আমেরিকা

এবার ট্রাম্পের উপদেষ্টা হচ্ছেন ২৮ বছর বয়সী লিভিট

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৩, ২০২৬ ১০:৫২
ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ বাইরের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে যাচ্ছেন ২৮ বছর বয়সী ক্যারোলিন লিভিট। ছবি: সংগৃহীত
ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ বাইরের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে যাচ্ছেন ২৮ বছর বয়সী ক্যারোলিন লিভিট। ছবি: সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট চলতি আগস্টের শেষ দিকে দায়িত্ব ছাড়ছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ১২ আগস্ট এ ঘোষণা দিয়েছেন। তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রের দায়িত্ব ছাড়লেও ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সম্পর্ক শেষ হচ্ছে না। ট্রাম্প জানিয়েছেন, লিভিট তাঁর শীর্ষ বাইরের উপদেষ্টাদের একজন হিসেবে কাজ করবেন।

 

২৮ বছর বয়সী লিভিট যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর তিনি দায়িত্ব নেন। হোয়াইট হাউসের ব্রিফিং রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে তর্কবিতর্ক এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির পক্ষে জোরালো অবস্থানের কারণে তিনি নিয়মিত আলোচনায় ছিলেন।

 

ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই ছোট সন্তান ও পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানোর জন্যই লিভিট প্রেস সেক্রেটারির দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত ১ মে তাঁর দ্বিতীয় সন্তান, একটি কন্যাশিশুর জন্ম হয়। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে জুলাইয়ে তিনি আবার কাজে ফিরেছিলেন।

 

নিজের বিদায়ের ঘোষণার পর লিভিট জানিয়েছেন, গত দেড় বছর হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন তাঁর জীবনের বিশেষ অভিজ্ঞতা। প্রেসিডেন্টের হয়ে হোয়াইট হাউসের পোডিয়াম থেকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

ট্রাম্পও লিভিটের কাজের প্রশংসা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ার পর লিভিট তাঁর শীর্ষ বাইরের উপদেষ্টাদের একজন হবেন। একই সঙ্গে রিপাবলিকান পার্টিতেও তাঁর প্রভাবশালী ভূমিকা থাকবে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে লিভিট রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকবেন বলেও ট্রাম্পের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

 

ট্রাম্পের সঙ্গে লিভিটের কাজের সম্পর্ক নতুন নয়। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি হোয়াইট হাউসের প্রেস অফিসে সহকারী প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে ট্রাম্পের জাতীয় প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান।

 

২০২৪ সালের নভেম্বরে নির্বাচনে জয়ের পর ট্রাম্প তাঁকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত করেন। দায়িত্ব নেওয়ার সময় লিভিটের বয়স ছিল ২৭ বছর। এর মধ্য দিয়ে তিনি হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রেস সেক্রেটারি হন।

 

লিভিটের স্থলাভিষিক্ত হয়ে কে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি হবেন, তা এখনো ঘোষণা করেননি ট্রাম্প। তবে আগস্টের শেষ নাগাদ লিভিটের বর্তমান দায়িত্ব শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ডিএমভি এলাকায় প্রথমবারের মতো লাইভ সংগীত পরিবেশন করবেন কিংবদন্তি শিল্পী নকীব খান। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান আর কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নকীব খানের লাইভ পরিবেশনায় মাতবে ভার্জিনিয়া

ভার্জিনিয়ার আলেকজান্দ্রিয়ায় আগামী ২৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। বাংলাদেশি-আমেরিকান আইটি পিপলস অর্গানাইজেশন (বাইটপো) এর উদ্যোগে ফোর্ট হান্ট পার্কে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ থাকছেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নকীব খান। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ডিএমভি এলাকায় এবারই প্রথম নকীব খানের লাইভ সংগীত পরিবেশনার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসীরা।   দিনব্যাপী এই আয়োজনে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের পাশাপাশি থাকবে সংগীত পরিবেশনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাফেল ড্র এবং বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে আয়োজনটি বড় একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।   আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নকীব খানের পাশাপাশি জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রতীক হাসানসহ আরও কয়েকজন শিল্পী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন। ফলে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি দর্শনার্থীরা উপভোগ করতে পারবেন সরাসরি সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।   নকীব খান বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। প্রায় পাঁচ দশকের সংগীতজীবনে তিনি সোলস ও রেনেসাঁর মতো ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকে দেশের ব্যান্ড সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর সংগীতজীবন ও দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।   বাইটপো যুক্তরাষ্ট্রের ডিএমভি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রযুক্তি পেশাজীবীদের একটি সংগঠন। সংগঠনটি পেশাগত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনও করে থাকে। এর আগে ভার্জিনিয়ায় বাইটপোর আয়োজনে মেজবান ও পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে।   এবারের র‌্যাফেল ড্রতেও থাকছে নানা আকর্ষণ। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, হীরার আংটি, ল্যাপটপ, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন পুরস্কার জেতার সুযোগ থাকছে অংশগ্রহণকারীদের জন্য।   আয়োজক কমিটি থেকে স্যাম রিয়া বলেন, এবারের আয়োজনকে আগের বছরগুলোর তুলনায় আরও বড় পরিসরে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের সঙ্গে সংগীত, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও র‌্যাফেল ড্র যুক্ত করায় পরিবার নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের জন্য দিনটি আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।   তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসের নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পরিচয় আরও গভীরভাবে তৈরি করা সম্ভব।   চট্টগ্রামের মেজবান শুধু খাবারের আয়োজন নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। প্রবাসের মাটিতে সেই ঐতিহ্যকে তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য বাড়ানোও এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।   আগামী ২৩ আগস্ট সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আলেকজান্দ্রিয়ার ফোর্ট হান্ট পার্কের শেল্টার এ-০০১-এ অনুষ্ঠিত হবে এ আয়োজন। মেজবানের স্বাদ, নকীব খানের লাইভ সংগীত এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনাকে ঘিরে উত্তর ভার্জিনিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: আগস্ট ১৩, ২০২৬ ১২:১১
ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ বাইরের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে যাচ্ছেন ২৮ বছর বয়সী ক্যারোলিন লিভিট। ছবি: সংগৃহীত

এবার ট্রাম্পের উপদেষ্টা হচ্ছেন ২৮ বছর বয়সী লিভিট

পানামায় আঞ্চলিক বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: সংগৃহীত

কলম্বিয়ার ভেতরে মার্কিন সামরিক অভিযানের অনুমতি, জানালেন হেগসেথ

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরিপ্রার্থী ও পেশাদারদের জন্য বিভিন্ন সরকারি ফ্রি জব ট্রেনিং প্রোগ্রাম। ছবি: সংগৃহীত

চাকরি, স্কিল কোনোটিই নেই? যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রি চাকরির ট্রেনিং, সাথে মিলবে ডলার

মিশিগানে গ্রেফতারের পর বুকিং ছবির জন্য হিজাব খুলতে বাধ্য হওয়া হেলানা বোয়ে। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ হিজাব খুলতে বাধ্য করায় আড়াই লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন মুসলিম নারী

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে গ্রেফতারের পর বুকিং ছবি তোলার জন্য এক মুসলিম নারীকে হিজাব খুলতে বাধ্য করার ঘটনা নতুন নয়, বরং ২০২১ সালের। ওই ঘটনায় হেলানা বোয়ে নামের নারী প্রথমে ফের্নডেল শহরের কাছে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেন এবং পরে ফেডারেল মামলা করেন। মামলাটি ২০২২ সালে সমঝোতায় নিষ্পত্তি হয় এবং এরপর ফের্নডেল পুলিশ বুকিং ছবিতে মুসলিম নারীদের হিজাব রাখার অনুমতি দিয়ে নীতিও পরিবর্তন করে।   ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের ২১ জুন মিশিগানের এইট মাইল রোডে একটি ট্রাফিক স্টপ থেকে। কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশনসের মিশিগান শাখা বা কেয়ার মিশিগানের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ হেলানা বোয়ের গাড়ির লাইসেন্স প্লেট ট্যাগ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে তাকে থামায়।   ট্রাফিক স্টপের সময় বোয়ে নিজেই পুলিশকে জানান, তার কাছে আত্মরক্ষার জন্য একটি টেজার রয়েছে। এর আগে তিনি ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছিলেন এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য ডিভাইসটি সঙ্গে রাখতেন বলে তার আইনজীবীরা জানান। প্রয়োজনীয় পারমিট ছাড়া টেজার রাখার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে ফের্নডেল পুলিশ ডিপার্টমেন্টে নিয়ে যায়।   মূল বিরোধের শুরু হয় পুলিশ স্টেশনে বুকিং প্রক্রিয়ার সময়। কেয়ার মিশিগানের অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে একজন পুরুষ অফিসার বোয়ের দেহ তল্লাশি করেন, যদিও একজন নারী পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এরপর বুকিং ছবি তোলার সময় ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে আপত্তি জানানো সত্ত্বেও তাকে হিজাব খুলতে বলা হয়।   বোয়ের দাবি ছিল, ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী পরিবারের নির্দিষ্ট সদস্য ছাড়া অপরিচিত পুরুষদের সামনে তিনি চুল প্রকাশ করেন না। হিজাব ছাড়া বুকিং ছবি তোলা এবং সেই ছবি স্থায়ী সরকারি রেকর্ডে থাকার বিষয়টি তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছিল বলে তিনি জানান।   ঘটনার পর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে কেয়ার মিশিগান ফের্নডেল কর্তৃপক্ষের কাছে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণের দাবি জানায়। সে সময় বিষয়টি সরাসরি ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মামলা ছিল না। এটি ছিল ক্ষতিপূরণ চেয়ে দেওয়া একটি আনুষ্ঠানিক দাবি। পরে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় একই বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল কোর্টে মামলা করা হয়।   ফের্নডেল পুলিশ তখন বলেছিল, কর্মকর্তারা প্রচলিত ডিপার্টমেন্ট পলিসি অনুসরণ করেছিলেন। সে সময়কার পুলিশ প্রধান ডেনিস এমি স্বীকার করেন, বুকিংয়ের সময় চুলসহ পরিচয় শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য ধারণ করার নীতির অংশ হিসেবেই হিজাব খুলতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পর নীতি পর্যালোচনা করে কমিউনিটির প্রয়োজনের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সুযোগ রয়েছে।   কেয়ার মিশিগানের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, ড্রাইভার লাইসেন্স ও পাসপোর্টের ছবিসহ বিভিন্ন সরকারি পরিচয়পত্রে ধর্মীয় কারণে হিজাব রাখার সুযোগ রয়েছে। তাদের বক্তব্য ছিল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার পরিচয় শনাক্ত করার প্রয়োজন থাকলেও এমন বিকল্প ব্যবস্থা করা সম্ভব, যাতে ধর্মীয় অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়।   শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালের মে মাসে বোয়ে ও ফের্নডেল শহরের মধ্যে সমঝোতা হয়। সমঝোতার আর্থিক অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি। ফলে তিনি শেষ পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার পেয়েছিলেন এমন দাবি করার পক্ষে প্রকাশ্য তথ্য নেই।   তবে সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ফের্নডেল কর্তৃপক্ষ তাদের নীতি পরিবর্তন করে। নতুন নীতিতে মুসলিম নারীদের বুকিং ছবি তোলার সময় হিজাব পরার অনুমতি দেওয়া হয়। জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া নারী বন্দিকে পুরুষ অফিসারের মাধ্যমে তল্লাশি না করার ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।   ঘটনাটি আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এটিকে সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। হিজাব খুলে বুকিং ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের শুরু ২০২১ সালে এবং মামলাটি ২০২২ সালেই সমঝোতার মাধ্যমে শেষ হয়েছে। তবে ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, সেই আলোচনার একটি উল্লেখযোগ্য নজির হয়ে আছে।

মিশিগান প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ১৩, ২০২৬ ৯:৫৫
এসেক্সের ওয়েস্ট মার্সিয়া সৈকতে তিন ব্রিটিশ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

এসেক্সের সৈকতে ঘুরতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু, সর্বশেষ প্রাণ হারাল ৭ বছরের মুসাও

২. ম্যানহাটনে চার সদস্যের পরিবারের আবাসন খরচ মেটানো কঠিন। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে বছরে ১ লাখ ডলার আয়েও কেন বাংলাদেশীদের সঞ্চয় করা কঠিন!

স্মার্টফোনে মগ্ন একদল শিশু ও কিশোর-কিশোরী।ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ৩৯টি অঙ্গরাজ্যে স্কুলে ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, বিকল্প সুবিধার দাবিতে সরব শিক্ষার্থীরা

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) কর্মকর্তাদের দ্বারা এক ব্যক্তিকে আটক করার দৃশ্য। ছবি:সংগৃহীত
জুলাইয়ে আইসিইর রেকর্ড অভিযান, গ্রেফতার ৫১ হাজার অভিবাসী

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ইমিগ্রেশন অভিযান আরও জোরদার হয়েছে। জুলাই মাসে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিই প্রায় ৫১ হাজার অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। এক মাসে আইসিইর গ্রেফতারের হিসাবে এটি নতুন রেকর্ড। জুনে প্রায় ৪৩ হাজার গ্রেফতারের আগের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে জুলাইয়ের সংখ্যা।   দ্য ইনডিপেনডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জুলাইয়ে প্রায় ৫১ হাজার গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একাধিক ফেডারেল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ৬৪৫ জনকে গ্রেফতার করেছে আইসিই।   ট্রাম্প প্রশাসনের বড় পরিসরের ডিপোর্টেশন কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট বাড়ানোর মধ্যেই এই রেকর্ড হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইসিইকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক গ্রেফতারের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। তবে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি আগে বলেছে, আইসিইর কোনো আনুষ্ঠানিক গ্রেফতার কোটা নেই।   জুলাইয়ের অভিযান শুধু বাসাবাড়ি বা কর্মস্থলে সীমাবদ্ধ ছিল না। এয়ারপোর্ট, ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন অফিস এবং ট্রাফিক স্টপেও গ্রেফতার চালিয়েছে ফেডারেল এজেন্টরা। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে এয়ারপোর্টে নজরদারি বাড়ানোর তথ্য সামনে এসেছে।   ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এয়ারপোর্টে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৪০ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সান ফ্রান্সিসকো, মায়ামি ও মিসৌরির কানসাস সিটির এয়ারপোর্টে গেট ও টিকিট কাউন্টারের কাছেও ফেডারেল এজেন্টদের গ্রেফতার অভিযান চালানোর খবর পাওয়া গেছে।   তবে রেকর্ড গ্রেফতারের পাশাপাশি কাদের আটক করা হচ্ছে, তা নিয়েও বিতর্ক চলছে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, তাদের অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য অপরাধের রেকর্ড থাকা অনথিভুক্ত অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দেওয়া। অন্যদিকে জুলাইয়ের শুরুর দিকের ডিটেনশন তথ্য বিশ্লেষণ করে স্টেটলাইন জানিয়েছিল, আইসিই হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের এক-তৃতীয়াংশেরও কমের ক্রিমিনাল কনভিকশন ছিল। দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, তারা ওই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।   জুলাইয়ের অভিযানকে ঘিরে ট্রাফিক স্টপও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। হিউস্টনে ৫২ বছর বয়সী মেক্সিকান নাগরিক লরেঞ্জো সালগাদো আরাউহো এবং মেইনে ২৫ বছর বয়সী কলম্বিয়ান নাগরিক জোয়ান সেবাস্তিয়ান গেরেরো এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে আইসিই এজেন্টদের গুলিতে নিহত হন। দুটি ঘটনাই ট্রাফিক স্টপের সময় ঘটে।   গেরেরোর ঘটনায় ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বলেছে, জননিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কারণে একজন আইসিই অফিসার গুলি চালান। সালগাদো আরাউহোর ঘটনায় সংস্থাটির দাবি, আত্মরক্ষায় গুলি চালানো হয়েছিল। এসব ঘটনার পর ট্রাফিক স্টপ ব্যবহার করে ইমিগ্রেশন গ্রেফতার নিয়ে সমালোচনা ও প্রতিবাদ বাড়ে।   দ্য ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাণহানির পর ট্রাফিক স্টপ সাময়িকভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্রুত সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন। জুলাইয়ের মাঝামাঝি তিনি ট্রাফিক স্টপকে আইসিইর গুরুত্বপূর্ণ এনফোর্সমেন্ট টুল হিসেবে উল্লেখ করে এটি চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন।   চলতি বছরের শুরুতে মিনিয়াপোলিসে ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার পর ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে আইসিইর অভিযান কিছুটা ধীর হয়েছিল। পরবর্তী মাসগুলোতে আবার গ্রেফতার বাড়তে শুরু করে। জুনে ৪৩ হাজারের বেশি মানুষকে আইসিই ডিটেনশনে নেওয়ার পর জুলাইয়ে সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে যায়।   রেকর্ড গ্রেফতারের পেছনে আইসিইর জনবল ও অর্থায়ন বৃদ্ধিকেও বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফেডারেল সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নতুন হাজারো এজেন্ট নিয়োগ এবং ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের ফলে দেশজুড়ে অভিযান আরও বিস্তৃত করা সম্ভব হয়েছে।   জুলাইয়ের ৫১ হাজার গ্রেফতার দেখাচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট এখন আরও বড় পরিসরে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে এয়ারপোর্ট ও ট্রাফিক স্টপের মতো জায়গায় অভিযান বিস্তৃত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসীদের জন্য আইসিইর এনফোর্সমেন্টের পরিধিও আগের তুলনায় আরও বিস্তৃত হয়েছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: আগস্ট ১৩, ২০২৬ ৮:২৫
তুরস্কের ইস্তানবুলে আয়োজিত গ্রেট প্যালেস্টাইন র‍্যালি'তে ফিলিস্তিনের কুফিয়া বা স্কার্ফ গলায় জড়িয়ে বক্তব্য রাখছেন প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান। ছবি:সংগৃহীত

ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষা সমগ্র মানবজাতির যৌথ দায়িত্ব: প্রেসিডেন্ট এরদোগান

পারমাণবিক শক্তিচালিত নিমিৎজ-শ্রেণির সুপারক্যারিয়ার ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন (সিভিএন-৭২)-কে সমুদ্রে। ছবি:সংগৃহীত

সাগরে দীর্ঘ ২৫০ দিনের বন্দিদশা: তীব্র মানসিক অবসাদে রণতরীতে একের পর এক মার্কিন সেনার আত্মহত্যার চেষ্টা

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই (FBI)-এর লোগো সম্বলিত একটি কোলাজ ছবি।

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার হলে পুলিশের করণীয় নির্ধারণ করলো ট্রাম্প প্রশাসন

0 Comments