আমেরিকা

ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ দিলেন বড় ভাই, শোকে স্তব্ধ পরিবার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৭:৪৬
ভাইদের ফটো। ছবি:সংগ্রহীত
ভাইদের ফটো। ছবি:সংগ্রহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রপাতে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় নিজের ছোট ভাইকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক তরুণ। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আকস্মিক বজ্রঝড়ের সময় তিনি ছোট ভাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দিতে গিয়ে নিজেই বজ্রপাতের শিকার হন। তার এই আত্মত্যাগের ঘটনায় স্থানীয় সম্প্রদায়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

পরিবার জানায়, দুই ভাই বাইরে অবস্থান করছিলেন যখন হঠাৎ আবহাওয়ার অবনতি ঘটে। বজ্রপাতের আশঙ্কা বুঝতে পেরে বড় ভাই ছোট ভাইকে নিজের শরীর দিয়ে আড়াল করেন এবং নিরাপদ স্থানে ঠেলে দেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই বজ্রপাত তার শরীরে আঘাত হানে। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন।

 

জরুরি সেবা কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে ছোট ভাই প্রাণে বেঁচে যান এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।

 

নিহতের পরিবার বলেছে, তিনি সবসময় পরিবারের সবার নিরাপত্তাকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিতেন। শেষ মুহূর্তেও তিনি সেই দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে একজন প্রকৃত নায়ক হিসেবে স্মরণ করছেন।

 

প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নিহত তরুণের আত্মত্যাগের প্রশংসা করে তাকে সাহস ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করছেন।

 

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, বজ্রঝড় শুরু হলে খোলা মাঠ, উঁচু স্থান, গাছের নিচে বা জলাশয়ের পাশে অবস্থান করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। বজ্রপাতের সময় দ্রুত কোনো নিরাপদ ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
আঞ্চলিক নিরাপত্তা উত্তেজনার প্রতীকী দৃশ্য। ছবি:সংগৃহীত
জর্ডানে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ, আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি নতুন করে জোরালো হয়েছে। দেশটির রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন এবং বিক্ষোভকারীরা বলছেন, জর্ডানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দেশটিকে আঞ্চলিক সংঘাতের সরাসরি ঝুঁকির মুখে ফেলছে।   সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় মার্কিন সেনা হতাহত হওয়ার পাশাপাশি জর্ডানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। হামলার পর দেশজুড়ে বিদেশি সেনা উপস্থিতির বিরোধিতা আরও তীব্র হয়েছে।   জর্ডান একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কৌশলগত মিত্র, অন্যদিকে নিজস্ব অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও জনমতের চাপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়েছে। দেশটির ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত সামরিক কার্যক্রম জর্ডানকে সংঘাতের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।   তবে জর্ডান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনারা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির আওতায় কাজ করছে এবং তাদের উপস্থিতির উদ্দেশ্য সন্ত্রাসবাদ দমন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা। সরকার কূটনৈতিক সমাধানের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে।   এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের বিস্তার রোধে আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানালেও পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল। সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে জর্ডানে মার্কিন সেনা উপস্থিতি এবং তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৮:৫০
নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় ব্রেকওয়াটারের বেড়া পার হতে গিয়ে ঘটে এই মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয়। ছবি:সংগৃহীত

মরক্কো থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৪৯ হাজার অভিবাসীর ঢল, স্পেনের সেউতায় অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি:সংগৃহীত

লন্ডনে সাবেক দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে ঘিরে উত্তেজনা, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা

ভাইদের ফটো। ছবি:সংগ্রহীত

ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ দিলেন বড় ভাই, শোকে স্তব্ধ পরিবার

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র।  ছবি:সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ১৭ অঙ্গরাজ্যে তীব্র গরমে বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা: জ্বালানি বিভাগ

যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৭টি অঙ্গরাজ্যের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির জ্বালানি বিভাগ। বিদ্যুতের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সম্ভাব্য ব্ল্যাকআউট এড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।    জ্বালানি বিভাগের জরুরি আদেশ অনুযায়ী, সাউথওয়েস্ট পাওয়ার পুলের আওতাধীন বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট চালু করার এবং ব্যাকআপ বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাও ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব ব্যবস্থা কেবল বিদ্যুৎ সংকটের চরম পরিস্থিতিতে শেষ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে।    এই নির্দেশনার আওতায় টেক্সাস, লুইজিয়ানা, আরকানসাস, মিসৌরি, আইওয়া, নর্থ ডাকোটা, সাউথ ডাকোটা, নেব্রাস্কা, ওকলাহোমা, কানসাস, কলোরাডো, ওয়াইওমিং, মন্টানা, নিউ মেক্সিকো, অ্যারিজোনা, মিনেসোটা এবং উটাহর পুরো বা আংশিক এলাকা রয়েছে। এসব অঞ্চলে টানা তাপপ্রবাহের কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।    জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন এড়িয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতেই এই জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আদেশটি ২৬ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ৩ আগস্ট রাত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, প্রয়োজন হলে এর মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।    সাউথওয়েস্ট পাওয়ার পুল প্রায় দুই কোটি গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী আঞ্চলিক গ্রিড পরিচালনা করে। সাম্প্রতিক তাপপ্রবাহ, কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণকে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে।

সামিয়া আঁখি প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৭:৩৫
যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বাসিন্দার কার্ডের। ছবি:সংগৃহীত

কোয়েটার কাছে কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৩৪ শ্রমিক

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বাসিন্দার কার্ডের। ছবি:সংগৃহীত

আগস্টে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন, কারা পাবেন সুবিধা, কারা পড়বেন চ্যালেঞ্জে?

ইরানের হামলায় কুয়েতে

ইরানের হামলায় কুয়েতে চীনা কোম্পানির ভবন ক্ষতিগ্রস্ত, নিরাপদ রয়েছেন চীনা নাগরিকরা

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সীমান্ত সংকট। ছবি:সংগৃহীত
সেউতায় অভিবাসীদের ঢলের ভিডিও শেয়ার হোয়াইট হাউসের, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির নতুন বার্তা

মরক্কো থেকে স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেউতায় অভিবাসীদের বড় ঢলের একটি ভিডিও শেয়ার করে অভিবাসন ইস্যুতে নিজেদের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার এবং যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চিয়াং সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ করে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অভিবাসন নীতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানের পক্ষে বক্তব্য দেন।   স্টিফেন মিলার ভিডিওটি শেয়ার করে ডেমোক্র্যাটদের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেন। তার দাবি, শিথিল অভিবাসন নীতির কারণে পশ্চিমা দেশগুলো ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়ছে। অন্যদিকে স্টিভেন চিয়াং বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নীতিই কার্যকর সমাধান।   এদিকে সেউতার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ভিভাস জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে প্রায় ১ হাজার ৫০০ অভিবাসী সেউতায় প্রবেশ করেছেন। এটি ২০২১ সালের পর ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় অভিবাসী প্রবেশের ঘটনা।   সেউতা উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহিঃসীমান্ত হিসেবে বিবেচিত। উন্নত জীবনের আশায় আফ্রিকা থেকে ইউরোপে প্রবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট এটি। অতীতেও একাধিকবার এই সীমান্তে বড় ধরনের অভিবাসী ঢলের ঘটনা ঘটেছে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিবাসন ইস্যু ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক এজেন্ডা হিসেবে রয়ে গেছে। ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অভিবাসন প্রশ্নটি দেশটির রাজনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেv

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৬:২৬
ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করছে অভিবাসীবাহী একটি ছোট নৌকা। ছবি:সংগৃহীত

চ্যানেল পাড়ি দিয়ে অবৈধ অভিবাসন কমেছে, তবু সংখ্যা আরও কমাতে হবে: অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

ঘটনা স্থলে পুলিশ। ছবি:সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় অপহৃত ব্যক্তিকে গাড়ির ট্রাঙ্কে গুলি করে হত্যা, পুলিশের গুলিতে নিহত অপহরণকারী

উদ্যোক্তা। ছবি:সংগৃহীত

অসুস্থ পোষা প্রাণীর জন্য তৈরি ছোট উদ্যোগ, আজ বছরে ১ কোটি ডলারের সফল ব্যবসা

0 Comments