সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

সরকারি সহায়তা নিলে গ্রিন কার্ডে কী প্রভাব পড়বে, নতুন নির্দেশনায় বাড়ছে অভিবাসীদের প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ৪:৩৪
নতুন নির্দেশনায় বাড়ছে অভিবাসীদের প্রশ্ন
নতুন নির্দেশনায় বাড়ছে অভিবাসীদের প্রশ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা গ্রহণের নিয়ম নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। গ্রিন কার্ড আবেদনের ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা ব্যবহারের বিষয়টি কীভাবে বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে নতুন নির্দেশনা প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ গত ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে পাবলিক চার্জসংক্রান্ত নতুন চূড়ান্ত বিধি প্রকাশ করে। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিধিটি কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারীর সরকারি সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি মূল্যায়নে অভিবাসন কর্মকর্তাদের আগের তুলনায় বিস্তৃত বিবেচনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

 

৫ নভেম্বর প্রকাশিত স্বাস্থ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেএফএফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন নির্দেশনায় কোন কোন সরকারি সুবিধা পাবলিক চার্জ মূল্যায়নে বিবেচিত হতে পারে, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হয়নি। ফলে অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 

নতুন নির্দেশনায় মেডিকেইড, শিশুদের স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি এসএনএপি, নারী ও শিশুদের পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি এবং সরকারি আবাসন সহায়তার মতো সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সুবিধা আয় বা সম্পদের ভিত্তিতে দেওয়া হলে গ্রিন কার্ড আবেদনের মূল্যায়নে বিবেচিত হতে পারে।

 

তবে সরকারি কোনো সুবিধা গ্রহণ করলেই আবেদনকারীর গ্রিন কার্ড বাতিল বা আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে, এমন নয়। কর্মকর্তাদের আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য, সম্পদ, শিক্ষা ও দক্ষতাসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে।

 

এ ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা, মেডিকেয়ার এবং বেকারত্ব ভাতা—যেসব সুবিধা আগে থেকে নির্দিষ্ট ব্যবস্থায় অর্থ জমা বা অবদানের ভিত্তিতে পাওয়া যায়, সেগুলো নতুন নির্দেশনায় আয়ভিত্তিক সরকারি সুবিধা হিসেবে বিবেচিত নয়।

 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শরণার্থী, আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তি, বিশেষ অভিবাসী শিশু এবং নির্দিষ্ট কিছু ভিসাধারীসহ কয়েকটি শ্রেণি পাবলিক চার্জ মূল্যায়ন থেকে অব্যাহতি পাবে।

 

নতুন নিয়মের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর আগে পাওয়া সুবিধা এবং এরপর পাওয়া সুবিধার মূল্যায়নে পার্থক্য রয়েছে। নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার আগের সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগের নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে। নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর পাওয়া নির্দিষ্ট আয়ভিত্তিক সুবিধা বিবেচনায় আসতে পারে।

 

কেএফএফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নতুন নিয়মের অস্পষ্টতার কারণে অনেক যোগ্য পরিবার স্বাস্থ্য ও খাদ্য সহায়তা গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির পূর্ববর্তী হিসাব অনুযায়ী, পরিস্থিতির কারণে ১৪ লাখ থেকে ৪১ লাখ মানুষ মেডিকেইড বা শিশুদের স্বাস্থ্যবিমা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারেন। এটি গবেষণাভিত্তিক সম্ভাব্য হিসাব, বাস্তবে কতজন সুবিধা ছাড়বেন তার চূড়ান্ত সংখ্যা নয়।

 

অভিবাসন আইনজীবীরা এ ধরনের পরিস্থিতিতে আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত অভিবাসন অবস্থা ও সরকারি সুবিধার ধরন অনুযায়ী পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাদের পরিবারের সদস্যদের গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তাদের কোনো সরকারি সুবিধা নেওয়া বা বন্ধ করার আগে অভিবাসন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

 

কারণ নিয়মটি সবার ক্ষেত্রে একভাবে প্রযোজ্য নয়। নাগরিক সন্তানদের সুবিধা গ্রহণ, আবেদনকারীর নিজের সুবিধা গ্রহণ এবং বিভিন্ন অভিবাসন শ্রেণির ক্ষেত্রে আলাদা বিবেচনা থাকতে পারে।

 

সরকারি নিয়ম ও নির্দেশনা জানতে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আমেরিকা

View more
নতুন নির্দেশনায় বাড়ছে অভিবাসীদের প্রশ্ন
সরকারি সহায়তা নিলে গ্রিন কার্ডে কী প্রভাব পড়বে, নতুন নির্দেশনায় বাড়ছে অভিবাসীদের প্রশ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তা গ্রহণের নিয়ম নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। গ্রিন কার্ড আবেদনের ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধা ব্যবহারের বিষয়টি কীভাবে বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে নতুন নির্দেশনা প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ গত ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে পাবলিক চার্জসংক্রান্ত নতুন চূড়ান্ত বিধি প্রকাশ করে। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিধিটি কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনকারীর সরকারি সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি মূল্যায়নে অভিবাসন কর্মকর্তাদের আগের তুলনায় বিস্তৃত বিবেচনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।   ৫ নভেম্বর প্রকাশিত স্বাস্থ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেএফএফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন নির্দেশনায় কোন কোন সরকারি সুবিধা পাবলিক চার্জ মূল্যায়নে বিবেচিত হতে পারে, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেওয়া হয়নি। ফলে অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   নতুন নির্দেশনায় মেডিকেইড, শিশুদের স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি এসএনএপি, নারী ও শিশুদের পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি এবং সরকারি আবাসন সহায়তার মতো সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সুবিধা আয় বা সম্পদের ভিত্তিতে দেওয়া হলে গ্রিন কার্ড আবেদনের মূল্যায়নে বিবেচিত হতে পারে।   তবে সরকারি কোনো সুবিধা গ্রহণ করলেই আবেদনকারীর গ্রিন কার্ড বাতিল বা আবেদন প্রত্যাখ্যান হবে, এমন নয়। কর্মকর্তাদের আবেদনকারীর বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য, সম্পদ, শিক্ষা ও দক্ষতাসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে।   এ ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা, মেডিকেয়ার এবং বেকারত্ব ভাতা—যেসব সুবিধা আগে থেকে নির্দিষ্ট ব্যবস্থায় অর্থ জমা বা অবদানের ভিত্তিতে পাওয়া যায়, সেগুলো নতুন নির্দেশনায় আয়ভিত্তিক সরকারি সুবিধা হিসেবে বিবেচিত নয়।   নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শরণার্থী, আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তি, বিশেষ অভিবাসী শিশু এবং নির্দিষ্ট কিছু ভিসাধারীসহ কয়েকটি শ্রেণি পাবলিক চার্জ মূল্যায়ন থেকে অব্যাহতি পাবে।   নতুন নিয়মের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর আগে পাওয়া সুবিধা এবং এরপর পাওয়া সুবিধার মূল্যায়নে পার্থক্য রয়েছে। নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার আগের সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগের নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে। নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর পাওয়া নির্দিষ্ট আয়ভিত্তিক সুবিধা বিবেচনায় আসতে পারে।   কেএফএফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নতুন নিয়মের অস্পষ্টতার কারণে অনেক যোগ্য পরিবার স্বাস্থ্য ও খাদ্য সহায়তা গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির পূর্ববর্তী হিসাব অনুযায়ী, পরিস্থিতির কারণে ১৪ লাখ থেকে ৪১ লাখ মানুষ মেডিকেইড বা শিশুদের স্বাস্থ্যবিমা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারেন। এটি গবেষণাভিত্তিক সম্ভাব্য হিসাব, বাস্তবে কতজন সুবিধা ছাড়বেন তার চূড়ান্ত সংখ্যা নয়।   অভিবাসন আইনজীবীরা এ ধরনের পরিস্থিতিতে আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত অভিবাসন অবস্থা ও সরকারি সুবিধার ধরন অনুযায়ী পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরছেন।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাদের পরিবারের সদস্যদের গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তাদের কোনো সরকারি সুবিধা নেওয়া বা বন্ধ করার আগে অভিবাসন আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।   কারণ নিয়মটি সবার ক্ষেত্রে একভাবে প্রযোজ্য নয়। নাগরিক সন্তানদের সুবিধা গ্রহণ, আবেদনকারীর নিজের সুবিধা গ্রহণ এবং বিভিন্ন অভিবাসন শ্রেণির ক্ষেত্রে আলাদা বিবেচনা থাকতে পারে।   সরকারি নিয়ম ও নির্দেশনা জানতে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ৪:৩৪
যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার বার্ষিক আবেদনপর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার আবেদন শুরু, চিকিৎসা খরচ নিয়ে নতুন চাপে পরিবারগুলো

চিকিৎসা খরচ নিয়ে নতুন চাপে পরিবারগুলো

২০২৭ সালের স্বাস্থ্যবিমার আবেদন শুরু, চিকিৎসা খরচ নিয়ে নতুন চাপে পরিবারগুলো

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে শীতকালে ঘর গরম রাখার সরকারি সহায়তার আবেদন শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

শীতের জ্বালানি খরচে নিউইয়র্কের পরিবারগুলো পেতে পারে ১ হাজার ৮৬ ডলার সহায়তা

লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র নিত্যা রমন
দিল্লির বস্তি থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রথম দক্ষিণ এশীয় মেয়র নিত্যা রমন

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ইতিহাসে প্রথম দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নিত্যা রমন। ক্যালিফোর্নিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ শহরের মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়র কারেন ব্যাসকে পরাজিত করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) পরাজয় স্বীকার করেন ব্যাস। ভারতের কেরালায় জন্ম নেওয়া ৪৫ বছর বয়সী নিত্যা রমন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরটির ৪৪তম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।   লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির নির্বাচন কর্মকর্তাদের বৃহস্পতিবার বিকেলের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, নিত্যা রমন পেয়েছেন ৪ লাখ ৬০ হাজার ৭৭২ ভোট, যা মোট ভোটের ৫২ দশমিক ৭ শতাংশ। অন্যদিকে কারেন ব্যাস পেয়েছেন ৪ লাখ ১৩ হাজার ৫১৯ ভোট বা ৪৭ দশমিক ৩ শতাংশ। নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করে ব্যাস রমনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম লস অ্যাঞ্জেলেসের কোনো ক্ষমতাসীন মেয়র পুনর্নির্বাচনে পরাজিত হলেন।   নিত্যা রমনের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সামাজিক আন্দোলন ও নগর উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা। ভারতের কেরালা রাজ্যে জন্ম নেওয়া রমনের শৈশবের একটি অংশ কেটেছে তিরুবনন্তপুরম ও ত্রিশূরে। মাত্র ছয় বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি। প্রথমে লুইজিয়ানায় এবং পরে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে বেড়ে ওঠেন। ২০০৩ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক এবং ২০০৮ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটি থেকে আরবান প্ল্যানিংয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।   উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভারতের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছেন রমন। দিল্লিতে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বস্তিবাসীদের আবাসন অধিকার নিয়ে আন্দোলন করেন তিনি। বিশেষ করে ২০১০ সালের কমনওয়েলথ গেমসকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে উচ্ছেদের মুখে পড়া দরিদ্র মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে চেন্নাইয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ট্রান্সপারেন্ট চেন্নাই নামের একটি গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরিদ্র এলাকার পাবলিক টয়লেট, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগব্যবস্থা ও নাগরিক সেবার ঘাটতি চিহ্নিত করতে তথ্য সংগ্রহ ও ম্যাপিংয়ের কাজ করা হয়।   ২০১৩ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাস শুরু করেন নিত্যা রমন। সেখানে শহর প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি আবাসন সংকট ও গৃহহীন মানুষের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় হন। ২০১৭ সালে তিনি সেলাহ নেইবারহুড হোমলেস কোয়ালিশন নামের একটি সংগঠনের সহপ্রতিষ্ঠাতা হন। দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০২০ সালে প্রথমবার লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নেন। সেই নির্বাচনে তৎকালীন কাউন্সিল সদস্য ডেভিড রিউকে হারিয়ে প্রথম দক্ষিণ এশীয় এবং প্রথম এশীয় আমেরিকান নারী হিসেবে সিটি কাউন্সিলে নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালেও তিনি পুনর্নির্বাচিত হন।   এবারের মেয়র নির্বাচনে নিত্যা রমনের ক্যাম্পেইনের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল বাড়িভাড়া ও আবাসনের উচ্চ ব্যয়, গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসন, জননিরাপত্তা এবং নগর সেবার মানোন্নয়ন। তিনি সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ বৃদ্ধি, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং সাধারণ বাসিন্দাদের জন্য শহরকে আরও বাসযোগ্য করে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অন্যদিকে গৃহহীনতা মোকাবিলায় অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ এবং ২০২৫ সালের ভয়াবহ দাবানল পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কারেন ব্যাস।   নির্বাচনে বিজয়ের পর সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নিত্যা রমন। একই সঙ্গে বিদায়ী মেয়র কারেন ব্যাসের দীর্ঘ জনসেবামূলক অবদানেরও প্রশংসা করেছেন তিনি। আগামী ডিসেম্বরে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে তাঁর। ভারতের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহরের নেতৃত্বে উঠে আসার এই যাত্রা দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হয়ে থাকল

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ৩:৩৮
প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেই আলোচনায় আবদুল এল সাঈদ। ছবি: সংগৃহীত

মিশিগানের শিশুদের ‘আরবি সংখ্যা’ শেখাবেন আবদুল এল সাঈদ, পোস্ট ভাইরাল

ওয়াল স্ট্রিটে ভয়াবহ দরপতনে একদিনেই প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য হারিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ওয়াল স্ট্রিটে বড় ধস! একদিনেই উধাও ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য

ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমানবন্দরে প্রেমিকের সঙ্গে যাওয়ার সময় ইউসি বার্কলের ছাত্রী গ্রেপ্তার। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমিকের সঙ্গে ছুটিতে যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে আইসিইর হাতে গ্রেপ্তার বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রী

বিলাসবহুল বাড়িটি আবার বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
প্রেমের স্মৃতিবিজড়িত কিম কার্দাশিয়ানের প্রথম বাড়ি আবারো বিক্রির বাজারে, দাম ৮৫ লাখ ডলার

মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা ও ব্যবসায়ী কিম কার্দাশিয়ানের একসময়কার বিলাসবহুল বাড়ি আবারও বিক্রির বাজারে আসছে। ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলসের অভিজাত এলাকায় অবস্থিত বাড়িটির দাম ধরা হয়েছে প্রায় ৮৫ লাখ ডলার। এক দশকেরও বেশি সময় আগে এই বাড়িতেই কিমকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন সাবেক এনবিএ বাস্কেটবল খেলোয়াড় ক্রিস হামফ্রিজ। সেই স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি এবার ব্যাপক সংস্কারের পর নতুন চেহারায় ক্রেতাদের সামনে হাজির করা হচ্ছে।   নিউইয়র্ক পোস্ট ও ম্যানশন গ্লোবালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেভারলি ক্রেস্ট এলাকায় অবস্থিত পাঁচ বেডরুমের বাড়িটি প্রায় আধা একর জমির ওপর নির্মিত। ইতালীয় স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি বাড়িটির আয়তন প্রায় চার হাজার বর্গফুট। আগামী সোমবার (৯ নভেম্বর) প্রায় ৮৪ লাখ ৯০ হাজার ডলারে বাড়িটি বিক্রির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকাভুক্ত করার কথা রয়েছে। এতে রয়েছে সুইমিং পুল, হোম থিয়েটার, আধুনিক কিচেন, একাধিক ফায়ারপ্লেস এবং অতিথিদের বিনোদনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা।   কিম কার্দাশিয়ান ২০১০ সালে বাড়িটি কিনেছিলেন ৩৪ লাখ ডলারে। এরপর ২০১৩ সালে প্রায় ৩৬ লাখ ডলারে সেটি বিক্রি করেন। বাড়িটি আলোচনায় আসে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘কিপিং আপ উইথ দ্য কার্দাশিয়ানস’-এর মাধ্যমে। ২০১১ সালে এই বাড়ির বেডরুমেই কিমকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ক্রিস হামফ্রিজ। সেই মুহূর্তটি টেলিভিশনের ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছিল। পরে তাঁদের বিয়ে হলেও মাত্র ৭২ দিনের মাথায় বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন কিম। ফলে বাড়িটি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের বহুল আলোচিত একটি অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে রয়েছে।   ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাড়িটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলারে কেনেন বর্তমান মালিকেরা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার গ্যাবি রোজ রেসলার এবং তাঁর স্বামী নিক রেসলার। বাড়িটি কেনার পর তাঁরা ইন্টেরিয়র ডিজাইনার সেবাস্তিয়ান জুখোভিৎস্কির মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার করান। আগের গাঢ় রঙের সাজসজ্জা বদলে উজ্জ্বল ও আধুনিক ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়িটির ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে।   বাড়িটির প্রধান প্রবেশপথে রয়েছে দোতলা সমান উঁচু ফোয়ার। সেখান থেকে লিভিং রুম ও ডাইনিং রুমে প্রবেশ করা যায়। মাস্টার বেডরুমে রয়েছে আলাদা বসার জায়গা, দুটি ওয়াক ইন ক্লোজেট এবং ইতালীয় টাইলসে সাজানো বাথরুম। বাইরে রয়েছে সুইমিং পুল, হট টাব, আউটডোর কিচেন, ফায়ারপ্লেসসহ বসার জায়গা এবং রোদ পোহানোর জন্য বিশেষ টেরেস। অতিথিদের জন্য তৈরি ক্যাবানাতেও রয়েছে টেলিভিশন ও বাথরুমের সুবিধা।   বর্তমান বিক্রয়মূল্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সর্বশেষ কেনার দামের তুলনায় বাড়িটির মূল্য প্রায় ৩৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার বেশি চাওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে প্রস্তাবিত দাম বেড়েছে প্রায় ৬৬ শতাংশ। তবে সংস্কারের খরচ প্রকাশ করা হয়নি এবং বাড়িটি এখনো নতুন দামে বিক্রি হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত কত দামে বিক্রি হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।   বাড়িটি বিক্রির দায়িত্বে রয়েছেন দ্য বেভারলি হিলস এস্টেটসের রিয়েল এস্টেট এজেন্ট জ্যাক হ্যারিস ও মাইকেল ফাহিমিয়ান। অভিজাত অবস্থান, আধুনিক সুযোগ সুবিধা এবং কিম কার্দাশিয়ানের সঙ্গে অতীতের সম্পর্কের কারণে বাড়িটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও ব্যাপক সংস্কারের ফলে কিমের সময়কার প্রায় সব ব্যক্তিগত সাজসজ্জা বদলে গেছে, তবু বিনোদনজগতের ইতিহাসের একটি পরিচিত ঠিকানা হিসেবে বাড়িটির পরিচিতি রয়ে গেছে।

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ০:৫৬
কেনাকাটার মৌসুম সামনে রেখে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে অ্যামাজন। ছবি: সংগৃহীত

ছুটির মৌসুমে ৩ লাখের বেশি কর্মী নিচ্ছে অ্যামাজন, ঘণ্টায় বেতন ২০ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের ক্লার্কসন ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন চুয়েটের সাবেক দুই শিক্ষার্থী। ছবি: সংগৃহীত

একসঙ্গে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণ, ক্লার্কসন ইউনিভার্সিটিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন চুয়েটের দম্পতি

ওয়াশিংটনে ভোটে অনুমোদন পেয়েছে মেয়েদের স্কুল ক্রীড়ায় ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ সীমিত করার উদ্যোগ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থীদের মেয়েদের দলে খেলায় নিষেধাজ্ঞা, ওয়াশিংটনে ভোটারদের অনুমোদন

0 Comments