ওয়াশিংটনে ভয়াবহ দাবানলে পুড়েছে ৩ লাখের বেশি একর জমি
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে চলতি বছর ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে দাবানল। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত অঙ্গরাজ্যজুড়ে ৩ লাখের বেশি একর জমি আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব ন্যাচারাল রিসোর্সেস।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কিআইআরও ৭-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুড়ে যাওয়া এই বিপুল এলাকা মূলত অঙ্গরাজ্যের সুরক্ষিত জমির অন্তর্ভুক্ত। দাবানলের বিস্তার নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশের পর অঙ্গরাজ্যজুড়ে চলমান আগুনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ওয়াশিংটনের বিভিন্ন এলাকায় গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া, শুষ্ক উদ্ভিদ এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার মতো পরিস্থিতি দাবানলের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষ করে অঙ্গরাজ্যের পূর্বাঞ্চলে বড় পরিসরে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।
ওয়াশিংটন ডিপার্টমেন্ট অব ন্যাচারাল রিসোর্সেসের তথ্য অনুযায়ী, দাবানল মোকাবিলায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা, বনাঞ্চলের ঝুঁকি কমানো এবং আগুনের বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালানো হয়।
অঙ্গরাজ্যটির জন্য দাবানল নতুন কোনো ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওয়াশিংটনে বড় আকারের একাধিক দাবানল হয়েছে। ২০২৪ সালেও অঙ্গরাজ্যজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৭ হাজার ৭০০ একর এলাকায় দাবানলের প্রভাব পড়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার ২০০ একর ছিল বনাঞ্চল।
তবে ২০২৬ সালের মাত্র আগস্টেই ৩ লাখ একরের বেশি জমি পুড়ে যাওয়ার তথ্য চলতি দাবানল মৌসুমের তীব্রতা তুলে ধরছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে আগুনের ধোঁয়া, বাতাসের মান এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।
দাবানলের ঝুঁকি মোকাবিলায় ওয়াশিংটন কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বন ব্যবস্থাপনা, আগুনের ঝুঁকি কমানো এবং দ্রুত জরুরি সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। অঙ্গরাজ্যের বন ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এসব উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও আগুনের সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreঅস্ট্রেলিয়ার পারথ বিমানবন্দরে লাগেজ তল্লাশির সময় ৬ লাখ ১৮ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার নগদ উদ্ধারের ঘটনায় সিডনির ৩২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ১৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি স্ক্রিনিংয়ে ওই ব্যক্তির স্যুটকেসে অস্বাভাবিক কিছু শনাক্ত হওয়ার পর তাকে থামানো হয়। পরে এএফপি কর্মকর্তারা তার লাগেজ তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করেন। তদন্তে ওই ব্যক্তি অর্থের বৈধ উৎসের বিষয়ে সন্তোষজনক প্রমাণ দিতে পারেননি। পরে অপরাধের অর্থ হিসেবে সন্দেহ করা সম্পত্তি নিয়ে লেনদেনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে আদালতে দোষ স্বীকার করেন ওই ব্যক্তি। পরে সিডনি ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট তাকে অপরাধলব্ধ অর্থসংক্রান্ত অভিযোগে ১৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এএফপির ডিটেকটিভ অ্যাক্টিং সুপারিনটেনডেন্ট পিটার ব্রিন্ডাল বলেন, সংগঠিত অপরাধী চক্রগুলো প্রায়ই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের মাধ্যমে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড গোপন ও পরিচালনা করার চেষ্টা করে। তিনি বলেন, সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড শনাক্ত এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম ঠেকাতে এএফপি বিমান চলাচল ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এএফপি বলছে, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা স্ক্রিনিংয়ে শনাক্ত হওয়া সন্দেহজনক আচরণ বা অস্বাভাবিকতার ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় তল্লাশি ও তদন্ত চালাতে পারে। পারথ বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের ঘটনাটিও সেই নজরদারি ও তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ ছিল।
এক নৌকায় রেকর্ড ২৩০ অভিবাসী নিয়ে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে যুক্তরাজ্যে, জাতীয় নিরাপত্তা জরুরি অবস্থা’র সতর্কতা
টেম্পল ইউনিভার্সিটির বাইরে প্রকাশ্যে গুলিতে আহত ২, হামলার কারণ রহস্যজনক
ওয়াশিংটনে ভয়াবহ দাবানলে পুড়েছে ৩ লাখের বেশি একর জমি
নিউইয়র্ক সিটিতে সোমবার, ১০ আগস্ট, একসঙ্গে তীব্র গরম ও ঝড়-বৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের দ্বিতীয়ার্ধে এবং সন্ধ্যার দিকে নিউইয়র্ক ও আশপাশের এলাকায় বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতির কারণে সোমবারকে সতর্কতামূলক আবহাওয়ার দিন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, প্রচণ্ড গরমের কারণে তাপমাত্রাজনিত অনুভূত তাপমাত্রা প্রায় ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের কাছাকাছি উঠতে পারে। উচ্চ আর্দ্রতার কারণে প্রকৃত তাপমাত্রার তুলনায় বাইরে আরও বেশি গরম অনুভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিকেল থেকে বজ্রঝড় শুরু হলে স্বল্প সময়ে ভারী বৃষ্টি, দমকা বাতাস এবং স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নিম্নাঞ্চল ও দুর্বল নিষ্কাশনব্যবস্থার এলাকাগুলোতে হঠাৎ পানি জমার ঝুঁকি রয়েছে। নিউইয়র্কের আবহাওয়া সতর্কতা ব্যবস্থাতেও সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাপ-সংক্রান্ত সতর্কতা কার্যকর থাকার তথ্য রয়েছে। নিউইয়র্কবাসীকে দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে অপ্রয়োজনে বাইরে না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং দীর্ঘ সময় সরাসরি রোদে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাইরে থাকলে ঝড়ের পূর্বাভাস সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট দেখার পাশাপাশি বজ্রপাত শুরু হলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ রয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি শুধু নিউইয়র্ক সিটিতে সীমাবদ্ধ নয়; নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি ও কানেকটিকাট মিলিয়ে বৃহত্তর ট্রাই-স্টেট অঞ্চলেও ঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে।
ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প ‘হেরে গেছেন’: মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি
কুমিরের কামড়ে পানির নিচে আটকা নারী, শেষ পর্যন্ত কেটে ফেলতে হলো ডান হাত
যুক্তরাষ্ট্রে স্বজন আনার পথে সুখবর, ফ্যামিলি ভিসায় বড় অগ্রগতি; নাগরিকত্বে বাড়ছে ফি
নিউইয়র্কে চাকরি খুঁজছেন বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষের জন্য আসছে নতুন সুযোগ। নিউইয়র্ক সিটি সরকারের উদ্যোগে আগামী ২৫ আগস্ট কুইন্সে আয়োজন করা হয়েছে একটি বড় হায়ারিং হল। সেখানে চাকরিপ্রার্থীরা বিভিন্ন নিয়োগকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং চাকরির সুযোগ সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন। নিউইয়র্ক সিটি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ‘জবস এনওয়াইসি হায়ারিং হল: কুইন্স’ অনুষ্ঠিত হবে ২৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠানটি হবে কুইন্সের ১১০-৩১ মেরিক বুলেভার্ডে অবস্থিত দ্য গ্রেটার অ্যালেন এএমই ক্যাথেড্রাল অব নিউইয়র্কে। এটি নিউইয়র্ক সিটি সরকারের নিয়মিত হায়ারিং হলগুলোর একটি। এসব আয়োজনের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের বিভিন্ন নিয়োগকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে যারা নতুন চাকরি খুঁজছেন বা কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি সুযোগ হতে পারে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে চাকরিপ্রার্থীদের আগেই একটি সময়ের জন্য নিবন্ধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে অনলাইনে নির্ধারিত স্লট শেষ হয়ে গেলেও সরাসরি অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে আপডেটেড জীবনবৃত্তান্ত বা সিভির কয়েকটি কপি রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার তথ্য প্রস্তুত রাখা ভালো। এতে নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সময় নিজের যোগ্যতা সহজে তুলে ধরা সম্ভব হবে। তবে হায়ারিং হলে অংশ নিলেই চাকরি নিশ্চিত হবে এমন নয়। কোন নিয়োগকর্তা কোন পদে নিয়োগ দেবে এবং আবেদনকারীর যোগ্যতা কী হতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। ২৫ আগস্টের অনুষ্ঠানে যেতে না পারলেও চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বছরজুড়েই নিউইয়র্ক সিটি সরকারের অনলাইন চাকরির প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন পদে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। নিয়মিত নতুন চাকরির সুযোগ ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত আয়োজনের তথ্যও সেখানে প্রকাশ করা হয়। নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন কমিউনিটির চাকরিপ্রার্থীদের জন্য কুইন্সের এই হায়ারিং হল তাই সরাসরি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ, নিজের যোগ্যতা তুলে ধরা এবং নতুন চাকরির সুযোগ খোঁজার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে।
লন্ডনে পড়তে গিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার শিক্ষার্থীর মৃত্যু, জনপ্রিয় ওজন কমানোর ইনজেকশন নিয়ে তদন্তে চাঞ্চল্য
তুষারে বন্ধ পথ, ডায়ালাইসিসে যেতে হবে বৃদ্ধার, তাই ভোর সাড়ে ৪টায় শাবল হাতে ৫ কিশোর