বাংলাদেশ

মোরগের কণ্ঠে আল্লাহর নাম, এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ১১, ২০২৬ ২১:৩৮
আল্লাহর নাম ধরে ডাকা মোরগ।
আল্লাহর নাম ধরে ডাকা মোরগ।

পাবনা প্রতিনিধি

মোরগের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে আল্লাহর নাম। মোরগটি বারবার শুধু আল্লাহ, আল্লাহ বলে  ডাকছে। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহর নাম ধরে ডাকা মোরগটিকে দেখতে ভীড় করেছিলেন অনেকেই।

 

ঘটনাটি ঘটেছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড পুন্ডুরিয়া গ্রামে। পরে অবশ্য মোরগটি বিক্রি করে দেন মোরগের মালিক। আর যিনি কিনেছিলেন তিনি মোরগটি জবাই করে খেয়েছেন। 

 

জানা গেছে, দেশী ওই মোরগটি দীর্ঘদিন বাড়িতে পালন করছিলেন পুন্ডুরিয়া গ্রামের রহিম শেখ এর ছেলে সাব্বির শেখ। মোরগটিকে গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রান্নার জন্য ধরলে ঠিক তখনই মোরগের কণ্ঠে আকস্মিক শোনা যায় আল্লাহ, আল্লাহ ডাক। মোরগের জিকির করা দেখে অবাক হন স্থানীয়রা।

 

মোরগটিকে দেখতে ভীড় জমান অনেকেই। পরে স্থানীয় পুন্ডুরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় মোরগটিকে দান করে দেন সাব্বির। মোরগটিকে ৫শ টাকা দরে ক্রয় করে বাড়িতে নিয়ে জবাই করে খেয়ে ফেলেছেন মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী।

 

মোরগের আল্লাহ ডাকার এই চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। অন্যান্য মোরগ-মুরগীর ডাক স্বাভাবিক থাকলেও এই মোরগটির কণ্ঠস্বর অন্যরকম। ঠিক মানুষের মতোই মোরগটি উচ্চ স্বরে আল্লাহ আল্লাহ করে ডাকছে! বিস্মিত পরিবারের দাবি, এটি সৃষ্টিকর্তার বিশেষ কুদরত।

 

সাব্বির জানান, জীবনে কত হাঁস, মুরগী, কবুতর পালন করেছেন সবাই। কিন্তু কখনো এমন ডাক শোনেননি। মোরগের কন্ঠে আল্লাহর নাম শুনে অবাক হয়েছেন সবাই। আমি জবাই করা বাদ দিয়ে অনেকটা ভয়ে পুন্ডুরিয়া মাদ্রাসায় দান করে দিয়ে এসেছি, তারা কি করেছে আমার জানা নাই। 

 

পুন্ডুরিয়া দ্রাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল ওয়াদুত জানান, সাব্বির নামের ঐ ছেলেটা একটি মোরগ দান করে দিয়েছিল গত বৃহস্পতিবার। মোরগটিকে আমাদের নাইডগার্ড আব্দুল করিম প্রামানিক ৫শত টাকা দাম ধরে ক্রয় করে নিয়ে জবাই করে খেয়ে ফেলেছে। তবে সে জানতো না যে মোরগটি আল্লাহ, আল্লাহ বলে ডাকে। আমরা পরে ভিডিওতে দেখলাম। এ বিষয়ে ইসলাম ধর্মে কোন হাদিস আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার জানা নেই।

 

এ বিষয়ে পাঁচুরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন বেলালী বলেন, ইসলাম ধর্ম মতে কেয়ামতের যেসব আলামত রয়েছে তাদের মধ্যে একটি হলো কিয়ামতের পূর্ব মূহুর্তে প্রাণী এবং জড় পদার্থ মানুষের সঙ্গে কথা বলবে। আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন মানুষকে কথা বলার শক্তি দিয়েছেন। তিনি চাইলে অন্যান্য সৃষ্টি জীবকেও কথা বলার ক্ষমতা দিতে সক্ষম।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
কৃষকের বেশে গিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করল পুলিশ
কৃষকের বেশে গিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করল পুলিশ

মাদক মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে অভিনব কৌশল নিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থানা পুলিশ। পুলিশের ইউনিফর্ম ছেড়ে লুঙ্গি পরে খালি গায়ে কৃষকের ছদ্মবেশে ফসলের মাঠে প্রবেশ করে শেষ পর্যন্ত ওই আসামিকে আটক করেন এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)।   শনিবার, ২৫ জুলাই সন্ধ্যায় নাচোল উপজেলার বাইরে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার রাওতা গ্রামের একটি ফসলি মাঠে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নাচোল থানার এএসআই ফরহাদ হোসেন। গ্রেফতার ব্যক্তি সুশীল (পুলিশের নথি অনুযায়ী পূর্ণ নাম), যিনি নাচোল উপজেলার রাজবাড়ী হাট টাওয়ারপাড়া এলাকার বাসিন্দা।   পুলিশ জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় প্রায় তিন মাস আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুগ্ম দায়রা জজ আদালত-২ সুশীলকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।   নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতারের জন্য একাধিকবার অভিযান চালানো হলেও তিনি প্রতিবারই কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।   পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সুশীল নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার একটি ফসলি মাঠে কৃষিকাজ করছেন। সন্দেহ এড়াতে এএসআই ফরহাদ হোসেন নিজের সঙ্গে থাকা পুলিশ সদস্যদের পাশের একটি বাজারে অবস্থান নিতে নির্দেশ দেন। এরপর তিনি নিজেই কৃষকের বেশ ধারণ করে মাঠে প্রবেশ করেন।   এএসআই ফরহাদ হোসেন জানান, কাছে পৌঁছাতেই সুশীল তাকে চিনতে পেরে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়।   পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সুশীলকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।   মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আদালতের রায় কার্যকর করতে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে নাচোল থানা পুলিশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ২:১২
ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগ: চুপ্পুকে ঘিরে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসার জন্য আবেদনকারীদের চিকিৎসা ও যাতায়াত ব্যয়ের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হবে। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ভিসায় আবেদনকারীদের জন্য কী বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র?

মৃত্যুর খবর শুনেই ছুটে গেলেন ডিউটিরত পুলিশ, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখলেন নিথর দেহটি নিজের সন্তানের I কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

মৃত্যুর খবর শুনেই ছুটে গেলেন ডিউটিরত পুলিশ, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখলেন নিথর দেহটি নিজের সন্তানের

স্পিকারের দায়িত্বে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন যিনি

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন হাফিজ উদ্দিন, স্পিকারের দায়িত্বে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ।   রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।   শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর সংসদ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে সংবিধানের বিধান অনুযায়ী তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।   হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, স্পিকার হিসেবে শপথ গ্রহণের সময়ই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের শপথও তিনি নিয়েছিলেন। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার শপথ গ্রহণের সময় এমন বিধান রয়েছে যে, কোনো কারণে স্পিকারের পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালন করতে না পারলে ডেপুটি স্পিকার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন। সে অনুযায়ী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এখন জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।   সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে কয়েকদিন ধরে নানা আলোচনা চলছিল। তবে শুক্রবার দুপুরে তিনি নিশ্চিত হন যে, রাষ্ট্রপতি শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি মো. সাহাবুদ্দিনের দ্রুত সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেন।   তিনি আরও বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেও বর্তমান জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রতি সবসময় সম্মান ও সমর্থন প্রকাশ করেছেন বলে তাঁর পর্যবেক্ষণ।   বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নির্ধারিত সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ২৪, ২০২৬ ৯:৩৭
নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার

নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার

সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের ছেলের মরদেহ উদ্ধার করলেন পুলিশ কনস্টেবল। ছবি: সংগৃহীত

নিহতের মরদেহ উদ্ধারে গিয়ে পুলিশ সদস্য দেখলেন নিথর দেহটি নিজের ছেলের

ড. ইউনূসের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়া নিয়ে ছড়ানো গুঞ্জনকে নাকচ করে দিয়েছেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি সংগৃহীত

ড. ইউনূস কি রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন? যা জানালেন সাবেক প্রেস সচিব

একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি
সৌদিতে ওমরাহ পালনে গিয়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল মা-সহ একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশির

সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রিয়াদ থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও দুই সন্তানসহ তিন বাংলাদেশি মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনাটি ঘটে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহতের স্বামী ও বড় ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে তারা স্থানীয় একটি হাসপাতালে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।   পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র মতে, নিহতরা হলেন—তানিয়া তাহমিনা রিনা, তাঁর দ্বাদশ শ্রেণি পড়ুয়া ছোট মেয়ে সাদাফ শাফিকুল ইসলাম এবং ছোট ছেলে জারগিস ইসলাম। তাদের নিজস্ব বাসভবন ঢাকার শেরে বাংলা নগর থানার নর্থ শ্যামলীর ২ নম্বর রোডে অবস্থিত। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে পুরো পরিবারটি রিয়াদ থেকে একটি গাড়িতে করে পবিত্র মক্কা নগরীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল।   পথিমধ্যে তাদের বহনকারী গাড়িটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়লে ঘটনাস্থলেই মা তানিয়া, মেয়ে সাদাফ এবং ছেলে জারগিস মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)।   দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তানিয়ার স্বামী শাফিকুল ইসলাম এবং তাদের বড় ছেলে। তাদের অবস্থা বর্তমানে বেশ সংকটাপন্ন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এদিকে, একই পরিবারের তিন সদস্যের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে ঢাকার নর্থ শ্যামলী এলাকাসহ স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।   বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়েছে এবং আহত বাবা ও ছেলের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করা হচ্ছে।

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ১৯:২০
কলমের শক্তিতে দুই বাংলা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়েছেন লেখক শাম্মী তুলতুল | ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

লেখালেখি দিয়ে দুই বাংলা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতিমান হয়েছেন শাম্মী তুলতুল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি। ছবি:সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের  নেপথ্যে কি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ?

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করছেন

0 Comments