মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের একটি হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে। ১ এপ্রিল ২০২৬। ছবি : রয়টার্স
ইরান: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির দাবিটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন

ইরান স্পষ্টভাবে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর দাবি যে ইরানের নতুন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছে, তা মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   পরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব পাঠাইনি। খবরের মধ্যে বলা ‘পাঁচ দফা প্রস্তাব’ শুধু অনুমান ছাড়া কিছু নয়।” তিনি আরও জানান, যতক্ষণ না আক্রমণকারী দেশকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং ইরানকে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ যুদ্ধ চলবে।   এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ একটি বিবৃতিতে দাবি করেন, ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি শীর্ষ কর্মকর্তার নাম উল্লেখ না করে তাঁর তুলনা করেছেন পূর্ববর্তী নেতৃত্বের সঙ্গে, এবং উল্লেখ করেছেন যে নতুন প্রেসিডেন্ট “অনেক কম উগ্র এবং অনেক বেশি বুদ্ধিমান।”   ইরানের এই বক্তব্যের ফলে মার্কিন প্রশাসনের দাবি নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে সংবাদমাধ্যমে এমন বিভ্রান্তিমূলক তথ্য যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জটিল করে তুলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
ছবি : রয়টার্স
নির্দিষ্ট শর্ত মানলে সংঘাত অবসানের সদিচ্ছা প্রকাশ করল ইরান

ইরান জানিয়েছে, কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য সংঘাত শেষ করার জন্য তাদের সদিচ্ছা রয়েছে। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের মধ্যে ফোনালাপে এই মন্তব্য করেন ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পেজেশকিয়ান। বিবিসির সিনিয়র সংবাদ প্রতিবেদক জন সাডওয়ার্থ জানিয়েছেন, খবর প্রকাশের পর মার্কিন শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।   তবে অনেক বিশ্লেষক ইরানের এই সদিচ্ছাকে পুরোপুরি আশার আলো হিসেবে দেখছেন না। জন সাডওয়ার্থ বলেন, যুদ্ধ বন্ধের ‘সদিচ্ছার’ সঙ্গে কঠোর শর্তও জড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে পুনরায় কোনো সংঘাত শুরু হবে না এ ধরনের নিশ্চয়তা ইরান চাচ্ছে।   এর আগে গত সপ্তাহে আমেরিকার ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবের জবাবে ইরানও একই ধরনের আগ্রাসনবিরোধী নিশ্চয়তার দাবি জানিয়েছিল।   একই সময়ে, প্রভাবশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নতুন হুমকি জারি করেছে। তারা পাল্টা আঘাতের পরিধি সম্প্রসারণের কথা জানিয়েছে।   এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক বাজার এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন চাপ তৈরি করছে, যেখানে ইরানের সদিচ্ছা ও শর্তের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরান দাবি করছে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ

ইরানের নৌবাহিনীর এক সিনিয়র কমান্ডার দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর বর্তমানে ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় এলে “কঠোর প্রতিক্রিয়া” হতে পারে।   ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, কমান্ডার বলেন, ইরানের সামরিক মহড়ার কারণে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ইরানি জলসীমা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। তিনি আরও জানান, হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল ও ওমান উপসাগর নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।   হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ, যা আন্তর্জাতিক তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর এক পাশে ইরান এবং অন্য পাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অবস্থিত। প্রণালির সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ মাত্র ২১ মাইল, যা সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।   বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যদি এই নৌপথ দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ রাখে, তা বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ানোর সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালা। ফাইল ছবি: রয়টার্স
ইইউ স্বাগত জানাল ট্রাম্পের ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস তা স্বাগত জানিয়েছেন।   কালাস বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যে অবকাঠামোতে হামলা আরও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারত এবং যুদ্ধকে আরও উসকে দিত।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই পদক্ষেপ পরিস্থিতি শিথিল করার দিকে সহায়ক হবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবদান রাখবে।   সূত্র: আল-জাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি আল সাদের ও আল রুওয়াইস
ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে ৮০ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তায় ২২ দেশের উদ্যোগ

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত জোটে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন যোগ দিয়েছে। এতে মোট ২২টি দেশ এই উদ্যোগে সমর্থন জানিয়েছে। খবরটি জানিয়েছে ইউরঅ্যাক্টিভ।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ তেল এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই সংকীর্ণ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তিন সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান প্রণালিটি কার্যত বন্ধ করে দিলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়।   প্রথমে বৃহস্পতিবার ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও জাপান যৌথ বিবৃতি দেয়, যেখানে ইরানের হরমুজ প্রণালি ‘কার্যত বন্ধ’ করে দেওয়ার নিন্দা করা হয়। পরবর্তীতে কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, লাটভিয়া, স্লোভেনিয়া, এস্তোনিয়া, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, রোমানিয়া, লিথুয়ানিয়া ও অস্ট্রেলিয়া এ বিবৃতিতে সমর্থন জানায়।   যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, উপসাগরে নিরস্ত্র বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। দেশগুলো মনে করিয়ে দিয়েছে, ইরানের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়বে। তারা নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে যথাযথ উদ্যোগে অংশ নেবে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান বিষয়ে সরাসরি কিছু বলা হয়নি। সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বানও জানানো হয়েছে।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, তারা সেনা পাঠাতে অনাগ্রহ দেখিয়ে ‘ভীরুতা’ প্রদর্শন করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি এবং সামরিক অভিযান ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী অন্যান্য দেশগুলোকেই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে-যুক্তরাষ্ট্র নয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
রেজা পাহলভি
"লাখ লাখ ইরানি সমর্থন জানাচ্ছে, রেজা পাহলভি প্রস্তুত অস্থায়ী নেতৃত্ব নেওয়ার জন্য"

ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায়, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবরে বহুউৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।   ইরানের হয়তো শেষ সম্রাট শাহ মোহাম্মদ রেজা পালাহভির বড় সন্তান রেজা পাহলভি এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে এটিকে “উপশম” হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি মনে করেন, এই অভিযান ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর পতনের সূচনা করবে।   ১৯৮৯ সালে ইরানের বিপ্লবের সময় তাঁর পিতার রাজতন্ত্র উৎখাত হওয়ার পর রেজা পাহলভি যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধবিমান চালনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন এবং সেই থেকে তিনি দেশটির বাইরে থাকার জীবন গড়ে তুলেছেন। খামেনির মৃত্যুতে তিনি ইরানে ফেরার ও ক্ষমতা গ্রহণের সুযোগ দেখছেন।   বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় অনেক ইরানি রেজা পাহলভির ছবি হাতে নিয়ে মিছিল করছেন, তাঁকে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন এবং ইরানের নেতৃত্ব নেওয়ার অনুরোধ করছেন। এক সাক্ষাৎকারে রেজা পাহলভি বলেছেন, “লাখ লাখ ইরানি আমার নাম জপ করছে। প্রতিটি বছরই ইরান আমার হৃদয়ের সঙ্গে ছিল।”   তার দৃষ্টিতে, ইরানের সাধারণ মানুষ তাঁকে একটি অস্থায়ী নেতা হিসেবে দেখে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২, ২০২৬ 0
চীনের প্রভাব কমাতে বাংলাদেশের নতুন সরকারকে সামরিক সরঞ্জাম দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও কৌশলগত প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রভাব মোকাবিলায় এবং চীনা সমরাস্ত্রের ওপর বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের নির্ভরতা কমিয়ে আনতে ঢাকাকে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছে ওয়াশিংটন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।   রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের আধিপত্য বিস্তারের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আমরা চাই বাংলাদেশ যেন প্রতিরক্ষা খাতে একক কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল না থাকে। চীনের সাথে নির্দিষ্ট কিছু সামরিক চুক্তির ঝুঁকিগুলো স্পষ্ট করতে আমরা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”   ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব কিছুটা কমে আসায় সেই শূন্যস্থান পূরণে সক্রিয় হয়ে ওঠে চীন। সম্প্রতি চীনের সহায়তায় ভারত সীমান্তের কাছে ড্রোন ফ্যাক্টরি স্থাপন এবং পাকিস্তানের সাথে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রাথমিক আলোচনা বিশ্বরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। মূলত এই প্রেক্ষাপটেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নত সামরিক প্রযুক্তির বিকল্প প্রস্তাব দিচ্ছে।   এদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে তাদের অবস্থানে অনড়। বেইজিং জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক একটি সুদৃঢ় ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যেখানে কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।   সামরিক সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারেও আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন যে, মার্কিন ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের বড় সুযোগ খুঁজছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার দেশে একটি ‘বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত’ বা বিজনেস ফ্রেন্ডলি পরিবেশ নিশ্চিত করবে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে বর্তমানে শেভরনের মতো জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সক্রিয় থাকলেও স্টারবাকস বা ম্যাকডোনাল্ডসের মতো মার্কিন বহুজাতিক ব্র্যান্ডগুলোর কোনো আউটলেট এখনো নেই, যা ভবিষ্যতে চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0