সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

দাবানলের ধোঁয়া শুধু ফুসফুস নয়, প্রভাব ফেলছে প্রজনন ক্ষমতাতেও! গবেষণায় উঠে এলো উদ্বেগজনক তথ্য

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ২২:৩৬
বনাঞ্চলের দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া ধোঁয়া
বনাঞ্চলের দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া ধোঁয়া

বনাঞ্চলের দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া ধোঁয়া মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধোঁয়ার দূষিত কণাগুলো নারী ও পুরুষ উভয়ের প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

গবেষকদের মতে, দাবানলের ধোঁয়ায় থাকা ক্ষুদ্র দূষণ কণা শরীরে প্রবেশ করে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। এর ফলে পুরুষদের শুক্রাণুর গুণগত মান ও সংখ্যা কমে যেতে পারে এবং নারীদের ক্ষেত্রে ডিম্বাণুর স্বাস্থ্য ও গর্ভধারণের সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে দাবানলের ঘটনা বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও শুষ্ক আবহাওয়া তৈরি হওয়ায় বড় আকারের দাবানলের ঝুঁকিও বাড়ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দাবানলের ধোঁয়ায় থাকা সূক্ষ্ম কণা বা পিএম ২.৫ শরীরের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। এসব কণা রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ বাড়াতে পারে, যা প্রজনন ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিশেষ করে গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন এমন নারী এবং সন্তান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন পুরুষদের দীর্ঘ সময় দাবানলের ধোঁয়ার সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

তবে গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, প্রজনন ক্ষমতার ওপর দাবানলের ধোঁয়ার সঠিক প্রভাব বুঝতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন। ব্যক্তির বয়স, জীবনযাপন, পূর্ববর্তী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং দূষণের মাত্রার ওপরও এর প্রভাব নির্ভর করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দাবানলের সময় বাইরে বের হলে সতর্ক থাকা, বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজন হলে সুরক্ষামূলক মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গে বন্ধুর ছয় সপ্তাহের শিশু লিওন কাটজকে হত্যার অভিযোগে পিএইচডি গবেষক নিকোল এলিজাবেথ ভারজির বিচার চলছে। ছবি: সংগৃহীত
পেনসিলভানিয়ায় বন্ধুর ৬ সপ্তাহের শিশুকে বেবিসিট করতে গিয়ে হত্যা করেন পিএইচডি গবেষক

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া সক,য়াঅঙ্গরাজ্যের পিটসবার্গে বন্ধুর ছয় সপ্তাহের শিশুকে হত্যার অভিযোগে পিএইচডি গবেষক নিকোল এলিজাবেথ ভারজির বিরুদ্ধে চলমান মামলায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে শিশু লিওন কাটজের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, গুরুতর শারীরিক নির্যাতন এবং শিশুদের নিরাপত্তা বিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়। তদন্তের সময় পুলিশের কাছে দেওয়া ভারজির ভিডিও রেকর্ড করা বক্তব্য আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের অনুমতি দিয়েছেন বিচারক। তবে আসামিপক্ষের দাবি, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ওই বক্তব্য আদায় করা হয়েছিল।   ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ১৫ জুন পিটসবার্গের শেডিসাইড এলাকায়। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো থেকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাভানাহ রবার্টস এবং তাঁর স্বামী ইথান কাটজের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন ভারজি। দম্পতির ছয় সপ্তাহ বয়সী যমজ সন্তান লিওন ও আরির সঙ্গে দেখা করাই ছিল তাঁর সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই সফরেই দুই শিশুর গুরুতর আহত হওয়া এবং একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরদিন ১৬ জুন লিওনের মৃত্যুর পর ভারজিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।   আদালতের নথি ও তদন্তকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন যমজ শিশু আরির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান ভারজি। বিষয়টি তিনি শিশুটির মা-বাবাকে জানান। পরে তাঁরা আরিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় অপর শিশু লিওনকে ভারজির কাছে রেখে যান দম্পতি। অভিযোগ অনুযায়ী, মা-বাবার অনুপস্থিতিতেই লিওন গুরুতর মাথার আঘাত পায়। রাত ১১টার কিছু পরে জরুরি সেবায় খবর দেওয়া হলে শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।   প্রাথমিকভাবে ভারজি পুলিশকে জানান, শিশুটির জন্য দুধ আনতে তিনি কিছুক্ষণের জন্য অন্য কক্ষে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, লিওন তার বেবি বাউন্সার থেকে মেঝেতে পড়ে গেছে। তবে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে মেলেনি বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। শিশুটির মাথার খুলিতে গুরুতর ফাটল এবং মস্তিষ্কে একাধিক স্থানে রক্তক্ষরণের প্রমাণ পাওয়া যায়। অ্যালেগেনি কাউন্টির মেডিকেল এক্সামিনার মাথায় শক্ত আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নির্ধারণ করেন এবং মৃত্যুটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেন।   তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে ভারজির পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিও সামনে আসার পর। আদালতে উপস্থাপিত ওই রেকর্ডিং অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় অভিযোগ অস্বীকার করার পর তিনি শিশুটিকে জোরে ঝাঁকানো এবং একাধিকবার মেঝেতে ফেলে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত বক্তব্যে আরও উঠে আসে, বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে এসে বারবার শিশুদের দেখাশোনা করতে হওয়ায় তাঁর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। তবে এসব বক্তব্য পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের অংশ এবং ভারজি আদালতে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ফলে রেকর্ড করা বক্তব্যকে চূড়ান্ত অপরাধ স্বীকার বা আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।   ভারজির আইনজীবীরা দাবি করেন, প্রায় ১৩ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশ তাঁর ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করেছিল। তাঁদের যুক্তি ছিল, এমন পরিস্থিতিতে দেওয়া বক্তব্য স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায় না। এ কারণে তাঁরা বক্তব্যটি বিচারপ্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন জানান। কিন্তু ২০২৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অ্যালেগেনি কাউন্টি কোর্ট অব কমন প্লিজের বিচারক জিল ই. র‍্যাঙ্গোস আবেদনটি নাকচ করেন। বিচারকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্য মামলার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। তবে বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হওয়ার অর্থ এই নয় যে আদালত ইতিমধ্যে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।   মামলায় শুধু লিওনের মৃত্যুই নয়, তার যমজ ভাই আরির শরীরে পাওয়া আঘাতের ঘটনাও তদন্তের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, আরির শরীরে আঁচড়, কালশিটে দাগ ও ফোলাভাব পাওয়া গিয়েছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, এসব আঘাতও ভারজির তত্ত্বাবধানে থাকার সময় ঘটে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন দাবি করেছে, দুই শিশুর আঘাতই স্বাভাবিক দুর্ঘটনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তবে আরির আঘাতের জন্যও নিজেকে দায়ী মনে করেন না ভারজি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণের বিষয়।   ঘটনার সময় ভারজি ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো স্টেট ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান ডিয়েগোর যৌথ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি ডক্টরাল প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গবেষণার বিষয়গুলোর মধ্যে মানসিক চাপ, বিষণ্নতা, ট্রমা এবং মানুষের শারীরিক ও আচরণগত স্বাস্থ্যের সম্পর্ক অন্তর্ভুক্ত ছিল। উচ্চশিক্ষায় গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একজনের বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর শিশুকে হত্যার অভিযোগ ওঠায় ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব পায়। তবে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা গবেষণার বিষয়কে অপরাধের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।   শিশুটির মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভারজি তাঁদের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধু ছিলেন। এমন একজনের তত্ত্বাবধানে সন্তানকে রেখে যাওয়ার পর এই ঘটনা ঘটবে, তা তাঁদের কল্পনার বাইরে ছিল। অন্যদিকে ভারজির আইনজীবীরা শুরু থেকেই তাঁর নির্দোষ থাকার দাবি জানিয়ে আসছেন। তাঁদের বক্তব্য, শিশুটির মৃত্যু একটি দুর্ঘটনা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ভারজিকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।   ২০২৪ সালের আগস্টে প্রসিকিউটররা ভারজির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড চাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য সাজা ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মামলাটির বিচার ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত দিনে তা শুরু হয়নি। পরবর্তী শুনানি ও বিচারের সময়সূচি নিয়ে পরিবর্তনের তথ্য পাওয়া গেছে, তবে নতুন বিচার শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিত করা যায়নি। বর্তমানে মামলার মূল প্রশ্ন হলো, লিওনের মৃত্যুর জন্য ভারজির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয় কি না। চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনত নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ১১:৩০
নিউইয়র্কে বসবাসের খরচ ও বাসাভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ভাড়াটিয়া এবং বাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখা পরিবারগুলো বিপাকে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে বাসাভাড়া রেকর্ড উচ্চতায়, বাড়ি কিনতে মাসে গুনতে হবে প্রায় ১১ হাজার ডলার

নিউ জার্সির এলিজাবেথ শহরে স্মরণসভায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

নিউ জার্সিতে স্মরণসভায় গুলিবর্ষণ, নিহত ১, আহত ৩, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জর্জিয়ার উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ২০২৬-এর আয়োজন করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

জর্জিয়ায় প্রবাসীদের মিলনমেলা, বার্ষিক বনভোজনে থাকছে খাবার ও শিশুদের নানা আয়োজন, প্রবেশমূল্য নেই

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ট্রাফিক এজেন্টদের ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও বাংলাদেশি নেতার আটকের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে ট্রাফিক ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতার হাতাহাতির অভিযোগ, একজন আটক

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ট্রাফিক এজেন্টদের ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে দুই বাংলাদেশি নেতার মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়নের সেক্রেটারি ট্রেজারার মোহাম্মদ সাইদ ইসলামকে পুলিশ আটক করে বলে জানা গেছে। পরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।   রোববার (২৫ অক্টোবর) ম্যানহাটনের নরম্যান থমাস হাই স্কুলের অডিটোরিয়ামে কমিউনিকেশনস ওয়ার্কার্স অব আমেরিকার (সিডব্লিউএ) লোকাল ১১৮২-এর সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপর ব্যক্তি হলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা ও ট্রাফিক ইউনিয়নের সদস্য খান শওকত। ইউনিয়নের নেতৃত্ব, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের জেরে দুই নেতার মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় বলে জানা গেছে।   প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচনে সেক্রেটারি ট্রেজারার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন খান শওকত। বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও জবাবদিহির অভাবের অভিযোগ তুলে তিনি সদস্যদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করছিলেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।   সাধারণ সভা চলাকালে দুই নেতার মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে তাঁরা সভাস্থলের বাইরে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খান শওকতের দাবি, বাইরে মোহাম্মদ সাইদ ইসলাম তাঁর গায়ে হাত তোলেন। এতে তিনি শারীরিকভাবে আঘাত পান এবং তাঁর মোবাইল ফোন মাটিতে পড়ে যায়।   ঘটনার পর পুলিশ মোহাম্মদ সাইদ ইসলামকে আটক করে স্থানীয় প্রিসিঙ্কটে নিয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশ বা আদালতের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।   এদিকে হাতাহাতির অভিযোগ সম্পর্কে মোহাম্মদ সাইদ ইসলামের বক্তব্য জানা যায়নি। ইউনিয়নের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক ও সাংগঠনিক অনিয়মের অভিযোগের বিষয়েও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ঘিরে ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ১০:৩৩
যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্কলারশিপ!

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্কলারশিপ: দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে ও কখন আবেদন করবেন?

মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ দেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান-সমর্থিত হুথিদের হা মলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ দেশে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি

ইরানের মিনাবের শিশুদের প্রসঙ্গ তুলে ভ্যান্সকে কটাক্ষ ইরানি দূতাবাসের

বড় হয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করো, কেন মিনাবের শিশুদের মৃ ত্যুতে শোক জানাননি, ভ্যান্সের ছেলেকে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি জব্দের ঘটনা বাড়ছে (ছবি: সম্পাদিত)
যুক্তরাষ্ট্রে ঋণদাতাদের বাড়ি দখল বেড়েছে ৪২ শতাংশ, চাপ বাড়লেও আতঙ্কিত হতে মানা বিশেষজ্ঞদের

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ঋণদাতাদের সম্পত্তি দখলে নেওয়ার ঘটনা এক বছরে ৪২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৬ সালের আগস্টে দেশজুড়ে প্রায় ৫ হাজার ৮০০টি বাড়ি ঋণদাতাদের দখলে গেছে। একই সময়ে হাজার হাজার সম্পত্তিতে ফোরক্লোজার বা বন্ধকী ঋণ আদায়ের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নথি জমা পড়েছে। এসব পরিসংখ্যান দেশটির আবাসন বাজারে আর্থিক চাপের ইঙ্গিত দিলেও পরিস্থিতিকে ২০০৮ সালের আবাসন সংকটের সঙ্গে তুলনা করতে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।   আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ হাজারের বেশি সম্পত্তিতে ফোরক্লোজার-সংক্রান্ত নথি জমা পড়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। তবে ফোরক্লোজার-সংক্রান্ত নথি জমা পড়া আর বাড়ি চূড়ান্তভাবে ঋণদাতার দখলে চলে যাওয়া এক বিষয় নয়। এই প্রক্রিয়ায় ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার নোটিশ, সম্পত্তি নিলামের উদ্যোগ এবং ঋণদাতার দখল নেওয়ার মতো বিভিন্ন ধাপ থাকতে পারে। ফলে মোট ফোরক্লোজার কার্যক্রমের বৃদ্ধি এবং চূড়ান্তভাবে জব্দ হওয়া বাড়ির সংখ্যা আলাদাভাবে বিবেচনা করা জরুরি। সোথেবিস ইন্টারন্যাশনাল রিয়েলটির ব্রোকার ও আবাসন বাজার বিশ্লেষক জেনা স্টাফারের মতে, বাড়ি দখলের হার ৪২ শতাংশ বেড়েছে শুনলে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এই বৃদ্ধিকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে আগের বছরের পরিসংখ্যানও বিবেচনায় নিতে হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ফোরক্লোজারের হার দীর্ঘ সময় ধরে তুলনামূলক নিচু পর্যায়ে ছিল। সেই নিম্ন অবস্থান থেকে সংখ্যা বাড়লে শতকরা হিসাবে বৃদ্ধির হার অনেক বেশি দেখা যেতে পারে। অর্থাৎ, বাড়ি জব্দের ঘটনা বাড়ছে—এটি বাস্তব উদ্বেগের বিষয়। তবে শুধু এক বছরের বৃদ্ধির হার দিয়ে পুরো আবাসন বাজারের পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যে পরিস্থিতিও একই রকম নয়। ২০২৬ সালের আগস্টে দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় ফোরক্লোজারের হার ছিল দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেখানে প্রতি ১ হাজার ৫৪৭টি আবাসিক ইউনিটের মধ্যে একটিতে ফোরক্লোজার-সংক্রান্ত নথি জমা পড়েছে। এ তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল নেভাডা। এরপর রয়েছে ফ্লোরিডা, টেক্সাস ও মেরিল্যান্ড। বড় মহানগর এলাকাগুলোর মধ্যে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার কলাম্বিয়ায় ফোরক্লোজারের হার ছিল সর্বোচ্চ। এরপর রয়েছে ফ্লোরিডার পুন্টা গর্দা এবং দক্ষিণ ক্যারোলাইনার স্পার্টানবার্গ। অন্যদিকে, মোট কতটি বাড়ি ঋণদাতাদের দখলে গেছে, সেই হিসাবে টেক্সাস ছিল শীর্ষে। আগস্টে অঙ্গরাজ্যটিতে ১ হাজার ৮০০টির বেশি বাড়ি জব্দ করা হয়েছে। আবাসন বাজারে চাপের আরেকটি ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বন্ধকী ঋণের কিস্তি পরিশোধের পরিসংখ্যানে। মর্টগেজ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের শেষে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসিক বন্ধকী ঋণের ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশের কিস্তি বকেয়া ছিল। অন্যদিকে, একই সময়ে ফোরক্লোজার প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা ঋণের হার ছিল শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ। গুরুতরভাবে বকেয়া ঋণের হারও বাড়ছে। এই শ্রেণিতে সাধারণত এমন ঋণ অন্তর্ভুক্ত হয়, যেগুলোর কিস্তি অন্তত ৯০ দিন ধরে পরিশোধ করা হয়নি অথবা যেগুলো ফোরক্লোজার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এসব পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, কিছু বাড়ির মালিক আর্থিক চাপে পড়ছেন। তবে কিস্তি বকেয়া হলেই যে শেষ পর্যন্ত বাড়ি হারাতে হবে, তা নয়। রেট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বন্ধকী ঋণ বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট বেন কোহেন বলেছেন, বর্তমান আবাসন বাজারকে ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের পরিস্থিতির সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়। তাঁর মতে, বর্তমানে ঋণ দেওয়ার নিয়ম আগের তুলনায় কঠোর। ফলে ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু সুরক্ষা রয়েছে। এ ছাড়া অনেক বাড়ির মালিকের সম্পত্তিতে উল্লেখযোগ্য ইকুইটি রয়েছে। অর্থাৎ, বাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য থেকে বকেয়া ঋণ বাদ দিলে যে মূল্য অবশিষ্ট থাকে, সেটিই ইকুইটি। আর্থিক সংকটে পড়লে এই সম্পদ তাঁদের জন্য কিছুটা আর্থিক সুরক্ষা দিতে পারে। তবে সব বাড়ির মালিকের ক্ষেত্রে এই সুবিধা সমান নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা আবাসন বাজারে দাম বেশি থাকার সময় অথবা গত এক থেকে দুই বছরের মধ্যে বাড়ি কিনেছেন, তাঁরা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন। কারণ, অল্প সময়ে তাঁদের সম্পত্তিতে পর্যাপ্ত ইকুইটি তৈরি হওয়ার সুযোগ কম। পাশাপাশি বাড়ির বিমা, সম্পত্তি কর এবং দৈনন্দিন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের ওপর আর্থিক চাপ আরও বাড়তে পারে। কিস্তি পরিশোধে সমস্যার আশঙ্কা দেখা দিলে বাড়ির মালিকদের আগেভাগে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বেন কোহেন। তাঁর মতে, কিস্তি বকেয়া জমতে দেওয়ার আগে ঋণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। এতে ঋণগ্রহীতা নিজের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে সম্ভাব্য সমাধান বা বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন। সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি জব্দের হার বৃদ্ধি এবং বন্ধকী ঋণের কিস্তি বকেয়া থাকার প্রবণতা নজরে রাখার মতো বিষয়। বিশেষ করে যেসব অঙ্গরাজ্যে ফোরক্লোজারের হার বেশি, সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ঋণব্যবস্থা ও বাড়ির মালিকদের সম্পদের অবস্থান ২০০৮ সালের পরিস্থিতি থেকে আলাদা। তাই বাড়ি জব্দের সংখ্যা বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখলেও একে আগের মতো বড় আবাসন সংকটের নিশ্চিত লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৭:৩৯
. ৯০ দিনের স্বনির্ভরতার প্রস্তুতিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি

বড় সংঘা তের আশঙ্কায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ৯০ দিন স্বনির্ভর রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন

হিউস্টনে সেপ্টেম্বরে কমেছে ৭ হাজার ৩০০ চাকরি

টেক্সাসের হিউস্টনের শ্রমবাজারে হঠাৎ মন্দার সংকেত, এক মাসে কমেছে ৭ হাজার ৩০০ কর্মসংস্থান

নিউইয়র্ক সিটির ৩ হাজার সরকারি গাড়িতে যুক্ত হচ্ছে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি

নিউইয়র্ক সিটির ৩ হাজার সরকারি গাড়িতে বসছে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি, কমবে দ্রুতগতিতে চালানোর প্রবণতা

0 Comments