সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

নিউইয়র্কে বাড়ির দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে, গড় মূল্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার ডলার

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬ ১৭:৬
নিউইয়র্কে বাড়ির দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ I ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে বাড়ির দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ I ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে বাড়ি কেনার খরচ পৌঁছাল এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ চূড়ায়। নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসোসিয়েশন অব রিয়েলটরস-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে একটি বাড়ির গড় বা মধ্যবর্তী দাম (মিডিয়ান প্রাইস) প্রায় ৫ লাখ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছে। ২০২৬ সালের জুন মাসে এই দাম বছরে ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ডলারে।

 

আবাসন বাজারে এই রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে অবাক করা দিক হলো, বাজারে বিক্রয়যোগ্য বাড়ির সরবরাহ (ইনভেন্টরি) বৃদ্ধি সত্ত্বেও দাম কমেনি। তথ্যে দেখা যায়, নিউইয়র্কের বাজারে টানা ১৬ মাসের মতো বিক্রয়যোগ্য বাড়ির সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৫ সালের জুনে যেখানে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত ছিল ৩১,১২৪টি বাড়ি, ২০২৬ সালের জুনে তা ৪.৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২,৫০৮টিতে। এর পাশাপাশি মে ও জুন মাসের ব্যবধানে বন্ধকী ঋণের (মর্গেজ) সুদের হার সামান্য বেড়ে ৬.৪৯ শতাংশে পৌঁছালেও, তা গত বছরের সর্বোচ্চ ৬.৮২ শতাংশের চেয়ে এখনও কম রয়েছে।

 

তবে পুরো নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যজুড়ে বাড়ি কেনার খরচে এক বিশাল আঞ্চলিক বৈষম্য লক্ষ করা গেছে। আপস্টেট অঞ্চলের কিছু এলাকায় এখনো মাত্র ২ লাখ ডলারের সামান্য বেশি দামে বাড়ি পাওয়া গেলেও, ডাউনস্টেট কাউন্টিগুলোতে ছবিটা একদম ভিন্ন। জেনিসি কাউন্টিতে বাড়ির গড় মূল্য ছিল ২ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং প্রতিবেশী অরলিন্স কাউন্টিতে ২ লাখ ২১,৫০০ ডলার। কিন্তু এর বিপরীত চিত্রে ডাউনস্টেটের রিচমন্ড, রকল্যান্ড ও সাফোক কাউন্টিতে প্রতিটি বাড়ির গড় দাম ছাড়িয়ে গেছে ৭ লাখ ডলার।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
বাড়ি কিনবেন নাকি অপেক্ষা করবেন
বাড়ি কিনবেন নাকি অপেক্ষা করবেন, সুদের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে লাখো পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের ২৭ ও ২৮ অক্টোবরের বৈঠকের দিকে নজর রাখছেন অর্থনীতিবিদ, বিনিয়োগকারী এবং ঋণগ্রহীতারা। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য রেখে সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।   রয়টার্সের ২৬ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেডের সুদের হার বর্তমানে ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। বাজারের বড় অংশ আশা করছে, এই বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে। তবে মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে আবার সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে। তবে মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে আবার সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।   সুদের হার বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্তের প্রভাব বিভিন্ন ধরনের ঋণে পড়তে পারে। বাড়ি কেনার জন্য বন্ধকী ঋণ, গাড়ির ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক ও ঋণদাতার নীতির ওপর নির্ভর করে। তাই ফেডের সিদ্ধান্তের পর সব ঋণের সুদ একই হারে পরিবর্তিত হবে—এমন নয়।   বাংলাদেশি-আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য বাড়ি কেনা, গাড়ির কিস্তি এবং ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া পরিচালনার ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন ঋণ নেওয়ার আগে একাধিক ঋণদাতার প্রস্তাব তুলনা করা এবং মাসিক কিস্তি পরিবারের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করা ভালো।   ফেডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য প্রকাশের পর ঋণবাজারের সম্ভাব্য পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত সুদের হার কমবে ধরে নিয়ে বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সতর্ক থাকা উচিত।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১৪:৪৩
ভিসার অপেক্ষায় ভাঙছে পরিবারের স্বপ্ন

ভিসার অপেক্ষায় ভাঙছে পরিবারের স্বপ্ন, সন্তানদের থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে মা-বাবাকে

নিউইয়র্কের কুইন্সে অভিবাসী কমিউনিটির ইতিহাস

নিউইয়র্কে প্রথমবারের আয়োজন ঘিরে উৎসব, নিজেদের শিকড়ের গল্প শোনালেন অভিবাসীরা

নিউইয়র্কে অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য নতুন সুযোগ

নিউইয়র্কে অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য নতুন সুযোগ, উপকৃত হতে পারেন বাংলাদেশিরাও

কটি পরিবারের ১৪ সদস্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন এক অপরিচিত ব্যক্তি।
জর্জিয়ায় ভুল পথে গাড়ি চালাতে গিয়ে ১৪ জনের প্রাণ বাঁচালেন অপরিচিত ব্যক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে বাড়িতে ভয়াবহ আগুন লাগার সময় ঘুমন্ত একটি পরিবারের ১৪ সদস্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন এক অপরিচিত ব্যক্তি। বাড়ি ফেরার পথে ভুল রাস্তায় চলে যাওয়াই যেন তাঁর জন্য এই পরিবারের কাছে পৌঁছানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সময়মতো তাঁর সতর্কবার্তা ও সাহসী পদক্ষেপে প্রাণে বেঁচে যান পরিবারের সদস্যরা।   ঘটনাটি ঘটে জর্জিয়ার লায়ারলি এলাকায়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যালাবামায় নিজের বাড়ির পথে গাড়ি চালাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ছেলে। জিপিএসের নির্দেশনায় গাড়িটি অন্য একটি সড়কে চলে যায়। সেই ভুল পথেই গাড়ি চালানোর সময় দূর থেকে একটি বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখতে পান তিনি।   বিপদের বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি গাড়ি থামিয়ে বাড়িটির দিকে এগিয়ে যান। তখন বাড়ির ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন জেমস বার্ক, তাঁর স্ত্রী লারিটা বার্ক, তাঁদের ১১ সন্তান ও এক নাতি-নাতনি। পরিবারের সদস্যরা তখনও বুঝতে পারেননি, তাঁদের বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে বাড়িতে ভয়াবহ আগুন লাগার সময় ঘুমন্ত একটি পরিবারের ১৪ সদস্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন এক অপরিচিত ব্যক্তি। বাড়ি ফেরার পথে ভুল রাস্তায় চলে যাওয়াই যেন তাঁর জন্য এই পরিবারের কাছে পৌঁছানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সময়মতো তাঁর সতর্কবার্তা ও সাহসী পদক্ষেপে প্রাণে বেঁচে যান পরিবারের সদস্যরা।   ঘটনাটি ঘটে জর্জিয়ার লায়ারলি এলাকায়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যালাবামায় নিজের বাড়ির পথে গাড়ি চালাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ছেলে। জিপিএসের নির্দেশনায় গাড়িটি অন্য একটি সড়কে চলে যায়। সেই ভুল পথেই গাড়ি চালানোর সময় দূর থেকে একটি বাড়িতে আগুন জ্বলতে দেখতে পান তিনি।   বিপদের বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি গাড়ি থামিয়ে বাড়িটির দিকে এগিয়ে যান। তখন বাড়ির ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন জেমস বার্ক, তাঁর স্ত্রী লারিটা বার্ক, তাঁদের ১১ সন্তান ও এক নাতি-নাতনি। পরিবারের সদস্যরা তখনও বুঝতে পারেননি, তাঁদের বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।   জেমস বার্কের বর্ণনা অনুযায়ী, হঠাৎ ঘরের ভেতরে একজন অপরিচিত মানুষকে দেখতে পান তিনি। ওই ব্যক্তি তাঁকে জানান, বাড়িতে আগুন লেগেছে এবং দ্রুত সবাইকে বের হতে হবে। এরপর পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে বের করে আনতে সাহায্য করেন তিনি। বিশেষ করে শিশুদের দ্রুত বাড়ির বাইরে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করেন।   পরিবারটির আশঙ্কা, আরও কয়েক মিনিট দেরি হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারত। বাড়ির আগুনে তাঁদের ঘরবাড়ি ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তবে পরিবারের সবাই প্রাণে বেঁচে যান।   লারিটা বার্ক জানান, ঘটনার পর পরিবারটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ছোট শিশুরা পুড়ে যাওয়া বাড়ি দেখে বুঝতে পারছিল না, কেন তারা আর আগের মতো ঘরে থাকতে পারছে না। তাঁদের তিন বছর বয়সী সন্তান বারবার জানতে চাইছিল, তারা কবে বাড়ি ফিরবে। বাবা-মা তাকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন, বাড়িটি মেরামত হলে আবার সেখানে ফেরা সম্ভব হবে।   আগুনে ঘরবাড়ি হারানোর কষ্টের মধ্যেও পরিবারটি আশপাশের মানুষের সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের প্রয়োজনের খোঁজ নিতে শুরু করেন। সংকটের মুহূর্তে অপরিচিত মানুষের এমন সহযোগিতা তাঁদের নতুন করে সাহস জোগায়।   এই পরিবারের মানবিক কাজের ইতিহাসও রয়েছে। জেমস ও লারিটা বার্ক জানিয়েছেন, গত ১৫ বছরে তাঁরা ৫০০-এর বেশি শিশুকে পালক পরিচর্যা দিয়েছেন। নিজেদের বাড়ি পুনর্নির্মাণের পর আবারও পালক শিশুদের দেখাশোনার কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশা করছেন তাঁরা।   ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, নিজের গন্তব্যে পৌঁছানোর পথে একজন মানুষের সামান্য ভুল মোড় অন্য একটি পরিবারের জন্য জীবনরক্ষাকারী হয়ে ওঠে। আগুন দেখতে পেয়ে তিনি যদি গাড়ি না থামাতেন, তাহলে ঘুমন্ত পরিবারটি বিপদের কথা সময়মতো জানতে পারত কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না।   বর্তমানে পরিবারটি ঘর হারানোর ক্ষতি সামলে নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত চলছিল বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।   এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, মানবিকতা প্রকাশের জন্য কাউকে আগে থেকে চিনতে হয় না। কখনো কখনো একজন অপরিচিত মানুষের সময়মতো এগিয়ে আসাই একটি পরিবারের জন্য নতুন জীবনের সুযোগ তৈরি করে দেয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১৩:২২
নিউইয়র্ক সিটিতে কম আয়ের মানুষের জন্য ব্রঙ্কসের চারটি ভবনে ৩০টি অ্যাপার্টমেন্টের হাউজিং লটারি চালু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে মাসে মাত্র ৭৩২ ডলার ভাড়ায় অ্যাপার্টমেন্টের সুযোগ, চালু হলো হাউজিং লটারি, ডেডলাইন ১৮ নভেম্বর

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দোদুল্যমান ভোটারদের মধ্যে ডিএসএর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে সমাজতন্ত্র নিয়ে বাড়ছে ভোটারদের উদ্বেগ, নতুন জরিপে ডেমোক্র্যাটদের জন্য সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৩৬টিতেই গত এক বছরে ক্রেডিট কার্ডের গড় লিমিট কমেছে বলে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬ রাজ্যে কমেছে ক্রেডিট কার্ডের লিমিট, বিপাকে গ্রাহকরা

যুক্তরাষ্ট্রের হাউজিং মার্কেটে ক্রেতার অভাবে বাড়ির দাম কমানোর পাশাপাশি বাড়তি সুবিধা দিতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রি করতে দাম কমাচ্ছেন মালিকরা, ক্রেতাদের দিচ্ছেন বাড়তি অর্থ

যুক্তরাষ্ট্রের হাউজিং মার্কেটে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। একসময় বাড়ি কেনার জন্য ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা থাকলেও এখন অনেক এলাকায় পরিস্থিতি উল্টো। ক্রেতার অভাবে বাড়ির দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। শুধু দাম কমানোই নয়, বাড়ি বিক্রির জন্য ক্রেতাদের ক্লোজিং কস্ট, মেরামতের খরচ এমনকি মর্টগেজের সুদের হার কমানোর জন্যও হাজার হাজার ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করছেন অনেকে। রোববার (২৫ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের হাউজিং মার্কেটের এই পরিবর্তনের চিত্র উঠে এসেছে।   বাড়ি কেনাবেচার প্রতিষ্ঠান রেডফিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রেতার সংখ্যা ক্রেতার তুলনায় প্রায় ৬৩ শতাংশ বেশি ছিল। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, ওই মাসে সম্ভাব্য বাড়ি ক্রেতার সংখ্যা ছিল প্রায় ৯ লাখ ২৯ হাজার। বিপরীতে বিক্রেতা ছিলেন প্রায় ১৫ লাখ ১১ হাজার। ২০১৩ সাল থেকে সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, ক্রেতার সংখ্যা এত কম আগে কখনো দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিক্রেতার সংখ্যা ২০২০ সালের মার্চের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে অনেক এলাকায় বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে দরদাম করার সুযোগ বেড়েছে।   রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান রিয়েলটর ডটকমের সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত বাড়ির মধ্যম দাম ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ ডলার। আগের মাসের তুলনায় এই দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ এবং এক বছর আগের তুলনায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ কম। একই সময়ে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত প্রায় ২০ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ির দাম কমিয়েছেন মালিকরা। সেপ্টেম্বর মাসের হিসাবে ২০১৮ সালের পর এটি সর্বোচ্চ হার। শুধু তা-ই নয়, বাজারে একটি বাড়ি বিক্রি হতে মধ্যম হিসাবে ৬১ দিন সময় লাগছে। দীর্ঘদিন ক্রেতা না পাওয়ায় অনেক মালিককে বারবার দাম কমাতে হচ্ছে।   টেক্সাসের মারফি শহরের বাসিন্দা ৫৬ বছর বয়সী লিজ সুডারের অভিজ্ঞতা এই পরিবর্তনের একটি উদাহরণ। তিন সন্তান আলাদা হয়ে যাওয়ায় চার বেডরুমের বড় বাড়িটি বিক্রি করে ছোট একটি বাড়িতে ওঠার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাড়িটির দাম নির্ধারণ করেছিলেন ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। কিন্তু কয়েক দফা দাম কমিয়েও ক্রেতা না পাওয়ায় একসময় বিক্রির তালিকা থেকে বাড়িটি সরিয়ে নেন। পরে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৭ লাখ ২৫ হাজার ডলারে আবার বিক্রির বিজ্ঞাপন দেন। শেষ পর্যন্ত বাড়িটি বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারে। এর পাশাপাশি ক্রেতাকে বাড়ি মেরামতের জন্য আরও ৯ হাজার ডলার দিতে হয়েছে তাঁকে।   একই পরিস্থিতিতে পড়েছেন ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ব্লেইন শহরের বাসিন্দা ৫৮ বছর বয়সী রিক গাঙ্গা। চাকরির প্রয়োজনে অন্য রাজ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও নিজের বাড়িটি বিক্রি করতে পারছেন না তিনি। গত জুনে ৮ লাখ ২৫ হাজার ডলারে বাড়িটি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। পরে দাম কমিয়ে ৮ লাখ ডলারের নিচে নামিয়েছেন। তারপরও কোনো ক্রেতার কাছ থেকে প্রস্তাব পাননি। তাঁর দাবি, আশপাশের অনেক বাড়ির মালিক এক লাখ ডলার পর্যন্ত দাম কমিয়েছেন। কিন্তু নিজের বাড়ির মর্টগেজ ও ইকুইটির পরিস্থিতির কারণে এত বড় ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই তাঁর।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ির বাজারে এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ মর্টগেজের উচ্চ সুদের হার। চলতি অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় সুদের হার ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছিল। তবে ফ্রেডি ম্যাকের ২২ অক্টোবর প্রকাশিত সর্বশেষ সাপ্তাহিক হিসাবে তা কিছুটা কমে ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ হয়েছে। বাড়ির দাম এখনো তুলনামূলক বেশি থাকায় উচ্চ সুদের সঙ্গে প্রপার্টি ট্যাক্স, হোম ইন্স্যুরেন্স এবং অন্যান্য খরচ যোগ হয়ে মাসিক মর্টগেজ পেমেন্ট অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে বাড়ি কেনার ইচ্ছা থাকলেও অনেক ক্রেতা সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছেন।   এ পরিস্থিতিতে শুধু বাড়ির দাম কমানো নয়, বিক্রেতাদের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। রেডফিনের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে সম্পন্ন হওয়া বাড়ি কেনাবেচার ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ লেনদেনে ক্রেতারা বিক্রেতার কাছ থেকে কোনো না কোনো আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন। এক বছর আগে এই হার ছিল ৪২ দশমিক ৬ শতাংশ। এসব সুবিধার মধ্যে রয়েছে ক্লোজিং কস্টের একটি অংশ পরিশোধ, বাড়ি মেরামতের খরচ বহন এবং মর্টগেজের সুদের হার কমানোর জন্য অর্থ দেওয়া। সাধারণত এসব অর্থ বাড়ি কেনার চুক্তির অংশ হিসেবে সমন্বয় করা হয়। অর্থাৎ সব ক্ষেত্রে ক্রেতাকে সরাসরি নগদ অর্থ হাতে দেওয়া হয় না।   বিশেষ করে জর্জিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা ও নর্থ ক্যারোলিনার মতো কয়েকটি রাজ্যের বড় শহরে ক্রেতাদের দরদাম করার সুযোগ বেশি দেখা যাচ্ছে। রেডফিনের হিসাবে, গত আগস্টে আটলান্টায় সম্পন্ন হওয়া বাড়ি কেনাবেচার প্রায় ৭২ দশমিক ৮ শতাংশ লেনদেনে বিক্রেতারা ক্রেতাদের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দিয়েছেন। শার্লটে এই হার ৬৭ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ফিনিক্সে ৬৭ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে নিউইয়র্ক ও আশপাশের কিছু এলাকায় পরিস্থিতি আলাদা। নিউইয়র্ক সিটির বাজারে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কমলেও নাসাউ কাউন্টি, নিউ জার্সির নিউয়ার্ক এবং সান ফ্রান্সিসকোর মতো এলাকায় এখনো বিক্রেতাদের অবস্থান শক্তিশালী।   ফার্স্ট আমেরিকান ফাইন্যান্সিয়ালের প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্ক ফ্লেমিংয়ের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এলাকার হাউজিং মার্কেট এখন বিক্রেতাদের বাজার থেকে ক্রেতাদের বাজারে পরিণত হচ্ছে। ফলে আগে যেখানে বাড়ি বিক্রির জন্য একাধিক অফার পাওয়া যেত, সেখানে এখন ক্রেতা আকৃষ্ট করতে দাম কমানো বা অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে। রিয়েলটর ডটকমের অর্থনীতিবিদ জেক ক্রিমেলও মনে করেন, ক্রেতাদের হাতে দরদাম করার ক্ষমতা বেড়েছে এবং বাড়ি বিক্রেতাদের আগের তুলনায় বেশি ছাড় দিতে হচ্ছে। তবে এই সুযোগ থাকা সত্ত্বেও উচ্চ মর্টগেজ রেট ও বাড়ির মোট খরচ অনেক সম্ভাব্য ক্রেতাকে বাজারের বাইরে রাখছে।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে যাঁরা প্রথমবার বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি কিছু এলাকায় দরদাম করার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি না হওয়া বাড়ির ক্ষেত্রে দাম কমানোর পাশাপাশি ক্লোজিং কস্ট কিংবা মর্টগেজ রেট কমাতে বিক্রেতার সহায়তা চাওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে প্রতিটি বাড়ি ও এলাকার বাজার পরিস্থিতি এক নয়। বাড়ি কেনার আগে মর্টগেজের সুদের হার, ডাউন পেমেন্ট, প্রপার্টি ট্যাক্স, ইন্স্যুরেন্স এবং ক্লোজিং কস্ট মিলিয়ে মোট খরচ হিসাব করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে ক্রেতার সুবিধা বাড়লেও শুধু দাম কমেছে বলেই বাড়ি কেনা লাভজনক হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১০:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার পরও বকেয়া বেতন আদায় ও শ্রম অধিকার রক্ষায় সরকারি সংস্থায় অভিযোগ জানানোর অধিকার রয়েছে কর্মীদের। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে মালিক বেতন আটকে রাখলে কোথায় অভিযোগ করবেন! জানুন বিস্তারিত

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আকিব খন্দকারের বিশেষ সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে এসেছে। ছবি: সংগৃহীত

আপনার সন্তানকে হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ডের মতো বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন?

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞা আদালত বাতিল করলেও হাজার হাজার আবেদনকারী এখনো নিজ নিজ দেশে আটকে রয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

আদালতের রায়ে নিষেধাজ্ঞা বাতিল হলেও যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাচ্ছেন না হাজারো অভিবাসী

0 Comments