গাড়িতে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার পরও আগুনের ঝুঁকি! যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ লাখের বেশি গাড়ি রিকল
গাড়ি চালানো হচ্ছে না, ইঞ্জিনও বন্ধ। তারপরও হঠাৎ আগুন ধরে যেতে পারে। এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছর ১৫ লাখের বেশি গাড়ি রিকল করা হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে নির্দিষ্ট মডেলের গাড়ির মালিকদের বাড়ি, গ্যারেজ ও অন্য গাড়ি থেকে দূরে খোলা জায়গায় পার্ক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এনএইচটিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসেই অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে ১৭টি 'পার্ক আউটসাইড' রিকল ক্যাম্পেইন হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এ ধরনের সতর্কতা দ্রুত বাড়ছে।
দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নির্দিষ্ট জিপ র্যাংলার, জিপ গ্ল্যাডিয়েটর, কিয়া টেলুরাইড এবং বিএমডব্লিউ ৫৩০ই এক্সড্রাইভসহ বেশ কিছু গাড়ির মালিককে বাড়ি বা অন্য গাড়ি থেকে দূরে পার্ক করতে বলা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় সাম্প্রতিক রিকলগুলোর একটি জিপের। জুনে স্টেলান্টিস ২০২১ থেকে ২০২৫ মডেল ইয়ারের ১০ লাখ ৭৬ হাজার ৯৯৯টি জিপ র্যাংলার ও জিপ গ্ল্যাডিয়েটর রিকল করে। এসব গাড়িতে হাইড্রোলিক পাওয়ার স্টিয়ারিং পাম্পের বৈদ্যুতিক তারের সমস্যার কারণে আগুন লাগার ঝুঁকি শনাক্ত করা হয়।
এই সমস্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ৫১টি অগ্নিকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি ঘটনায় আহত হওয়ার তথ্যও রয়েছে। গাড়ি বন্ধ থাকার সময়ও আগুন লাগতে পারে বলে মালিকদের সতর্ক করা হয়।
এরপর জুলাইয়ে কিয়া ২০২০ থেকে ২০২৪ মডেল ইয়ারের ৪ লাখ ৬২ হাজার ৮৬৯টি টেলুরাইড রিকল করে। এনএইচটিএসএ জানায়, সামনের পাওয়ার সিটের মোটর অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে।
কিয়ার তথ্য অনুযায়ী, এ সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত সাতটি সিটে আগুন লাগার ঘটনা এবং ১১টি সিট মোটর গলে যাওয়ার ঘটনা তাদের জানা রয়েছে। সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এসব গাড়ি ভবন ও অন্য গাড়ি থেকে দূরে বাইরে পার্ক করতে বলা হয়েছে।
কিয়া টেলুরাইডের ক্ষেত্রে সামনের পাওয়ার সিটের স্লাইড কভার বা নব আঘাত পেলে সুইচ সরে যেতে বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে মোটর একটানা চলতে থেকে অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন লাগার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আগের রিকলের অধীনে সঠিকভাবে মেরামত না হলেও একই ঝুঁকি থাকতে পারে।
এই রিকলের আওতাভুক্ত কিয়া টেলুরাইডে ডিলাররা বিনা খরচে একটি ইলেকট্রনিক ফিউজ অ্যাসেম্বলি বসাবে। নতুন ব্যবস্থাটি সিটের সুইচে সমস্যা হলে মোটরকে একটানা চলা থেকে রক্ষা করবে।
এ ধরনের রিকলকে 'পার্ক আউটসাইড' রিকল বলা হয়। কারণ আগুনের ঝুঁকি শুধু গাড়ি চালানোর সময় নয়, গাড়ি পার্ক করা এবং ইঞ্জিন বন্ধ থাকার সময়ও থাকতে পারে। এ কারণেই মালিকদের সাধারণ গ্যারেজের পরিবর্তে ভবন ও অন্য গাড়ি থেকে দূরে খোলা জায়গায় গাড়ি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সাবেক এনএইচটিএসএ তদন্তকারী ফ্র্যাঙ্ক বরিসের মতে, আধুনিক গাড়িতে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার পরও কিছু বৈদ্যুতিক সার্কিট সক্রিয় বা গরম থাকতে পারে। গাড়িতে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অল্প জায়গায় আরও বেশি প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে। এতে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে অতিরিক্ত তাপ বা শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
পরিসংখ্যানেও উদ্বেগের বিষয়টি স্পষ্ট। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১০টি 'পার্ক আউটসাইড' রিকল হয়েছিল। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয় ১৯টি। আর ২০২৬ সালের শুধু জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যেই এমন ১৭টি রিকল হয়েছে।
গাড়ির মালিকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের গাড়ি কোনো রিকলের আওতায় আছে কি না তা যাচাই করা। এনএইচটিএসএর রিকল ব্যবস্থায় গাড়ির ১৭ ডিজিটের ভেহিকল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা ভিআইএন দিয়ে নির্দিষ্ট গাড়ির রিকল স্ট্যাটাস জানা যায়।
কোনো গাড়ির জন্য 'পার্ক আউটসাইড' নির্দেশনা থাকলে মেরামত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সেটি বাড়ির গ্যারেজে বা অন্য গাড়ির পাশে না রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কারণ কিছু ক্ষেত্রে আগুন লাগার জন্য গাড়ির চলমান থাকা প্রয়োজন নেই। ইঞ্জিন বন্ধ অবস্থাতেও বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে চালু হচ্ছে। নির্ধারিত সপ্তাহে প্রতিদিন সব ক্লাসে উপস্থিত থাকলে হাইস্কুল শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ১০০ ডলার এবং মিডল স্কুল শিক্ষার্থীরা ৫০ ডলারের ভিসা গিফট কার্ড পাবে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ডেট্রয়েট পাবলিক স্কুলস কমিউনিটি ডিস্ট্রিক্ট তাদের 'পারফেক্ট অ্যাটেনডেন্স পেইস' কর্মসূচিতে মিডল স্কুল শিক্ষার্থীদেরও যুক্ত করছে। এই কর্মসূচি অবশ্য নতুন নয়। ডেট্রয়েটের হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুপস্থিতি কমাতে আগের দুই বছর ধরে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত নির্ধারিত পাঁচ দিনের প্রতিটি চক্রে শতভাগ উপস্থিতি ধরে রাখতে পারলে একজন হাইস্কুল শিক্ষার্থী ১০০ ডলারের গিফট কার্ড পেয়েছে। পুরো কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ এক হাজার ডলার পর্যন্ত পাওয়ার সুযোগ ছিল। ডিস্ট্রিক্টের তথ্য অনুযায়ী, গত শিক্ষাবর্ষে প্রায় ১২ হাজার ৮০০ হাইস্কুল শিক্ষার্থী অন্তত একবার ১০০ ডলারের গিফট কার্ড পেয়েছে। ডেট্রয়েটের ২৬টি হাইস্কুলে মোট ১৫ হাজার ২৪৭ শিক্ষার্থী ছিল। অর্থাৎ প্রায় ৮৪ শতাংশ হাইস্কুল শিক্ষার্থী অন্তত একটি পেমেন্ট পেয়েছে। শুধু স্কুলে হাজির হলেই অবশ্য টাকা পাওয়া যায় না। নির্ধারিত পাঁচ দিনের চক্রে শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন স্কুলে থাকতে হয় এবং নির্ধারিত প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হয়। উপস্থিতির তথ্য স্কুলের রেকর্ডের মাধ্যমে যাচাই করার পর যোগ্য শিক্ষার্থীদের গিফট কার্ড দেওয়া হয়। কর্মসূচিটির ফলাফলও নজরে পড়ার মতো। ডিস্ট্রিক্টের হিসাবে, হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদি অনুপস্থিতির হার কর্মসূচি শুরুর আগের সময়ের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে হাইস্কুল পর্যায়ে এই হার ছিল ৬৪ শতাংশ। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এপ্রিলের শেষ নাগাদ তা কমে প্রায় ৫৪ শতাংশে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণভাবে কোনো শিক্ষার্থী একটি শিক্ষাবর্ষের মোট স্কুল দিবসের অন্তত ১০ শতাংশ অনুপস্থিত থাকলে তাকে দীর্ঘমেয়াদি অনুপস্থিত শিক্ষার্থী হিসেবে ধরা হয়। ১৮০ দিনের একটি শিক্ষাবর্ষে প্রায় ১৮ দিন বা তার বেশি স্কুল মিস করলে এই শ্রেণিতে পড়তে পারে একজন শিক্ষার্থী। ডেট্রয়েটে সমস্যাটি দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে পুরো ডিস্ট্রিক্টের প্রায় ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী দীর্ঘমেয়াদি অনুপস্থিতির তালিকায় ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষের মতে, বিশেষ করে হাইস্কুল পর্যায়ে নিয়মিত উপস্থিতি ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। এই কারণেই জানুয়ারি থেকে মার্চের সময়কে আর্থিক প্রণোদনার জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শীতের এই সময়টিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সাধারণত কমে যায়। অথচ একই সময়ে নিয়মিত ক্লাস করা ক্রেডিট অর্জন এবং সময়মতো গ্র্যাজুয়েশনের পথে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ডিস্ট্রিক্টের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, বছরে ১৮ দিন বা তার কম স্কুল মিস করা শিক্ষার্থীরা স্টেট অ্যাসেসমেন্টে গ্রেড লেভেল বা তার ওপরে ফল করার ক্ষেত্রে তিন থেকে পাঁচ গুণ বেশি সম্ভাবনাময়। এ কারণেই শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, সরাসরি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার কৌশল বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আগের কর্মসূচিটি শুধু নবম থেকে দ্বাদশ গ্রেডের শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সেটি মিডল স্কুলেও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ উপস্থিতির সপ্তাহে ১০০ ডলারের প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে, আর যোগ্য মিডল স্কুল শিক্ষার্থীরা একইভাবে সপ্তাহে ৫০ ডলার পাবে। 'পারফেক্ট অ্যাটেনডেন্স পেইস' ডেট্রয়েট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের বৃহত্তর উপস্থিতি উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি অংশ। ডিস্ট্রিক্টের 'ব্লুপ্রিন্ট ২০২৭' পরিকল্পনায় গড় দৈনিক উপস্থিতি ৯০ শতাংশে উন্নীত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি অনুপস্থিতির হার ৪২ দশমিক ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কুলে উপস্থিতির বিনিময়ে সরাসরি আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা থাকলেও ডেট্রয়েট কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য স্পষ্ট - শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে ফিরিয়ে আনা, পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা বাড়ানো এবং তাদের গ্র্যাজুয়েশনের পথে ধরে রাখা।
আমেরিকায় ইউএসপিএসে চাকরির সুযোগ : আবেদন করার যোগ্যতা, সুবিধা এবং আবেদন করবেন যেভাবে
গাড়িতে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার পরও আগুনের ঝুঁকি! যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ লাখের বেশি গাড়ি রিকল
অপারেশনের সময় পটাশিয়াম দেওয়ার পর পরই প্যারালাইজড বৃদ্ধা, হাসপাতালের বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তব রকেট ডিজাইন, নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের সুযোগ নিয়ে আবারও শুরু হচ্ছে নাসার স্টুডেন্ট লঞ্চ চ্যালেঞ্জ। ২০২৭ সালের এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে কলেজ ও ইউনিভার্সিটির পাশাপাশি যোগ্য মিডল ও হাইস্কুল পর্যায়ের দলগুলো আবেদন করতে পারবে। নাসার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আবেদন বা প্রপোজাল জমা দেওয়ার শেষ সময় ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল টাইম। নাসার স্টুডেন্ট লঞ্চ মূলত নয় মাসব্যাপী একটি ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জ। এতে নির্বাচিত শিক্ষার্থী দলগুলোকে একটি হাই-পাওয়ার রকেট ডিজাইন, তৈরি, পরীক্ষা এবং শেষ পর্যন্ত উৎক্ষেপণ করতে হয়। রকেটের সঙ্গে বৈজ্ঞানিক বা ইঞ্জিনিয়ারিং পেলোডও তৈরি করতে হয়। ফলে এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তব মহাকাশ ও অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ কাছ থেকে শেখার সুযোগ। পুরো কর্মসূচিটি পরিচালনা করে আলাবামার হান্টসভিলে অবস্থিত নাসার মার্শাল স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের অফিস অব স্টেম এনগেজমেন্ট। চ্যালেঞ্জের বিভিন্ন গবেষণা ও প্রকৌশল বিষয় তৈরিতে নাসার স্পেস লঞ্চ সিস্টেম এবং আর্টেমিস কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও ইন্ডাস্ট্রি পার্টনাররা যুক্ত থাকেন। নাসার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো কলেজ বা ইউনিভার্সিটি ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট লঞ্চ ইনিশিয়েটিভ বিভাগে অংশ নেওয়ার জন্য প্রপোজাল জমা দিতে পারে। এটি প্রতিযোগিতামূলক বিভাগ এবং প্রপোজাল যাচাইয়ের পর দল নির্বাচন করা হয়। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ গ্রেডের শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে আলাদা স্টুডেন্ট লঞ্চ ইনিশিয়েটিভ বিভাগ। তবে এই পর্যায়ে সরাসরি সব স্কুল আবেদন করতে পারবে না। নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। আমেরিকান রকেট্রি চ্যালেঞ্জের শীর্ষ ২৫টি স্কুল এবং রকেটস ফর স্কুলস প্রতিযোগিতার ক্লাস টু বিভাগের শীর্ষ সাতটি স্কুল নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে প্রপোজাল জমা দেওয়ার সুযোগ পাবে। একটি স্কুল থেকে সর্বোচ্চ একটি দল অংশ নিতে পারবে। চ্যালেঞ্জের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, শিক্ষার্থীদের কাজ অনেকটাই নাসার বাস্তব ইঞ্জিনিয়ারিং প্রক্রিয়ার আদলে পরিচালিত হয়। নির্বাচিত দলকে ধাপে ধাপে প্রিলিমিনারি ডিজাইন রিভিউ, ক্রিটিক্যাল ডিজাইন রিভিউ, ফ্লাইট রেডিনেস রিভিউ এবং লঞ্চ রেডিনেস রিভিউ সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি ধাপ সফলভাবে শেষ করেই পরবর্তী পর্যায়ে যেতে হবে। রকেট উৎক্ষেপণের পরও কাজ শেষ হবে না। শিক্ষার্থীদের রকেটের ফ্লাইট ও পেলোড থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করতে হবে এবং পোস্ট লঞ্চ অ্যাসেসমেন্ট রিভিউ সম্পন্ন করতে হবে। এর মাধ্যমে একটি প্রকল্পের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে ডিজাইন, পরীক্ষা, উৎক্ষেপণ এবং ফলাফল বিশ্লেষণ পর্যন্ত পুরো ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফসাইকেলের অভিজ্ঞতা দেওয়ার চেষ্টা করে নাসা। ২০২৭ সালের স্টুডেন্ট লঞ্চের চূড়ান্ত আয়োজন হবে আলাবামার হান্টসভিলে। নাসার ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, লঞ্চ ডে নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ এপ্রিল ২০২৭। এখানেই বিভিন্ন দলের তৈরি হাই-পাওয়ার রকেট উৎক্ষেপণ করা হবে। নাসা বলছে, এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষার্থীদের রকেট বানানো শেখানো নয়। ভবিষ্যতের স্টেম ও অ্যারোস্পেস কর্মশক্তি তৈরির জন্য বাস্তব গবেষণা, সমস্যা সমাধান, দলগত কাজ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে আর্টেমিস কর্মসূচির মাধ্যমে চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে আগ্রহী করে তোলার বিষয়টিও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। আগ্রহী কলেজ ও ইউনিভার্সিটি এবং যোগ্য স্কুল দলগুলোকে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে ১৪ সেপ্টেম্বরের সময়সীমার মধ্যেই নাসার কাছে প্রপোজাল জমা দিতে হবে।
স্টেট ফার্মের ৫ বিলিয়ন ডলারের ক্যাশব্যাক শুরু, দেখে নিন কারা পাচ্ছেন গাড়ির ইন্স্যুরেন্সের এই অর্থ ফেরত
ভার্জিনিয়ায় কর্মস্থলে যাওয়ার পথে আইসিইর হাতে আটক অভিবাসী, হাসপাতালে পরীক্ষায় মিলল মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ
ছেলেকে বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ, নিজের জীবন দিয়ে সন্তানকে বাঁচালেন মা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে তৈরি পণ্য বিক্রির অন্তত দুটি পরিচিত দোকান চলতি বছর বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। টেনেসি ও পেনসিলভানিয়ার এসব দোকানের মালিকেরা বিক্রি কমে যাওয়া, ক্রেতার উপস্থিতি হ্রাস এবং নির্বাচনী উত্তেজনা কমে যাওয়াকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি ট্রাম্প-সমর্থিত পণ্যের বাজারে ২০২৪ সালের নির্বাচনী সময়ের তুলনায় চাহিদা কমার ইঙ্গিত দিচ্ছে। টেনেসির নক্সভিলের কাছে ইন্টারস্টেট ৪০ মহাসড়কের পাশে থাকা বড় একটি ট্রাম্প পণ্যদোকান সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। উইলিয়াম ‘বিল’ হেইসের মালিকানাধীন দোকানটি মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষের কাছে একটি পরিচিত স্থানে পরিণত হয়েছিল। দোকানের সামনে ছিল ট্রাম্পের বড় বড় সাইনবোর্ড, ব্যানার এবং ‘ডেমোক্র্যাট সুপারস্টোর’ লেখা একটি ইটের তৈরি প্রদর্শনী। দোকানটি কেন বন্ধ হচ্ছে, তা নিয়ে প্রথমদিকে ভিন্ন ধরনের খবর ছড়িয়েছিল। তবে মালিক হেইস নিজেই জানিয়েছেন, অবসর নেওয়া বা ফ্লোরিডায় চলে যাওয়ার কারণে নয়, মূলত ব্যবসা কমে যাওয়াই দোকান বন্ধের কারণ। তার ভাষায়, দোকানে এখন আর আগের মতো ক্রেতা আসছেন না। দোকানের এক কর্মীও একই চিত্র তুলে ধরেছেন। তার দাবি, এখন দোকানটি আর ব্যস্ত থাকে না। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় এবং ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনার পর দোকানে ক্রেতার সংখ্যা ও বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। কিন্তু পরে সেই বাড়তি আগ্রহ আর ধরে রাখা যায়নি। দোকানটির ব্যবসায় রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রভাব স্পষ্ট ছিল। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনার পর তার সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ট্রাম্পের ছবি ও স্লোগানসংবলিত পণ্যের চাহিদাও বেড়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের সময়কার উত্তেজনা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দোকানের ক্রেতা কমতে শুরু করে বলে কর্মীরা জানিয়েছেন। এর আগে পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়ার উপকণ্ঠ বেনসালেমে থাকা আরেকটি পরিচিত ট্রাম্প পণ্যদোকানও বন্ধ হয়ে গেছে। ছয় বছর ব্যবসা করার পর ‘ট্রাম্প স্টোর’ নামে পরিচিত দোকানটির শেষ দিন ছিল ৩১ জানুয়ারি ২০২৬। দোকানটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাক্স কাউন্টিতে ট্রাম্প-সমর্থকদের একটি পরিচিত মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল। সেখানে টুপি, টি-শার্ট, পতাকা ও বিভিন্ন স্মারক বিক্রি করা হতো। দোকানটির মালিক মাইক ডোমানিকো বলেন, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর ব্যবসায় ধীরগতি দেখা দেয়। ২০২০ সালে নির্বাচনকে সামনে রেখে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু ক্রেতাদের আগ্রহ দেখে সেটি চালিয়ে যান। ছয় বছর পর এসে তার মনে হয়েছে, দোকানটির ব্যবসায়িক সময় শেষ হয়েছে। তবে দোকান বন্ধের পেছনে শুধু বিক্রি কমে যাওয়াই কারণ নয়। ডোমানিকো আরও একটি ব্যবসায় মনোযোগ দিতে চান এবং তিনি আংশিক অবসরে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন। পাশাপাশি দোকানের ভাড়ার চুক্তির মেয়াদও শেষের দিকে ছিল। দোকান বন্ধ হলেও তার অনলাইন ব্যবসা এবং বিভিন্ন মেলায় পণ্য বিক্রির কার্যক্রম চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। বেনসালেমের দোকানটি ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে বেশ ভালো ব্যবসা করেছিল। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেও দোকানে কিছু পণ্যের চাহিদা বেড়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনার পর তার ছবি ও ‘ফাইট, ফাইট, ফাইট’ স্লোগানসংবলিত টি-শার্টের চাহিদা বিশেষভাবে বেড়ে যায়। এখনও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে ট্রাম্পের নামে পণ্য বিক্রির দোকান চালু রয়েছে। টেনেসির গ্যাটলিনবার্গ, সাউথ ক্যারোলাইনার নর্থ মার্টল বিচ এবং নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে ট্রাম্প-ভিত্তিক পণ্য বিক্রির কার্যক্রম রয়েছে। ট্রাম্প অর্গানাইজেশনও অনলাইনে পণ্য বিক্রি করছে। পাশাপাশি তার কিছু গলফ ক্লাব ও রিসোর্টের সঙ্গেও পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বেনসালেম ও টেনেসির দোকান বন্ধ হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক পণ্য বিক্রির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য সামনে এনেছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক প্রতীকের পোশাক, টুপি, পতাকা ও স্মারকের চাহিদা দ্রুত বাড়তে পারে। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে সেই আগ্রহ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে এমন ব্যবসার জন্য নিয়মিত ক্রেতা তৈরি করা সাধারণ খুচরা ব্যবসার তুলনায় বেশি কঠিন। এদিকে ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা ব্যবসা খাত সামগ্রিকভাবেও মূল্যস্ফীতি, ভোক্তার পরিবর্তিত অভ্যাস এবং অনলাইন কেনাকাটার প্রসারের মতো বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। তাই ট্রাম্পের পণ্য বিক্রির দোকানগুলোর ক্ষেত্রে বিক্রি কমার কারণকে শুধু রাজনৈতিক আগ্রহের পরিবর্তন দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। ব্যবসার খরচ, ক্রেতাদের ব্যয়ের চাপ এবং অনলাইন কেনাকাটার প্রবণতাও এতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবু দুই দোকানের মালিকের বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট, ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় যে বিপুল আগ্রহ ট্রাম্প-সম্পর্কিত পণ্যের বিক্রি বাড়িয়েছিল, সেটি এখন আর আগের পর্যায়ে নেই। নির্বাচনী উত্তেজনা কমে যাওয়ার পর রাজনৈতিক পণ্যকে কেন্দ্র করে স্থায়ী খুচরা ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
নবজাতককে বুকে বেঁধে জিমে ব্যায়াম, তীব্র সমালোচনার মুখে ইনফ্লুয়েন্সার মা
সন্তানদের নিতে এসে ফিরলেন লাশ হয়ে, টেক্সাসে স্বামীর হাতে স্ত্রীর মর্মান্তিক পরিণতি