খেলাধুলা

সর্বকালের সেরা ফুটবলার মেসির ৩৯তম জন্মদিন আজ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৩, ২০২৬ ২২:৭
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের পরিচয় কেবল পরিসংখ্যান, ট্রফি কিংবা রেকর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তারা হয়ে ওঠেন একটি যুগের প্রতীক। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার লিওনেল মেসি ঠিক তেমনই এক নাম। কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয় জয় করা এই মহাতারকা আজ ৩৯ বছরে পা রেখেছেন।

 

১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম নেওয়া মেসির জীবনগাথা সংগ্রাম, প্রতিভা এবং সাফল্যের এক অনন্য মিশ্রণ। ছোটবেলায় গ্রোথ হরমোনের ঘাটতিতে ভুগলেও সেই বাধা তাঁর পথ রোধ করতে পারেনি। বরং জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে জয় করেই তিনি উঠে এসেছেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসনে।

 

শৈশবে স্থানীয় ক্লাব নিউয়েলস ওল্ড বয়েজে খেলার সময়ই তাঁর অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব ছিল না। সেই সময়ে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা এগিয়ে আসে। প্রচলিত সেই বিখ্যাত গল্প অনুযায়ী, একটি ন্যাপকিন কাগজে চুক্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েই বার্সেলোনা মেসিকে স্পেনে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেটিই ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সফল বিনিয়োগগুলোর একটিতে পরিণত হয়।

 

বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমিতে নিজেকে গড়ে তোলার পর ২০০৪ সালে মূল দলে অভিষেক হয় মেসির। এরপর প্রায় দুই দশক ধরে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে তিনি একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন।

বার্সেলোনার হয়ে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ১০টি লা লিগা শিরোপাসহ অসংখ্য ট্রফি জিতেছেন তিনি। জাভি হার্নান্দেজ ও আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সঙ্গে তাঁর গড়ে তোলা বার্সেলোনা দলকে অনেকেই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দল হিসেবে বিবেচনা করেন।

 

ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেও মেসি এক অনন্য উচ্চতায় অবস্থান করছেন। ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি'অর তিনি জিতেছেন রেকর্ড আটবার। ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শুও জিতেছেন ছয়বার। গোল, অ্যাসিস্ট, ম্যাচসেরা পুরস্কার কিংবা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি স্থাপন করেছেন নতুন মানদণ্ড।

তবে মেসির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আবেগঘন অধ্যায় লেখা হয়েছে আর্জেন্টিনার জার্সিতে।

 

দীর্ঘদিন জাতীয় দলের হয়ে বড় কোনো শিরোপা জিততে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে হার, এরপর টানা দুটি কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরাজয় তাঁকে হতাশ করেছিল। এক পর্যায়ে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণাও দিয়েছিলেন।

কিন্তু সেখানেই শেষ হয়নি গল্প। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে। এরপর ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতান মেসি। সেই বিশ্বকাপ জয় শুধু তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতাই পূরণ করেনি, বরং সর্বকালের সেরাদের আলোচনায় তাঁর অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে।

 

৩৯ বছর বয়সেও মাঠে তাঁর প্রভাব কমেনি। চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপেও মেসি আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান ভরসা। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে গোল করে দলকে জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, মেসির সবচেয়ে বড় শক্তি কেবল তাঁর গোল করার ক্ষমতা নয়; বরং খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ, সতীর্থদের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অসাধারণ সামর্থ্য।

 

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করে যাওয়া এই তারকা আজও মাঠে নামলে কোটি মানুষের চোখ থাকে তাঁর দিকে। কারণ, প্রতিটি ম্যাচেই তিনি নতুন কিছু উপহার দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন।

 

রোজারিওর সেই ছোট্ট ছেলেটি আজ বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রদের একজন। তাই মেসির জন্মদিন শুধু একজন খেলোয়াড়ের জন্মদিন নয়, এটি ফুটবলের এক অনন্য যুগের উদযাপনও।

 

বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ব্যালন ডি'অর কিংবা অসংখ্য রেকর্ডের বাইরেও লিওনেল মেসি এমন এক নাম, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে অমলিন হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপে ইরান দলের ভ্রমণ বিধি শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে ইরান। নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অর্জনের পর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে দলটির সামনে। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্বস্তির খবর পেয়েছে ইরানি ফুটবল দল। তাদের ওপর আরোপিত ভ্রমণসংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইরানের জাতীয় ফুটবল দল এখন তাদের ম্যাচের দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচের ক্ষেত্রে দলটিকে কেবল ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে শিথিলতার পরও কিছু বিধিনিষেধ বহাল থাকছে। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার মিশরের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ শেষে একই দিন দেশ ছাড়তে হবে ইরান দলকে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দলটি বর্তমানে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় অবস্থান করছে। সেখান থেকে বুধবার সিয়াটলের উদ্দেশে যাত্রা করবে তারা। বিশ্বকাপের আগে থেকেই ইরান দলের অংশগ্রহণ ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে দলটির ভ্রমণ ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় একাধিক বাধা দেখা দেয়। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরানের বেস ক্যাম্প হওয়ার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের টাকসনে। কিন্তু নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কারণে সেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করে মেক্সিকোতে স্থানান্তর করা হয়। এ ছাড়া ইরান দলের কয়েকজন কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মী যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা না পাওয়ায় দলটির প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছিল ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেছেন, শুরু থেকেই ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ শিথিল করার পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। তিনি বলেন, “প্রথম দুই ম্যাচে তাদের যাতায়াত ও অবস্থান কীভাবে পরিচালিত হয়, তা আমরা পর্যবেক্ষণ করতে চেয়েছিলাম। সবকিছু স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এখন দীর্ঘ ভ্রমণ সময়ের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা দেওয়া হয়েছে।” এদিকে মাঠের লড়াইয়েও ইরানের সামনে বড় সুযোগ অপেক্ষা করছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে জয় পেলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে পারবে দলটি। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, মাঠের বাইরের অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যেও ইরানের পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবি রাখে। বিশেষ করে ভ্রমণসংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা, বেস ক্যাম্প পরিবর্তন এবং ভিসা জটিলতার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও দলটি প্রতিযোগিতায় নিজেদের সম্ভাবনা ধরে রেখেছে। এখন মিশরের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে ঘিরে ইরান শিবিরে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সিদ্ধান্তে দলটির প্রস্তুতি কিছুটা সহজ হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খেলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৩, ২০২৬ ২৩:৮
ছবি: সংগৃহীত

সর্বকালের সেরা ফুটবলার মেসির ৩৯তম জন্মদিন আজ

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে টানা ছয় বিশ্বকাপে রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড  l  ছবি: সংগৃহীত

উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে টানা ছয় বিশ্বকাপে রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলের জোয়ারে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যাপক ধুম

ছবি: সংগৃহীত
ম্যাচ শেষ, জানতেনই না গোলরক্ষক; ১৫ মিনিট একাই পাহারা দিলেন গোলপোস্ট

ফুটবলের ইতিহাস শুধু শিরোপা, গোল কিংবা রেকর্ডের গল্পে ভরা নয়। এই খেলার দীর্ঘ যাত্রায় এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে, যা সময়ের সঙ্গে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। কিছু ঘটনা রোমাঞ্চকর, কিছু নাটকীয়, আবার কিছু এতটাই অদ্ভুত যে দশকের পর দশক পেরিয়েও মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়ে গেছে।   তেমনই এক ঘটনা ঘটেছিল প্রায় নয় দশক আগে ইংল্যান্ডে। একটি ম্যাচে ঘন কুয়াশার কারণে খেলা বন্ধ হয়ে গেলেও তা জানতে পারেননি এক গোলরক্ষক। ফলে মাঠে আর কেউ না থাকলেও তিনি প্রায় ১৫ মিনিট ধরে নিজের গোলপোস্ট পাহারা দিয়ে গিয়েছিলেন। ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে আজও স্মরণ করা হয় সেই মুহূর্তকে।   ঘটনাটি ১৯৩৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর, বড়দিনের দিনে। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল চার্লটন অ্যাথলেটিক ও চেলসি। শীতের দিনে ম্যাচটি শুরু হয়েছিল স্বাভাবিক পরিবেশেই। মাঠে ছিল দর্শকদের উচ্ছ্বাস, খেলোয়াড়দের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং উৎসবমুখর আবহ। চার্লটন অ্যাথলেটিকের গোলপোস্টে দায়িত্ব পালন করছিলেন গোলরক্ষক Sam Bartram। সে সময় ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি।   ম্যাচ চলার একপর্যায়ে আবহাওয়ার দ্রুত অবনতি হতে শুরু করে। স্টেডিয়ামজুড়ে নেমে আসে ঘন কুয়াশা। প্রথমে পরিস্থিতি সহনীয় থাকলেও ধীরে ধীরে দৃশ্যমানতা এতটাই কমে যায় যে মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত দেখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। খেলোয়াড়, ম্যাচ কর্মকর্তা এবং দর্শক সবাই সমস্যার মুখে পড়েন।   অবশেষে ম্যাচের ৬১ মিনিটে রেফারি নিরাপত্তাজনিত কারণে খেলা বন্ধ ঘোষণা করেন। খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে বলা হয় এবং দর্শকেরাও ধীরে ধীরে স্টেডিয়াম ত্যাগ করতে শুরু করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রায় পুরো মাঠ ফাঁকা হয়ে যায়। কিন্তু গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা স্যাম বারট্রাম কিছুই টের পাননি।   ঘন কুয়াশার কারণে তিনি মাঠের অন্য প্রান্তে কী ঘটছে তা দেখতে পাচ্ছিলেন না। রেফারির নির্দেশ কিংবা সতীর্থদের বার্তাও তার কাছে স্পষ্টভাবে পৌঁছায়নি। তিনি ধরে নিয়েছিলেন, খেলা এখনও চলছে এবং তার দল প্রতিপক্ষের অর্ধে আক্রমণে ব্যস্ত রয়েছে। ফলে দায়িত্বশীল গোলরক্ষকের মতো তিনি গোললাইন ধরে অবস্থান করতে থাকেন। কখনও এদিক-ওদিক হাঁটাহাঁটি করেন, কখনও সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য প্রস্তুত থাকেন। তার কাছে সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। অথচ বাস্তবে তখন মাঠে আর কোনো খেলোয়াড় ছিল না।   ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার প্রায় ১৫ মিনিট পরও তিনি একা গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কুয়াশায় ঢাকা বিশাল স্টেডিয়ামে তখন একমাত্র সক্রিয় মানুষ ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্টেডিয়ামে দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। কুয়াশার মধ্যে একা একজন খেলোয়াড়কে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি এগিয়ে যান এবং বারট্রামকে জানান যে খেলা অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। অন্য খেলোয়াড় ও দর্শকরা সবাই মাঠ ছেড়ে চলে গেছেন।   ঘটনা শুনে বিস্মিত হয়ে যান বারট্রাম। পরে তিনি বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, তিনি ভেবেছিলেন খেলা চলছে এবং যেকোনো মুহূর্তে প্রতিপক্ষের আক্রমণ আসতে পারে।   ফুটবল ইতিহাসবিদদের মতে, ঘটনাটি কেবল হাস্যরসের নয়, বরং একজন খেলোয়াড়ের দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বেরও একটি অনন্য উদাহরণ। কারণ পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু না জেনেও তিনি নিজের দায়িত্ব থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরে আসেননি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ফুটবল ইতিহাসভিত্তিক প্রতিবেদনে ঘটনাটি বহুবার উঠে এসেছে। প্রায় ৯০ বছর পরও স্যাম বারট্রামের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন বিকেলের গল্প ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সমানভাবে আকর্ষণীয়।   বর্তমান সময়ে বিশ্বকাপ কিংবা বড় টুর্নামেন্টগুলোতে নাটকীয় গোল, অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন কিংবা চমকপ্রদ ফলাফল আলোচনার জন্ম দেয়। কিন্তু ফুটবলের সৌন্দর্য যে শুধু মাঠের ফলাফলে সীমাবদ্ধ নয়, স্যাম বারট্রামের এই ঘটনা তারই এক অনন্য প্রমাণ।   সময়ের সঙ্গে অসংখ্য ম্যাচ, গোল ও রেকর্ড মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে গেলেও ঘন কুয়াশার মধ্যে একা দাঁড়িয়ে ১৫ মিনিট গোলপোস্ট পাহারা দেওয়া এই গোলরক্ষকের গল্প ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আজও বেঁচে আছে।

খেলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৩, ২০২৬ ৩:৩৩
সূত্র: রয়টার্স

পেনাল্টি মিসের পর জোড়া গোল মেসির, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের জাতীয় সঙ্গীত বাজাতেই দর্শকদের ধিক্কার ও দুয়োধ্বনি

ছবি: সংগৃহীত

আটলান্টায় ফুটবল ভক্তদের জন্য বিশ্বকাপের ফ্যান ফেস্টিভ্যালে বাড়ছে আরও একদিন

ছবি: সংগৃহীত
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে নকআউটে কাদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা, দেখে নিন

চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিয়ে নকআউটের দৌড়ে অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে লিওনেল মেসিদের মূল লক্ষ্য যেহেতু ফাইনাল, তাই নকআউট পর্বে শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে তাদের সামনে কোন প্রতিপক্ষ আসতে যাচ্ছে, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমী ও সমর্থকদের মাঝে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। বিশেষ করে আজ অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের ম্যাচের ফলাফল তাদের কোন সমীকরণের দিকে নিয়ে যাবে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। সোমবার (২২ জুন) প্রকাশিত এক ক্রীড়া প্রতিবেদনে আর্জেন্টিনার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সমীকরণ এবং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   বিশ্বকাপের বর্তমান সূচি ও সমীকরণ অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা যদি 'জে' গ্রুপ থেকে শীর্ষ দল অর্থাৎ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরের রাউন্ডে উন্নীত হতে পারে, তবে শেষ ৩২-এর নকআউট পর্বে তাদের মুখোমুখি হতে হবে 'এইচ' গ্রুপের রানার্সআপ বা দ্বিতীয় সেরা দলের। এই মুহূর্তে 'এইচ' গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী দল উরুগুয়ে। এই গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে ইউরোপিয়ান জায়ান্ট স্পেন এবং উরুগুয়ের সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও কেবল গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে টেবিলের তিন নম্বরে অবস্থান করছে আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে।   আর্জেন্টিনার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সমীকরণটি বেশ সহজ। আজ অস্ট্রিয়া এবং পরবর্তী ম্যাচে জর্ডানকে সরাসরি হারাতে পারলে কোনো সমীকরণ ছাড়াই লিওনেল মেসিরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পরের পর্বে চলে যাবেন। তবে আর্জেন্টিনা যদি কোনো ম্যাচে পয়েন্ট হারায়, তাহলেও তাদের গ্রুপ সেরা হওয়া সম্ভব। সে ক্ষেত্রে 'জে' গ্রুপের অন্য দুই দল আলজেরিয়া ও জর্ডানের মধ্যকার ম্যাচগুলোর ফলাফল আর্জেন্টিনার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ন্ত্রক বা প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে।   যদি আর্জেন্টিনা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়, তবে 'এইচ' গ্রুপের আগামী ২৭ জুনের দুটি ম্যাচের ফলাфলের ওপর ভিত্তি করে প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে। ওই দিন স্পেন খেলবে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে এবং সৌদি আরব মাঠে নামবে কেপ ভার্দের বিপক্ষে। এই ম্যাচগুলোতে যদি উরুগুয়ে জয়লাভ করে এবং কেপ ভার্দে ড্র বা পরাজিত হয়, তবে গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে স্পেনের মুখোমুখি হতে হবে আর্জেন্টিনার। আবার উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে উভয় দলই যদি নিজ নিজ ম্যাচে জয়ী হয়, তবে গোল ব্যবধান, গোল সংখ্যা কিংবা ফেয়ার প্লে টেবিলের ভিত্তিতে যে দল দ্বিতীয় হবে, তারা আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে।   অন্যান্য সমীকরণের মধ্যে, যদি উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দের ম্যাচ দুটিই ড্র হয়, তবে তারা প্রথম স্থানের বদলে দ্বিতীয় স্থানের জন্য লড়বে এবং সমীকরণ অনুযায়ী আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে। আবার কেপ ভার্দে যদি ৪ বা তার কম গোলের ব্যবধানে জেতে এবং উরুগুয়ে ড্র করে, তবে কেপ ভার্দেই হবে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ। কিন্তু কেপ ভার্দে ৪ বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে জিতলে এবং উরুগুয়ে ড্র করে, তবে প্রতিপক্ষ হবে স্পেন। আর উরুগুয়ে যদি নিজের ম্যাচে জয় পেতে ব্যর্থ হয় এবং সৌদি আরব জয়লাভ করে, তবে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে সৌদি আরবের।   তবে কোনো কারণে আর্জেন্টিনা যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে না পেরে দ্বিতীয় স্থানে থেকে নকআউটে যায় এবং স্পেন যদি 'এইচ' গ্রুপের শীর্ষে থাকে, তবে শেষ ৩২-এর মঞ্চেই দেখা যাবে আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণ। আর মেসিরা যদি চরম অঘটনের শিকার হয়ে গ্রুপে তৃতীয় হন, তখন তাদের গ্রুপ ডি, জি, এল, বি অথবা কে-এর চ্যাম্পিয়ন দলের মুখোমুখি হতে হবে। উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপের পয়েন্ট টেবিল নির্ধারিত হচ্ছে অলিম্পিক পদ্ধতিতে, যেখানে পয়েন্ট সমান হলে যথাক্রমে হেড-টু-হেড ম্যাচ, গোল ব্যবধান, সামগ্রিক গোল পার্থক্য, ফেয়ার প্লে পয়েন্ট এবং সর্বশেষ ফিফা র‍্যাঙ্কিং বিবেচনা করা হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২২, ২০২৬ ৯:৫৮
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার আগে ড্রেসিংরুমে আবেগঘন বার্তা রেখে গেল ইরান, স্মরণে মিনাবের শিশুরা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের পর অবসর নিয়ে কোরআনের হাফেজ হতে চান মরক্কোর তারকা ফুটবলার

মরক্কো জাতীয় দলের তারকা ফুটবলার নুসাইর মাজরাউই l ছবি: সংগৃহীত

মসজিদের ইমাম হতে মরক্কো দল থেকে অবসর নেবেন তারকা ফুটবলার, হবেন কোরানের হাফেজ!

0 Comments