অবশেষে মা হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে ছিল গভীর আবেগের।   ২০২৬ সালের অক্টোবরের হিসাবে, আভনুর ও আজুনি তিন বছর বয়সের কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্যারামজিত এখন নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন, যাতে সন্তান হারানো কিংবা সন্তান ধারণে সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়া অন্য পরিবারগুলোও মানসিক সমর্থন ও আশার কথা জানতে পারে।   তাঁর মতে, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়েও নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি হতে পারে। দীর্ঘ ও কষ্টকর যাত্রার পর তাঁর পরিবারে দুই কন্যার আগমন সেই বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ৮:২১
ভারতীয় পুলিশ সদস্যের পাকস্থলী থেকে উদ্ধার ৪০টি ছুরি

পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে, পরীক্ষায় পুলিশ সদস্যের পাকস্থলীতে মিলল ৪০টি ছুরি

শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে সিডনিতে সাবেক শিক্ষিকা ডিয়ান্দ্রা কনটু গ্রেপ্তার। ছবি: সংগৃহীত

রাত্রিকালীন শিক্ষাসফরে ১৬ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান পরিবারে হা ম লার অভিযোগ

প্রার্থনার মাঝেই খ্রিস্টান পরিবারে হা মলা, বাড়িতে তুলসী গাছ রেখে ধর্মীয় স্লোগান দিতে বাধ্য করার অভিযোগ

ভারতে স্টারলিংক চালুর অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের আসল ক্ষমতা কি আম্বানির হাতে, মোদিকে প্রশ্ন করলেন ইলন মাস্ক

ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক চালুর অনুমোদন নিয়ে দেশটির প্রভাবশালী শিল্পপতি আম্বানি পরিবারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নিজেদের একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখতে স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরুর পথে বাধা সৃষ্টি করছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের প্রকৃত ক্ষমতা আম্বানির হাতে কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তবে ভারত সরকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, স্যাটেলাইট যোগাযোগসেবার অনুমোদন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সমান।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইন, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ভারতে স্টারলিংক চালুর চেষ্টা করছে মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। প্রাথমিক অনুমোদন পেলেও নিরাপত্তাসংক্রান্ত চূড়ান্ত ছাড়পত্র ও স্পেকট্রাম বরাদ্দের অপেক্ষায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।   বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ক্ষোভ প্রকাশ করে মাস্ক অভিযোগ করেন, ভারতের কয়েকজন ধনী ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় স্টারলিংকের কার্যক্রম আটকে দিচ্ছেন। তাঁর দাবি, এর ফলে বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।   পরদিন আরেকটি পোস্টে সরাসরি আম্বানি পরিবারের প্রসঙ্গ তোলেন মাস্ক। তিনি জানান, স্টারলিংক বিশ্বের ১৬৫টির বেশি দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং গত পাঁচ বছর ধরে ভারতের সব আইন ও শর্ত পূরণের চেষ্টা করছে। তা সত্ত্বেও চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়ায় তিনি প্রশ্ন করেন, ভারতের আসল ক্ষমতা কি আম্বানির হাতে?   অন্য এক ব্যবহারকারীর পোস্টের জবাবে এই মন্তব্য করেন মাস্ক। তবে আম্বানি পরিবারের কোন সদস্যকে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি। ভারতের টেলিকম খাতে মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স জিও এবং ভারতী এয়ারটেলের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বাজারেও প্রতিষ্ঠান দুটির ব্যবসায়িক আগ্রহ রয়েছে।   রিলায়েন্সের জিও স্পেস টেকনোলজি স্যাটেলাইট যোগাযোগসেবা নিয়ে কাজ করছে। অন্যদিকে সুনীল মিত্তালের ভারতী এয়ারটেল গ্রুপের বিনিয়োগ রয়েছে ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েবে। ফলে স্টারলিংক ভারতে কার্যক্রম শুরু করলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে। তবে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি অনুমোদন আটকে দিয়েছে, এমন কোনো স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ করেননি মাস্ক।   মাস্কের মন্তব্যের পর ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানায়, স্যাটেলাইট যোগাযোগসেবার অনুমোদনের জন্য অভিন্ন নিয়ন্ত্রক কাঠামো রয়েছে। ইতোমধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরুর আগে সবাইকে নির্ধারিত নিরাপত্তা শর্ত পূরণ করতে হবে।   বিতর্কে যুক্ত হন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীও। মাস্কের পোস্টের জবাবে তাঁকে ভারতে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করেন, আরেকজনের কথা জানতে পারলে তিনি আরও অবাক হবেন। তবে ওই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি রাহুল। জবাবে মাস্ক তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন।   এদিকে স্টারলিংকের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তাসংক্রান্ত কিছু শর্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীর তথ্য, যোগাযোগব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ এবং অনুমোদনহীন যন্ত্রপাতি ব্যবহার ঠেকানোর বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে চায়। বিদেশ থেকে কেনা স্টারলিংক যন্ত্র ভারতে ব্যবহার এবং ভারত থেকে বিদেশে নেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণের শর্ত রয়েছে।   ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে স্টারলিংকের নামসংবলিত একটি যন্ত্র উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হয়। তবে মাস্ক দাবি করেন, ভারতের ওপর স্টারলিংকের স্যাটেলাইট সংকেত বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে সেখানে প্রতিষ্ঠানটির সেবা ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তাঁর বক্তব্য।   স্পেসএক্সের নির্বাহী কর্মকর্তা লরেন ড্রেয়ার জানিয়েছেন, ভারতে ইতোমধ্যে ২০টি গেটওয়ে স্টেশন স্থাপন করেছে স্টারলিংক। এসব স্থাপনার সঙ্গে শত শত অ্যান্টেনা যুক্ত রয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেলে প্রতিষ্ঠানটি সেবা চালুর জন্য প্রস্তুত। তাঁর প্রত্যাশা, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতে কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হতে পারে।   অন্যদিকে ভারতী এয়ারটেলের প্রতিষ্ঠাতা সুনীল মিত্তালও জানিয়েছেন, ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েবের কার্যক্রম শুরুর জন্য অনুমোদনের অপেক্ষা চলছে। ফলে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া শুধু স্টারলিংকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়।   স্টারলিংক পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। ভারতের প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় এই প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার রয়েছে। ডেলয়েটের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড বাজারের মূল্য প্রায় ১৯০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।   তবে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত স্টারলিংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ভারত সরকারের দাবি, সব প্রতিষ্ঠানকে একই নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করতে হবে। অন্যদিকে মাস্কের অভিযোগ, ব্যবসায়িক স্বার্থের কারণে স্টারলিংকের অনুমোদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর এই অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ এখনো সামনে আসেনি।   সূত্র: রয়টার্স

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ৪:৪২
ভারতীয় বংশোদ্ভূত সফল প্রযুক্তি উদ্যোক্তা রাহুল ভোহরা। ছবি: সংগৃহীত

স্টার্টআপের চাপে পড়েছিলেন রাস্তায়, পরে ৮২৫ মিলিয়ন ডলারের কোম্পানি গড়লেন ভারতীয় তরুণ

বিয়েতেই অনন্য দৃষ্টান্ত গড়েছেন এই তুর্কি নবদম্পতি। ছবি: সংগৃহীত

নিজেদের বিয়ের ভোজ বাদ দিয়ে ৪ হাজার সিরীয় শরণার্থীকে খাওয়ালেন তুর্কি নবদম্পতি

ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর কাজের অনেক প্রশংসা করেছেন দেশের সর্বোচ্চ নেতা। ছবি: সংগৃহীত

দ্রুত ইমাম মাহদীর আগমন হোক, ইরানের নিরাপত্তায় দোয়া কামনা মোজতবা খামেনির

0 Comments