সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

হিউস্টনের স্কুলে বন্দুক উদ্ধারের ঘটনায় তৎপর পুলিশ, আটক এক শিক্ষার্থী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ১২:৪৯
হগ মিডল স্কুলে অস্ত্রসহ আটক শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নিচ্ছে পুলিশ। ছবি সংগৃহীত
হগ মিডল স্কুলে অস্ত্রসহ আটক শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নিচ্ছে পুলিশ। ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টন শহরের হগ মিডল স্কুলে এক শিক্ষার্থীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়ার ঘটনায় পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়েছে। শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ ও হিউস্টন ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্টের (এইচআইএসডি) পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার সময় কোনো শিক্ষার্থী বা কর্মী আহত হননি।


এইচআইএসডির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষার্থীর কাছে বন্দুক থাকার খবর পাওয়ার পর স্কুল প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লকডাউন-সংক্রান্ত নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করা হয়। স্কুল পুলিশের একজন কর্মকর্তা ওই শিক্ষার্থীকে আটক করেন এবং পরে আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।


কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আটক শিক্ষার্থী পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তবে তার পরিচয়, কীভাবে সে আগ্নেয়াস্ত্রটি পেয়েছিল এবং তার বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হতে পারে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।

 

স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের জানিয়েছে, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তা তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। ক্যাম্পাসে অস্ত্র, সম্ভাব্য হুমকি কিংবা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কোনো উদ্বেগের তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত স্কুল প্রশাসন অথবা স্কুল পুলিশকে জানানোর জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


হিউস্টন শহরের হাইটস এলাকায় অবস্থিত হগ মিডল স্কুলে প্রায় ১,১০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। স্কুলে অস্ত্র পাওয়ার এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্কুলে অস্ত্র প্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি, নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়োগ এবং অস্ত্র শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের মতো পদক্ষেপ নিয়ে দেশটির বিভিন্ন স্কুল জেলায় কাজ চলছে।

 

হিউস্টন শহরের হাইটস এলাকায় অবস্থিত হগ মিডল স্কুলে প্রায় ১,১০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। স্কুলে অস্ত্র পাওয়ার এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আবারও উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্কুলে অস্ত্র প্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি, নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়োগ এবং অস্ত্র শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের মতো পদক্ষেপ নিয়ে দেশটির বিভিন্ন স্কুল জেলায় কাজ চলছে।


হিউস্টন ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্ট জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইন ও জেলা নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অভিযোগ কিংবা ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিভাবকদের জন্য ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। সন্তানদের স্কুলের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত নোটিশ নিয়মিত পড়া, স্কুলের জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা সম্পর্কে জানা এবং কোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতি চোখে পড়লে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো জরুরি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ফ্লোরিডার সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন ট্রাম্প
নার্সিং হোমে নার্স নিয়োগে বড় উদ্যোগ ট্রাম্পের, তিন বছর কাজ করলে মিলতে পারে ৪০ হাজার ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে নার্সিং হোমে নার্সের ঘাটতি কমাতে ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফ্লোরিডার ফোর্ট মায়ার্সে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন। ‘নার্সেস ফর নার্সিং হোমস’ নামের এই কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে ৪ হাজারের বেশি নার্স ও নার্সিং শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যোগ্য আবেদনকারীরা শিক্ষাঋণ পরিশোধে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ডলার এবং অতিরিক্ত ১০ হাজার ডলারের ভাতা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। তবে এই সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট নার্সিং হোমে তিন বছর কাজ করার অঙ্গীকার করতে হবে। সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বয়স্ক নাগরিকদের কল্যাণে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিচ্ছেন। তাঁর প্রশাসন দেশজুড়ে নার্স, নার্সিং হোম ও বয়স্কদের দীর্ঘমেয়াদি সেবাকেন্দ্রে বিনিয়োগ করছে। ফ্লোরিডাসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এসব প্রতিষ্ঠানে নার্সের প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এবং মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড পরিষেবা কেন্দ্র (সিএমএস) যৌথভাবে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে। এর মূল লক্ষ্য হলো নার্সিং হোমে নতুন নার্স নিয়োগের পাশাপাশি কর্মরত নার্সদের ধরে রাখা। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকা ও যেসব অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মীর ঘাটতি বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠানে নার্স নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।   কর্মসূচির মোট অর্থায়নের মধ্যে সিএমএস দেবে ১০ কোটি ডলার। বাকি অন্তত ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেবে অঙ্গরাজ্যগুলো। এ অর্থের উৎস হিসেবে নার্সিং হোমগুলোর ওপর আরোপিত দেওয়ানি আর্থিক জরিমানা থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহারের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফলে কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে নতুন করে সাধারণ করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করা হবে না বলে দাবি করেছেন সিএমএস প্রশাসক মেহমেত ওজ। তাঁর মতে, এ উদ্যোগ নার্সদের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি বয়স্কদের সেবার মান উন্নত করতে সহায়তা করবে।   এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে হলে আবেদনকারীর যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত নার্স (আরএন) অথবা লাইসেন্সধারী প্র্যাকটিক্যাল বা ভোকেশনাল নার্স (এলপিএন/এলভিএন) হিসেবে বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে। পাশাপাশি তাঁকে মেডিকেয়ার বা মেডিকেইড অনুমোদিত যোগ্য দীর্ঘমেয়াদি সেবাকেন্দ্রে চাকরি করতে হবে এবং সপ্তাহে গড়ে অন্তত ৩০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। এসব শর্ত পূরণ করে তিন বছরের চাকরির অঙ্গীকারের বিনিময়ে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে।   যোগ্য নার্সদের শিক্ষাঋণ পরিশোধে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ডলার দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি তাঁরা ১০ হাজার ডলারের ভাতার জন্যও যোগ্য হতে পারেন। অর্থাৎ, শর্ত অনুযায়ী উভয় সুবিধা পেলে একজন অংশগ্রহণকারীর মোট সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার হতে পারে। তবে প্রত্যেক আবেদনকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো অর্থ পাবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। সুবিধা পাওয়ার জন্য কর্মসূচির যোগ্যতা ও চাকরির শর্ত পূরণ করতে হবে।   নার্সিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন, এমন শিক্ষার্থীরাও আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। তবে অর্থ পাওয়ার আগে তাঁদের পড়াশোনা শেষ করতে হবে, প্রয়োজনীয় পেশাগত লাইসেন্স অর্জন করতে হবে এবং যোগ্য প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিশ্চিত করতে হবে। এর মাধ্যমে নতুন নার্সদের দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা খাতে কাজ করতে উৎসাহিত করতে চায় কর্তৃপক্ষ। কর্মসূচিটি যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে চালু হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকার সব নার্সিং হোম এই কর্মসূচির আওতায় যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া যেসব এলাকায় নার্সের ঘাটতি বেশি, সেখানকার নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানও সহায়তার সুযোগ পাবে। তবে সব নার্সিং হোমের কর্মী এই সুবিধা পাবেন না; সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে।   স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাজারো নার্স নিয়োগ ও ধরে রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি গ্রামীণ ও বেশি প্রয়োজন রয়েছে এমন এলাকায় সেবার পরিধি বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা খাতে পেশাগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হবে। সিএমএস প্রশাসক মেহমেত ওজের ভাষ্য, শিক্ষাঋণ পরিশোধে সহায়তা শুধু নার্স ও নার্সিং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক চাপ কমাবে না, বরং পরিবারের সদস্যদের জন্যও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। তাঁর মতে, নার্সদের সঙ্গে বয়স্ক বাসিন্দাদের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে উঠলে তাঁদের জীবনযাপনের মান ও সুস্থতাও উন্নত হতে পারে। কর্মসূচির জন্য আবেদন শুরু হবে ২৬ অক্টোবর থেকে। আগ্রহীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইট NursesforNursingHomes.cms.gov-এর মাধ্যমে বিস্তারিত জানতে এবং আবেদন করতে পারবেন। যুক্তরাষ্ট্রের নার্সিং হোমগুলো দীর্ঘদিন ধরেই কর্মী নিয়োগ ও ধরে রাখার সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে পর্যাপ্ত নার্স পাওয়া কঠিন। নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে সেই ঘাটতি কমানো এবং বয়স্কদের দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার মান উন্নত করাই প্রশাসনের লক্ষ্য।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ১৩:৩৯
আটক অভিবাসীদের জামিনের অধিকার নিয়ে নতুন আইনি বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের জামিন শুনানির অধিকার নেই, ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে রায় দিল আপিল আদালত

হগ মিডল স্কুলে অস্ত্রসহ আটক শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নিচ্ছে পুলিশ। ছবি সংগৃহীত

হিউস্টনের স্কুলে বন্দুক উদ্ধারের ঘটনায় তৎপর পুলিশ, আটক এক শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় ফুটবল দলের বাস উল্টে আ হত ২২ শিক্ষার্থী, হেলিকপ্টারে হাসপাতালে একজন

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় ফুটবল দলের বাস উল্টে আ হত ২২ শিক্ষার্থী, হেলিকপ্টারে হাসপাতালে একজন

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর টলিডো শহরে শিল্পকারখানার রাসায়নিক ট্যাংক থেকে বিপজ্জনক পদার্থ ছড়িয়ে পড়ার পর উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন হ্যাজম্যাট রেসপন্স টিমের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
রাসায়নিক গ্যাসে আতঙ্কিত ওহাইওর শত শত পরিবার, অবশেষে তুলে নেওয়া হলো বাড়ি ছাড়ার নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলিডো শহরে একটি শিল্পকারখানার রাসায়নিক ট্যাংক থেকে বিপজ্জনক পদার্থ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক শ মানুষকে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যেতে হয়। তবে শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে কর্তৃপক্ষ অবশিষ্ট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও তুলে নেয়। এখন ঘটনাস্থলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণের কাজ চলছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন এবং টলিডো শহর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে শহরের প্রগ্রেস অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত এমসি ট্যাংক টার্মিনালে রাসায়নিক পদার্থ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে। ট্যাংকে থাকা রাসায়নিকটির নাম গ্লাইসিডিল মেথাক্রাইলেট। এটি প্লাস্টিক, রং ও বিভিন্ন আবরণ তৈরির শিল্পে ব্যবহৃত হয়। পদার্থটি চোখ, নাক, গলা ও ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।   ঘটনার পর প্রথমে কারখানার এক মাইলের মধ্যে থাকা মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে সম্ভাব্য রাসায়নিক ধোঁয়ার বিস্তার বিবেচনায় তিন মাইল এলাকার বাসিন্দাদের ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা এলাকা ছোট করা হয়। ট্যাংকের ভেতরে রাসায়নিক বিক্রিয়া চলতে থাকায় কর্তৃপক্ষ সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে বিক্রিয়াটি শেষ হতে দেয়। তাদের আশঙ্কা ছিল, ওই অবস্থায় ট্যাংকের কাছে গেলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। টলিডোর মেয়র ওয়েড ক্যাপসুকেভিচ জানান, রাসায়নিক স্থানান্তরের সময় একজন কর্মীর ভুলের কারণে ট্যাংকের ভেতরে তাপমাত্রা-সম্পর্কিত একটি পরিবর্তন ঘটে, যা রাসায়নিক বিক্রিয়া সৃষ্টি করে। কোম্পানি ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বলে মেয়র জানান। তবে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এখনো চলছে।   স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬০ জন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগের উপসর্গ ছিল তুলনামূলকভাবে মৃদু। কয়েকজনের আগে থেকেই স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চিকিৎসা নেওয়া সবাই সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে টলিডো ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ রাসায়নিক নির্গমন বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ তুলে নেয়। পরে অনুমোদিত নিরাপত্তা পরিকল্পনার অধীনে কারখানার মালিকদের কাছে ঘটনাস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা—ইপিএ—পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বাতাসের মান পর্যবেক্ষণে সহায়তা করছে।   তবে নির্দেশ তুলে নেওয়া মানেই সব পর্যবেক্ষণ শেষ হয়ে গেছে, এমন নয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এলাকায় বাতাসের নমুনা পরীক্ষা অব্যাহত থাকবে। রাসায়নিক ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসার আশঙ্কা থাকলে বাসিন্দাদের ঘরের খোলা খাবার ও বাইরে রাখা ফলমূল-সবজি ব্যবহারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আক্রান্ত এলাকার খেলার মাঠ পরিষ্কারের ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। টলিডোর এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় কমিউনিটির জন্য শিল্পকারখানার নিরাপত্তা ও জরুরি প্রস্তুতির গুরুত্ব আবার সামনে এনেছে। বিশেষ করে কারখানা বা রাসায়নিক সংরক্ষণাগারের আশপাশে বসবাসকারী পরিবারগুলোর জন্য স্থানীয় জরুরি সতর্কতা অনুসরণ করা, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলা এবং স্বাস্থ্যগত উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ১২:৩৫
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের ২৩ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নাগরিকত্বের আবেদন অনুমোদনের হার ৭২ শতাংশ কমে যাওয়ায় অভিবাসীদের দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের অপেক্ষায় লাখো অভিবাসী, অনুমোদন কমে যাওয়ায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন অভিযানে বাবা-মা আটক হওয়ার পর ১৮ বছর বয়সেই ছোট ভাইবোনদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন ওয়েন্ডি ডোমিঙ্গো। ছবি: সংগৃহীত

বাবা-মা আটক, ভেঙে গেল এক পরিবারের স্বপ্ন! ছোট ভাইবোনদের দায়িত্ব ১৮ বছরের তরুণীর কাঁধে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার উডল্যান্ড শহরে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের (আইসিই) তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

আইসিই আতঙ্কে স্কুলে সন্তান পাঠাতেও ভয়, যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে উদ্বেগে অভিবাসী পরিবার

ব্রুকলিনের ইস্ট নিউইয়র্কে ‘ইনোভেটিভ আরবান ভিলেজ’ প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৩৮৬টি স্থায়ী সাশ্রয়ী বাসা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকায় নতুন সাশ্রয়ী বাসস্থান, নিউইয়র্কের শত শত পরিবারের জন্য বড় সুযোগ

ব্রুকলিনের ইস্ট নিউইয়র্কে ‘ইনোভেটিভ আরবান ভিলেজ’ প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৩৮৬টি স্থায়ী সাশ্রয়ী বাসা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী ধাপে আরও ৪৫৩টি বাসা এবং শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র যুক্ত করার কাজ এগিয়েছে। সম্পূর্ণ প্রকল্পে প্রায় ২ হাজার সাশ্রয়ী বাসা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। পুরো প্রকল্পটি খ্রিষ্টান কালচারাল সেন্টারের প্রায় ১০.৫ একর জমিতে গড়ে উঠছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এখানে ১০টি ভবনে প্রায় ২ হাজার সাশ্রয়ী বাসা থাকবে। আবাসনের পাশাপাশি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, কমিউনিটি সেবা, কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ, দোকানপাট, পারফর্মিং আর্টস সেন্টার এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারযোগ্য খোলা জায়গাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সব সুবিধা এখনই চালু হয়নি।  পরবর্তী ধাপে আরও ৪৫৩টি সাশ্রয়ী বাসা নির্মাণের কাজ এগিয়েছে। এ ধাপে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র, খেলার মাঠ এবং বাণিজ্যিক জায়গা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের ওয়েবসাইটে দ্বিতীয় ধাপের কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় ২০২৭ সালের জুলাই উল্লেখ করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ ধাপগুলোও বাস্তবায়িত হলে আবাসনের সংখ্যা আরও বাড়বে।    প্রকল্পের প্রথম ধাপের বাসাগুলো এলাকার মধ্যম আয়ের নির্দিষ্ট অংশের ভিত্তিতে বরাদ্দের জন্য পরিকল্পিত। প্রকল্পের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, প্রথম ধাপের আবাসনের আয়ের যোগ্যতার সীমা এলাকার মধ্যম আয়ের ৩০ থেকে ৮০ শতাংশ। যোগ্যতা নির্ভর করে পরিবারের মোট আয়, সদস্যসংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট বাসার নির্ধারিত শর্তের ওপর। তাই শুধু কম আয় হলেই বাসা পাওয়া নিশ্চিত নয়।  প্রকল্পের প্রথম ধাপের জন্য আগে একটি আবেদন-লটারি চালু হয়েছিল, যার সময়সীমা ছিল ২০২৬ সালের ৮ জুন। সেই সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পের ওয়েবসাইটে আবেদনসংক্রান্ত তথ্য থাকলেও নতুন আবেদন নেওয়া হচ্ছে কি না, তা সরাসরি নিশ্চিত না হয়ে আবেদন খোলা আছে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।    আবেদনের জন্য সাধারণত পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের পরিচয়পত্র, বর্তমান আয়ের প্রমাণ, কর জমার নথি এবং বর্তমান বাসস্থানের তথ্য চাওয়া হতে পারে। চূড়ান্ত নথির তালিকা সংশ্লিষ্ট আবেদনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৪, ২০২৬ ১২:৮
যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কার ওমাহায় ভয়াবহ বন্যায় ৯৪ বছর বয়সী বৃদ্ধার প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বন্যায় ধ্বংস ৯৪ বছরের বৃদ্ধার ৫০ বছরের বাড়ি, শেষ সম্বল বাঁচাতে লড়ছে পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন জীবন গড়ার গল্প, পরিচয় ও গ্রহণযোগ্যতার আকাঙ্ক্ষা রঙ-তুলির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন কলম্বিয়ার অভিবাসী শিল্পী লরা বারিওস। ছবি: সংগৃহীত

নতুন দেশে ঘর খোঁজার গল্প, অভিবাসীদের জীবন তুলে ধরে শিল্পী লরা বারিওসের দেয়ালচিত্র

নিউইয়র্কের মাউন্ট মরিস শহরে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের হাতে আটক রেস্তোরাঁ মালিকের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছবি: সংগৃহীত

আইসিইর হাতে আটক রেস্তোরাঁ মালিকের মুক্তির দাবিতে এক হলো পুরো শহর

0 Comments