সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ২৭ মিলিয়ন মানুষের পানির জন্য ২০ বিলিয়ন ডলারের টানেল নির্মাণ করছে ক্যালিফোর্নিয়া

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১২, ২০২৬ ১২:৮
ভবিষ্যতে পানি সংকট এড়াতে ২০ বিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক ‘ডেল্টা কনভেয়েন্স প্রকল্প’ হাতে নিল ক্যালিফোর্নিয়া। ছবি: সংগৃহীত
ভবিষ্যতে পানি সংকট এড়াতে ২০ বিলিয়ন ডলারের ঐতিহাসিক ‘ডেল্টা কনভেয়েন্স প্রকল্প’ হাতে নিল ক্যালিফোর্নিয়া। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ মানুষের জন্য পানি সরবরাহ আরও নির্ভরযোগ্য করতে ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল টানেল প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ‘ডেল্টা কনভেয়েন্স প্রকল্প’ নামে পরিচিত এ উদ্যোগের আওতায় স্যাক্রামেন্টো-সান জোয়াকিন ডেল্টার নিচ দিয়ে প্রায় ৪৫ মাইল দীর্ঘ টানেল নির্মাণ করা হবে, যা শেষ হতে এক দশকেরও বেশি সময় লাগতে পারে।

 

এই টানেলের মাধ্যমে উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টো নদীর পানি বিদ্যমান স্টেট ওয়াটার প্রজেক্টে পৌঁছে দেওয়া হবে। ক্যালিফোর্নিয়া সরকার বলছে, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ভূমিকম্পের ঝুঁকি এবং ডেল্টা অঞ্চলের পুরোনো অবকাঠামোর কারণে ভবিষ্যতে পানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নতুন টানেল সেই ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করবে।

 

তবে প্রকল্পটি নিয়ে বিতর্কও কম নয়। পরিবেশবাদী সংগঠন, ডেল্টা অঞ্চলের বাসিন্দা এবং কৃষি খাতের প্রতিনিধিরা আশঙ্কা করছেন, এই টানেল নির্মিত হলে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র, মৎস্যসম্পদ এবং কৃষি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ছাড়া ব্যয় এবং অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।

 

সম্প্রতি প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের একটি ধাপ অতিক্রম করেছে, যা নির্মাণকাজ শুরুর পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং চলমান আইনি চ্যালেঞ্জ এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।


ডেল্টা কনভেয়েন্স প্রকল্প ক্যালিফোর্নিয়ার কয়েক দশকের পুরোনো পানি সরবরাহ আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অংশ। এর আগে একই ধরনের একাধিক প্রকল্প রাজনৈতিক বিরোধ ও পরিবেশগত আপত্তির কারণে বাস্তবায়ন করা যায়নি। বর্তমান প্রকল্পটিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ক্যালিফোর্নিয়ার ভবিষ্যৎ পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরছে অঙ্গরাজ্য সরকার।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে ৫০ হাজারের বেশি করদাতাকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ট্যাক্স রিফান্ড দেওয়া শুরু করেছে আইআরএস। ছবি: সংগৃহীত
৫০ হাজারের বেশি করদাতাকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার ফেরত দিচ্ছে আইআরএস, জেনে নিন বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রে ৫০ হাজারের বেশি করদাতাকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ট্যাক্স রিফান্ড দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস (আইআরএস)। সন্তান দত্তক নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত বিশেষ ট্যাক্স ক্রেডিটের নিয়ম পরিবর্তনের ফলে নির্দিষ্ট কিছু পরিবার এই অর্থ ফেরত পাচ্ছে। গত ১৬ অক্টোবর আইআরএস জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকেই রিফান্ড দেওয়া শুরু হয়েছে এবং অধিকাংশ যোগ্য করদাতার অর্থ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এটি সব করদাতার জন্য নতুন কোনো সরকারি স্টিমুলাস পেমেন্ট নয়।   আইআরএসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই সুবিধা মূলত তাঁদের জন্য, যাঁরা আগে সন্তান দত্তক নেওয়ার কারণে ফেডারেল অ্যাডপশন ট্যাক্স ক্রেডিট পাওয়ার যোগ্য হয়েছিলেন, কিন্তু পুরো সুবিধা ব্যবহার করতে পারেননি। ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অব্যবহৃত থাকা ট্যাক্স ক্রেডিট ২০২৫ সালের ট্যাক্স রিটার্নে বহন করে আনা হয়েছে, এমন করদাতারা নতুন সিদ্ধান্তের আওতায় আসতে পারেন। এতদিন করের পরিমাণ কম থাকায় অনেক পরিবার এই ক্রেডিটের পুরো সুবিধা নিতে পারছিল না। নতুন ব্যাখ্যার ফলে তাঁদের একটি অংশ সরাসরি রিফান্ড পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।   ফেডারেল অ্যাডপশন ট্যাক্স ক্রেডিট মূলত সন্তান দত্তক নেওয়ার যোগ্য খরচের বিপরীতে দেওয়া একটি কর সুবিধা। আগে এই ক্রেডিট ব্যবহার করে বকেয়া ফেডারেল ইনকাম ট্যাক্স কমানো যেত, কিন্তু সব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়া সম্ভব ছিল না। ফলে কোনো পরিবারের করের পরিমাণ কম হলে অব্যবহৃত ক্রেডিট পরবর্তী বছরের জন্য রেখে দিতে হতো। আইআরএসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু ২০২৫ ট্যাক্স বছরের ক্ষেত্রে আগের বছরের অব্যবহৃত ক্রেডিটের একটি অংশ রিফান্ডযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে। প্রতি যোগ্য সন্তানের জন্য এই রিফান্ডযোগ্য অংশের সর্বোচ্চ সীমা ৫ হাজার ডলার।   তবে আইআরএস স্পষ্ট করেছে, যোগ্য হলেই প্রত্যেকে ৫ হাজার ডলার পাবেন, এমন নয়। প্রকৃত রিফান্ড নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অব্যবহৃত ট্যাক্স ক্রেডিটের পরিমাণ, যোগ্য সন্তানের সংখ্যা, আয়, পূর্ববর্তী কর পরিশোধ এবং অন্যান্য ট্যাক্স সংক্রান্ত হিসাবের ওপর। কারও ক্ষেত্রে পুরো ৫ হাজার ডলার পাওয়া সম্ভব হতে পারে, আবার কেউ তার চেয়ে কম পেতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি অর্থ ফেরত না এসে বকেয়া করের পরিমাণ কমতে পারে। একইভাবে অন্য কোনো সরকারি পাওনা থাকলে রিফান্ডের সম্পূর্ণ বা আংশিক অর্থ সেই দেনা পরিশোধে সমন্বয় করা হতে পারে।   এই সুবিধা পাওয়ার জন্য ২০২৫ সালের ফেডারেল ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাঁরা ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিলের আগে রিটার্ন জমা দিয়েছেন এবং আইআরএসের রেকর্ডে তাঁদের অব্যবহৃত অ্যাডপশন ট্যাক্স ক্রেডিটের তথ্য রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব সংশোধন করা হচ্ছে। এর জন্য সাধারণত নতুন করে আবেদন কিংবা সংশোধিত ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে যাঁরা সময় বাড়িয়ে রিটার্ন জমা দিয়েছেন অথবা যাঁদের ট্যাক্স অ্যাকাউন্টে পরিচয় যাচাই, নির্ভরশীল সন্তানের তথ্য বা অন্য কোনো জটিলতা রয়েছে, তাঁদের হিসাব পরবর্তী পর্যায়ে পর্যালোচনা করা হবে।   আইআরএস আরও জানিয়েছে, আগে অ্যাডপশন ট্যাক্স ক্রেডিট দাবি করেছেন কিন্তু ২০২৫ সালের রিটার্নে অব্যবহৃত ক্রেডিটের সঠিক তথ্য দেননি, এমন কিছু করদাতার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে আইআরএসের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলে স্বয়ংক্রিয় সংশোধন সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে সংশোধিত ট্যাক্স রিটার্ন এবং ফর্ম ৮৮৩৯ জমা দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। তবে যাঁদের তথ্য আগে থেকেই সঠিকভাবে জমা রয়েছে, তাঁদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে নতুন রিটার্ন জমা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   রিফান্ড সংক্রান্ত পরিবর্তন সম্পন্ন হলে সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে একটি নোটিশ পাঠাবে আইআরএস। সেখানে কত টাকা রিফান্ড দেওয়া হচ্ছে, ট্যাক্সের হিসাব কীভাবে সংশোধন হয়েছে এবং কোনো অর্থ বকেয়া দেনার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে কি না, তা উল্লেখ থাকবে। করদাতাদের এই নোটিশ ২০২৫ সালের ট্যাক্স রিটার্নের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার এবং ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইআরএসের অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে ট্যাক্স রেকর্ড, রিফান্ডের অবস্থা এবং সরকারি নোটিশ যাচাই করা যাবে।   আইআরএসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্র্যাঙ্ক জে. বিসিগনানো বলেছেন, যোগ্য পরিবারগুলোকে সংশোধিত ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছাড়াই রিফান্ড দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের আর্থিক চাপ কমানো সম্ভব হচ্ছে। প্রশাসনিক এই পরিবর্তনের ফলে সন্তান দত্তক নেওয়া পরিবারগুলো নিজেদের প্রাপ্য কর সুবিধা আরও সহজে এবং দ্রুত পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে করদাতাদের অতিরিক্ত কাগজপত্র ও আবেদনসংক্রান্ত জটিলতা কমানো।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পরিবারগুলোর মধ্যেও যাঁরা সন্তান দত্তক নিয়েছেন এবং ফেডারেল অ্যাডপশন ট্যাক্স ক্রেডিট দাবি করেছেন, তাঁরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে এই সুবিধার আওতায় আসতে পারেন। তবে শুধু সন্তান থাকা, নিয়মিত ট্যাক্স দেওয়া কিংবা ২০২৫ সালের ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার কারণে কেউ এই অর্থ পাবেন না। এ ক্ষেত্রে আগের বছরের যোগ্য অব্যবহৃত অ্যাডপশন ট্যাক্স ক্রেডিট থাকা জরুরি। আইআরএস জানিয়েছে, অধিকাংশ যোগ্য করদাতাকে চলতি বছরের শেষ নাগাদ রিফান্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ১১:৪৪
পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গে বন্ধুর ছয় সপ্তাহের শিশু লিওন কাটজকে হত্যার অভিযোগে পিএইচডি গবেষক নিকোল এলিজাবেথ ভারজির বিচার চলছে। ছবি: সংগৃহীত

পেনসিলভানিয়ায় বন্ধুর ৬ সপ্তাহের শিশুকে বেবিসিট করতে গিয়ে হত্যা করেন পিএইচডি গবেষক

নিউইয়র্কে বসবাসের খরচ ও বাসাভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ভাড়াটিয়া এবং বাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখা পরিবারগুলো বিপাকে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে বাসাভাড়া রেকর্ড উচ্চতায়, বাড়ি কিনতে মাসে গুনতে হবে প্রায় ১১ হাজার ডলার

নিউ জার্সির এলিজাবেথ শহরে স্মরণসভায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

নিউ জার্সিতে স্মরণসভায় গুলিবর্ষণ, নিহত ১, আহত ৩, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জর্জিয়ার উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজন ২০২৬-এর আয়োজন করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
জর্জিয়ায় প্রবাসীদের মিলনমেলা, বার্ষিক বনভোজনে থাকছে খাবার ও শিশুদের নানা আয়োজন, প্রবেশমূল্য নেই

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জর্জিয়া। আগামী ১ নভেম্বর, রোববার, গেইনসভিলের লরেল পার্কে অনুষ্ঠিত হবে সংগঠনটির বার্ষিক বনভোজন ২০২৬। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে দিনব্যাপী এ আয়োজন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বনভোজনে অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রবেশমূল্য লাগবে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটানোর পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হচ্ছে।   বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জর্জিয়ার সভাপতি আরেফিন বাবুল ও জনসংযোগ সম্পাদক নাজ আমেরিকা বাংলাকে জানান, জর্জিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের সপরিবারে বনভোজনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাঁরা জানান, অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে সুস্বাদু খাবার, নাশতা, ডেজার্ট, সংগীত ও বিনোদন এবং বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা। শিশুদের জন্যও থাকছে নানা ধরনের কার্যক্রম। পরিবারের ছোট-বড় সবাই যেন আনন্দের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আয়োজন সাজানো হচ্ছে।   সভাপতি আরেফিন বাবুল বলেন, জর্জিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির সবাইকে নিয়ে একটি আনন্দমুখর দিন কাটাতে তাঁরা আগ্রহী। পরিবার, বন্ধু ও পরিচিতজনদের সঙ্গে নিয়ে সবাইকে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জনসংযোগ সম্পাদক নাজও বলেন, অতিথিদের আন্তরিক আতিথেয়তা দেওয়া এবং সবার জন্য সুন্দর বিনোদনের ব্যবস্থা করাই আয়োজকদের অন্যতম লক্ষ্য।   গেইনসভিলের লরেল পার্কের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবারের বনভোজনের অন্যতম আকর্ষণ। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পার্কের মনোরম পরিবেশে প্রবাসীরা দৈনন্দিন ব্যস্ততা থেকে কিছুটা সময় বের করে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারবেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানদের মধ্যে কমিউনিটির মানুষের সঙ্গে পরিচিতি ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।   বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জর্জিয়ার ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ বনভোজনের স্থান লরেল পার্ক, ৩১০০ ওল্ড ক্লিভল্যান্ড হাইওয়ে, গেইনসভিল, জর্জিয়া ৩০৫০৬। অনুষ্ঠান চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিস্তারিত জানতে আয়োজকদের সঙ্গে ৭৭০-৫৩৫-৮২৮০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।   আয়োজকদের আহ্বান, ১ নভেম্বর পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে লরেল পার্কে উপস্থিত হয়ে বনভোজনের আনন্দে শামিল হোন। সবার অংশগ্রহণে এবারের আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জর্জিয়া।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ১০:৫১
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ট্রাফিক এজেন্টদের ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও বাংলাদেশি নেতার আটকের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ট্রাফিক ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতার হাতাহাতির অভিযোগ, একজন আটক

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্কলারশিপ!

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্কলারশিপ: দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীরা কীভাবে ও কখন আবেদন করবেন?

মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ দেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান-সমর্থিত হুথিদের হা মলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ দেশে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি

ইরানের মিনাবের শিশুদের প্রসঙ্গ তুলে ভ্যান্সকে কটাক্ষ ইরানি দূতাবাসের
বড় হয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করো, কেন মিনাবের শিশুদের মৃ ত্যুতে শোক জানাননি, ভ্যান্সের ছেলেকে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের শিশুপুত্রকে ঘিরে তীব্র কটাক্ষ করেছে ঘানায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। ভ্যান্সের ছেলে অ্যালেকের জন্মকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের মিনাব শহরে স্কুলে হা মলায় নি হ ত শিশুদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে ওই ঘটনার পর ভ্যান্সের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। গত ২৫ অক্টোবর দূতাবাসের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বার্তাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।   ইরানের দূতাবাসের পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘পৃথিবীতে স্বাগত, অ্যালেক। তুমি উষ্ণতা ও নিরাপত্তার মধ্যে বড় হবে। আমরা প্রার্থনা করি, তোমার মা যখন তোমাকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন, তখন তোমার বাবা যে প্রশাসনের অংশ ছিলেন, তারা ইরানের শিশুদের সঙ্গে কী করেছে, তা যেন তোমাকে কখনো জানতে না হয়।’ এরপর মিনাবে নি হ ত শিশুদের প্রসঙ্গ টেনে দূতাবাসটি বলে, বড় হয়ে এসব ঘটনা জানতে পারলে অ্যালেক যেন তাঁর বাবাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন তিনি ওই শিশুদের মৃ ত্যুতে শোক প্রকাশ করেননি। দূতাবাসের দাবি, সেই প্রশ্নের উত্তর ভ্যান্স দিতে পারবেন না। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও তাঁর স্ত্রী উষা ভ্যান্সের চতুর্থ সন্তান অ্যালেক নীল ভ্যান্সের জন্ম হয় গত ১৯ জুলাই। মেরিল্যান্ডের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে শিশুটির জন্মের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভ্যান্স। সে সময় তিনি জানান, মা ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন। তাঁদের আরও তিন সন্তান রয়েছে। সন্তানের জন্মের তিন মাসের বেশি সময় পর ইরানের দূতাবাসের এমন রাজনৈতিক বার্তা নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনাকে সামনে এনেছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হা মলা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর দিনেই শাজারেহ তাইয়েবেহ নামের বিদ্যালয়টি আক্রান্ত হয়। ওই হা মলায় বিপুলসংখ্যক শিশু ও শিক্ষক নি হ ত হন। ইরানি কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছে। জাতিসংঘের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ১৫৭ জন নি হ ত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ১২৩ জন শিশু।   হা মলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তেও মার্কিন বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, হা মলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী দায়ী হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন। পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ গঠিত স্বাধীন তদন্ত দল জানায়, বিদ্যালয়টিতে হা মলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী ছিল বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে। তদন্ত দল ঘটনাটিকে যু দ্ধ অ প রা ধ হিসেবে বিবেচনারও ভিত্তি পেয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হা মলার দায় স্বীকার করেনি। মিনাবের ওই হা মলা নিয়ে পেন্টাগনের তদন্ত প্রতিবেদনও এখনো প্রকাশ করা হয়নি। গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তদন্তের ফল প্রকাশ না করার পরিকল্পনা রয়েছে পেন্টাগনের শীর্ষ পর্যায়ে। যদিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পেন্টাগন জানিয়েছে, তদন্ত এখনো চলমান। এদিকে হা মলার ঘটনায় জবাবদিহি ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একাংশ। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সন্তান জন্মের সংবাদকে কেন্দ্র করে ইরানি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের এমন মন্তব্য এবারই প্রথম নয়। গত মে মাসে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটের কন্যাসন্তানের জন্মের পর আর্মেনিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস একই ধরনের বার্তা দিয়েছিল। সেখানেও মিনাবে নি হ ত শিশুদের কথা উল্লেখ করে লেভিটকে তাদের মায়েদের কষ্টের কথা স্মরণ করতে বলা হয়। এবার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের শিশুপুত্রকে উদ্দেশ করে দেওয়া বার্তায় সেই একই ঘটনার প্রসঙ্গ সামনে আনল ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান বিরোধে মিনাবের বিদ্যালয়ে হা মলা বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযানের জবাবদিহি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ইরান ঘটনাটিকে মার্কিন সামরিক অভিযানের মানবিক ক্ষয়ক্ষতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের বক্তব্য, মার্কিন বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করে না। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যেই ভ্যান্সের শিশুপুত্রকে ঘিরে ইরানি দূতাবাসের বার্তা নতুন করে কূটনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৮:৩৯
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি জব্দের ঘটনা বাড়ছে (ছবি: সম্পাদিত)

যুক্তরাষ্ট্রে ঋণদাতাদের বাড়ি দখল বেড়েছে ৪২ শতাংশ, চাপ বাড়লেও আতঙ্কিত হতে মানা বিশেষজ্ঞদের

. ৯০ দিনের স্বনির্ভরতার প্রস্তুতিতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি

বড় সংঘা তের আশঙ্কায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ৯০ দিন স্বনির্ভর রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন

হিউস্টনে সেপ্টেম্বরে কমেছে ৭ হাজার ৩০০ চাকরি

টেক্সাসের হিউস্টনের শ্রমবাজারে হঠাৎ মন্দার সংকেত, এক মাসে কমেছে ৭ হাজার ৩০০ কর্মসংস্থান

0 Comments