২০২৬ সালে ২ লাখ ৩০ হাজার বিদেশি কর্মী নেবে কানাডা, বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুযোগ
কানাডা সরকার ২০২৬ সালে দুটি প্রধান অস্থায়ী কর্মসূচির আওতায় মোট ২ লাখ ৩০ হাজার বিদেশি কর্মী নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ৬০ হাজার কর্মী নেওয়া হবে টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রামের মাধ্যমে এবং ১ লাখ ৭০ হাজার কর্মী নেওয়া হবে ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রামের আওতায়।
এই পরিকল্পনার ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য কানাডায় কাজের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির অভিবাসন ও চাকরিসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। শুধু কর্মী নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেই কোনো ব্যক্তির চাকরি বা ভিসা নিশ্চিত হয় না।
এদিকে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে কানাডা। বিশেষ করে একাধিক ছোট কর্মস্থল থাকা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে আগের তুলনায় বেশি কম মজুরির অস্থায়ী বিদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ পেতে পারে। নতুন হিসাব পদ্ধতিতে পুরো প্রতিষ্ঠানের মোট কর্মীর সংখ্যা বিবেচনার পরিবর্তে প্রতিটি যোগ্য কর্মস্থল আলাদাভাবে বিবেচনা করা হবে।
কোনো কর্মস্থলে ১০ জনের কম কর্মী থাকলে সাধারণ খাতে একজন কম মজুরির অস্থায়ী বিদেশি কর্মী নিয়োগ করা যেতে পারে। আর স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ ও খাদ্য উৎপাদনের মতো নির্দিষ্ট চাহিদাসম্পন্ন খাতে একই ধরনের ছোট কর্মস্থলে সর্বোচ্চ দুইজন পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ থাকতে পারে।
তবে নিয়ম পরিবর্তন হলেও নিয়োগদাতারা ইচ্ছেমতো বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে পারবেন না। টেম্পোরারি ফরেন ওয়ার্কার প্রোগ্রামের আওতায় কম মজুরির কর্মী নিয়োগের আগে সাধারণত শ্রমবাজারের প্রভাব মূল্যায়ন নিতে হবে। এর মাধ্যমে কানাডার নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দাদের মধ্যে ওই কাজের জন্য উপযুক্ত কর্মী পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়।
অন্যদিকে, ইন্টারন্যাশনাল মোবিলিটি প্রোগ্রাম সাধারণত শ্রমবাজারের প্রভাব মূল্যায়ন ছাড়াই বিদেশি কর্মীদের কানাডায় কাজের সুযোগ দেয়। এই কর্মসূচিতে কানাডার অর্থনীতি, সংস্কৃতি বা অন্যান্য বৃহত্তর স্বার্থে উপকারী হিসেবে বিবেচিত বিভিন্ন ধরনের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২০২৬ সালের মোট ২ লাখ ৩০ হাজার কর্মীর লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এই কর্মসূচির অংশই সবচেয়ে বড়।
কানাডার নতুন হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট ২ লাখ ৩০ হাজার অস্থায়ী বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের দক্ষ ও যোগ্য কর্মীদের জন্য কানাডার শ্রমবাজারে সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে প্রতিটি আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির যোগ্যতা, চাকরির শর্ত এবং কানাডার অভিবাসন আইন মেনে আবেদন করতে হবে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreভারতের বেঙ্গালুরুতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ধ্রুব রাঠি। আগামী ৮ অক্টোবর ফ্রিডম পার্কে অনুষ্ঠিতব্য এই কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে তাঁর উপস্থিতির কথা জানিয়েছেন অভিনেতা ও অ্যাক্টিভিস্ট প্রকাশ রাজ। একই কর্মসূচিতে বিভিন্ন তরুণ সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ করা ব্যক্তিদেরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। বুধবার সকালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করে বেঙ্গালুরুর এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রকাশ রাজ। ওই ভিডিওতে তিনি জানিয়েছিলেন, বিক্ষোভে একজন বিশেষ অতিথি যোগ দেবেন। তবে তখন সেই অতিথির পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। একই দিনে পরবর্তী আরেকটি ভিডিওতে বিশেষ অতিথির নাম ঘোষণা করেন প্রকাশ রাজ। তিনি জানান, ধ্রুব রাঠি ৮ অক্টোবর ফ্রিডম পার্কে এসআইআর বিরোধী কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। প্রকাশ রাজের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে প্রথমবারের মতো বেঙ্গালুরু যাচ্ছেন ধ্রুব রাঠি। ধ্রুব রাঠির পাশাপাশি আইশে ঘোষ, নেহা বোরা, অভিজিৎ দীপকে ও সৌরভ দাসেরও কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়েছেন প্রকাশ রাজ। বিভিন্ন তরুণ সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও সেখানে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে কর্ণাটকের বিভিন্ন জেলা থেকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ করা ব্যক্তিদেরও ফ্রিডম পার্কে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। ৮ অক্টোবরের কর্মসূচি সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়ার কথা। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে প্রথমে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে একটি গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনা হবে। বিশেষ করে কর্ণাটকের বিভিন্ন এলাকার যেসব ব্যক্তি দাবি করছেন তাঁদের নাম ভুলভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের অভিজ্ঞতা এই গণশুনানিতে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তাঁদের নাম সত্যিই ভুলভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে কি না, সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়। গণশুনানির পাশাপাশি ফ্রিডম পার্কে একটি গণবিক্ষোভেরও আয়োজন করা হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হচ্ছে। প্রকাশ রাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষকে বড় সংখ্যায় সেখানে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ রাজের অবস্থানও তাঁর ভিডিওতে উঠে এসেছে। তিনি দাবি করেছেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে দেশের নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং কিছু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিষয়টিকে শুধু ভোট দেওয়ার অধিকারের প্রশ্ন হিসেবে না দেখে গণতন্ত্র ও সংবিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় হিসেবেও তুলে ধরেছেন তিনি। এগুলো প্রকাশ রাজ ও আন্দোলনকারীদের বক্তব্য এবং অভিযোগ। ভোটার তালিকা সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বিক্ষোভকারীরা তাঁদের অভিযোগ ও দাবি সামনে আনতেই কর্মসূচিটি আয়োজন করছেন। প্রকাশ রাজের ঘোষণায় ধ্রুব রাঠির উপস্থিতি কর্মসূচিটিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ধ্রুব রাঠি ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার, ভিডিও নির্মাতা ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার। সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যাখ্যামূলক এবং তথ্য যাচাইধর্মী ভিডিও তৈরির জন্য তিনি পরিচিত। হরিয়ানায় জন্ম নেওয়া ধ্রুব রাঠি জার্মানিতে যন্ত্র প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় রাজনীতি ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ভিডিও বিপুলসংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছায়। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে নিজের মতামত প্রকাশ করেও তিনি নিয়মিত আলোচনায় থাকেন। বেঙ্গালুরুর বিক্ষোভে তাঁর উপস্থিতির ঘোষণা দিতে গিয়ে প্রকাশ রাজ তাঁকে বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। একই সঙ্গে ধ্রুব রাঠির উপস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সংখ্যায় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আয়োজকদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের অভিযোগ সামনে আনা এবং সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। ভোটার তালিকার আগের অবস্থান ফিরিয়ে আনার দাবিও তুলেছেন তাঁরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লিতেও এ বিষয়ে আরেকটি কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয়েছে। তবে আপাতত নজর ৮ অক্টোবরের বেঙ্গালুরু কর্মসূচির দিকে। ফ্রিডম পার্কে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হওয়া গণশুনানি ও বিক্ষোভে প্রকাশ রাজের পাশাপাশি ধ্রুব রাঠি এবং অন্য অতিথিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বিভিন্ন সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ থাকা ব্যক্তিরাও সেখানে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরবেন। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
নামাজের শব্দ নিয়ে অভিযোগ করতে মসজিদে এসে ইসলাম গ্রহণ অস্ট্রেলীয় বৃদ্ধের
মেরিল্যান্ডে ৩৭০ কোটি ডলারের কারখানা, ৩১০০ নতুন চাকরির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
দুই নারীকে অস্ত্রধারীর হাত থেকে বাঁচিয়ে কানাডায় পুরস্কৃত পাঞ্জাবি বংশোদ্ভূত পুলিশ
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অজ্ঞাত থাকা এক কিশোরের দেহাবশেষের পরিচয় অবশেষে শনাক্ত হয়েছে। ১৯৮২ সালে হোয়াইট ট্যাঙ্ক মাউন্টেন রিজিওনাল পার্কের একটি দুর্গম এলাকায় পাওয়া দেহাবশেষটি ছিল মিচেল জন পলির। ডিএনএ ডো প্রজেক্ট জানিয়েছে, অনুসন্ধানমূলক জেনেটিক জিনিয়োলজি ও পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। মিচেল জন পলি যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইসে ১৯৬৪ সালে জন্মেছিলেন। পরে তাঁর পরিবার অ্যারিজোনার বাকআই এলাকায় চলে যায়। ডিএনএ ডো প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে প্রায় ১৪ বছর বয়সে তিনি নিখোঁজ হন। বহু বছর ধরে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই অজ্ঞাত দেহাবশেষের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। ১৯৮২ সালের ২২ এপ্রিল ফিনিক্সের পশ্চিমে হোয়াইট ট্যাঙ্ক মাউন্টেন রিজিওনাল পার্কের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় একটি খুলিসহ মেরুদণ্ডের কিছু হাড় পাওয়া যায়। ডিএনএ ডো প্রজেক্টের পুরোনো কেস রেকর্ড অনুযায়ী, মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্যরা একটি হারিয়ে যাওয়া গান পডের সন্ধানে ওই এলাকায় অভিযান চালানোর সময় দেহাবশেষটি দেখতে পান। ঘটনাস্থল থেকে কোনো পোশাক বা ব্যক্তিগত জিনিস পাওয়া যায়নি। সে সময় চিকিৎসা পরীক্ষকের কার্যালয় অনুমান করেছিল, দেহাবশেষটি ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী এক কিশোরের এবং আবিষ্কারের এক থেকে তিন বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। পরিচয় না মেলায় মামলাটি কয়েক দশক ধরে ‘জন মারিকোপা কাউন্টি ডো’ নামে নথিভুক্ত ছিল। মারিকোপা কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনারের অফিস চলতি বছরের মে মাসে মামলাটি ডিএনএ ডো প্রজেক্টের কাছে পাঠায়। এই অনুসন্ধানে অর্থায়ন করে ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়েটেড চিলড্রেন। এরপর গবেষকেরা ডিএনএ মিলের সূত্র ধরে কিশোরটির পারিবারিক বংশপরিচয় খুঁজতে শুরু করেন। তদন্তে প্রথমে তাঁর পূর্বপুরুষদের সঙ্গে জার্মানির যোগসূত্র পাওয়া যায়। পরে কেনটাকি ও মিসৌরির বিভিন্ন পরিবারের সঙ্গে ডিএনএ সংযোগ মিলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত গবেষকদের নজর যায় সেন্ট লুইসের কয়েকটি পরিবারের দিকে। ডিএনএ ডো প্রজেক্টের টিম লিডার মেগান পাসিকার ভাষ্য অনুযায়ী, অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে তাঁরা ১৯৬৪ সালে সেন্ট লুইসে জন্ম নেওয়া এমন এক ছেলের সন্ধান পান, যার পরবর্তী জীবনের কোনো নির্ভরযোগ্য রেকর্ড পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে জানা যায়, ১৯৬৭ সালে তার পরিবার অ্যারিজোনার বাকআই এলাকায় চলে যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্রটি ছিল ভৌগোলিক অবস্থান। মিচেলের পরিবার যে এলাকায় বসবাস করত, সেখান থেকে দেহাবশেষ পাওয়ার স্থানটির দূরত্ব ছিল মাত্র প্রায় পাঁচ মাইল। এরপর গবেষকেরা তাঁর পারিবারিক পূর্বপুরুষ এবং ‘জন মারিকোপা কাউন্টি ডো’র ডিএনএ ম্যাচের মধ্যে একাধিক সংযোগ খুঁজে পান। এসব তথ্যের ভিত্তিতে মিচেল জন পলিকে সম্ভাব্য পরিচয় হিসেবে মারিকোপা কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনারের অফিসের কাছে উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষা শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত করে, ১৯৮২ সালে পাওয়া দেহাবশেষটি মিচেলেরই। ডিএনএ ডো প্রজেক্ট এমন একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যারা অজ্ঞাত মানবদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে ইনভেস্টিগেটিভ জেনেটিক জিনিয়োলজি ব্যবহার করে। এই পদ্ধতিতে সরাসরি কোনো ব্যক্তির ডিএনএ রেকর্ড না থাকলেও দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের ডিএনএ ম্যাচ, পারিবারিক বংশতালিকা, জন্ম ও বসবাসের রেকর্ডসহ বিভিন্ন তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হয়। অ্যারিজোনায় দীর্ঘদিন ধরে বহু অজ্ঞাত মৃতদেহের মামলা রয়েছে। ডিএনএ ডো প্রজেক্ট এর আগেও রাজ্যটির একাধিক ‘জন ডো’ ও ‘জেন ডো’র পরিচয় শনাক্ত করতে সহায়তা করেছে। মিচেলের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় ৪৩ বছরের একটি রহস্যের অবসান হয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল, তিনি ঠিক কখন নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা ছিল কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নতুন কোনো তথ্য জানানো হয়নি। এখন অন্তত কয়েক দশক ধরে অজ্ঞাত থাকা কিশোরটির একটি নাম ফিরে এসেছে, মিচেল জন পলি।
এক মাস আগে নারীর আইফোন চুরি, পরে পাসওয়ার্ড চেয়ে নিজেই মেসেজ দিল চোর
৬০ লাখ রুপি দেওয়ার পর ভারতে এসে থাই নারী জানলেন স্বামী আগে থেকেই বিবাহিত
স্বর্ণের গহনার কাজ ছেড়ে আলি জামান ৬ বছরে হাতে লিখলেন বিশাল পবিত্র কোরআন
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভুয়া সমকামী পরিচয় দেখিয়ে অ্যাসাইলাম পেতে সহায়তার অভিযোগে একটি সন্দেহভাজন চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ব্রিটিশ হোম অফিসের ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বিভাগ। মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর লন্ডনের বিভিন্ন ঠিকানায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে প্রতারণা ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে এবং তৃতীয় ব্যক্তিকে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে অবস্থানের সন্দেহে আটক করা হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন চক্রটি বাংলাদেশি পুরুষদের কাছ থেকে ১ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত নিয়ে তাদের অ্যাসাইলাম আবেদনের পক্ষে ভুয়া বা সাজানো প্রমাণ তৈরিতে সহায়তা করত বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে জাল নথি, সাজানো ছবি এবং সমলিঙ্গের সম্পর্কের পক্ষে তৈরি করা চিঠিসহ বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র থাকার অভিযোগ তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ। অভিযানে মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার এবং কয়েক হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি। হোম অফিসের অপরাধ তদন্ত বিভাগের আঞ্চলিক কর্মকর্তা ক্রিস ফস্টারের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, সন্দেহভাজন এসব আবেদনের সঙ্গে পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলভিত্তিক বাংলাদেশি কমিউনিটির এলজিবিটি সংগঠন ‘আপনজন’-এর যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফস্টারের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তকারীদের কাছে এমন তথ্য রয়েছে যে ১ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে ভুয়া চিঠি ও অন্যান্য নথি সরবরাহ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনো চলমান এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি। হোম অফিসের অ্যাসাইলাম কেসওয়ার্কাররা একাধিক আবেদনের মধ্যে কিছু অস্বাভাবিক মিল শনাক্ত করার পর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর কয়েক মাস ধরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করেন। এখন ‘আপনজন’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শতাধিক অ্যাসাইলাম আবেদন নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, সন্দেহভাজন ভুয়া প্রমাণের ভিত্তিতে করা কয়েকটি আবেদন ইতোমধ্যে অনুমোদনও পেয়ে থাকতে পারে। ফলে শুধু চলমান আবেদন নয়, আগে নিষ্পত্তি হওয়া কিছু মামলাও নতুন করে যাচাইয়ের আওতায় আসতে পারে। যুক্তরাজ্যের কয়েকটি ইমিগ্রেশন ট্রাইব্যুনাল মামলাতেও বাংলাদেশি আবেদনকারীদের যৌন পরিচয়সংক্রান্ত দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাম্প্রতিক একটি মামলায় এক বাংলাদেশি নাগরিক নিজেকে সমকামী দাবি করে দেশে ফেরত গেলে ঝুঁকির মুখে পড়বেন বলে অ্যাসাইলাম চেয়েছিলেন। হোম অফিস তার দাবির বিশ্বাসযোগ্যতা গ্রহণ করেনি এবং ট্রাইব্যুনালও মামলার তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। তবে প্রতিটি অ্যাসাইলাম আবেদন আলাদাভাবে তার নিজস্ব তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়। এ ঘটনার পেছনে চলতি বছরের এপ্রিলে বিবিসির একটি গোপন অনুসন্ধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ওই অনুসন্ধানে অভিযোগ উঠে, কিছু ইমিগ্রেশন পরামর্শক ও মধ্যস্থতাকারী যুক্তরাজ্যে থাকার অনুমতি পেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের ভুয়া সমকামী পরিচয় তৈরি করে দেওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছিলেন। সাজানো ছবি, সংগঠনের সমর্থনপত্র এবং অন্যান্য নথি তৈরি করে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যাসাইলাম কেস দাঁড় করানোর কথাও উঠে আসে প্রতিবেদনে। সে সময় ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ অ্যাসাইলাম ব্যবস্থার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। যৌন পরিচয় বা লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে প্রকৃত নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের জন্য থাকা সুরক্ষা ব্যবস্থার অপব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি সতর্ক করেন। ব্রিটিশ হোম অফিসের নিয়ম অনুযায়ী, যৌন অভিমুখিতা বা লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে করা অ্যাসাইলাম আবেদন অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে এবং প্রতিটি ব্যক্তির পরিস্থিতি আলাদাভাবে যাচাই করতে হয়। কেবল নিজেকে সমকামী হিসেবে পরিচয় দিলেই কোনো আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত হয় না। আবেদনকারীর বক্তব্য, ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, দেশে ফিরে গেলে সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সামগ্রিক তথ্যপ্রমাণ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ২০২৬ সালের বাংলাদেশবিষয়ক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের এলজিবিটি জনগোষ্ঠীর সদস্যরা সামাজিক বৈষম্য, হয়রানি বা অরাষ্ট্রীয় পক্ষের কাছ থেকে গুরুতর ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। এ কারণে ভুয়া আবেদন ও সংগঠিত প্রতারণার অভিযোগকে প্রকৃত যৌন সংখ্যালঘু আশ্রয়প্রার্থীদের বৈধ দাবির সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই। যুক্তরাজ্যের আইনে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণামূলক নথি ব্যবহার গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। প্রতারণামূলক মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের অপরাধ ক্রাউন কোর্টে প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। একই সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে পাওয়া ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস বাতিল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশত্যাগের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। লন্ডনে মঙ্গলবারের অভিযানের পর এখন তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য সন্দেহভাজন চক্রটির কার্যক্রমের পরিধি, কতজন আবেদনকারী এর মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং কোনো আবেদন ভুয়া প্রমাণের ভিত্তিতে অনুমোদিত হয়েছিল কি না তা নির্ধারণ করা। শতাধিক আবেদন পর্যালোচনার ফলেই এই অভিযোগের প্রকৃত ব্যাপ্তি আরও পরিষ্কার হতে পারে।
প্রায় ৫১ লাখ রুপি প্রতারণার অভিযোগে ভারতীয় সুবেদারের কোর্ট মার্শালের নির্দেশ
ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ইসলাম ও অভিবাসনকে দায়ী করে আলোচনাকে ভিন্ন খাতে নিলেন ট্রাম্প