আমেরিকা

ট্রাম্পের ক্রিপ্টো কারেন্সি থেকে বিলিয়ন ডলার আয়কে ‘স্বাভাবিক’ বলছেন অর্থমন্ত্রী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৩, ২০২৬ ১:২৬
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রিপ্টো কারেন্সি খাত থেকে বিপুল আয় নিয়ে কথা বলছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট | ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রিপ্টো কারেন্সি খাত থেকে বিপুল আয় নিয়ে কথা বলছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট | ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রিপ্টো কারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা খাত থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয়ের বিষয়টি বিতর্কিত বা সমস্যাযুক্ত নয় বলে দাবি করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। গত বৃহস্পতিবার সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক আর্থিক বিবৃতিতে জানা যায়, দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।

 

বিরোধী ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা এই আয়ের তীব্র সমালোচনা করে একে স্বার্থের সংঘাত বলে দাবি করেছেন। তাদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ক্রিপ্টো কারেন্সির ওপর থেকে সরকারি নিয়মকানুন শিথিল করার চেষ্টা করার কারণেই এই বিপুল মুনাফা এসেছে। তবে হোয়াইট হাউস এবং অর্থমন্ত্রী উভয়ই এই দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। অর্থমন্ত্রী এটিকে একটি উদ্ভাবনী প্রেসিডেন্সি হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন যে দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সুবিধা সব আমেরিকানই পাচ্ছেন।

 

সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতি নিয়েও বিশদ আলোচনা করেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পায়। এর ফলে মে মাসে আমেরিকার বার্ষিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪.২ শতাংশে পৌঁছায়, যা বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে মার্কিন পরিবারগুলোর ওপর তৈরি হওয়া এই চরম অর্থনৈতিক চাপ খুব দ্রুতই কেটে যাবে।

 

can যুদ্ধের সর্বোচ্চ সময়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম ৪.৫০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও বর্তমানে তা ৩.৮৩ ডলারে নেমে এসেছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে তেলের দাম প্রতি গ্যালনে ৩ ডলারে নেমে আসবে বলে অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে দেশের শেয়ার বাজারের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনগুলোতে অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করবে বলে তিনি মনে করেন। জুনের কর্মসংস্থান রিপোর্টে প্রত্যাশার চেয়ে কম চাকরি তৈরি হলেও বেকারত্বের হার ৪.২ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে।

 

সাক্ষাৎকারের শেষ অংশে অর্থমন্ত্রী ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন চালু করা সঞ্চয়ী প্রকল্প ট্রাম্প অ্যাকাউন্টস নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। আগামী ৪ জুলাই থেকে এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হওয়া শুরু হবে। মূলত ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা এবং আর্থিক জ্ঞান বাড়ানোর লক্ষ্যে এই ফেডারেল প্রোগ্রামটি চালু করা হয়েছে। ২০২৫ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া যোগ্য শিশুরা সরকারের কাছ থেকে ১,০০০ ডলার অনুদান পাবে এবং ইতিমধ্যে ৬০ লাখেরও বেশি এই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
সবজি বিক্রি বাড়াতে নৃত্যের আয়োজন, চেন্নাইয়ের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি:সংগৃহীত
সবজি বিক্রি বাড়াতে দোকানের সামনে নাচের আয়োজন, চেন্নাইয়ে ভিডিও ভাইরাল

ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিক্রি বাড়াতে ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের প্রচলিত ও অভিনব কৌশল ব্যবহার করেন। তবে সবজি বিক্রির জন্য দোকানের সামনে নৃত্যশিল্পী এনে নাচানোর ঘটনা বেশ ব্যতিক্রমী। ভারতের চেন্নাইয়ে এমনই এক অভিনব প্রচারণার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।   সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি সবজির দোকানের সামনে শাড়ি পরা এক তরুণী বলিউডের জনপ্রিয় গান ‘ছম্মক ছল্লো’র তালে নাচছেন। তার পেছনে সারি করে রাখা রয়েছে আলু ও পেঁয়াজের বস্তা। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের দৃষ্টি তখন পুরোপুরি ওই নৃত্য পরিবেশনার দিকে।   ভিডিওতে আরও দেখা যায়, দোকানের ভেতরে বসে থাকা সবজি বিক্রেতা ওই নাচ উপভোগ করছেন। কখনও তাকে হাসতে, আবার কখনও হাততালি দিতে দেখা যায়। অপ্রত্যাশিত এই আয়োজন দেখতে দোকানের সামনে পথচারী ও সম্ভাব্য ক্রেতাদের ভিড়ও জমতে দেখা যায়।   প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা এবং দোকানের বিক্রি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এমন ব্যতিক্রমী প্রচারণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সাধারণত সবজির দোকানে ক্রেতা টানতে দাম কমানো, বিশেষ ছাড় বা বিভিন্ন ধরনের অফারের প্রচলন থাকলেও এখানে নাচকে প্রচারণার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।   ‘ছম্মক ছল্লো’ গানটি শাহরুখ খান ও কারিনা কাপুর অভিনীত ২০১১ সালের বলিউড সিনেমা Ra.One-এর অন্যতম পরিচিত গান। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন আকন ও হামসিকা আইয়ার। গানটি মুক্তির পর থেকেই ভারতীয় জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে ব্যাপক পরিচিতি পায়।   চেন্নাইয়ে এই ধরনের জনপ্রচারণার নজির একেবারে নতুন নয়। শহরটিতে অতীতেও জনপ্রিয় গানের সঙ্গে জনসমক্ষে নাচ ও ফ্ল্যাশ মবের আয়োজন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।তবে এবারের ভিডিওটির বিশেষত্ব হলো—কোনো মঞ্চ, অনুষ্ঠান বা উৎসবের পরিবর্তে একটি সাধারণ সবজির দোকানকে ঘিরেই নৃত্য পরিবেশনার আয়োজন করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু দোকানের সামনে উপস্থিত মানুষের নজর কাড়েনি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কৌতূহল তৈরি করেছে।   ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই এটিকে ক্রেতা আকর্ষণের অভিনব বিপণন কৌশল হিসেবে দেখছেন। ব্যবসায় প্রতিযোগিতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোট ব্যবসায়ীরাও এখন প্রচলিত বিজ্ঞাপনের বাইরে গিয়ে মানুষের নজর কাড়ার নতুন উপায় খুঁজছেন। চেন্নাইয়ের এই সবজি বিক্রেতার উদ্যোগ সেই প্রবণতারই একটি মজার উদাহরণ হয়ে উঠেছে।   তবে ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, দোকানটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান কোথায় এবং এই প্রচারণার পর বাস্তবে সবজি বিক্রি কতটা বেড়েছে—এসব বিষয়ে নির্ভরযোগ্য স্বাধীন তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর দাবিগুলোকে সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যেই দেখা উচিত।

সামিয়া ইসলাম প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ১৪:৩৬
প্রতীকী ছবি:সংগৃহীত

চারবার গুলিবিদ্ধ হয়েও ৯১১-এ ফোন, ১৩ বছরের কিশোরীর সাহসিকতায় মুগ্ধ মিশিগান

বন্যা পরিস্থিতি। ছবি:সংগৃহীত

ইন্ডিয়ানায় বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া দুই বছরের শিশুকে বাঁচাতে মায়ের মরিয়া লড়াই

ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকায় আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া ৯২ বছর বয়সী দম্পতি অ্যান্থনি ও হেলেন স্পলডিং। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় ৭৩ বছরের দাম্পত্যের ইতি, আগুনে প্রাণ গেল বৃদ্ধ দম্পতির

ক্যালিফোর্নিয়ার মসজিদে নজরদারির জন্য এফবিআইয়ের নিয়োগ করা গোপন ইনফরম্যান্ট ক্রেইগ মন্টেইল ছদ্মবেশে। ছবি: সংগৃহীত
মুসলিম সেজে মসজিদে এফবিআইয়ের গুপ্তচর, তাকেই ‘উগ্রবাদী’ ভেবে এফবিআইকে জানিয়েছিলেন মুসল্লিরা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মুসলিম কমিউনিটির ভেতরে ঢুকে তথ্য সংগ্রহের জন্য এফবিআইয়ের নিয়োগ করা এক গোপন ইনফরম্যান্টকেই শেষ পর্যন্ত সম্ভাব্য উগ্রবাদী হিসেবে এফবিআই ও স্থানীয় পুলিশের কাছে রিপোর্ট করেছিলেন মুসল্লিরা। ২০০৬ সালে শুরু হওয়া ওই নজরদারি অভিযানের কেন্দ্রে ছিলেন ক্রেইগ মন্টেইল নামের এক ফিটনেস প্রশিক্ষক, যিনি ‘ফারুক আল আজিজ’ নাম নিয়ে মুসলিম পরিচয়ে অরেঞ্জ কাউন্টির বিভিন্ন মসজিদে যাতায়াত শুরু করেন। ঘটনাটি পরে বড় ধরনের নাগরিক অধিকার মামলায় রূপ নেয় এবং একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছায়।   সুপ্রিম কোর্টের নথি অনুযায়ী, ২০০৬ সালের জুলাইয়ের আগে মন্টেইলকে পেইড ইনফরম্যান্ট হিসেবে নিয়োগ করে এফবিআই। তাকে আরভাইন এলাকার মুসলিমদের সম্পর্কে গোপনে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।   এরপর মন্টেইল ইসলামিক সেন্টার অব আরভাইনের ইমামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি নিজেকে ফরাসি ও সিরীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়ে ইসলাম গ্রহণের আগ্রহের কথা জানান। পরে জুমার নামাজে শত শত মুসল্লির সামনে শাহাদাহ পাঠ করে প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং কিছুদিন পর ‘ফারুক আল আজিজ’ নাম ব্যবহার শুরু করেন।   মুসলিম হিসেবে পরিচিত হওয়ার পর তিনি নিয়মিত মসজিদে যেতে থাকেন। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, কখনো কখনো দিনে একাধিকবার নামাজে অংশ নিতেন তিনি। বিভিন্ন ধর্মীয় ক্লাস ও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি অরেঞ্জ কাউন্টির আরও কয়েকটি বড় মসজিদেও যাতায়াত করতেন।   এভাবে কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। মুসল্লিদের সঙ্গে সময় কাটানো, একসঙ্গে খাওয়া এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে সম্পর্ক তৈরির মধ্য দিয়ে তিনি এমন জায়গায় পৌঁছান, যেখানে অনেকেই তাকে নিজেদের পরিচিত ও বিশ্বাসযোগ্য মানুষ হিসেবে দেখতে শুরু করেছিলেন।   কিন্তু আড়ালে চলছিল নজরদারি। সুপ্রিম কোর্টের নথিতে মামলাকারীদের অভিযোগ হিসেবে বলা হয়েছে, ওই অভিযানে শত শত ফোন নম্বর, হাজার হাজার ইমেইল ঠিকানা এবং বিপুল পরিমাণ অডিও ও ভিডিও রেকর্ডিং সংগ্রহ করা হয়েছিল। মসজিদ, বাড়ি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত স্থানেও রেকর্ডিংয়ের অভিযোগ ওঠে।   লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসকে মন্টেইল পরে দাবি করেন, প্রায় ১৪ মাসের ওই কাজে এফবিআই তাকে ১ লাখ ৭৭ হাজার ডলার দিয়েছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অরেঞ্জ, লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান বার্নার্ডিনো কাউন্টির প্রায় এক ডজন মসজিদে তিনি তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।   ঘটনার সবচেয়ে অস্বাভাবিক মোড় আসে যখন মন্টেইল সহিংস জিহাদ নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। সুপ্রিম কোর্টের ২০২২ সালের রায়ে উল্লেখ করা হয়, মামলাকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী এফবিআইয়ের নির্দেশে ইনফরম্যান্ট কমিউনিটির সদস্যদের কাছে সহিংস জিহাদ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।   তার কথাবার্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন কয়েকজন মুসল্লি। শেষ পর্যন্ত যে ব্যক্তিকে এফবিআই তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পাঠিয়েছিল, তাকেই সম্ভাব্য উগ্রবাদী মনে করে এফবিআই ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে রিপোর্ট করেন তারা। ২০০৭ সালে কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনসের স্থানীয় কর্মকর্তারাও তার বিষয়ে এফবিআইকে সতর্ক করেছিলেন বলে সে সময় লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস জানিয়েছিল।   মন্টেইলের বিরুদ্ধে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। তখন মুসল্লিরা জানতেন না, যাকে তারা নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করছেন, তিনি আসলে এফবিআইয়ের হয়ে কাজ করছেন।   ২০০৯ সালে মন্টেইলের পরিচয় ও তার ভূমিকা প্রকাশ্যে আসার পর ঘটনাটি নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করে। মুসলিম কমিউনিটির সদস্যদের অভিযোগ ছিল, অপরাধের সুনির্দিষ্ট সন্দেহের ভিত্তিতে নয়, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে তাদের ব্যাপক নজরদারির আওতায় আনা হয়েছিল।   ২০১১ সালে ইয়াসির ফাজাগা, আলী মালিক ও ইয়াসের আবদেলরহিমসহ বাদীরা যুক্তরাষ্ট্র সরকার, এফবিআই ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে ধর্মীয় বৈষম্য, গোপন নজরদারি এবং সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের বিষয় ছিল।   ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বনাম ফাজাগা নামে পরিচিত মামলাটি পরে সুপ্রিম কোর্টে যায়। ২০২২ সালে সুপ্রিম কোর্ট মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নে রায় দেয়। আদালত বলেছিল, ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভেইল্যান্স অ্যাক্ট সরকারের ‘স্টেট সিক্রেটস’ বিশেষাধিকারকে বাতিল করে না। তবে সেই রায়ে মুসলিম বাদীদের সব অভিযোগ সত্য বা মিথ্যা, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।   আইনি লড়াই সেখানেই শেষ হয়নি। মামলাটি পরবর্তী বছরগুলোতেও আদালতে চলতে থাকে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্ট আবারও মামলাটিতে হস্তক্ষেপ করে আগের রায় বাতিল করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির আলোকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য নিম্ন আদালতে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেয়।   প্রায় দুই দশক আগের এই গোপন অভিযান তাই শুধু একটি এফবিআই ইনফরম্যান্টের গল্পে সীমাবদ্ধ থাকেনি। মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নজরদারি করা হয়েছিল কি না এবং জাতীয় নিরাপত্তার তদন্তে সরকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়, সেই প্রশ্ন ঘিরে এটি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী নাগরিক অধিকার মামলাগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ১২:২৪
ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক ব্রেন্ট জিনড্রা এবং ইমিগ্রেশন অভিযানে আটক হওয়া তার রুশ বংশোদ্ভূত স্ত্রী গালিনা বোব্রেনেভা। ছবি: সংগৃহীত

টানা তিনবার ট্রাম্পকে ভোট, এবার ইমিগ্রেশন অভিযানে আটক নিজেরই স্ত্রী

কুইন্সের ফ্লোরাল পার্কে আয়োজিত ইন্ডিয়া ডে প্যারেডে মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন নিউইয়র্ক অ্যাসেম্বলি মেম্বার জোহরান মামদানি। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় সংস্কৃতির উৎসবে নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি, ‘এই অভিজ্ঞতা কখনো ভুলব না’

মানসিক চাপ সামলাতে অতিরিক্ত কেনাকাটার অভ্যাসে পড়ে আর্থিক সংকটে ভোগা মার্কিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ম্যাডি বেকার। ছবি: সংগৃহীত

কাজ শেষে ক্লান্তি কমাতে শপিং ছিল অভ্যাস, পে চেক টু পে চেক জীবন থেকে যেভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন শিক্ষিকা

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব বা ন্যাচারালাইজেশনের আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৩০ ডলার করার বড় প্রস্তাব দিয়েছে ইউএসসিআইএস। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন নাগরিকত্বের পথে বাড়ছে খরচ, আবেদন ফি ১,৩৩০ ডলার করার প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে ভবিষ্যতে গুনতে হতে পারে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৩৩০ ডলার। ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস বা ইউএসসিআইএস ন্যাচারালাইজেশনের আবেদন ফি বড় অঙ্কে বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে নিম্ন আয়ের আবেদনকারীদের জন্য বর্তমানে থাকা কম ফি ও ফি মওকুফের সুযোগও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।   তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নতুন ফি এখনো কার্যকর হয়নি। এটি একটি প্রস্তাবিত নিয়ম। ফলে বর্তমানে যারা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করছেন, তাদের ১ হাজার ৩৩০ ডলার দিতে হচ্ছে না।   ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, নাগরিকত্বের জন্য এন-৪০০ ফর্ম কাগজে জমা দিলে ফি বর্তমান ৭৬০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলার করা হবে। অর্থাৎ ফি বাড়বে ৫৭০ ডলার, যা বর্তমান ফির তুলনায় প্রায় ৭৫ শতাংশ বেশি।   অনলাইনে এন-৪০০ আবেদন করলে বর্তমানে ৭১০ ডলার লাগে। প্রস্তাব কার্যকর হলে সেই ফি বেড়ে ১ হাজার ২৮০ ডলার হবে।   কিছু প্রতিবেদনে এই অর্থকে নতুন ‘পাসপোর্ট ফি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু সেটি সঠিক নয়। ১ হাজার ৩৩০ ডলারের প্রস্তাবটি মার্কিন পাসপোর্টের জন্য নয়, বরং ন্যাচারালাইজেশনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার এন-৪০০ আবেদনের ফি।   যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের বর্তমান ফি অনুযায়ী, ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী একজন ব্যক্তির প্রথমবার পাসপোর্ট বুকের জন্য আবেদন ফি ১৩০ ডলার। এর সঙ্গে ৩৫ ডলারের অ্যাকসেপ্টেন্স ফি দিতে হয়। অর্থাৎ প্রথমবার একজন প্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর সাধারণ পাসপোর্ট বুকের মোট সরকারি ফি ১৬৫ ডলার। নাগরিকত্বের আবেদন এবং পাসপোর্ট আবেদন দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রক্রিয়া।   নতুন প্রস্তাবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নিম্ন আয়ের আবেদনকারীদের জন্য বর্তমানে থাকা ৩৮০ ডলারের রিডিউসড ফি তুলে দেওয়া। বর্তমান নিয়মে নির্দিষ্ট আয়ের সীমার মধ্যে থাকা যোগ্য আবেদনকারীরা পূর্ণ ফি না দিয়ে ৩৮০ ডলারে এন-৪০০ জমা দিতে পারেন।   এ ছাড়া আর্থিক অসচ্ছলতার নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে কিছু আবেদনকারী সম্পূর্ণ ফি মওকুফের সুযোগ পান। প্রস্তাবিত নিয়ম কার্যকর হলে এন-৪০০ এবং এন-৩৩৬-এর জন্য সাধারণ ফি ওয়েভারের সুযোগও বন্ধ হয়ে যাবে।   তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালনকারী বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের জন্য ন্যাচারালাইজেশনের ফি মওকুফের ব্যবস্থা বহাল রাখার প্রস্তাব রয়েছে।   নাগরিকত্বের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ব্যবহৃত এন-৩৩৬ ফর্মের ফিও বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কাগজে আবেদন করলে প্রস্তাবিত ফি হবে ১ হাজার ৪৭৫ ডলার এবং অনলাইনে করলে ১ হাজার ৪২৫ ডলার।   ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বলছে, আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনার প্রকৃত ব্যয়ের সঙ্গে ফি সামঞ্জস্য করা এবং ইউএসসিআইএসের আর্থিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতেই এই পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের কার্যক্রমের বড় অংশই আবেদনকারীদের দেওয়া ফি দিয়ে পরিচালিত হয়।   অন্যদিকে অভিবাসন অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ও নাগরিকত্ব প্রস্তুতি কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা আশঙ্কা করছেন, ফি এতটা বাড়লে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের অনেক গ্রিন কার্ডধারীর জন্য নাগরিকত্বের আবেদন করা কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে রিডিউসড ফি ও ফি ওয়েভার তুলে দেওয়া হলে আর্থিকভাবে দুর্বল আবেদনকারীদের ওপর প্রভাব বেশি পড়তে পারে।   প্রস্তাবটি ২০২৬ সালের ২৩ জুন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে জনসাধারণের মতামত দেওয়ার সময়সীমা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত রাখা হয়েছে। মতামত গ্রহণের পর সরকার চূড়ান্ত নিয়ম জারি করতে পারে, আবার প্রস্তাবে পরিবর্তনও আনতে পারে।   তাই বর্তমানে নাগরিকত্বের আবেদন করতে ইচ্ছুক গ্রিন কার্ডধারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ১ হাজার ৩৩০ ডলারের ফি এখনো চালু হয়নি। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এন-৪০০ অনলাইনে জমা দিলে ৭১০ ডলার এবং কাগজে জমা দিলে ৭৬০ ডলার ফি প্রযোজ্য। যোগ্য আবেদনকারীদের জন্য ৩৮০ ডলারের রিডিউসড ফি এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ফি ওয়েভারের সুযোগও এখনো বহাল রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ১১:৩৯
সন্তানদের সাথে থাকার পরও নিউইয়র্কে কিছু প্রবীণ বাংলাদেশি বাবা-মার একাকী ও বিষণ্ণ জীবন কাটানোর বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে বৃদ্ধ বাবা-মাকে দিনে ঘরে থাকতে না দেওয়ার অভিযোগ, পার্কে মানুষের কাছে চান খাবারের টাকা

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রোসারির দাম বাড়তে থাকায় পরিবারের মাসিক খরচে সাশ্রয় আনতে ক্যাশব্যাক অ্যাপের ব্যবহার বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

বাজার খরচ কমান এই ৪ অ্যাপে, ওয়ালমার্টে মিলতে পারে ক্যাশব্যাক

রেস্তোরাঁয় কাঁচা ঝিনুক খাওয়ার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া সাবেক মার্কিন মেরিন জো বেলজিও। ছবি: সংগৃহীত

রেস্তোরাঁয় ঝিনুক খেয়ে গুরুতর অসুস্থ সাবেক মার্কিন মেরিন, মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি

0 Comments