সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

মুম্বাই

নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহির দাবিতে ২ অক্টোবরের কর্মসূচিতে সমর্থন জানিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক
২ অক্টোবরের নির্বাচন কমিশনবিরোধী কর্মসূচিতে সোনম ওয়াংচুকের সমর্থন

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে জবাবদিহি দাবি করে ২ অক্টোবরের প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে সমর্থন জানিয়েছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তবে তিনি নিজে ওই কর্মসূচিতে সরাসরি উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিশ্চিত করেননি।   ককরোচ জণতা পার্টি বা সিজেপি ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে এই কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়ানোর দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।   ওয়াংচুক বলেন, দেশের জবাবদিহি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও উন্নত করার যেকোনো উদ্যোগই সমর্থনের যোগ্য। তবে তিনি মনে করেন, কোনো আন্দোলন একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়।   তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেটি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেলে গণতন্ত্রের আর কী অবশিষ্ট থাকে?   সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন ওয়াংচুক। উদাহরণ হিসেবে লাদাখকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন তিনি। জবাবদিহি ও ন্যায়ের জন্য কাজ করা সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও নেতাদের সমর্থনের কথাও জানান তিনি।   ২ অক্টোবরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন হিসেবে উল্লেখ করে ওয়াংচুক বলেন, এ দিন মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষের অধিকার আদায়ের যে পদ্ধতি গান্ধী অনুসরণ করেছিলেন, তা বিভিন্ন অধিকারভিত্তিক আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।   ওয়াংচুকের এই বক্তব্য এসেছে ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গত ১০ মাসে ভোটার নিবন্ধন, নাম বাদ দেওয়া ও পুনর্বহাল এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর–সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন।   তবে নির্বাচন কমিশন এই প্রতিবেদনের পর জানিয়েছে, এসআইআর–সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত তিন কমিশনারের সর্বসম্মত অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সংশোধন প্রক্রিয়ায় নোটিশ পাওয়া ভোটারদের সহায়তায় কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যেসব ভোটারের তথ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্য বা ম্যাপিং-সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বুথ লেভেল কর্মকর্তাদের বাড়িতে গিয়ে সহায়তা করার ব্যবস্থাও রয়েছে।   এদিকে বিরোধী দলগুলোর একটি অংশও এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলছে। ইন্ডিয়া জোটের দলগুলো ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বৈঠক করে এ বিষয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতে পারে বলে জানানো হয়েছে।   ২ অক্টোবরের কর্মসূচিটি মুম্বাই থেকে শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে সিজেপি। ওয়াংচুকের সমর্থন থাকলেও তিনি নিজে সেখানে উপস্থিত থাকবেন কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।

অলি উল্লাহ আল মাসুদ সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ১৪:০
ছেলের এমন অদ্ভুত দাবির বিষয়ে ইতিবাচক ও হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পেশায় আইনজীবী মা-বাবা। ছবি: সংগৃহীত
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের

জন্মের আগে তার সম্মতি নেওয়া হয়নি, এই যুক্তিতে নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন ভারতের মুম্বাইয়ের এক তরুণ। ২০১৯ সালে ২৭ বছর বয়সী রাফায়েল স্যামুয়েল এ পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে জানান। তার দাবি ছিল, পৃথিবীতে জন্ম নেওয়ার সিদ্ধান্ত তার নিজের ছিল না। তাই সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্তের দায়ও মা-বাবার।   রাফায়েল নিজেকে অ্যান্টিন্যাটালিজম বা জন্মবিরোধী দর্শনের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেন। এই দর্শনের অনুসারীরা মনে করেন, মানুষকে পৃথিবীতে না আনাই নৈতিকভাবে বেশি যুক্তিসংগত, কারণ জীবনের সঙ্গে দুঃখ, কষ্ট ও নানা ধরনের ভোগান্তি জড়িয়ে আছে। রাফায়েলের বক্তব্যও মূলত এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিল।   মুম্বাইয়ের এই ব্যবসায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তার মতাদর্শ প্রচার করতেন। তিনি যুক্তি দেন, কোনো মানুষই জন্মের আগে পৃথিবীতে আসার বিষয়ে সম্মতি দিতে পারে না। অথচ জন্মের পর তাকে পড়াশোনা, চাকরি, পেশা ও জীবনের নানা দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তার প্রশ্ন ছিল, যে জীবনের জন্য কেউ আগে থেকে সম্মতি দেয়নি, সেই জীবনের নানা বাধ্যবাধকতার দায় কেন তার ওপর থাকবে।   রাফায়েল আরও বলেছিলেন, মানুষ যদি নিজের ইচ্ছায় জন্ম নিতে না পারে, তাহলে তাদের জীবনযাপনের খরচ বহনের দায়িত্ব মা-বাবার হওয়া উচিত। তার মতে, সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত মা-বাবার, সন্তানের নয়। তাই সন্তানকে সারাজীবন সেই সিদ্ধান্তের ফল ভোগ করতে বাধ্য করা নিয়ে প্রশ্ন তোলা দরকার।   বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে যখন রাফায়েল জানান, তার মা-বাবা দুজনই আইনজীবী। তারপরও তিনি তাদের আদালতে নেওয়ার কথা ভাবছেন। তবে তিনি স্বীকার করেছিলেন, কোনো বিচারক তার মামলা গ্রহণ করবেন কি না, তা নিয়ে তিনি নিজেও সন্দিহান। সে সময় পর্যন্ত তার মামলা নেওয়ার জন্য কোনো আইনজীবীও পাওয়া যায়নি।   তবে মা-বাবার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খারাপ ছিল না। রাফায়েল নিজেই বলেছিলেন, তিনি তাদের ভালোবাসেন এবং পরিবারের সম্পর্কও ভালো। তার বক্তব্য ছিল, বিষয়টি ব্যক্তিগত বিরোধ নয়, বরং সন্তান জন্ম দেওয়া এবং মানুষের অস্তিত্ব নিয়ে একটি দার্শনিক প্রশ্ন সামনে আনার চেষ্টা।   তার মা কবিতা কার্নাড স্যামুয়েলও ছেলের পরিকল্পনাকে পুরোপুরি বিরোধিতা করেননি। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি ছেলের সাহসের প্রশংসা করেন। তার বক্তব্য ছিল, রাফায়েল যদি যুক্তিসংগতভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন যে জন্মের আগে কীভাবে তার কাছ থেকে সম্মতি নেওয়া সম্ভব ছিল, তাহলে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করবেন।   রাফায়েল তার মতাদর্শ প্রচারের জন্য ‘নিহিলানন্দ’ নামে একটি ফেসবুক পেজও চালু করেছিলেন। সেখানে তিনি সন্তান জন্ম দেওয়া, মানুষের অস্তিত্ব এবং জীবনের বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতেন। একটি পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একটি শিশুকে পৃথিবীতে নিয়ে আসার পর তাকে ক্যারিয়ার গড়ার মতো নানা সামাজিক প্রত্যাশার মধ্যে ঠেলে দেওয়া কতটা ন্যায্য।   তার বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তার যুক্তিকে অদ্ভুত বলে সমালোচনা করেন, আবার কেউ জন্ম, সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে তার উত্থাপিত প্রশ্নকে দার্শনিক আলোচনার বিষয় হিসেবে দেখেন। বিষয়টি ভারতের বাইরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।   অ্যান্টিন্যাটালিজম নতুন কোনো ধারণা নয়। বিভিন্ন সময়ে দর্শন ও ধর্মীয় চিন্তাধারার কিছু ধারায় মানুষের জন্ম এবং জীবনের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে। আধুনিক অ্যান্টিন্যাটালিজমে মানুষের সন্তান জন্মদানের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। তবে এটি একটি দার্শনিক অবস্থান, সর্বজনস্বীকৃত বৈজ্ঞানিক বা আইনি নীতি নয়।   রাফায়েলের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল, তিনি নিজের জীবনকে পুরোপুরি দুর্বিষহ বলে দাবি করেননি। বরং তিনি জানিয়েছিলেন, তার জীবন ভালোই চলছে। তার আপত্তি ছিল মানুষের অস্তিত্বের মৌলিক প্রশ্ন নিয়ে। অর্থাৎ তার পরিকল্পিত আইনি পদক্ষেপকে তিনি ব্যক্তিগত ক্ষোভের চেয়ে একটি বৃহত্তর দার্শনিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখেছিলেন।   শেষ পর্যন্ত রাফায়েল সত্যিই তার মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনে কোনো আদালতের রেকর্ড পাওয়া যায় না। ২০১৯ সালের সমসাময়িক প্রতিবেদনে বরং বলা হয়েছিল, তিনি মামলা করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন এবং তখনও কোনো আইনজীবী তার পক্ষে মামলা নিতে রাজি হননি। তাই ঘটনাটিকে ‘মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা’ নয়, বরং ‘মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করাই সঠিক।   সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান

মোহাম্মদ ইব্রাহিম সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ১৪:০
মুম্বাইয়ের কোলাবার ১০৮ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ক্যাফে অলিম্পিয়া কফি হাউস। ছবি: সংগৃহীত
ক্রিস্টোফার নোলান সহ সেলিব্রেটিদের যাওয়া মুম্বাইয়ের ক্যাফেতে মিলল তেলাপোকা! লাইসেন্স বাতিল

মুম্বাইয়ের কোলাবার ১০৮ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ক্যাফে অলিম্পিয়া কফি হাউসের খাবারের লাইসেন্স স্থগিত করেছে মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। ১৬ সেপ্টেম্বর ভোক্তার অভিযোগের ভিত্তিতে পরিদর্শনে গিয়ে কর্মকর্তারা ক্যাফেটিতে তেলাপোকা ও মাছির উপদ্রব, মেঝেতে সরাসরি খাবার রাখাসহ গুরুতর স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনিয়ম দেখতে পান।   এফডিএর পরিদর্শন প্রতিবেদনের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ক্যাফেটির খাবার সংরক্ষণের জায়গার ভেতরেই একটি ইউরিনাল পাওয়া যায়। রান্না ও বাসন ধোয়ার জায়গার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও আপত্তিকর পরিস্থিতি দেখা যায়। একই সঙ্গে অপরিষ্কার পানি ব্যবহারের অভিযোগ এবং খাবার সরাসরি মেঝেতে রেখে বা মেঝের ওপর পরিচালনা করার বিষয়ও পরিদর্শনে উঠে আসে।   পরিদর্শনে আরও দেখা যায়, ক্যাফেটির একটি রেফ্রিজারেটরে মাংসের রক্তের অবশিষ্টাংশ ছিল। কাঁচা নিরামিষ ও আমিষ খাবার যথাযথভাবে আলাদা করে সংরক্ষণ করা হয়নি। কিছু কাঠের কাটিং বোর্ডও ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে। খাবার পরিবেশন ও প্রস্তুতের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের যথাযথ সুরক্ষা পোশাক না থাকার বিষয়টিও এফডিএর নজরে আসে।   কর্মীদের প্রশিক্ষণ নিয়েও গুরুতর ঘাটতি পাওয়া গেছে। পরিদর্শনের সময় ৩৫ জন খাবারকর্মীর মধ্যে ৩৪ জনের প্রয়োজনীয় খাদ্য নিরাপত্তা প্রশিক্ষণের সনদ ছিল না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পানি পরীক্ষার বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন এবং পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিও কর্তৃপক্ষকে দেখাতে পারেনি ক্যাফেটি।   এই পরিস্থিতিতে এফডিএ তাৎক্ষণিকভাবে অলিম্পিয়া কফি হাউসের খাদ্য লাইসেন্স স্থগিত করে। লাইসেন্স স্থগিত থাকা অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটিকে খাবার কেনা, প্রস্তুত করা, সংরক্ষণ, বিক্রি ও বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রুটিগুলো সংশোধন করে পুনরায় পরিদর্শনে সন্তোষজনক ফল পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।   ঘটনাটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ক্যাফেটির দীর্ঘ ইতিহাস ও সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিচিতির কারণে। ১৯১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত অলিম্পিয়া কফি হাউস মুম্বাইয়ের কোলাবা এলাকার পুরোনো খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। চা, বান মাসকা ও মুঘলাই খাবারের জন্য পরিচিত এই ক্যাফে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়।   চলতি বছরের জুলাইয়ে হলিউড অভিনেতা ম্যাট ডেমন ও টম হল্যান্ড এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান মুম্বাই সফরের সময় এই ক্যাফেতে গিয়েছিলেন। তাদের সেখানে চা ও স্থানীয় খাবার খাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ঐতিহাসিক ক্যাফেটি নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনায় আসে। তবে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুতর অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স স্থগিতের ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   মহারাষ্ট্র এফডিএ সাম্প্রতিক সময়ে খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য খাদ্য প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি ও খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড যাচাইয়ে অভিযান জোরদার করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলতে পারে এমন অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অলিম্পিয়া কফি হাউসের ক্ষেত্রেও ত্রুটি সংশোধন ও পুনঃপরিদর্শনের ফলাফলের ওপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।

তাবাস্সুম সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১৪:০
মুম্বাইয়ের কুরলার বস্তিতে মায়ের সঙ্গে বেড়ে ওঠা জয়কুমার বৈদ্য আজ নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে কর্মরত। ছবি: সংগৃহীত
থাকতেন বস্তিতে, স্কুলের বেতন দিতে পারেনি মা, সেই ছেলে এখন নাসার বিজ্ঞানী

মুম্বাইয়ের কুরলার বস্তিতে মাত্র ৮ বাই ১০ ফুটের একটি ঘরে মায়ের সঙ্গে বেড়ে ওঠা জয়কুমার বৈদ্য আজ নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে কাজ করছেন। শৈশবে অর্থাভাবে স্কুলের বেতন দিতে না পারায় একসময় তার পরীক্ষার ফল আটকে রাখা হয়েছিল। সংসারের খরচ ও নিজের পড়াশোনা চালাতে টেলিভিশন মেরামতের কাজও করেছেন তিনি। পরে সেই জয়কুমারই রোবোটিকসে তিনটি জাতীয় ও চারটি রাজ্য পর্যায়ের পুরস্কার জিতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের জগতে নিজের জায়গা করে নেন।   জয়কুমারের শৈশব কেটেছে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে। তার মা একাই সংসারের দায়িত্ব সামলাতেন। স্কুলের বেতন দিতে না পারার সময়গুলোতে পরিবারের ওপর চাপ আরও বাড়ত। পড়াশোনা চালিয়ে যেতে জয়কুমার টেলিভিশন মেরামতের দোকানে কাজ করে মাসে প্রায় ৪ হাজার রুপি আয় করতেন। পাশাপাশি অন্য শিক্ষার্থীদের পড়াতেন এবং বিভিন্ন ছোটখাটো কাজ করতেন।   তবে অর্থের অভাব তার পড়াশোনার আগ্রহ থামাতে পারেনি। মুম্বাইয়ের কেজে সোমাইয়া কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি। শিক্ষাজীবনেই রোবোটিকসে তিনটি জাতীয় পর্যায়ের এবং চারটি রাজ্য পর্যায়ের পুরস্কার পান। এরপর তিনি লারসেন অ্যান্ড টুব্রোতে শিক্ষানবিশির সুযোগও পান।   ২০১৬ সালে জয়কুমার ভারতের টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে জুনিয়র গবেষণা ফেলো হিসেবে যোগ দেন। সেখানে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র উপাদান তৈরি ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গঠন নিয়ে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন তিনি। নাসার জীবনীতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করেছেন এবং উচ্চ তাপমাত্রার অতিপরিবাহীসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গঠন নিয়ে কাজ করেছেন।   পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ায় স্নাতকোত্তর গবেষক হিসেবে কাজ শুরু করেন জয়কুমার। ২০২১ সালে সেখান থেকে তড়িৎ প্রকৌশলে প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালে অর্ধপরিবাহী তৈরির প্রযুক্তি ও পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করেন তিনি।   নাসার সঙ্গে তার যাত্রাও শুরু হয় গবেষণার ধারাবাহিকতায়। নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে তিনি প্রথমে জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের একটি প্রকল্পে এক্স-রে দূরবীক্ষণযন্ত্রের জন্য বিশেষ ধরনের পাতলা স্তরের উপাদান তৈরির প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি গ্রহের বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক গঠন বিশ্লেষণে ব্যবহৃত চতুর্মেরু ভর বর্ণালিমাপক তৈরির সঙ্গে যুক্ত।   নাসার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জয়কুমার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের গ্রহীয় পরিবেশ গবেষণাগারে ভূমি সহায়তা সরঞ্জাম প্রকৌশল বিভাগের প্রধান এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা পরিচালনা বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন। তিনি বিভিন্ন মহাকাশ মিশনের জন্য ভর বর্ণালিমাপকের মান নির্ধারণ, ভূমি ব্যবস্থা এবং পরিচালনাগত প্রস্তুতির দায়িত্বে রয়েছেন।   তার কাজের সঙ্গে মঙ্গলগ্রহ ও চাঁদসহ সৌরজগতের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মিশনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডল ও উর্ধ্ববায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ মিশনের একটি যন্ত্রের সঙ্গেও কাজ করেছেন, যা মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের নিরপেক্ষ গ্যাস ও আয়নের গঠন পরিমাপে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি পৃথিবীর ওপরের বায়ুমণ্ডল ও আয়নমণ্ডল নিয়ে গবেষণার জন্য তৈরি একটি মিশনের যন্ত্রের ভূমি সহায়তা ও পরিচালনাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।   যে ছেলেটির পরিবারের জন্য একসময় স্কুলের বেতন জোগাড় করাই কঠিন ছিল, সেই জয়কুমার বৈদ্য এখন মহাকাশবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র তৈরির কাজে যুক্ত। তার জীবনের পথচলা দেখিয়েছে, আর্থিক সংকট শিক্ষার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ালেও সুযোগ ও অধ্যবসায় থাকলে সেখান থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণায়ও জায়গা করে নেওয়া সম্ভব।

তাবাস্সুম সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ১৪:০
মুম্বাইয়ের মাটুঙ্গায় ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধ সড়কে পথচারীদের দুর্ভোগ | ছবি: পিটিআই
মুম্বাইয়ে অতিভারী বৃষ্টির রেড অ্যালার্ট জারি করে নাগরিকদের ঘরে থাকার নির্দেশ

ভারতের বাণিজ্যনগরী মুম্বাই ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে রাতভর রেকর্ডভাঙা বৃষ্টিপাতের পর আবহাওয়া অধিদপ্তর রবিবার সেখানে সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা বা রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। আজ কিছুটা স্বস্তি মিললেও আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে অতিভারী থেকে চরম বিপর্যয়কর বৃষ্টিপাত হতে পারে।   এই চরম আবহাওয়ার পূর্বাভাস মাথায় রেখে বৃহন্মুম্বাই পৌর কর্পোরেশন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই ঘরের বাইরে বের না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সেই সাথে শহর ও শহরতলিতে ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।   রবিবার সকাল থেকে বাস এবং মেট্রো চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও শহরের প্রধান গণপরিবহন লোকাল ট্রেনগুলো বেশ দেরিতে চলাচল করছে। নিচু এলাকা এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। কারণ রবিবার বিকেলে এবং সোমবার ভোরে সমুদ্রের জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক উঁচুতে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।   বিগত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বাইয়ের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ২০০ মিলিমিটার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শহরের প্রধান সড়কগুলোর পাশাপাশি বেশ কিছু আবাসিক এলাকাও এখন পানির নিচে তলিয়ে আছে।   এর আগে শনিবারের প্রলয়ংকরী বৃষ্টিতে মুম্বাইয়ের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়, যার ফলে সড়ক ধস, গাছ উপড়ে পড়া এবং বাড়ি ভেঙে পড়ার মতো ঘটনা ঘটে। রেললাইন পানিতে ডুবে যাওয়ায় ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মুম্বাইয়ের পাশাপাশি থানে, পালঘর এবং পুনে অঞ্চলেও ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের কারণে বহু মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তাবাস্সুম জুলাই ৪, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

মার্কিন নাগরিকদের নির্দিষ্ট চার ধরনের আত্মীয়কে পরিবারভিত্তিক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে

ফ্যামিলি ভিসায় পরিবারের ৪ সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে নিতে পারেন মার্কিন নাগরিকরা, জানুন বিস্তারিত নিয়ম

অক্টোবর ১, ২০২৬ ১৪:০