Live update news
গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটসের মালিক এডি স্মিথ
৪০ কোটি ডলারে বিক্রির সুযোগ ফিরিয়ে দিয়ে পুরো কোম্পানিই ফ্রীতে দান করে দিলেন মালিক!

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনাভিত্তিক বিখ্যাত নৌকা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটসের মালিক এডি স্মিথ জুনিয়র নিজের কোম্পানি বিক্রি করে প্রায় ৪০ কোটি ডলার পাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেটি দান করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভবিষ্যতে কোম্পানির মুনাফা বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হবে, এমন একটি কাঠামো তৈরি করে তিনি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা একটি ‘পারপাস ট্রাস্ট’-এর কাছে হস্তান্তর করেছেন।  ৮৩ বছর বয়সী এডি স্মিথ ১৯৬৮ সালে আর্থিক সংকটে থাকা গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটস কিনেছিলেন। দীর্ঘ কয়েক দশকে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম স্বনামধন্য উচ্চমানের মাছ ধরার নৌকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোম্পানিটি বিক্রির জন্য শত শত মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব এলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি।  নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এডি স্মিথের একমাত্র ছেলে ক্রিস স্মিথ কয়েক বছর আগে মারা যাওয়ার পর কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। পরে আউটডোর পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান প্যাটাগোনিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ইভন শুইনার্ডের দাতব্য মালিকানা কাঠামো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একই ধরনের উদ্যোগ নেন।    নতুন ব্যবস্থায় কোম্পানিটি ব্যক্তিগত মালিকানায়ই পরিচালিত হবে। ব্যবসার প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ বাদ দিয়ে যে মুনাফা থাকবে, তা একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যয় করা হবে। একই সঙ্গে কোম্পানির কর্মীদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা, লাভের অংশীদারিত্ব এবং প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি অক্ষুণ্ন থাকবে।  এডি স্মিথ বলেন, জীবনে তিনি যে সফলতা অর্জন করেছেন, তা সমাজের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই তার বিশ্বাস। তিনি বিলাসবহুল জীবনযাপনের পরিবর্তে নিজের সম্পদের বড় অংশ জনকল্যাণে কাজে লাগাতে চান।    বিশ্লেষকদের মতে, বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিকের এভাবে বিক্রির বিপুল অর্থ ছেড়ে দিয়ে কোম্পানিকে স্থায়ীভাবে জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে এখনও খুবই বিরল। প্যাটাগোনিয়ার পর গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটস এ ধরনের মালিকানা কাঠামো গ্রহণ করা অন্যতম বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৬ মিনিট Ago
ছবি: সংগৃহীত
জাপানের ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে শপিং মলে বিস্ফোরণ, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কুমামোতো প্রিফেকচারে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পরপরই দেশটির আবহাওয়া সংস্থা উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করে এবং হাজারো বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেয়।  জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কুমামোতো প্রিফেকচারের কাছে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর পরপরই আরিয়াকে ও ইয়াতসুশিরো সাগর উপকূলের জন্য সর্বোচ্চ এক মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। একই সঙ্গে কুমামোতো, নাগাসাকি, কাগোশিমা, ফুকুওকা, সাগা, ওইতা ও মিয়াজাকি প্রিফেকচারে জরুরি ভূমিকম্প সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।    ভূমিকম্পের পর কিউশু অঞ্চলের বুলেট ট্রেনসহ বিভিন্ন রেলসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। কয়েক হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং কুমামোতো বিমানবন্দরের কার্যক্রমও নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য স্থগিত করা হয়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সড়ক ও ভবনের ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন শুরু করেছে।  জাপানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, আশপাশের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অস্বাভাবিকতা শনাক্ত হয়নি। তবে শক্তিশালী আফটারশকের আশঙ্কায় জনগণকে সতর্ক থাকতে এবং উপকূলীয় এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে জারি করা সুনামি সতর্কতা পরে প্রত্যাহার করা হয়েছে, কারণ উল্লেখযোগ্য সুনামির কোনো প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা যায়নি। তবে উদ্ধারকারী দল ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য সংগ্রহে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।  উল্লেখ্য, কুমামোতো অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ। ২০১৬ সালে একই এলাকায় সংঘটিত শক্তিশালী ভূমিকম্পে বহু মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

২৪ মিনিট Ago
ভাগ্যশ্রী জিগালুর (২৩), স্বামী প্রবীণ জিগালুর (২৯)
স্ত্রীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা, মৃত্যুর মুহূর্ত ভিডিও কলে দেখানো হলো বাবা-মাকে

ভারতের কর্ণাটকের বাগলকোট জেলায় ২৩ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। পুলিশের অভিযোগ, পরকীয়ার সন্দেহে স্ত্রীকে মারধরের পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। এ সময় তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিলেন, এমন অবস্থায় তার বাবা-মাকে ভিডিও কলে সেই দৃশ্য দেখানো হয়। পরে ঘটনাটির ভিডিও আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের কাছেও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।  নিহত নারীর নাম ভাগ্যশ্রী জিগালুর (২৩)। অভিযুক্ত তার স্বামী প্রবীণ জিগালুর (২৯)। রবিবার সন্ধ্যায় বিলাগি তালুকের গালাগালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ প্রবীণকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।    পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রবীণ প্রথমে একটি কাঠের গুঁড়ি দিয়ে ভাগ্যশ্রীকে মারধর করেন। এরপর তাকে বাড়ির ভেতরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় ভাগ্যশ্রী যখন জীবনের জন্য লড়াই করছিলেন, তখন প্রবীণ সেই দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করেন। একই সময়ে তিনি শ্বশুর-শাশুড়িকে ভিডিও কল করে তাদের মেয়ের শেষ মুহূর্ত দেখান। পরে ভিডিওটি বন্ধু ও আত্মীয়দের কাছেও পাঠানো হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।    তা ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

৫৭ মিনিট Ago
স্বাস্থ্যব্যবস্থা
স্বাস্থ্যসেবায় যুক্তরাষ্ট্রের সেরা স্টেট কোনটি? প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালের নতুন তালিকা

যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যসেবার মান, ব্যয় ও চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ বিবেচনায় ২০২৬ সালের সেরা ও সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা অঙ্গরাজ্যের তালিকা প্রকাশ করেছে ব্যক্তিগত অর্থবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ালেটহাব। এবারের মূল্যায়নে মিনেসোটা দেশের সেরা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার অধিকারী অঙ্গরাজ্য হিসেবে শীর্ষে রয়েছে, আর সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে মিসিসিপি।  ওয়ালেটহাব ৫০টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিকে মোট ৪৪টি সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করেছে। এসব সূচকের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়, চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ এবং চিকিৎসার ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিনেসোটার পাশাপাশি আইওয়া, রোড আইল্যান্ড, উটাহ ও নিউ হ্যাম্পশায়ারও শীর্ষ পাঁচে স্থান পেয়েছে। অন্যদিকে মিসিসিপির পাশাপাশি ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, আলাস্কা, আরকানসাস ও ওকলাহোমা তালিকার নিচের দিকে রয়েছে।   বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যেসব অঙ্গরাজ্যে চিকিৎসকের প্রাপ্যতা বেশি, স্বাস্থ্যবিমা সহজলভ্য এবং চিকিৎসার মান উন্নত, সেসব রাজ্য সামগ্রিকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে। বিপরীতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় বেশি, চিকিৎসক সংকট এবং দুর্বল স্বাস্থ্যসূচক থাকা রাজ্যগুলো পিছিয়ে পড়েছে।  ওয়ালেটহাবের বিশ্লেষক চিপ লুপো বলেন, ভালো স্বাস্থ্যসেবা বলতে শুধু উন্নত চিকিৎসার মান বোঝায় না; সেটি মানুষের জন্য সাশ্রয়ী হওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, ব্যয়বহুল কিন্তু সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকা স্বাস্থ্যব্যবস্থা যেমন কার্যকর নয়, তেমনি কম খরচের হলেও নিম্নমানের চিকিৎসাসেবাও গ্রহণযোগ্য নয়।    প্রতিবছর প্রকাশিত এই র‍্যাঙ্কিং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন মূল্যায়ন নীতিনির্ধারকদের স্বাস্থ্যসেবার দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে উন্নয়নের পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করতে পারে।

১ ঘন্টা Ago
মেলানিয়া ও ব্যারন ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ
আমেরিকা
ইরানে ছড়ানো ভিডিওতে মেলানিয়া ও ব্যারন ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি, নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে হত্যার উসকানি দিয়ে ইরান থেকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভিডিওটিতে মেলানিয়ার নিউইয়র্কে চলাচলের বিভিন্ন স্থান তুলে ধরে তাকে হত্যার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একই ভিডিওর শেষ দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ বছর বয়সী ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকেও সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়েছে।   সোমবার নিউইয়র্ক পোস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে “হাউ টু কিল মেলানিয়া ট্রাম্প”। এতে ফার্স্ট লেডির মোটরকেড এবং নিউইয়র্ক সিটিতে তার চলাচলের বিভিন্ন দৃশ্য ব্যবহার করা হয়েছে। মেলানিয়া যেসব ডিজাইনার স্টোরে কেনাকাটা করেন বলে দাবি করা হয়েছে, সেগুলোর কয়েকটির নামও ভিডিওতে তুলে ধরা হয়।   ভিডিওটিতে তার ওপর হামলা চালানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের সহিংস পদ্ধতির কথাও বলা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সেসব পদ্ধতির বিস্তারিত প্রকাশ করা হচ্ছে না।   ভিডিওর শেষ অংশে ব্যারন ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, “এটি কেবল শুরু। ব্যারন ট্রাম্প, আমাদের জন্য অপেক্ষা করো।”   তবে ভিডিওটি ঠিক কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী তৈরি করেছে এবং এর সঙ্গে ইরান সরকারের সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে এটিকে ইরান সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। নিউইয়র্ক পোস্ট ভিডিওটিকে ইরান থেকে প্রকাশিত প্রচারণামূলক ভিডিও হিসেবে বর্ণনা করেছে।   প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ফার্স্ট লেডির কার্যালয় বা ইউএস সিক্রেট সার্ভিস এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক পোস্ট।   মেলানিয়া ও ব্যারন ট্রাম্প দুজনই সিক্রেট সার্ভিসের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার আওতায় রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ও তার পরিবারের ব্যবহৃত হোয়াইট হাউস, নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ার, নিউ জার্সির বেডমিনস্টার এবং ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতেও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।   ট্রাম্প পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক হুমকির ঘটনা এটিই প্রথম নয়। জুলাইয়ের মাঝামাঝি ইরানের রাজধানী তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কয়ারে একটি বড় বিলবোর্ডে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, মেলানিয়া এবং ট্রাম্পের পাঁচ সন্তান ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, ইভাঙ্কা, এরিক, টিফানি ও ব্যারনের ছবি প্রদর্শন করা হয়। তাদের সঙ্গে মার্কিন পতাকায় মোড়ানো কফিনের ছবি দেখানো হয় এবং ফারসি ভাষায় “ব্লাড ফর ব্লাড” বা “রক্তের বদলে রক্ত” বার্তা লেখা ছিল।   এর আগে তেহরানের বিভিন্ন স্থানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে লক্ষ্য করেও হুমকিমূলক বিলবোর্ড দেখা গেছে। এসব প্রচারণা এমন সময়ে সামনে আসছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাতের পর সম্পর্ক অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।   সাম্প্রতিক ভিডিওতে প্রেসিডেন্টের স্ত্রী ও ছেলের চলাচল এবং ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টি বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ভিডিওটির উৎস, এর পেছনে কারা রয়েছে কিংবা হুমকিটিকে কী মাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখা হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ২৭, ২০২৬ ১৮:২১
ক্যান্সারের অভিযোগে ৫৫০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণে রাজি জনসন অ্যান্ড জনসন
ক্যান্সারের অভিযোগে ৫৫০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণে রাজি জনসন অ্যান্ড জনসন

বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান জনসন অ্যান্ড জনসন  তাদের ট্যাল্কভিত্তিক বেবি পাউডার ও অন্যান্য পণ্যের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিম্বাশয়ের ক্যানসার সংক্রান্ত হাজারো মামলার নিষ্পত্তিতে ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধে সম্মত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর এটি কোম্পানির জন্য অন্যতম বড় সমঝোতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।    কোম্পানির ঘোষণা অনুযায়ী, এই সমঝোতার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্যের আদালতে চলমান প্রায় ৬৯ হাজার মামলা নিষ্পত্তি হবে, যা দেশটিতে ট্যাল্ক পণ্যসংক্রান্ত অবশিষ্ট মামলার প্রায় ৯৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তবে চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে অন্তত ৯৫ শতাংশ বাদীকে এতে সম্মতি দিতে হবে।    বহু বছর ধরে হাজারো নারী অভিযোগ করে আসছেন, জনসন অ্যান্ড জনসনের ট্যাল্কভিত্তিক বেবি পাউডার নিয়মিত ব্যবহারের ফলে তাদের ডিম্বাশয়ের ক্যানসার হয়েছে। কোম্পানিটি শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের দাবি, বৈজ্ঞানিকভাবে ট্যাল্ক ও ক্যানসারের মধ্যে কোনো কারণগত সম্পর্ক প্রমাণিত হয়নি। তবুও দীর্ঘমেয়াদি মামলা থেকে বেরিয়ে আসতেই এই সমঝোতার পথে হেঁটেছে প্রতিষ্ঠানটি।    জনসন অ্যান্ড জনসনের লিটিগেশন বিভাগের প্রধান এরিক হাস এক বিবৃতিতে বলেন, কোম্পানি এখন এই দীর্ঘ আইনি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়ে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও চিকিৎসা প্রযুক্তি উন্নয়নের মূল কার্যক্রমে মনোযোগ দিতে চায়। অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরাও এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের একটি বাস্তবসম্মত সমাধান হিসেবে এই সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন।    ট্যাল্ক একটি প্রাকৃতিক খনিজ, যা একসময় প্রসাধনী ও বেবি পাউডারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। তবে ক্যানসারের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে বিতর্ক বাড়তে থাকায় জনসন অ্যান্ড জনসন ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এবং ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ট্যাল্কভিত্তিক বেবি পাউডার বিক্রি বন্ধ করে দেয়। এছাড়া ২০২৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর ক্যানসার গবেষণা সংস্থা আইএআরসি ট্যাল্ককে "সম্ভবত মানুষের জন্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী" হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে।    তবে এই সমঝোতা যুক্তরাজ্যে চলমান মামলাগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সেখানে সাত হাজারের বেশি সম্ভাব্য দাবিদারকে নিয়ে জনসন অ্যান্ড জনসনের বিরুদ্ধে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বড় পণ্য দায়বদ্ধতা মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলায়ও অভিযোগ করা হয়েছে, কোম্পানিটি সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টি জেনেও ট্যাল্কভিত্তিক পণ্য বাজারজাত করেছে। যদিও সেই অভিযোগও অস্বীকার করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন।

যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হবে মার্সিডিজ-বেঞ্জ!
যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হবে মার্সিডিজ-বেঞ্জ! নতুন বিল ঘিরে বাড়ছে জোর সমালোচনা

যুক্তরাষ্ট্রে বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা মার্সিডিজ-বেঞ্জের গাড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সিনেটের একটি কমিটিতে অগ্রসর হওয়া নতুন এক বিলে বলা হয়েছে, যেসব গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে চীনা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ১৫ শতাংশের বেশি, তারা যুক্তরাষ্ট্রে সংযুক্ত  যানবাহন বিক্রি করতে পারবে না। বর্তমান মালিকানা কাঠামোর কারণে মার্সিডিজ-বেঞ্জও এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে পারে।    প্রস্তাবিত আইনটি গত সপ্তাহে সিনেট কমার্স কমিটিতে অনুমোদন পেয়েছে। বিলটির লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা প্রযুক্তি ও চীনা মালিকানার প্রভাব কমানো। আইনপ্রণেতাদের দাবি, আধুনিক কানেক্টেড গাড়িতে থাকা সফটওয়্যার ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য বিদেশে পৌঁছে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ।    বর্তমানে মার্সিডিজ-বেঞ্জে চীনের দুটি বিনিয়োগকারীর সম্মিলিত মালিকানা প্রায় ২০ শতাংশ, যা প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ সীমার বেশি। এ কারণে বিলটি বর্তমান রূপে আইনে পরিণত হলে কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রিতে বাধার মুখে পড়তে পারে। তবে আইনটি এখনও চূড়ান্ত নয়। এটি কার্যকর হওয়ার আগে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের অনুমোদন এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।    তবে বিলটি নিয়ে সিনেটের ভেতরেও মতভেদ রয়েছে। সিনেট কমার্স কমিটির চেয়ারম্যান টেড ক্রুজ বলেছেন, বর্তমান ভাষায় বিলটি মার্সিডিজ-বেঞ্জের মতো প্রতিষ্ঠানের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ফেলতে পারে। তার মতে, আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে বিলটির অন্যতম প্রস্তাবক সিনেটর বার্নি মোরেনো বলেছেন, প্রয়োজনে মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হতে পারে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়ার সুযোগও থাকতে পারে।    মার্সিডিজ-বেঞ্জ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার উদ্যোগকে সমর্থন করে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি বলেছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বড় পরিসরের উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ রয়েছে এবং নতুন আইন যেন এসব কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

ছবি : আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট
ইরান যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ল কাস্পিয়ান সাগরে, তেহরানের জাহাজে হামলার অভিযোগ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের নতুন হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে তেহরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও শক্তিশালী সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।  মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগর ও সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলার আশঙ্কা বেড়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডে ইরানের সমর্থন রয়েছে। যদিও তেহরান বরাবরই হুথিদের ওপর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ বা হামলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।  ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখতে চায়। তবে আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে সামরিক পদক্ষেপ থেকে ওয়াশিংটন পিছিয়ে থাকবে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপের কারণেই ইরান আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে। অন্যদিকে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সরাসরি আলোচনা চলছে না; প্রয়োজনে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে।      এদিকে হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের তেল-সম্পর্কিত স্থাপনা ও জাহাজ চলাচলের ওপর নতুন হামলার দাবি করেছে। এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।  পরিস্থিতি সামাল দিতে ওমান, কাতার, চীন ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সামরিক বিকল্পও বিবেচনায় থাকবে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান, হুথি বিদ্রোহী এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটসের মালিক এডি স্মিথ
৪০ কোটি ডলারে বিক্রির সুযোগ ফিরিয়ে দিয়ে পুরো কোম্পানিই ফ্রীতে দান করে দিলেন মালিক!

যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনাভিত্তিক বিখ্যাত নৌকা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটসের মালিক এডি স্মিথ জুনিয়র নিজের কোম্পানি বিক্রি করে প্রায় ৪০ কোটি ডলার পাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেটি দান করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভবিষ্যতে কোম্পানির মুনাফা বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হবে, এমন একটি কাঠামো তৈরি করে তিনি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা একটি ‘পারপাস ট্রাস্ট’-এর কাছে হস্তান্তর করেছেন।  ৮৩ বছর বয়সী এডি স্মিথ ১৯৬৮ সালে আর্থিক সংকটে থাকা গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটস কিনেছিলেন। দীর্ঘ কয়েক দশকে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম স্বনামধন্য উচ্চমানের মাছ ধরার নৌকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোম্পানিটি বিক্রির জন্য শত শত মিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব এলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি।  নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এডি স্মিথের একমাত্র ছেলে ক্রিস স্মিথ কয়েক বছর আগে মারা যাওয়ার পর কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। পরে আউটডোর পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান প্যাটাগোনিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ইভন শুইনার্ডের দাতব্য মালিকানা কাঠামো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে একই ধরনের উদ্যোগ নেন।    নতুন ব্যবস্থায় কোম্পানিটি ব্যক্তিগত মালিকানায়ই পরিচালিত হবে। ব্যবসার প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ বাদ দিয়ে যে মুনাফা থাকবে, তা একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যয় করা হবে। একই সঙ্গে কোম্পানির কর্মীদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা, লাভের অংশীদারিত্ব এবং প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি অক্ষুণ্ন থাকবে।  এডি স্মিথ বলেন, জীবনে তিনি যে সফলতা অর্জন করেছেন, তা সমাজের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই তার বিশ্বাস। তিনি বিলাসবহুল জীবনযাপনের পরিবর্তে নিজের সম্পদের বড় অংশ জনকল্যাণে কাজে লাগাতে চান।    বিশ্লেষকদের মতে, বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিকের এভাবে বিক্রির বিপুল অর্থ ছেড়ে দিয়ে কোম্পানিকে স্থায়ীভাবে জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে এখনও খুবই বিরল। প্যাটাগোনিয়ার পর গ্র্যাডি-হোয়াইট বোটস এ ধরনের মালিকানা কাঠামো গ্রহণ করা অন্যতম বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাবাস নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞের নিন্দা: ৩৩ মাস ধরে একাকী কারাবাসে ইমরান খান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে দীর্ঘদিন ধরে একাকী কারাবাসে (সলিটারি কনফাইনমেন্ট) রাখা হচ্ছে এমন অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে আদিয়ালা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। একই সময়ে কারাগারে তার অবস্থার বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।   ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমরান খানের পরিবার ও আইনজীবীদের দাবি, তাকে দীর্ঘ সময় ধরে অন্য বন্দিদের থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হচ্ছে এবং আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও স্বজন ও দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তারা অভিযোগ করেন, এই পরিস্থিতি তার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।    এদিকে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে আদিয়ালা জেল সুপারিনটেনডেন্ট, কারা বিভাগের মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নোটিশ জারি করেছে। আদালত জানতে চেয়েছে, ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে আদৌ একাকী কারাবাসে রাখা হয়েছে কি না। যদি রাখা হয়ে থাকে, তবে কোন আইনের আওতায়, কতদিন এবং কী কারণে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।    হাইকোর্টের বিচারপতি খাদিম হুসেইন সোমরো তার পর্যবেক্ষণে বলেন, এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ শুনানি ছাড়াই উপেক্ষা করা যায় না। আদালত কারা কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।  অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে অতীতে দাবি করা হয়েছে, ইমরান খানকে আইন অনুযায়ী কারাগারে রাখা হয়েছে এবং তার সঙ্গে প্রচলিত বিধি অনুসারেই আচরণ করা হচ্ছে। তবে একাকী কারাবাসের অভিযোগ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো বিচারিক সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।    ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দি ইমরান খান বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে রয়েছেন। দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি-সংক্রান্ত একাধিক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হলেও তিনি সব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন। তার দলও অভিযোগ করে আসছে, রাজনৈতিকভাবে তাকে নিষ্ক্রিয় রাখতেই এসব মামলা ও কারাবন্দিত্ব ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার বরাবরই বলছে, সব আইনি প্রক্রিয়া আদালতের অধীনেই পরিচালিত হচ্ছে।

News stories

রাজনীতি

  • এনসিপি
  • জামায়াত
  • আওয়ামী লীগ
  • বিএনপি

Recommended news

মতামত

বিশ্ব

View more
আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন’ বলে প্যারিসের রাস্তায় ৩ নারীকে ছুরিকাঘাত
আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন’ বলে প্যারিসের রাস্তায় ৩ নারীকে ছুরিকাঘাত
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ৫:৪৫

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে দিনের আলোয় ছুরি হামলায় তিন নারী আহত হয়েছেন। সোমবার শহরের পোর্ত দ্য ক্লিশি  এলাকায় দুইটি রান্নাঘরের ছুরি নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। হামলায় আহত নারীদের বয়স ১৯, ২৪ ও ৩৬ বছর; তাদের মধ্যে দুজন গুরুতর আহত হলেও প্রাণসংকটের বাইরে রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।    ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানান, হামলার সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীকে প্রতিরোধ করেন। পরে দায়িত্বের বাইরে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে আটক করেন। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা যায়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি দুই হাতে বড় ছুরি নিয়ে এক নারীকে আক্রমণের চেষ্টা করছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দ্রুত হস্তক্ষেপে আরও বড় ধরনের হতাহতের আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়।    প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় ওই ব্যক্তি “আল্লাহ আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন” বলে চিৎকার করেছিলেন। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নুনেজ বলেছেন, আটক ব্যক্তির বক্তব্য ছিল “অসংলগ্ন” এবং তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।    ফরাসি জাতীয় সন্ত্রাসবাদবিষয়ক প্রসিকিউটর দপ্তর ঘটনাটি সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত তদন্তের আওতায় নেওয়া হবে কি না, তা মূল্যায়ন করছে। একই সঙ্গে প্যারিসের প্রসিকিউটর কার্যালয় হামলার উদ্দেশ্য, হামলাকারীর পরিচয় এবং মানসিক অবস্থাসহ বিভিন্ন দিক তদন্ত করছে। কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত হামলার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য নিশ্চিত করেনি।    ফরাসি কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের গুজব বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য বা এর সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শ বা সংগঠনের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে তারা জানিয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত
দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ৫:৮

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউনে একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। আহত আরেকজনকে দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় তারা দোকানের ভেতর ঘুমাচ্ছিলেন বলে জানা যায়। ক্লিপ এন ক্লিকস বিস্তারিত আসছে

২৭ বছর পর ভারতকে ইসরায়েলের গোপন সহযোগিতার তথ্য ফাঁস!
২৭ বছর পর ভারতকে ইসরায়েলের গোপন সহযোগিতার তথ্য ফাঁস!
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ৪:৮

কারগিল যুদ্ধের প্রায় ২৭ বছর পর প্রথমবারের মতো ভারতের সঙ্গে ইসরায়েলের গোপন সামরিক সহযোগিতার নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর সাবেক দুই কর্মকর্তা। তাদের দাবি, ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধে ভারতীয় বিমানবাহিনীর মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমানকে উন্নত লক্ষ্যনির্ধারণ প্রযুক্তি দিয়ে সক্ষম করে তুলতে ইসরায়েল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, যা যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিতে সহায়ক হয়েছিল।    কারগিল বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমসের সাবেক কর্মসূচি ব্যবস্থাপক আমি এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর সাবেক যুদ্ধবিমানচালক ও মিরাজ স্কোয়াড্রনের সাবেক কমান্ডার শ্লোমো। এটি ভারতীয় গণমাধ্যমে তাদের প্রথম প্রকাশ্য সাক্ষাৎকার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।    তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় ভারতের মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমানে ইসরায়েলের তৈরি ‘লাইটেনিং’ টার্গেটিং পড সংযোজনের কাজ শুরু হয়। কারগিল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেই প্রকল্প জরুরি সামরিক অভিযানে পরিণত হয় এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীর ‘অপারেশন সফেদ সাগর’-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।    সাবেক কর্মকর্তাদের দাবি, যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েল থেকে প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের একটি দল দ্রুত ভারতে পৌঁছে দিন-রাত কাজ করে। তাদের মূল দায়িত্ব ছিল ফ্রান্সের তৈরি মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমান, ইসরায়েলের লক্ষ্যনির্ধারণ প্রযুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি লেজার-নির্দেশিত বোমার মধ্যে সমন্বয় ঘটানো। এই প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের ফলে ভারতীয় বিমানবাহিনী পাহাড়ি এলাকায় আরও নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম হয়।    শ্লোমোর দাবি, বিশেষ করে টাইগার হিলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর সফল হামলা তাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তার ভাষায়, ওই হামলা ছিল কারগিল যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘোরানো ঘটনা। তিনি ভারতীয় বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন।   আমি জানান, ১৯৯৬ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে তিনি শতাধিকবার ভারত সফর করেছেন। তার মতে, সেই সময়ে দুই দেশের মধ্যে যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গড়ে উঠেছিল, তা শুধু সামরিক সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্কও তৈরি হয়েছিল।

বোমা নয়, ইরানকে কাবু করবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা
বোমা নয়, ইরানকে কাবু করবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা’: ইরান
আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ৩:৫৭

ইরানের ওপর সামরিক হামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র এখন অর্থনৈতিক চাপকে আরও কার্যকর কৌশল হিসেবে দেখছে। মার্কিন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা কঠোর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অবরোধ দীর্ঘমেয়াদে তেহরানের ওপর বোমা হামলার চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণেই ১৩ দিনের টানা সামরিক অভিযানের পর হামলা স্থগিত রেখে ওয়াশিংটন এখন কূটনৈতিক আলোচনাকে এগিয়ে নিতে চাইছে।    অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমান, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। আলোচনায় হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় ইরান ও ওমানকে যৌথ ভূমিকা দেওয়ার একটি প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, অবরুদ্ধ সম্পদে প্রবেশাধিকার এবং মার্কিন অর্থ দপ্তরের আরোপিত আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের দাবি জানিয়েছে।    মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরানের আর্থিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে। দেশটিতে জ্বালানি ঘাটতি, ব্যাংক খাতে অস্থিরতা এবং অর্থপ্রবাহের সংকট তৈরি হয়েছে। এমনকি ইরান তাদের মিত্র যোদ্ধাদের অর্থায়নেও সমস্যায় পড়ছে বলে মার্কিন প্রশাসনের দাবি। এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরান যুদ্ধের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের আর্থিক পদক্ষেপকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।    তবে এই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে সবাই একমত নন। ওবসিডিয়ান রিস্ক অ্যাডভাইজার্সের বিশ্লেষক ব্রেট এরিকসনের মতে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে ইরান প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার তেল রপ্তানি আয় করেছে। তাই শুধু অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে তেহরানকে কাঙ্ক্ষিত সমঝোতায় আনতে পারবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেন। তবে ইরান যদি হরমুজ প্রণালি বা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে, তাহলে সব ধরনের বিকল্পই খোলা থাকবে।    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নেতৃত্বও দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের ব্যয় ও গোলাবারুদের মজুদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এরপরই ট্রাম্প সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে আলোচনার পথ খোলা রাখেন। তবে মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট, কূটনীতি ব্যর্থ হলে প্রয়োজনে সামরিক ও অর্থনৈতিক উভয় পথেই চাপ বাড়ানোর সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

Follow us

Trending

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০
আসিফ নজরুল Play Video
908 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
আমির খসরু Play Video
737 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
Play Video
855 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
মসজিদুল হারামে খুতবা, তেলাওয়াত ও আজানের রোবট! Play Video
696 View আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ ১৩:০
খেলাধুলা
বিশ্ব রাজনীতি
স্বাস্থ্য
বিনোদন

তথ্যপ্রযুক্তি
ক্যাম্পাস
আমেরিকা
সাহিত্য
আইন-আদালত
শিক্ষা
ধর্ম
বিশেষ প্রতিবেদন
মতামত
অর্থনীতি
অপরাধ
লাইফস্টাইল
জাতিসংঘ
মিডিয়া
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ
জাতীয়