আমেরিকা

প্রবাসে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল, আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলে মেধা তালিকায় ৪ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ৫:১৬
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীরা। চার শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকার সেরা দশে স্থান করে নিয়েছেন চারজন বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থী। তাদের এ কৃতিত্বে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আনন্দ ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

 

ঐতিহাসিক জিম হুইলান বোর্ডওয়াক হলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলের গ্র্যাজুয়েশন (সমাবর্তন) অনুষ্ঠান। চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের সফল সমাপ্তি উদযাপনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের উপস্থিতিতে মিলনায়তন মুখর হয়ে ওঠে।

 

গাউন পরিহিত শিক্ষার্থীরা দুপুর থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন। অনুষ্ঠান শুরর পর মেধাবী শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হলে করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মিলনায়তন।

 

এবারের মেধা তালিকার শীর্ষ দশে স্থান পাওয়া চার বাংলাদেশি-আমেরিকান শিক্ষার্থী হলেন— আলফি নাশিয়া (দ্বিতীয়), সুমাইয়া তাবাসুম (চতুর্থ), শ্রেয়ন চৌধুরী (সপ্তম) এবং রাহাত রহমান (নবম)।

 

প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক সাফল্যের অংশ হিসেবে এই অর্জনকে বিশেষভাবে দেখছেন কমিউনিটির নেতারা। তারা মনে করেন, নতুন প্রজন্মের এ ধরনের কৃতিত্ব বাংলাদেশি-আমেরিকানদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।

 

আটলান্টিক সিটি হাইস্কুলের অধ্যক্ষ ড. কনস্ট্যান্স ডেইস চ্যাপম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক সিটির মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র, স্কুল ডিস্ট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট ড. লা কোয়েটা স্মল এবং সিটি কাউন্সিলের সদস্যরা।
এ ছাড়া বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে স্কুল বোর্ডের সদস্য সুব্রত চৌধুরী ও ফরহাদ সিদ্দিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন ও উৎসাহ প্রদান করেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে শিক্ষার্থীরা বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে নিজ নিজ আসনে বসেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে তারা মঞ্চে উঠে ডিপ্লোমার প্রতীকী কপি গ্রহণ করেন এবং জীবনের নতুন অধ্যায়ে পদার্পণের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেন।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীদের এই উল্লেখযোগ্য সাফল্য প্রমাণ করে যে, শিক্ষা ও মেধার প্রতিযোগিতায় তারা ধারাবাহিকভাবে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র, সুবিধা হারাচ্ছেন বহু মানুষ
পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র, সুবিধা হারাচ্ছেন বহু মানুষ

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে। প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, অভিবাসন ব্যবস্থায় প্রতারণা এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করার মতো বিভিন্ন কারণে এসব ভিসা বাতিল করা হয়েছে।   সোমবার প্রকাশিত পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভিসা বাতিলের সবচেয়ে বড় অংশের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনা জড়িত। হামলা, মাদকসংক্রান্ত অপরাধ, চুরি এবং মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর মতো অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া বেপরোয়া গাড়ি চালানো, যৌন নিপীড়ন, শিশু নির্যাতন, প্রতারণা ও আত্মসাতের মতো অভিযোগের ক্ষেত্রেও ভিসা বাতিল করা হয়েছে।    পররাষ্ট্র দপ্তর যেসব মামলার উদাহরণ দিয়েছে, তার মধ্যে ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন, অপহরণ, মানবপাচার এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন শোষণের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। তবে ভিসা বাতিলের ক্ষেত্রে অভিযোগ বা গ্রেপ্তার এবং আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক বিষয় নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বিধিমালায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তিকে ভিসার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হলে ভিসা বাতিলের সুযোগ রয়েছে।   এ তালিকায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টও জায়গা পেয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে উল্লাস প্রকাশকারী কয়েকজন বিদেশি নাগরিকের ভিসাও বাতিল করা হয়েছে। প্রশাসন এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সহিংসতার আহ্বান, জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং অন্যান্য কারণে ভিসা বাতিলের পদক্ষেপ নিয়েছে।    উত্তর আফ্রিকায় একটি মার্কিন দূতাবাস শতাধিক ভিসা বাতিল করেছে এমন ব্যক্তিদের, যাদের যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভ্রমণের সঙ্গে তথাকথিত জন্মপর্যটনের বিষয়টি যুক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী শিশুরা সাধারণত জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ পায়। তবে ভিসার উদ্দেশ্য বা ব্যবহারে প্রতারণা বা অপব্যবহারের অভিযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারে।  মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ভিসা কোনো অধিকার নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য দেওয়া একটি বিশেষ অনুমতি। তাই ভিসার শর্ত ভঙ্গ বা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে এমন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে প্রশাসন ভিসা বাতিলের ক্ষমতা ব্যবহার করবে।   ভিসা যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও ট্রাম্প প্রশাসন আগের তুলনায় আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিদেশি নাগরিকদের আবেদন ও যোগ্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনার ওপরও গুরুত্ব বাড়ানো হয়েছে। চলমান এই নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ, পড়াশোনা, কাজ কিংবা অন্যান্য বৈধ অভিবাসন সুবিধা প্রত্যাশী বিদেশি নাগরিকদের জন্য যাচাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।    তবে এই নীতি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ও অভিবাসন অধিকারকর্মীদের উদ্বেগও রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বক্তব্যকে ভিসা বাতিলের ভিত্তি হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।   যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিজস্ব নীতিতেও ভিসা বাতিলের নির্দিষ্ট আইনি ভিত্তি রয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ভিসাধারী ভিসার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে বা নির্দিষ্ট আইনগত কারণে তার ভিসা বাতিল করা যেতে পারে। ফলে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিলের এই সংখ্যা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন ও ভিসা ব্যবস্থায় কঠোর প্রয়োগের পরিসরকে স্পষ্ট করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ৩:১৪
স্কুলের খাবারে ফিরছে পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ, পুষ্টিকর খাবার

ট্রাম্প এডমিনিস্ট্রেশন এর বড় বিনিয়োগ! স্কুলের খাবারে ফিরছে পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ, পুষ্টিকর খাবার

নিউইয়র্কের সবচেয়ে সাশ্রয়ী শহরে ৮৭ হাজার ডলারেই মিলছে বাড়ি! তবুও নেই বাসিন্দা

নিউইয়র্কের সবচেয়ে সাশ্রয়ী শহরে ৮৭ হাজার ডলারেই মিলছে বাড়ি! তবুও নেই বাসিন্দা

নোংরা ডায়াপারে দম বন্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

নোংরা ডায়াপারে দম বন্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু, আবর্জনায় ভরা গ্যারেজে রাখার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেপ্তার

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের অভিজাত ‘বিলিয়নিয়ার্স রো’
"এটা খুবই বিপজ্জনক", বিলিয়নিয়ার্সদের সেই টাওয়ারে ঝরছে ‘কংক্রিটের টুকরো'! দ্রুত কমছে দাম

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের অভিজাত ‘বিলিয়নিয়ার্স রো’-তে অবস্থিত ৪৩২ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের বিলাসবহুল আবাসিক ভবনটি একদিকে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে, অন্যদিকে দ্রুত হারাচ্ছে বাজারমূল্য। ভবনটির বাইরের অংশ থেকে কংক্রিটের টুকরো খসে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে কয়েকটি কনডোর দাম লাখ লাখ ডলার কমিয়েও ক্রেতা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ম্যানহাটনের ৫৭তম স্ট্রিট ঘিরে গড়ে ওঠা ‘বিলিয়নিয়ার্স রো’ দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের ধনকুবেরদের বিলাসবহুল আবাসনের প্রতীক। কিন্তু ৪৩২ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের পরিস্থিতি এখন সেই জৌলুসের বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে। ভবনটির নির্মাণগত সমস্যা, মেরামতের ব্যয় এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে ক্রেতাদের আগ্রহ কমছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   প্রায় ১ হাজার ৪০০ ফুট উচ্চতার ৪৩২ পার্ক অ্যাভিনিউ একসময় পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে উঁচু আবাসিক ভবন হিসেবে পরিচিত ছিল। সেন্ট্রাল পার্কের কাছাকাছি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের কারণে ভবনটির কনডোগুলোর দামও ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই দাম ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভবনটির প্রায় ৪ হাজার ১৯ বর্গফুটের একটি কনডোর দাম ২০২৬ সালের জুলাইয়ে কমিয়ে ২ কোটি ২৯৯ দশমিক ৫ লাখ ডলার করা হয়। এর আগে ইউনিটটির দাম চাওয়া হয়েছিল ২ কোটি ৬৫০ লাখ ডলার এবং তারও আগে ২ কোটি ৭৯৯ দশমিক ৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ কয়েক দফায় এর চাওয়া দাম প্রায় ৫০ লাখ ডলার কমানো হয়েছে। আরেকটি পুরো তলা জুড়ে থাকা কনডোর দামও বড় অঙ্কে কমেছে। প্রায় ৮ হাজার ২৫৫ বর্গফুটের ওই ইউনিটটির চাওয়া দাম ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার থেকে কয়েক ধাপে কমিয়ে ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারে আনা হয়েছে। এক বছরেরও কম সময়ে ইউনিটটির দাম কমেছে প্রায় ৮০ লাখ ডলার।     তবে শুধু নিউইয়র্কের বিলাসবহুল আবাসন বাজারের ওঠানামাই এর কারণ নয়। ৪৩২ পার্ক অ্যাভিনিউকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ভবনের নির্মাণগত ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ভবনের বাইরের অংশ থেকে কংক্রিটের টুকরো খসে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এ কারণে ভবনের সামনের অংশের ব্যাপক মেরামতের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভবনটির বাইরের অংশের মেরামত নিয়ে কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এত বড় একটি আবাসিক ভবনের মেরামতের সঙ্গে যুক্ত ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সম্ভাব্য ক্রেতাদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে। ৪৩২ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের সমস্যার প্রভাব কনডোর বাজারমূল্যেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একটি বড় ইউনিটের সম্ভাব্য বিক্রয়কে ভবনটির ভবিষ্যৎ বাজারমূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সময়ে ভবনের অন্য একটি ইউনিটের চাওয়া দাম থেকেও ৩৫ লাখ ডলার কমানো হয়েছে। ভবনটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এতটাই বেড়েছে যে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কেউ কেউ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন। কংক্রিট খসে পড়ার আশঙ্কা এবং ভবনের বাইরের অংশের মেরামতের প্রয়োজনীয়তা এখন ক্রেতাদের কাছে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সঙ্গে নিউইয়র্কের বিলাসবহুল আবাসন বাজারে করের চাপও বাড়ছে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৫০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের নির্দিষ্ট বিলাসবহুল সেকেন্ড হোমের ওপর নতুন কর কার্যকর হয়েছে। ‘বিলিয়নিয়ার্স রো’-এর মতো এলাকায় যেসব কনডো বিনিয়োগ বা সেকেন্ড হোম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, নতুন এই করের কারণে সেসব সম্পত্তির মালিকদের ব্যয় আরও বাড়তে পারে। তবে পুরো ‘বিলিয়নিয়ার্স রো’ বাজার যে ধসে পড়েছে, তা বলা যাচ্ছে না। ২০২৬ সালেও এই এলাকায় কয়েক কোটি ডলারের কনডো বিক্রির চুক্তি হয়েছে। ১১১ ওয়েস্ট ৫৭তম স্ট্রিটের একটি পেন্টহাউস প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখ ডলারে বিক্রির চুক্তিতে গেছে। একসময় ওই ইউনিটটির দাম চাওয়া হয়েছিল ৫ কোটি ৪৬ লাখ ডলার।     তাই বর্তমান পরিস্থিতি পুরো বিলাসবহুল আবাসন বাজারের পতনের চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু ভবনের সমস্যা, অতিরিক্ত মূল্যায়ন এবং ক্রেতাদের দরকষাকষির ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ার প্রতিফলন বলেই মনে হচ্ছে। তবে ৪৩২ পার্ক অ্যাভিনিউয়ের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও মেরামতের বিষয়টি যতদিন না পুরোপুরি সমাধান হচ্ছে, ততদিন ভবনটির কনডোর দাম ও বাজারে এর আকর্ষণ নিয়ে চাপ থাকার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: আগস্ট ১০, ২০২৬ ২৩:২৯
ফ্লোরিডায় ‘ভিব্রিও’ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে চলতি বছরে দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডায় ‘মাংসখেকো’ ব্যাকটেরিয়ায় আরও একজনের মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ১৪

৩ সপ্তাহের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় মাদক সেবনের অভিযোগে অভিযুক্ত উইসকনসিনের তরুণী মা। ছবি: সংগৃহীত

মাদক সেবনের পর নবজাতককে বুকের দুধ, ৩ সপ্তাহের শিশুর মৃত্যু; যুক্তরাষ্ট্রে মায়ের বিরুদ্ধে মামলা

জেল থেকে ছাড়ানোর পরই বাবা-মাকে গুলি করে হত্যা করল ছেলে

১০ হাজার ডলার জামিনে ছেলেকে জেল থেকে ছাড়ানোর পরই বাবা-মাকে গুলি করে হত্যা করল ছেলে

শিশুদের টিকাদান নীতিতে বড় পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়ে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের টিকা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছেন ট্রাম্প, উদ্বেগে শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের টিকাদান নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। সোমবার (১০ আগস্ট) স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশে শিশুদের জন্য নতুন "গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড চাইল্ডহুড ভ্যাকসিন রেকমেন্ডেশনস" চালুর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। এর আওতায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হাম, মাম্পস ও রুবেলার (এমএমআর) যৌথ টিকাকে ভবিষ্যতে তিনটি পৃথক টিকায় বিভক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   নিউজউইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের শিশুদের টিকাদান সূচি, টিকার ধরন এবং প্রয়োগ পদ্ধতি নতুন করে মূল্যায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগকে (এইচএইচএস) আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বর্তমান টিকাদান কর্মসূচি পর্যালোচনা করে নতুন সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে।   নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সমমানের অনেক দেশের তুলনায় শিশুদের জন্য বেশি সংখ্যক টিকা সুপারিশ করা হয়। তাই টিকা দেওয়ার সময়, ক্রম এবং কোন টিকা কীভাবে দেওয়া হবে, তা নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে।   এমএমআর টিকা বর্তমানে একসঙ্গে হাম, মাম্পস ও রুবেলা এই তিনটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশীয়ভাবে উৎপাদন সম্ভব হলে এই তিনটি রোগের জন্য আলাদা আলাদা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে যতটা সম্ভব প্রতিটি টিকা আলাদা চিকিৎসা-সাক্ষাতে দেওয়ার নির্দেশনাও রাখা হয়েছে। ফলে অভিভাবকদের শিশুদের নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আগের তুলনায় আরও বেশি বার যেতে হতে পারে।   হোয়াইট হাউসে নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের আগে ট্রাম্প বলেন, নতুন সুপারিশ বিভিন্ন বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করবে, যার মধ্যে অটিজমও রয়েছে। তবে আদেশের লিখিত অংশে অটিজমের কোনো উল্লেখ নেই।   নতুন নীতিতে শিশুদের টিকাকে তিনটি ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথমটি সব শিশুর জন্য নিয়মিত সুপারিশকৃত টিকা, দ্বিতীয়টি কেবল উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের জন্য এবং তৃতীয়টি চিকিৎসক ও পরিবারের যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে দেওয়া হবে।   এতে আরএসভি প্রতিরোধী মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি, হেপাটাইটিস এ ও বি, মেনিনগোকক্কাল বি, মেনিনগোকক্কাল এসিডব্লিউওয়াই এবং ডেঙ্গু টিকাকে উচ্চ ঝুঁকির শ্রেণিতে স্থানান্তরের প্রস্তাব করা হয়েছে।   এ ছাড়া নিরাপদ শিশু টিকাবিষয়ক এইচএইচএস টাস্কফোর্সকে ৯০ দিনের মধ্যে একক রোগভিত্তিক টিকার সুযোগ বাড়ানো, টিকার উপাদান, নিরাপত্তা তথ্য এবং নজরদারি ব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা জমা দিতে বলা হয়েছে।   ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এসব পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক মানের বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে টিকাদান নীতি হালনাগাদ করা এবং অভিভাবকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ আরও বাড়ানো। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।   কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু ও কিশোরস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডা. মেলিসা স্টকওয়েল নিউজউইককে বলেন, এমএমআর টিকাকে তিনটি আলাদা ইনজেকশনে ভাগ করার পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক বা চিকিৎসাবিষয়ক প্রমাণ নেই।   তার ভাষায়, এতে পরিবারগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে এবং শিশুদের আরও বেশি ইনজেকশন নিতে হবে, অথচ চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে এর কোনো অতিরিক্ত উপকার নেই। বরং আলাদা আলাদা টিকা দেওয়ার ফলে নির্ধারিত সময়ে সব ডোজ সম্পন্ন না হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে এবং শিশুরা দীর্ঘ সময় রোগের ঝুঁকিতে থাকবে।   তিনি বলেন, হাম, মাম্পস ও রুবেলা কোনো সাধারণ শৈশবকালীন রোগ নয়। হাম থেকে নিউমোনিয়া ও মস্তিষ্কে প্রদাহ হতে পারে, মাম্পস শ্রবণশক্তি হারানোর কারণ হতে পারে এবং রুবেলা গর্ভবতী নারীর জন্য গর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব বা জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বাড়ায়।   স্টকওয়েল আরও বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এমএমআর-এর পৃথক টিকা বাজারে নেই। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত যৌথ এমএমআর টিকা নিরাপদ, কার্যকর এবং হাম ও রুবেলার বিরুদ্ধে প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং মাম্পসের বিরুদ্ধে প্রায় ৮৬ শতাংশ সুরক্ষা দেয়।   তিনি সতর্ক করে বলেন, টিকা বিলম্বিত করা বা অতিরিক্ত বিরতি দিয়ে দেওয়া শিশুর নিরাপত্তা বাড়ায় না; বরং সংক্রমণের ঝুঁকি দীর্ঘায়িত করে। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন রিপাবলিকান সিনেটর ও চিকিৎসক বিল ক্যাসিডিও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, প্রেসিডেন্টের এমন পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ জ্ঞান নেই। তার মতে, শিশুদের টিকা নিরাপদ, কার্যকর এবং অটিজমের সঙ্গে এর কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই।   ক্যাসিডি বলেন, একই সুরক্ষা পেতে যদি শিশুদের একাধিকবার চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়, তাহলে অনেক পরিবার টিকা নেওয়া পিছিয়ে দিতে পারে। এতে প্রতিরোধযোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।   এদিকে কয়েকটি অঙ্গরাজ্য ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা স্কুলে ভর্তির টিকা সংক্রান্ত নিয়মে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সুপারিশ অনুসরণ নাও করতে পারে। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সুপারিশে আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১০, ২০২৬ ২২:২০
ডোনাল্ড ও মেলানিয়া ট্রাম্পের একমাত্র সন্তান ব্যারন ট্রাম্প বর্তমানে পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসায়িক জগতেও বেশ নজর কেড়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

২০ বছরেই ১৫ কোটি ডলারের মালিক ট্রাম্পপুত্র ব্যারন, সম্পদে ছাড়িয়ে গেলেন মা মেলানিয়াকে

আইওয়ায় ভুল বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বার্তার কারণে উদ্ধার হন তিন ঘণ্টার বেশি কাদায় আটকে থাকা এক নারী। ছবি: সংগৃহীত

নির্জন এলাকায় ৩ ঘণ্টা কাদায় পড়েছিলেন বৃদ্ধা, অলৌকিকভাবে বাঁচাল একটি 'ভুল বার্তা'

ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ভুয়া দাবি করে অনুদান সংগ্রহের অভিযোগে গ্রেপ্তার ফ্লোরিডার এক নারী। ছবি: সংগৃহীত

ক্যানসারের রোগী সেজে ২০০ জনের বেশি মানুষের কাছ থেকে ৪০ হাজার ডলার হাতিয়ে নিলেন ফ্লোরিডার এক নারী

0 Comments