আমেরিকা

অসহায় শিক্ষার্থীদের অভাব মেটাতে রাতে ওয়ালমার্টে চাকরি, পুরো বেতন বিলিয়ে দিতেন স্কুলের প্রিন্সিপাল

সামিয়া ইসলাম প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৯:২৪
শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে স্কুল ছুটির পর ওয়ালমার্টে রাতভর কাজ করতেন সাউথ ক্যারোলিনার এক হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে স্কুল ছুটির পর ওয়ালমার্টে রাতভর কাজ করতেন সাউথ ক্যারোলিনার এক হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার একটি হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল। দিনের বড় একটি সময় কাটত স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে। কিন্তু স্কুল ছুটির পর বিশ্রামে না গিয়ে রাত ১০টায় হাজির হতেন ওয়ালমার্টে। রাতভর শেলফে পণ্য সাজিয়ে সকাল ৭টা পর্যন্ত কাজ করতেন। সেই চাকরি থেকে পাওয়া অর্থ নিজের জন্য নয়, খরচ করতেন আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য।

 

মানবিক এই উদ্যোগের পেছনের মানুষটি হেনরি ডারবি। ঘটনাটি ২০২১ সালে ব্যাপক আলোচনায় আসে। সে সময় তিনি সাউথ ক্যারোলিনার নর্থ চার্লসটন হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল ছিলেন। শিক্ষার্থীদের পরিবারের আর্থিক দুর্দশা কাছ থেকে দেখেই অতিরিক্ত চাকরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

 

ডারবি জানতে পেরেছিলেন, তার স্কুলের কিছু শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার খাবার, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ ও পানির বিলসহ দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এমনকি কোনো কোনো শিক্ষার্থীর স্থায়ীভাবে থাকার জায়গাও ছিল না। স্কুল ডিস্ট্রিক্টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি এমন পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নিজের অর্থও ব্যয় করতেন।

 

একপর্যায়ে ডারবি সিদ্ধান্ত নেন, সহায়তার পরিমাণ বাড়াতে হলে তাকে বাড়তি আয় করতে হবে। তাই স্থানীয় একটি ওয়ালমার্টে রাতের শিফটে কাজ নেন। সপ্তাহে তিন রাত রাত ১০টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সেখানে শেলফে পণ্য সাজানোর কাজ করতেন তিনি।

 

রাতের শিফট শেষ করেই আবার স্কুলে ফিরতেন ডারবি। অর্থাৎ যে সময়টুকু তার ঘুম ও বিশ্রামের জন্য থাকার কথা, সেই সময়ের বড় অংশই চলে যেত দ্বিতীয় কর্মস্থলে।

 

ওয়ালমার্ট থেকে পাওয়া অর্থ তিনি প্রয়োজন থাকা শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সহায়তায় ব্যবহার করতেন। কারও বিল পরিশোধ, কারও খাবার কিংবা অন্য জরুরি খরচে সেই অর্থ কাজে লাগত।

 

প্রথমদিকে বিষয়টি গোপনই রাখতে চেয়েছিলেন ডারবি। কিন্তু ওয়ালমার্টে কাজ করার প্রথম রাতেই এক শিক্ষার্থী তাকে চিনে ফেলেন। এরপর ধীরে ধীরে তার এই উদ্যোগের কথা ছড়িয়ে পড়ে।

 

ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে। ডারবির উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে আসে।

 

সবচেয়ে বড় চমকটি আসে ওয়ালমার্টের কাছ থেকে। কেন একজন স্কুল প্রিন্সিপাল রাতভর তাদের স্টোরে কাজ করছেন, সেই কারণ জানার পর প্রতিষ্ঠানটি নর্থ চার্লসটন হাইস্কুলকে ৫০ হাজার ডলার অনুদান দেয়। ২০২১ সালের ২৯ জানুয়ারি জাতীয় টেলিভিশনে ডারবির হাতে সেই অনুদান তুলে দেওয়া হয়।

 

শুধু ওয়ালমার্ট নয়, ডারবির উদ্যোগের কথা ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও বিপুল অর্থ সহায়তা আসে। স্কুল ডিস্ট্রিক্ট জানিয়েছিল, তার উদ্যোগের ফলে স্কুলের সিনিয়র শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন স্কলারশিপও তৈরি হয়।

 

ডারবির এই কাজের স্বীকৃতি আসে সাউথ ক্যারোলিনা রাজ্য থেকেও। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গভর্নর হেনরি ম্যাকমাস্টার তাকে রাজ্যের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য পালমেটো’ প্রদান করেন।

 

এত সহায়তা পাওয়ার পরও ডারবি তখন জানিয়েছিলেন, তিনি ওয়ালমার্টের চাকরি ছেড়ে দিতে চান না। কারণ তার কাছে এই কাজ প্রচারের জন্য নয়, বরং প্রয়োজনের সময় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি উপায়।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজ বাড়ির বারান্দায় গুলিতে নিহত হয়েছেন ক্যালটেকের খ্যাতিমান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল গ্রিলমেয়ার। ছবি: সংগৃহীত
পৃথিবীর বাহিরে দূর গ্রহে পানির সন্ধান পাওয়া বিজ্ঞানী নিজ বাড়ির দরজায় গুলিতে নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজ বাড়ির বারান্দায় গুলিতে নিহত হয়েছেন ক্যালটেকের খ্যাতিমান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল গ্রিলমেয়ার। সৌরজগতের বাইরের গ্রহ ও মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি নিয়ে কয়েক দশক গবেষণা করা ৬৭ বছর বয়সী এই বিজ্ঞানীর হত্যার ঘটনায় ২৯ বছর বয়সী ফ্রেডি স্নাইডারের বিরুদ্ধে মার্ডারসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।   ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির লানো এলাকায়। সকাল প্রায় ৬টা ১০ মিনিটে অস্ত্র দিয়ে হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি শেরিফের ডেপুটিরা। বাড়ির সামনের বারান্দায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রিলমেয়ারকে পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।   লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনারের তথ্য অনুযায়ী, গুলির আঘাতেই তার মৃত্যু হয় এবং ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।   মামলার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফ্রেডি স্নাইডারের বিরুদ্ধে মার্ডার, কারজ্যাকিং এবং ফার্স্ট ডিগ্রি রেসিডেনশিয়াল বার্গলারির একটি করে ফেলনি অভিযোগ রয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির অফিস জানিয়েছে, গত ২৬ মে আদালতে হাজির হয়ে সব অভিযোগে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন স্নাইডার।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ঘটনার দিন সকালে স্নাইডার দুটি রাইফেল নিয়ে নিজের মায়ের কাছে গাড়ির চাবি দাবি করেন। মা চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ঘরের ছাদ লক্ষ্য করে গুলি চালান এবং পরে গাড়িটি নিয়ে বেরিয়ে যান।   এরপর তিনি কাছেই গ্রিলমেয়ারের বাড়িতে যান বলে অভিযোগ। বাড়ির ড্রাইভওয়েতে গাড়ির উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রিলমেয়ার বাইরে বেরিয়ে এলে নিজের সামনের বারান্দাতেই তাকে গুলি করা হয়।   ঘটনাটির সঙ্গে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যুক্ত হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই মাস আগে, ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর গ্রিলমেয়ার তার সম্পত্তিতে সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ডেকেছিলেন। ওই ঘটনায় স্নাইডারের নামও উঠে আসে। পরে তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট একটি বার্গলারির অভিযোগও আনা হয়েছে।   তদন্তকারীরা আগে জানিয়েছিলেন, গ্রিলমেয়ার ও স্নাইডারের মধ্যে ব্যক্তিগত পরিচয় থাকার কোনো স্পষ্ট তথ্য তারা পাননি। ফলে কেন গ্রিলমেয়ারের বাড়িতে গিয়ে তাকে গুলি করা হলো, হত্যাকাণ্ডের পেছনে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য কী ছিল, তা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ছিল।   গ্রিলমেয়ারের মৃত্যু ক্যালটেকের বিজ্ঞানী মহলেও বড় ধাক্কা হয়ে আসে। তিনি ক্যালটেকের আইপ্যাক সায়েন্স অ্যান্ড ডেটা সেন্টারে দীর্ঘদিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করেছেন। তার গবেষণার বড় অংশজুড়ে ছিল এক্সোপ্ল্যানেট, মিল্কিওয়ের গঠন এবং ‘স্টেলার স্ট্রিম’, অর্থাৎ প্রাচীন গ্যালাক্সি ও তারার গুচ্ছের সংঘর্ষের পর থেকে যাওয়া তারার দীর্ঘ প্রবাহ।   ২০০৭ সালে তিনি এমন একটি গবেষণার নেতৃত্ব দেন, যেখানে সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে আসা আলো বিশ্লেষণ করে তাদের বায়ুমণ্ডলে অণুর উপস্থিতি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসে। এক্সোপ্ল্যানেটের বায়ুমণ্ডল বোঝার ক্ষেত্রে কাজটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে ওঠে।   মিল্কিওয়ের ইতিহাস বুঝতেও তার গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি কয়েক ডজন স্টেলার স্ট্রিম শনাক্ত করেছিলেন। এসব তারার প্রবাহ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করেন, কোটি কোটি বছর ধরে ছোট গ্যালাক্সি ও তারার গুচ্ছের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে কীভাবে মিল্কিওয়ে বর্তমান রূপ পেয়েছে।   বৈজ্ঞানিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১১ সালে গ্রিলমেয়ার নাসার ‘এক্সেপশনাল সায়েন্টিফিক অ্যাচিভমেন্ট মেডেল’ পান। কর্মজীবনে তার ১৪৭টি পিয়ার রিভিউড গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। হাবল ও স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করেও তিনি দীর্ঘ সময় গবেষণা করেছেন।   জীবনের বড় একটি অংশ মহাকাশের দূরবর্তী গ্রহ, নক্ষত্র আর মিল্কিওয়ের অতীত অনুসন্ধানে কাটানো এই বিজ্ঞানীর জীবন শেষ হয় নিজের বাড়ির সামনের বারান্দায় একটি গুলিতে। তার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত স্নাইডারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। তবে আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনত নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ১০:২৫
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ফ্লক ক্যামেরা সিস্টেমে নিজের আলাদা থাকা স্ত্রীর গাড়ির লাইসেন্স প্লেট ৭১৭ বার সার্চ করার অভিযোগ উঠেছে ফ্লোরিডার এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লক ক্যামেরায় স্ত্রীর গাড়ি ৭১৭ বার ট্র্যাক, এক মাসেই ২৮০ বার খুঁজেছেন পুলিশ কর্মকর্তা

হরমুজ প্রণালীকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখিয়ে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড’ দাবি করে ট্রাম্পের নতুন মানচিত্র, ইরানের পাল্টা শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে ম্যাট্রেসের নিচে লুকিয়ে থাকা ২৪ বছর বয়সী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

ম্যাট্রেসের নিচে লুকিয়েও রক্ষা হলো না, পুলিশ দেখে মাকে ডাকায় অফিসারকে মায়ের ঘুষি

শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে স্কুল ছুটির পর ওয়ালমার্টে রাতভর কাজ করতেন সাউথ ক্যারোলিনার এক হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল। ছবি: সংগৃহীত
অসহায় শিক্ষার্থীদের অভাব মেটাতে রাতে ওয়ালমার্টে চাকরি, পুরো বেতন বিলিয়ে দিতেন স্কুলের প্রিন্সিপাল

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার একটি হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল। দিনের বড় একটি সময় কাটত স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে। কিন্তু স্কুল ছুটির পর বিশ্রামে না গিয়ে রাত ১০টায় হাজির হতেন ওয়ালমার্টে। রাতভর শেলফে পণ্য সাজিয়ে সকাল ৭টা পর্যন্ত কাজ করতেন। সেই চাকরি থেকে পাওয়া অর্থ নিজের জন্য নয়, খরচ করতেন আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য।   মানবিক এই উদ্যোগের পেছনের মানুষটি হেনরি ডারবি। ঘটনাটি ২০২১ সালে ব্যাপক আলোচনায় আসে। সে সময় তিনি সাউথ ক্যারোলিনার নর্থ চার্লসটন হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল ছিলেন। শিক্ষার্থীদের পরিবারের আর্থিক দুর্দশা কাছ থেকে দেখেই অতিরিক্ত চাকরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।   ডারবি জানতে পেরেছিলেন, তার স্কুলের কিছু শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার খাবার, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ ও পানির বিলসহ দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এমনকি কোনো কোনো শিক্ষার্থীর স্থায়ীভাবে থাকার জায়গাও ছিল না। স্কুল ডিস্ট্রিক্টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি এমন পরিবারের পাশে দাঁড়াতে নিজের অর্থও ব্যয় করতেন।   একপর্যায়ে ডারবি সিদ্ধান্ত নেন, সহায়তার পরিমাণ বাড়াতে হলে তাকে বাড়তি আয় করতে হবে। তাই স্থানীয় একটি ওয়ালমার্টে রাতের শিফটে কাজ নেন। সপ্তাহে তিন রাত রাত ১০টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত সেখানে শেলফে পণ্য সাজানোর কাজ করতেন তিনি।   রাতের শিফট শেষ করেই আবার স্কুলে ফিরতেন ডারবি। অর্থাৎ যে সময়টুকু তার ঘুম ও বিশ্রামের জন্য থাকার কথা, সেই সময়ের বড় অংশই চলে যেত দ্বিতীয় কর্মস্থলে।   ওয়ালমার্ট থেকে পাওয়া অর্থ তিনি প্রয়োজন থাকা শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সহায়তায় ব্যবহার করতেন। কারও বিল পরিশোধ, কারও খাবার কিংবা অন্য জরুরি খরচে সেই অর্থ কাজে লাগত।   প্রথমদিকে বিষয়টি গোপনই রাখতে চেয়েছিলেন ডারবি। কিন্তু ওয়ালমার্টে কাজ করার প্রথম রাতেই এক শিক্ষার্থী তাকে চিনে ফেলেন। এরপর ধীরে ধীরে তার এই উদ্যোগের কথা ছড়িয়ে পড়ে।   ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে। ডারবির উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে আসে।   সবচেয়ে বড় চমকটি আসে ওয়ালমার্টের কাছ থেকে। কেন একজন স্কুল প্রিন্সিপাল রাতভর তাদের স্টোরে কাজ করছেন, সেই কারণ জানার পর প্রতিষ্ঠানটি নর্থ চার্লসটন হাইস্কুলকে ৫০ হাজার ডলার অনুদান দেয়। ২০২১ সালের ২৯ জানুয়ারি জাতীয় টেলিভিশনে ডারবির হাতে সেই অনুদান তুলে দেওয়া হয়।   শুধু ওয়ালমার্ট নয়, ডারবির উদ্যোগের কথা ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও বিপুল অর্থ সহায়তা আসে। স্কুল ডিস্ট্রিক্ট জানিয়েছিল, তার উদ্যোগের ফলে স্কুলের সিনিয়র শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন স্কলারশিপও তৈরি হয়।   ডারবির এই কাজের স্বীকৃতি আসে সাউথ ক্যারোলিনা রাজ্য থেকেও। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গভর্নর হেনরি ম্যাকমাস্টার তাকে রাজ্যের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য পালমেটো’ প্রদান করেন।   এত সহায়তা পাওয়ার পরও ডারবি তখন জানিয়েছিলেন, তিনি ওয়ালমার্টের চাকরি ছেড়ে দিতে চান না। কারণ তার কাছে এই কাজ প্রচারের জন্য নয়, বরং প্রয়োজনের সময় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি উপায়।

সামিয়া ইসলাম প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৯:২৪
মেক্সিকান ফুড চেইন চিপোটলে

চিপোটলে দিচ্ছে ১০ লাখ ডলারের বেশি ফ্রি খাবার!আগামী তিন দিন যেভাবে পাবেন সুযোগ

বাগানের চেয়ারে ৪২ বেলুন বেঁধে আকাশে, ১৬ হাজার ফুটে উঠে তাকে দেখে চমকে যায় পাইলট

বাগানের চেয়ারে ৪২ বেলুন বেঁধে আকাশে, ১৬ হাজার ফুটে উঠে তাকে দেখে চমকে যায় পাইলট

জন্মদিন ৭/১১, জন্মের সময় ৭:১১ এবং ওজন ৭ পাউন্ড ১১ আউন্স। একই সংখ্যার এমন বিরল মিল শেষ পর্যন্ত জে’আইম ব্রাউনের জীবনের প্রথম কয়েক দিনের মধ্যেই এনে দিয়েছিল ৭ হাজার ১১১ ডলারের কলেজ ফান্ড।

৭/১১-তারিখে ৭:১১ মিনিটে জন্ম, ভবিষ্যতে কলেজে পড়ার জন্য ৭-ইলেভেন দিল ৭,১১১ ডলারের ফান্ড

ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টের কাছাকাছি দামেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বাড়ি!
ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টের কাছাকাছি দামেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বাড়ি!

ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি সাধারণ বাড়ি কিনতে যে পরিমাণ অর্থ ডাউন পেমেন্ট হিসেবে লাগতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক সস্তা অঙ্গরাজ্য ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু এলাকায় সেই অর্থের কাছাকাছি দামেই পুরো বাড়ি কেনার সুযোগ রয়েছে। তবে বাড়ির অবস্থান, আয়তন ও অবস্থা অনুযায়ী দাম ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।   জিলোর ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বাড়ির গড় মূল্য ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৯ ডলার। অন্যদিকে মে মাসে রাজ্যটির মিডিয়ান বিক্রয়মূল্য ছিল ৭ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৭ ডলার।   এই গড় মূল্যের একটি বাড়ি কিনতে কেউ যদি ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দেন, তাহলে শুরুতেই দিতে হবে প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ১১০ ডলার। এর বাইরে ক্লোজিং কস্ট, হোম ইন্স্যুরেন্স, প্রপার্টি ট্যাক্স এবং মর্টগেজের অন্যান্য খরচ থাকতে পারে।   তবে ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়। ক্রেতার লোন প্রোগ্রাম, ক্রেডিট প্রোফাইল ও অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভর করে এর চেয়ে কম ডাউন পেমেন্টেও বাড়ি কেনা সম্ভব। ২০ শতাংশ দেওয়ার একটি বড় সুবিধা হলো, প্রচলিত অনেক মর্টগেজে প্রাইভেট মর্টগেজ ইন্স্যুরেন্স এড়ানো যায়।   ক্যালিফোর্নিয়ার সঙ্গে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার দামের ব্যবধান বেশ বড়। একই সময়ের জিলো তথ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় একটি বাড়ির গড় মূল্য ১ লাখ ৮২ হাজার ৭০৪ ডলার। অর্থাৎ ক্যালিফোর্নিয়ার গড় বাড়ির মূল্যের ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের সঙ্গে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গড় বাড়ির মূল্যের ব্যবধান প্রায় ২৭ হাজার ৬০০ ডলার।   তবে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু এলাকায় বাড়ির সাধারণ মূল্য এর চেয়েও কম। জিলোর জুনের তথ্যে সাটনে সাধারণ বাড়ির মূল্য প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৮২ ডলার, ফ্ল্যাটউডসে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৬ ডলার এবং গ্যাসাওয়েতে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৬ ডলার। ফলে ক্যালিফোর্নিয়ার গড় বাড়ির ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের সমপরিমাণ অর্থে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু বাজারে পুরো বাড়ি কেনা বাস্তবেই সম্ভব হতে পারে।   তবে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার সব বাড়ি ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে পাওয়া যায়, এমন ধারণা সঠিক নয়। জিলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে রাজ্যটির মিডিয়ান বিক্রয়মূল্য ছিল ২ লাখ ২১ হাজার ১৬৭ ডলার এবং জুনে মিডিয়ান লিস্টিং প্রাইস ছিল ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬০০ ডলার। তাই নির্দিষ্ট একটি কমদামি বাড়ির উদাহরণকে পুরো রাজ্যের বাজারদর হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।   ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার আরেকটি সুবিধা তুলনামূলক কম প্রপার্টি ট্যাক্স। ট্যাক্স ফাউন্ডেশনের ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, মালিকের নিজস্ব বসবাসের বাড়ির মূল্যের ওপর রাজ্যটির কার্যকর প্রপার্টি ট্যাক্স রেট গড়ে প্রায় শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ।   বাজারে ক্রেতাদের জন্য বাড়ির সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। জিলোর হিসাবে, জুনের শেষে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বিক্রির জন্য ৫ হাজার ১৯৮টি বাড়ি ছিল এবং ওই মাসে নতুন করে ১ হাজার ৭৪৯টি বাড়ি বাজারে আসে। মে মাসে ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ি লিস্টিং প্রাইসের নিচে বিক্রি হয়েছে।   তবে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় গেলে শুধু বাড়ির দাম বিবেচনা করলেই হবে না। চাকরির সুযোগ, আয়, স্কুল ডিস্ট্রিক্ট, হেলথ কেয়ার, যাতায়াত, হোম ইন্স্যুরেন্স, বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভবিষ্যতে বাড়িটি বিক্রি করার সম্ভাবনাও হিসাব করতে হবে। বিশেষ করে কমদামি পুরোনো বাড়ির ক্ষেত্রে মেরামতের খরচ উল্লেখযোগ্য হতে পারে।   একই কারণে ক্যালিফোর্নিয়ায় মাসে ৩ হাজার ৫০০ ডলার এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় ৮০০ থেকে ৯০০ ডলার খরচ হবেই, এমন নির্দিষ্ট তুলনাও সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মর্টগেজের পরিমাণ, ডাউন পেমেন্ট, সুদের হার, প্রপার্টি ট্যাক্স ও ইন্স্যুরেন্সের ওপর মাসিক খরচ নির্ভর করে।   আর ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্ক থেকে “হাজার হাজার বাংলাদেশি পরিবার” ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় চলে যাচ্ছে, এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। বরং ইউএস সেনসাস ব্যুরোর হিসাবে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মোট জনসংখ্যা কমেছে।   তারপরও বাড়ির দামের বিশাল ব্যবধান একটি বিষয় পরিষ্কার করে। ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির মালিক হতে যে অর্থ শুধু ডাউন পেমেন্টে চলে যেতে পারে, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু শহর ও ছোট কমিউনিটিতে সেই বাজেটেই মর্টগেজ ছাড়াই একটি বাড়ি কেনার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। তবে কোথায় বসবাস করবেন, সেই সিদ্ধান্তে বাড়ির দাম যতটা গুরুত্বপূর্ণ, চাকরি, জীবনযাত্রা ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক হিসাবও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৬:৫৭
ডেভিড ওয়ার্নার

মদ্য'প অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে দোষী সাব্যস্ত ওয়ার্নার, জরিমানা ১.৩ লাখ টাকা

নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক অস্ট্রেলিয়ান

নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ম্যাকডোনাল্ডসে খাবার খাওয়ার সময় কিশোরকে একাধিক ছুরিকাঘাত

লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই. জিন ক্যারল ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা

৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের রায় বাতিলে সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

0 Comments