সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

দুই বছর পর আজ থেকে বাংলাদেশিদের জন্য আবার চালু ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৭, ২০২৬ ২২:২১
বাংলাদেশিদের জন্য আজ থেকে আবার শুরু ভারতের পর্যটন ভিসার আবেদন। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশিদের জন্য আজ থেকে আবার শুরু ভারতের পর্যটন ভিসার আবেদন। ছবি: সংগৃহীত

প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আবারও ভারতের পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ রোববার (২৮ জুন) থেকে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভিএসি) পর্যটন ভিসার আবেদন নেওয়া শুরু করেছে। ফলে দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকা ভ্রমণপ্রত্যাশীরা আবারও ভারতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন।

 

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দায়িত্ব গ্রহণের পর পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য আবেদনকারীদের সুবিধার্থে মেডিকেল ভিসা আরও দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে পর্যটন ভিসার আবেদন জমা দেওয়া যাবে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য ভিসা আবেদন কেন্দ্রেও এ সেবা চালু করা হবে।

 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ভিসা প্রদান কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণ স্থগিত করেছিল। একই সময়ে বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রমও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে নতুন আবেদন গ্রহণ বন্ধ থাকার পাশাপাশি পাসপোর্ট জমা ও ফেরত দেওয়ার কার্যক্রমও ব্যাহত হয়।

 

পরবর্তীতে সীমিত পরিসরে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া এবং জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় মেডিকেল, ব্যবসায়িক, শিক্ষার্থী ও সরকারি ক্যাটাগরির কিছু ভিসা ইস্যু করা হলেও পর্যটন ভিসা চালু হয়নি। সর্বশেষ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের পর্যটন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হতে শুরু করল।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
কানাডা থেকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিকদের
কানাডা থেকে ৮ মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি অপসারণ, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জন

কানাডা থেকে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি নাগরিককে অপসারণ করা হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩৬৮ বাংলাদেশি নাগরিকের অপসারণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি বা সিবিএসএর সর্বশেষ সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।   ৩১ আগস্ট পর্যন্ত হালনাগাদ হিসাবে, ২০২৬ সালে কানাডা থেকে মোট ১৪ হাজার ৮৯৭ বিদেশি নাগরিকের অপসারণ কার্যকর করেছে সিবিএসএ। নাগরিকত্বভিত্তিক তালিকায় ৩৪০ জন নিয়ে বাংলাদেশ রয়েছে সপ্তম অবস্থানে।   তবে বাংলাদেশিদের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে সিবিএসএর চলমান অপসারণের তালিকায়। সরকারি হিসাবে, বর্তমানে ১ হাজার ৩৬৮ বাংলাদেশি ‘রিমুভাল ইন প্রগ্রেস’ তালিকায় রয়েছেন। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।   সিবিএসএর ভাষায়, ‘রিমুভাল ইন প্রগ্রেস’ তালিকায় এমন ব্যক্তিরা রয়েছেন, যাদের কানাডা থেকে অপসারণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এই পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও তার দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করে প্রয়োজনীয় ট্রাভেল ডকুমেন্ট সংগ্রহসহ অপসারণের পথে থাকা বিভিন্ন বাধা সমাধানের চেষ্টা করে সংস্থাটি।   তবে তালিকায় থাকা ১ হাজার ৩৬৮ বাংলাদেশিকেই নিশ্চিতভাবে কানাডা থেকে ফেরত পাঠানো হবে, এমন অর্থ এই পরিসংখ্যানের নয়। সিবিএসএ জানিয়েছে, একজন ব্যক্তির অবস্থান সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে এবং আইনি বা প্রশাসনিক পরিস্থিতি অনুযায়ী তিনি অপসারণ ব্যবস্থার বিভিন্ন তালিকায় স্থানান্তরিত হতে পারেন।   কানাডা থেকে বিদেশি নাগরিকদের অপসারণের কারণও এক নয়। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে সব দেশের নাগরিক মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি অপসারণ হয়েছে ইমিগ্রেশন আইনের শর্ত পূরণ না করা রিফিউজি ক্লেইমেন্টদের ক্ষেত্রে - সংখ্যাটি ১২ হাজার ৫। এছাড়া সাধারণ ইমিগ্রেশন নন-কমপ্লায়েন্স, অপরাধসংক্রান্ত অগ্রহণযোগ্যতা, ভুল তথ্য দেওয়া এবং অন্যান্য কারণেও অপসারণ কার্যকর হয়েছে।   তবে সিবিএসএর প্রকাশিত তথ্যে ৩৪০ বাংলাদেশির মধ্যে কে কোন কারণে অপসারিত হয়েছেন, তার আলাদা হিসাব নেই। ফলে তাদের সবাই আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যান, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া বা অন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট কারণে অপসারিত হয়েছেন - এমন সিদ্ধান্ত সরকারি তথ্য থেকে দেওয়া যায় না।   আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কানাডার সরকারি হিসাবে সব অপসারণই ‘ডিপোর্টেশন’ নয়। দেশটিতে ডিপারচার অর্ডার, এক্সক্লুশন অর্ডার এবং ডিপোর্টেশন অর্ডার - তিন ধরনের রিমুভাল অর্ডার রয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে সব দেশের নাগরিক মিলিয়ে ৮ হাজার ৫৭৭টি ডিপোর্টেশন অর্ডার, ৩ হাজার ৩০৩টি ডিপারচার অর্ডার এবং ৩ হাজার ১৭টি এক্সক্লুশন অর্ডার কার্যকর হয়েছে।   তাই বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে ‘৩৪০ জনকে ডিপোর্ট করা হয়েছে’ বলার চেয়ে ‘৩৪০ বাংলাদেশিকে অপসারণ করা হয়েছে’ বলা বেশি নির্ভুল। কারণ নাগরিকত্বভিত্তিক সরকারি টেবিলে ওই ৩৪০ জনের মধ্যে কোন ধরনের রিমুভাল অর্ডার কতটি ছিল, তা আলাদাভাবে দেখানো হয়নি।   সিবিএসএর হিসাবে, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কানাডায় সব দেশের নাগরিক মিলিয়ে ৪৯ হাজার ৫৩৬ জন ‘রিমুভাল ইন প্রগ্রেস’ তালিকায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৩৬৮ জন বাংলাদেশি। অর্থাৎ কানাডার অভিবাসন আইন প্রয়োগের চলমান প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশিও রয়েছেন।   সূত্র: কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ১৬:৪
ভারতের বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বামীর মৃত্যুর পর আট দিন ধরে তাঁর মরদেহ পাননি তানজিলা ইসলাম আশা। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে বাংলাদেশির মরদেহ আট দিন আটক, হাইকমিশনের সহায়তায় হস্তান্তর

তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি তারেক রহমানের, তালিকায় নেই ভারত

তিন দেশ সফরের প্রস্তুতি তারেক রহমানের, তালিকায় নেই ভারত

স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় ভাষানটেক থানা যুবলীগের সহসভাপতি শাহ আলম অনিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় যুবলীগ নেতা অনিক গ্রেপ্তার

বুয়েট থেকে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটারবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. লতিফুর খান।
বাংলাদেশি অধ্যাপক লতিফুর খান অ্যালগরিদমে মার্কিন সেনাবাহিনী ও নাসার তথ্য থাকে সুরক্ষিত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডালাস ক্যাম্পাসে কম্পিউটারবিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়েছেন ড. লতিফুর খান। ডেটা বিশ্লেষণ ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন।   বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খান ১৯৯৩ সালে বুয়েট থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি নেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ১৯৯৬ সালে স্নাতকোত্তর এবং ২০০০ সালে পিএইচডি শেষ করেন। ২০০০ সালেই তিনি টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডালাস ক্যাম্পাসে শিক্ষকতা শুরু করেন।   ডেটা মাইনিং, সেমান্টিক ওয়েব এবং অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে। বড় আকারের তথ্য থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করা এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন, নাসা ও এয়ার ফোর্স অফিস অব সায়েন্টিফিক রিসার্চের সহায়তা এসেছে।   ডালাস ক্যাম্পাসের তথ্য অনুযায়ী, লতিফুর খান ২০২২ সালে প্রযুক্তিবিদদের আন্তর্জাতিক সংগঠন আইইইইর ফেলো নির্বাচিত হন। পরে তিনি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের ২০২৪ সালের ফেলো শ্রেণিতেও স্থান পান।   সূত্র: আইবিএল ইন্টারন্যাশনাল

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ৭:৪৪
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর, জমি নিয়ে বিরোধের কথা বলছে পুলিশ

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর, জমি নিয়ে বিরোধের কথা বলছে পুলিশ

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় ক্ষোভ জানালেন জামায়াত আমির

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলায় ক্ষোভ জানালেন জামায়াত আমির

জাহাজের খালাসি থেকে ব্রিটেনে বসতি, সিলেটিদের অভিবাসনের ইতিহাস

জাহাজের খালাসি থেকে ব্রিটেনে বসতি, সিলেটিদের অভিবাসনের ইতিহাস

চাঁদা না দেওয়ায় সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুরের পর লুট মূল্যবান জিনিস
চাঁদা না দেওয়ায় সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুরের পর লুট মূল্যবান জিনিস

জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের প্রতিষ্ঠিত 'ব্রাউনফিশ স্টুডিও'-তে একদল দুর্বৃত্ত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। জানা গেছে, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর জের ধরেই শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় অবস্থিত স্টুডিওটিতে এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে।   রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৩৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে স্টুডিওর এমন করুণ অবস্থার কথা অনুসারীদের জানান সালমান নিজেই।   রাজধানীর নিউ গিনি প্রোপার্টিজ অফিসের ভেতরে অবস্থিত এই স্টুডিওটিতে হামলার সময় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়।   প্রকাশিত তথ্য ও ভিডিও অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা স্টুডিওর ভেতরে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরাসহ বেশিরভাগ মূল্যবান সরঞ্জাম এবং আসবাবপত্র নির্মমভাবে ভাঙচুর করে তছনছ করে দিয়েছে।   শুধু ভাঙচুরই নয়, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র লুট করেও নিয়ে যায় তারা। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের নিজস্ব স্টুডিওতে চাঁদার দাবিতে এমন সন্ত্রাসী হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ১৬:৩৬
চুয়াডাঙ্গায় জন্ম নেওয়া কৃতী মুক্তিযোদ্ধা ও শিল্পী এন. এন. সাহা। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রের প্রতিটি দপ্তরে তাঁর সৃষ্টি, অথচ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি আজও

আনাস আহমেদ জিসান I ছবি: আমেরিকা বাংলা

১৪ দিন ধরে নিখোঁজ ১২ বছরের আনাস, সন্তানের অপেক্ষায় দিশেহারা বাবা-মা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বেসামরিক সহযোগিতা চুক্তি। ছবি: সংগৃহীত

পারমাণবিক শক্তিতে নতুন অধ্যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বেসামরিক সহযোগিতা চুক্তি

0 Comments