আমেরিকা

নিউয়ার্ক বিমানবন্দরে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুই বিমান, শান্ত কণ্ঠে দুর্ঘটনা ঠেকালেন নারী

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: মার্চ ২১, ২০২৬ ০:১৭
নিউয়ার্ক বিমানবন্দরে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুই বিমান, শান্ত কণ্ঠে দুর্ঘটনা ঠেকালেন নারী
নিউয়ার্ক বিমানবন্দরে অল্পের জন্য রক্ষা পেল দুই বিমান, শান্ত কণ্ঠে দুর্ঘটনা ঠেকালেন নারী

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়ার্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে বিমানবন্দরে অল্পের জন্য বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। একই সময়ে অবতরণ করতে যাওয়া দুটি বিমান মুখোমুখি সংঘর্ষের ঝুঁকিতে পড়লেও এক নারী বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রকের শান্ত ও দ্রুত নির্দেশনার কারণে শেষ মুহূর্তে বিপদ কেটে যায়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্যস্ত সময়ে একটি যাত্রীবাহী বিমান এবং একটি পণ্যবাহী বিমান ছেদকারী দুইটি রানওয়েতে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। যাত্রীবাহী বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের পোর্টল্যান্ড শহর থেকে নিউয়ার্কে আসছিল, আর পণ্যবাহী বিমানটি একই সময়ে অন্য রানওয়ে দিয়ে নামার অনুমতি পেয়েছিল।

নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বে থাকা নারী বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক রাডারে লক্ষ্য করেন যে দুটি বিমান খুব কাছাকাছি অবস্থানে চলে এসেছে এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একই স্থানে পৌঁছে যেতে পারে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি অত্যন্ত শান্ত কণ্ঠে যাত্রীবাহী বিমানটিকে অবিলম্বে অবতরণ বাতিল করে পুনরায় আকাশে উঠে ঘুরে আসার নির্দেশ দেন।

পাইলট সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ মেনে বিমানটিকে আবার উপরে তুলে নেন। এর ফলে রানওয়েতে নামতে থাকা অন্য পণ্যবাহী বিমানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়। পুরো ঘটনাটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ঘটে গেলেও তা বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পরিণত হতে পারত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ঘটনার শব্দধারণ পরে প্রকাশ হলে শোনা যায়, বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যেও নিয়ন্ত্রক অত্যন্ত শান্তভাবে নির্দেশ দিচ্ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই ওই নারী কর্মকর্তার প্রশংসা করে লিখেছেন, তার ধীরস্থিরতা ও পেশাদারিত্ব শতাধিক যাত্রীর জীবন রক্ষা করেছে।

বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অবতরণের সময়সূচি ও রানওয়ে সমন্বয়ে সাময়িক বিভ্রান্তির কারণে এই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ ঝড় ও রেকর্ড ভাঙা বন্যায় প্লাবিত বিস্তীর্ণ লোকালয় এবং জলমগ্ন ঘরবাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
ইন্ডিয়ানায় রেকর্ড ভাঙা বন্যা, চার বছরের শিশুসহ মৃত্যু বেড়ে ৭

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে টানা কয়েক দিনের ভয়াবহ ঝড় ও রেকর্ড ভাঙা বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত সাতজনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে চার বছরের এক শিশুও রয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর পানি শত বছরের বেশি সময়ের রেকর্ড ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় শত শত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বহু মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকায় নৌকায় উদ্ধার অভিযান চালাতে হয়েছে।   ইন্ডিয়ানা ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, ১১ আগস্ট থেকে অঙ্গরাজ্যটিতে ভয়াবহ আবহাওয়া শুরু হয়। কয়েক দফা শক্তিশালী ঝড়, ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যা মধ্য ও দক্ষিণ ইন্ডিয়ানার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।   শুরুতে ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও রোববার নাগাদ মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে পৌঁছায়। নিহতদের মধ্যে চার বছরের এক শিশু, তিনজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন।   চার বছরের শিশুটির মৃত্যু হয় ইন্ডিয়ানার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেনিংস কাউন্টিতে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার প্রবল ঝড়ের সময় একটি গাছ ভেঙে শিশুটির শোবার ঘরের ওপর পড়ে। এতে তার মৃত্যু হয়।   নিহতদের মধ্যে ম্যাথিউ মোরে নামের ১৯ বছর বয়সী এক তরুণও রয়েছেন। ডেলাওয়ার কাউন্টির কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বন্ধুদের সঙ্গে মিসিসিনেওয়া নদীর একটি সেতু থেকে প্রবল স্রোতের পানিতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তিনি। তিন দিন পর শনিবার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সম্প্রতি হাই স্কুল শেষ করা ম্যাথিউ পারডু ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।   আরেক ঘটনায় ৫৮ বছর বয়সী স্টেফানি স্যালির মরদেহ এবং তার কুকুরকে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। কাছেই পাওয়া যায় তার গাড়ি। তদন্তকারীদের ধারণা, বন্যায় তলিয়ে যাওয়া রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালানোর সময় প্রবল স্রোতে তার গাড়িটি ভেসে যায়।   সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মধ্য ইন্ডিয়ানায়। কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিতে হোয়াইট রিভারের পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। অ্যান্ডারসন ও নোবলসভিলে নদীর পানি ২৪ ফুটের বেশি উচ্চতায় পৌঁছায়, যা ১৯১৩ সালে তৈরি হওয়া আগের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।   ইন্ডিয়ানাপোলিসের মেয়র জো হগসেট জানিয়েছেন, গত ৩০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে শহরটিতে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা।   হোয়াইট রিভার ও এর আশপাশের খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় শত শত বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বাড়তে থাকা পানিতে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারে ফার্স্ট রেসপন্ডাররা নৌকা ব্যবহার করেছেন। ইন্ডিয়ানাপোলিসের বিভিন্ন এলাকায় জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রও খোলা রাখা হয়েছে।   গভর্নর মাইক ব্রাউনের অফিস জানিয়েছে, অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সাড়ে তিন শতাধিক মানুষকে সরিয়ে নেওয়া এবং বহু উদ্ধার ও ওয়েলফেয়ার চেক পরিচালনা করা হয়েছে। ইন্ডিয়ানাপোলিসের উত্তরে বয়স্কদের একটি মোবাইল হোম কমিউনিটিতেও জরুরি উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।   কিছু এলাকায় মাত্র দুই দিনে ১১ ইঞ্চির বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে আগে সাধারণত বন্যার ঝুঁকিতে না থাকা এলাকাও এবার পানিতে তলিয়ে গেছে।   ঝড়ের প্রভাবে এক পর্যায়ে ইন্ডিয়ানাজুড়ে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনো নির্ধারণ করা হচ্ছে।   পরিস্থিতির ভয়াবহতায় ইন্ডিয়ানার গভর্নর মাইক ব্রাউন রাজ্যজুড়ে দুর্যোগকালীন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এরপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইন্ডিয়ানার জন্য ফেডারেল জরুরি সহায়তার অনুরোধ অনুমোদন করেন। এর ফলে অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্ধার এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ফেডারেল সহায়তা যুক্ত হয়েছে।   শুধু ইন্ডিয়ানা নয়, সাম্প্রতিক এই শক্তিশালী আবহাওয়া ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের মিডওয়েস্টের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রভাব ফেলেছে। ইলিনয় থেকে পশ্চিম পেনসিলভানিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টর্নেডো, ভারী বৃষ্টি ও ফ্ল্যাশ ফ্লাডের কারণে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।   ইন্ডিয়ানায় পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও কর্তৃপক্ষ সতর্কতা তুলে নেয়নি। বন্যার পানিতে ডুবে থাকা রাস্তা, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো এবং ফুলে ওঠা নদীগুলো এখনো বিপজ্জনক। বিশেষ করে পানিতে তলিয়ে থাকা সড়ক দিয়ে গাড়ি না চালাতে এবং প্রবল স্রোতের নদী থেকে দূরে থাকতে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৯:৫০
কর্মস্থল থেকে অর্থ আত্মসাতের পর কোমার নাটক সাজিয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ফ্লোরিডার বাসিন্দা বাহা আবুঘালিয়া। ছবি: সংগৃহীত

কোম্পানির ১ লাখ ৯১ হাজার ডলার আত্মসাৎ, ধরা পড়ার ভয়ে কোমায়’ যাওয়ার নাটক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিক। ছবি:সংগৃহীত

হরমুজে বাধা দিলে ওমানে ভয়াবহ বোমা হামলার হুমকি ট্রাম্পের

শিশুটি ছবি:সংগৃহীত

বাক্সের ভেতরে ছিল চার বছরের শিশুর মরদেহ, নাম জানতেই পুলিশের লাগল ৬৫ বছর

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। ছবি:সংগৃহীত
প্রাথমিকের ইংরেজি পরীক্ষায় আসছে স্পিকিং টেস্ট, প্রত্যেক শিক্ষার্থী পাবে ইউনিক আইডি

প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলামে ইংরেজি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কথা বলার দক্ষতা যাচাইয়ে স্পিকিং টেস্ট চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে প্রাথমিকের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি ইউনিক আইডির আওতায় আনা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় সমন্বিত আইটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   রোববার ১৬ আগস্ট ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব পরিকল্পনার কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।‘প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী কারিকুলামে ইংরেজি শেখানোর ক্ষেত্রে শুধু লিখিত পরীক্ষার ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা বাস্তবে কতটা ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে পারছে, সেটিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ জন্য ইংরেজি বলার সক্ষমতা যাচাইয়ে স্পিকিং টেস্ট চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   বর্তমানে দেশের প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি শিক্ষা মূলত পড়া, লেখা, শোনা ও বলার দক্ষতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হলেও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষাই বেশি গুরুত্ব পায়। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে কথা বলা এবং যোগাযোগের সক্ষমতাও আনুষ্ঠানিক মূল্যায়নের অংশ হবে।   শুধু কারিকুলাম নয়, শিক্ষার্থীদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনাতেও বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সমন্বিত আইটি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আওতায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে আলাদা ইউনিক আইডি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।   এই ইউনিক আইডির মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য আরও সংগঠিতভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হবে। তবে ইউনিক আইডিতে ঠিক কোন কোন তথ্য যুক্ত থাকবে এবং এটি কবে থেকে সব শিক্ষার্থীর জন্য কার্যকর হবে, সে বিষয়ে কর্মশালায় বিস্তারিত সময়সূচি জানানো হয়নি।   বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশেও পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, আলাদা জায়গায় ওয়াশ ব্লক তৈরির পরিবর্তে স্কুল ভবনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ওয়াশ ব্লক রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও নিরাপদ ও ব্যবহারবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।   আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ও গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। এজন্য কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, নতুন শিক্ষক নীতিমালা, মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, ক্রীড়া এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি।   সরকারের লক্ষ্য কোনো শিশুকে শ্রেণিকক্ষের বাইরে না রাখা বলেও উল্লেখ করেন ববি হাজ্জাজ। প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী রাখা এবং পরিবারের আর্থিক চাপ কমাতে পুষ্টিকর মিড-ডে মিলের পাশাপাশি বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগসহ বিভিন্ন সহায়তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।   বিদ্যালয়ের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক এবং স্থানীয় মানুষও প্রতিষ্ঠানটিকে নিজেদের বলে মনে করেন।   এ প্রসঙ্গে তিনি মসজিদের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটলেও মসজিদে সাধারণত এমন ঘটনা দেখা যায় না। কারণ স্থানীয় মানুষ মসজিদকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখেন। একইভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিও স্থানীয় মানুষের মালিকানাবোধ তৈরি করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।   প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের পরিকল্পনা, পাইলটিং ও বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও দাবি করেন ববি হাজ্জাজ। আগামী ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।   তবে নতুন কারিকুলামের স্পিকিং টেস্ট কীভাবে নেওয়া হবে, কোন শ্রেণি থেকে এটি শুরু হবে, কত নম্বর থাকবে কিংবা চূড়ান্ত মূল্যায়নে এর গুরুত্ব কতটা হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কাঠামো প্রকাশ করা হয়নি। পরিকল্পনাগুলো মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সক্ষমতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৮:৫১
তিনজন কর্মকর্তা। ছবি:সংগৃহীত

আইটি ও সাইবার নিরাপত্তায় চাকরির বড় বাজার ভার্জিনিয়ায়, বাংলাদেশিদের কাছেও হয়ে উঠছে আকর্ষণীয়

ঘটনাস্থলে পুলিশ ছবি সংগৃহীত

হিউস্টনের গাড়ি ধোয়ার কেন্দ্রে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ

ড্রাইভিং লাইসেন্স। ছবি:সংগৃহীত

নিউ ইয়র্কে থাকেন, ড্রাইভার লাইসেন্স আছে? রিনিউয়ের আগে যা জানা জরুরি

মসজিদ অবস্থানর অবস্থায় নারীর। ছবি:সংগৃহীত
মসজিদ সফরে মেয়েদের হিজাব পরতে উৎসাহ, শিক্ষার্থীদের কোরআন দেওয়ার অভিযোগে স্কুলের বিরুদ্ধে মামলা

ক্যালিফোর্নিয়ার পালো অল্টো হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের একটি মসজিদে শিক্ষা সফর ঘিরে ফেডারেল কোর্টে মামলা করেছেন একদল অভিভাবক। তাদের অভিযোগ, স্কুলের ‘সোশ্যাল জাস্টিস পাথওয়ে’ কর্মসূচির অধীনে আয়োজিত ওই সফরে শিক্ষার্থীদের ইসলামি পোশাক পরতে উৎসাহিত করা হয়, বাড়িতে নেওয়ার জন্য কোরআন দেওয়া হয় এবং তারা মুসলিমদের নামাজ পর্যবেক্ষণ করে। অভিভাবকদের দাবি, সরকারি স্কুলের শিক্ষামূলক কার্যক্রমের সীমা অতিক্রম করে এটি ধর্মীয় কার্যক্রমে পরিণত হয়েছিল।   গত ৭ আগস্ট ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল কোর্টে মামলাটি করা হয়। এতে পালো অল্টো ইউনিফায়েড স্কুল ডিস্ট্রিক্ট এবং পালো অল্টো হাই স্কুলের প্রিন্সিপাল ব্রেন্ট ক্লাইনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।   মামলার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০২৫ সালের শরৎকালে সান্তা ক্লারার মুসলিম কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশনের মসজিদে শিক্ষার্থীদের একটি সফর। এটি পালো অল্টো হাই স্কুলের ‘সোশ্যাল জাস্টিস পাথওয়ে’ কর্মসূচির অংশ ছিল।   স্কুলটির নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, সোশ্যাল জাস্টিস পাথওয়ে তিন বছরের একটি শিক্ষা কর্মসূচি। এতে প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষা, কমিউনিটির সঙ্গে কাজ এবং স্থানীয় ও বৈশ্বিক বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া হয়। শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখানো এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।   তবে মসজিদ সফরের ক্ষেত্রে সেই শিক্ষামূলক সীমা লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা।   সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলার বাদীরা ‘কমিউনিটি মেম্বারস ফর রিলিজিয়াস নিউট্রালিটি ইন পাবলিক স্কুলস’ নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে ইহুদি, হিন্দু ও জরথুস্ত্রী পরিবারের অভিভাবক এবং সাবেক শিক্ষার্থী রয়েছেন।   মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সফরের সময় শিক্ষার্থীদের কোরআনের কপি দেওয়া হয়েছিল এবং মেয়েদের হিজাব পরতে উৎসাহিত করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা মসজিদে দুপুরের নামাজও প্রত্যক্ষ করে। এসব কর্মকাণ্ডকে বাদীপক্ষ সরকারি স্কুলের ধর্মীয় নিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করছে।   তবে অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। স্কুল ডিস্ট্রিক্ট বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আদালত এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।   মসজিদ সফরের সঙ্গে যুক্ত নাগরিক অধিকারকর্মী জাহরা বিলু অভিযোগের বিরোধিতা করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সফরের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায় সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ দেওয়া। ধর্মীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল না এবং সফরটি শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল বলে তিনি জানিয়েছেন।   এই পার্থক্যটিই মামলার গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন হয়ে উঠতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পাবলিক স্কুলে ধর্ম সম্পর্কে ইতিহাস, সংস্কৃতি বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে পড়ানো নিষিদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও পরিদর্শন করতে পারে। তবে সরকারি স্কুল কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে সমর্থন, প্রচার বা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুশীলনে অংশ নিতে বাধ্য করতে পারে না।   অভিভাবকদের অভিযোগ, মসজিদ সফরের কিছু কার্যক্রম পর্যবেক্ষণমূলক শিক্ষার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে সফরের আয়োজকদের অবস্থান হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের সামনে একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও চর্চা তুলে ধরাই ছিল উদ্দেশ্য এবং অংশগ্রহণ ছিল স্বেচ্ছামূলক।   মামলায় শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ, যথাযথ অনুমতি ছাড়াই কিছু শিক্ষার্থীর ছবি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছিল। তারা ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি স্কুল ডিস্ট্রিক্টের কাছ থেকে দায়িত্বে অবহেলা এবং শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা ও যথাযথ প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘনের স্বীকৃতি চাইছেন।   পালো অল্টো ইউনিফায়েড স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট জেসন গ্লাস সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ডিস্ট্রিক্ট আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার কাগজপত্র হাতে পায়নি। তবে তিনি সরকারি শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়ে ডিস্ট্রিক্টের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।   এখন ফেডারেল কোর্টে মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে, মসজিদ সফরটি সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মধ্যে ছিল, নাকি সরকারি স্কুলের ধর্মীয় নিরপেক্ষতার সীমা লঙ্ঘন করেছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।

সামিয়া ইসলাম প্রকাশ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ৫:২৯
সাত বছর বকশিশ না দিয়ে  বৃদ্ধের দুর্ব্যবহার

সাত বছর বকশিশ না দিয়ে বৃদ্ধের দুর্ব্যবহার, মৃত্যুর পর ওয়েট্রেসকে দিয়ে গেলেন ৫০ হাজার ডলার ও গাড়ি

রাতে ঘুরে এসে ব্যাংক অ্যাপ খুলতেই হতবাক নারী

রাতে ঘুরে এসে ব্যাংক অ্যাপ খুলতেই হতবাক নারী, অ্যাকাউন্টে ৫ ঋণ ৫ হাজার কোটি ডলার!

দুই কোটির বেশি ফান্ডিং পেলেন বাংলাদেশের ইভা

যুক্তরাষ্ট্রে নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডি, দুই কোটির বেশি ফান্ডিং পেলেন বাংলাদেশের ইভা

0 Comments