আইফোন

আইফোন ও ম্যাক । ছবি: সংগৃহীত
আইফোন ও ম্যাক আর কিনতে হবে না, ভাড়ার সুবিধা আনছে অ্যাপল

প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় গ্রাহকদের জন্য নতুন ধরনের লিজ বা দীর্ঘমেয়াদি ভাড়ার সুবিধা চালু করেছে অ্যাপল। নতুন এই কর্মসূচির আওতায় গ্রাহকেরা এককালীন বড় অর্থ খরচ না করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আইফোন, ম্যাকসহ অ্যাপলের বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন।   প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি মঙ্গলবার ‘অ্যাপল আপগ্রেড’ নামে নতুন এই সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ক্লার্নার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে চালু হওয়া এই সুবিধা শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপল স্টোর, অনলাইন স্টোর এবং অ্যাপল স্টোর অ্যাপে পাওয়া যাবে।   নতুন পরিকল্পনায় আইফোন ও অ্যাপল ওয়াচ ১২ অথবা ২৪ মাসের জন্য লিজ নেওয়া যাবে। অন্যদিকে ম্যাক ও আইপ্যাডের ক্ষেত্রে লিজের মেয়াদ হবে ২৪ থেকে ৩৬ মাস পর্যন্ত। অ্যাপলের তথ্য অনুযায়ী, আইফোন লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম মাসিক কিস্তি শুরু হবে ১৭ দশমিক ৯৯ ডলার থেকে।   এই কর্মসূচিতে আইফোন ১৭ সিরিজ, আইফোন এয়ার, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১, অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা ৩, ম্যাকবুক এয়ার, ম্যাকবুক প্রো, আইম্যাক, ম্যাক স্টুডিও, আইপ্যাড এয়ার, আইপ্যাড প্রো এবং আইপ্যাড মিনি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।   তবে তুলনামূলক কম দামের কিছু পণ্য যেমন আইফোন ১৬, ম্যাকবুক নিও, বেস আইপ্যাড এবং অ্যাপল ওয়াচ এসই এই লিজ সুবিধার আওতায় থাকছে না।   অ্যাপলের নতুন এই পরিকল্পনা আগের ‘আইফোন আপগ্রেড প্রোগ্রাম’-এর বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অ্যাপল পণ্যকে এককালীন বড় কেনাকাটার পরিবর্তে নিয়মিত সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা বাড়তে পারে।   বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশনের বিশ্লেষক ফ্রান্সিসকো জেরোনিমো বলেন, নতুন এই ব্যবস্থা গ্রাহকদের জন্য প্রযুক্তি পণ্য ব্যবহারের ধরন পরিবর্তন করতে পারে। অনেক ব্যবহারকারী এখন আগের তুলনায় বেশি সময় একই ফোন ব্যবহার করছেন। ফলে প্রতি বছর নতুন ডিভাইস কেনার প্রবণতা কমেছে।   অন্যদিকে, প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডেটা সেন্টারের চাহিদা বাড়ায় মেমোরি চিপের বাজারে চাপ তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব ভবিষ্যতের আইফোনের দামের ওপর পড়তে পারে।   টেক ইনসাইটসের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক হাওয়ার্ডের মতে, ভবিষ্যতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ ডলারের পরিবর্তে ১ হাজার ৫০০ ডলারের স্মার্টফোনের বাজার তৈরি হতে পারে।   সেপ্টেম্বরে নতুন আইফোন উন্মোচনের আগে অ্যাপলের এই লিজ কর্মসূচি চালুর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বাজারে গুঞ্জন রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা আগের মডেলগুলোর তুলনায় আরও ব্যয়বহুল হতে পারে।   দাম বাড়লে অনেক গ্রাহক নতুন ডিভাইস কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিতে পারেন। তাই গ্রাহকদের নিয়মিত নতুন পণ্য ব্যবহারের সুযোগ ধরে রাখতে অ্যাপলের লিজ পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সিদ্দিকুর রহমান জুলাই ২৮, ২০২৬ ১৪:০
অ্যাপলের সর্বশেষ আপডেটে থাকছে বড় চমক
এখনই আইফোন আপডেট করুন, অ্যাপলের সর্বশেষ আপডেটে থাকছে বড় চমক

অ্যাপলের আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নতুন সফটওয়্যার আপডেট প্রকাশ করেছে, যেখানে ডিভাইসের নিরাপত্তা জোরদার করতে একাধিক ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের দ্রুত আপডেট ইনস্টল করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপলের নতুন আপডেটে এমন কিছু নিরাপত্তা দুর্বলতা ঠিক করা হয়েছে, যেগুলো ব্যবহার করে ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা হ্যাকাররা আইফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ওপর আক্রমণ চালানোর সুযোগ পেতে পারে।   অ্যাপল নিয়মিতভাবে আইওএস আপডেটের মাধ্যমে নিরাপত্তা ত্রুটি সমাধান করে থাকে। তবে অনেক ব্যবহারকারী নতুন আপডেট আসার পরও তা ইনস্টল করতে দেরি করেন, যা তাদের ডিভাইসকে সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।   প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু নতুন ফিচারের জন্য নয়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সফটওয়্যার আপডেট করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আইফোনে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং তথ্য, ছবি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষিত থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে আপডেট উপেক্ষা করা উচিত নয়।   ব্যবহারকারীরা আইফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে সফটওয়্যার আপডেট  বিভাগ থেকে নতুন আপডেট উপলব্ধ আছে কি না তা পরীক্ষা করতে পারবেন। অ্যাপল ব্যবহারকারীদের সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে, যাতে ডিভাইস নিরাপদ থাকে।    নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট, শক্তিশালী পাসকোড ব্যবহার এবং অপরিচিত লিংক এড়িয়ে চলা স্মার্টফোন নিরাপদ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

নীলুফা নিশাত জুলাই ২৮, ২০২৬ ১৪:০
অ্যাপলের সবচেয়ে দামি আইফোন হতে যাচ্ছে ১৮ প্রো ম্যাক্স
অ্যাপলের সবচেয়ে দামি আইফোন হতে যাচ্ছে ১৮ প্রো ম্যাক্স

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে দামি আইফোন, দাম বাড়ার ইঙ্গিত।   অ্যাপলের আগামী প্রজন্মের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স হতে পারে প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসের সবচেয়ে দামি নন-ফোল্ডিং আইফোন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের দাবি, অত্যাধুনিক চিপ, মেমোরির বাড়তি খরচ এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন মডেলের দাম আগের প্রজন্মের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।   চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবোতে প্রযুক্তিবিষয়ক টিপস্টার ‘স্মার্ট পিকাচু’-এর প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, চীনের বাজারে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের প্রাথমিক মূল্য হতে পারে ১১ হাজার ইউয়ান। এটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ইউয়ান বেশি। তবে অ্যাপল এখনো আইফোন ১৮ সিরিজের মূল্য বা স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন মডেলে ব্যবহার করা হতে পারে অ্যাপলের এ২০ প্রো (A20 Pro) চিপ, যা টিএসএমসির ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি হবে। এই নতুন উৎপাদন প্রযুক্তির কারণে প্রতি ওয়েফারের উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে চিপ উৎপাদনের খরচ ৩ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত স্মার্টফোনের দামেও পড়তে পারে।   শুধু প্রসেসরই নয়, বিশ্ববাজারে মেমোরি চিপের দামও সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত বেড়েছে। ফলে একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন তৈরির মোট উৎপাদন ব্যয়ের বড় অংশ এখন মেমোরি খাতেই ব্যয় হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যয় বৃদ্ধির চাপ নির্মাতাদের জন্য মূল্য সমন্বয় করা প্রায় অনিবার্য করে তুলছে।   চলতি বছরে বেশ কয়েকটি স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তাদের ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসের দাম বাড়িয়েছে। যদিও অ্যাপল আইফোন ১৭ সিরিজের ক্ষেত্রে আগের মূল্যই ধরে রেখেছিল, তবে উৎপাদন ব্যয় অব্যাহতভাবে বাড়তে থাকলে আইফোন ১৮ সিরিজের ক্ষেত্রে মূল্য বৃদ্ধি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   তবে এসব তথ্য এখনো বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশ্লেষক ও টিপস্টারদের দাবি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলভিত্তিক তথ্যের ওপর নির্ভরশীল। অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন আইফোন উন্মোচন না করা পর্যন্ত এর চূড়ান্ত মূল্য, হার্ডওয়্যার এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসতে পারে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ২৩, ২০২৬ ১৪:০
মুম্বাইয়ের রাস্তায় টাঙানো অ্যাপল আইফোনের বিশাল বিজ্ঞাপনের পাশ দিয়ে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি | ছবি: রয়টার্স
আইফোন ১৮ প্রোর গোপন তথ্য এবং ছবি ফাঁস, বিপাকে অ্যাপল ও টাটা

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন মডেলের আইফোনের সংবেদনশীল যন্ত্রাংশের তালিকা, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নাম এবং গোপন ছবি ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হয়ে গেছে। অ্যাপলের অন্যতম প্রধান ভারতীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী ও চুক্তিভিত্তিক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেজ হ্যাক করে এই গোপন নথিগুলো হাতিয়ে নিয়েছে একটি হ্যাকার চক্র। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।   ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হওয়া ২ লাখেরও বেশি ফাইলের মধ্যে অন্তত ছয়টি বিশেষ ফাইল রয়েছে, যাতে নতুন আইফোনের সার্কিট বোর্ডের চিপ, ব্যাটারি এবং ক্যামেরার বিভিন্ন যন্ত্রাংশের সুনির্দিষ্ট বিবরণ রয়েছে। সাধারণত অ্যাপল তাদের কোন যন্ত্রাংশ কোন কোম্পানি তৈরি করে, তা কঠোরভাবে গোপন রাখে। এই তথ্যগুলো ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বাজারে অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান, নকল মোবাইল প্রস্তুতকারক এবং নিজস্ব বিক্রেতারা আইফোনের অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তির নকশা সহজেই জেনে যাওয়ার বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।   ফাঁস হওয়া নথিগুলোর মধ্যে অ্যাপলের অত্যন্ত গোপনীয় বিশেষ জলছাপযুক্ত কিছু ফাইল এবং কারখানায় নতুন আইফোনের ওপর চালানো আছাড় পরীক্ষার বাস্তব ছবিও রয়েছে। ছবিতে ধূসর রঙের একটি হ্যান্ডসেটের পেছনে তিনটি ক্যামেরা এবং অ্যাপলের লোগো দেখা গেছে। টাটা ইলেকট্রনিক্সের নেটওয়ার্ক হ্যাক করা হ্যাকার চক্রটি আইফোনের পাশাপাশি বিশ্ববিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা এবং বড় বড় চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মতো আমেরিকান ও তাইওয়ানিজ গ্রাহকদের গোপন নথিও ডার্ক ওয়েবে প্রকাশ করে দিয়েছে।   চীনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভারতকে একটি বড় ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ভারতের সরকারের যে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে, এই তথ্য ফাঁসের ঘটনা তার ওপর একটি বড় ধাক্কা। বর্তমানে বৈশ্বিক বাজারে মোট আইফোন উৎপাদনের প্রায় ২৬ শতাংশই ভারতে তৈরি হচ্ছে, যা মাত্র চার বছর আগেও ছিল মাত্র ৬ শতাংশ। এমন সময়ে এই বিপর্যয়টি ঘটল যখন অ্যাপল আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই তাদের এই নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি বাজারে ছাড়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।   এই বড় ধরনের সাইবার হামলার পর অ্যাপল ও টাটা ইলেকট্রনিক্স যৌথভাবে ঘটনার দীর্ঘমেয়াদি তদন্ত শুরু করেছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীল সিস্টেমে কর্মীদের প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে এবং একটি বৈশ্বিক পরামর্শক সংস্থাকে দিয়ে পুরো ব্যবস্থার ফরেনসিক অডিট বা চুলচেরা বিশ্লেষণ করাচ্ছে। তবে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে কোনো প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্রই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তাবাস্সুম জুন ২৯, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
এআই চাহিদায় চিপের দাম বেড়েছে, বাড়তে পারে আইফোনসহ অ্যাপলের পণ্যের দাম

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের প্রভাব এবার সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে যাচ্ছে। প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল জানিয়েছে, মেমোরি চিপের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় তাদের বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ানো প্রায় অনিবার্য হয়ে উঠেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যাপলের বিদায়ী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ব্যয় নিজস্বভাবে বহনের চেষ্টা করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আর টেকসই নয়।   কুক বলেন, “আমরা গ্রাহকদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির চাপ না দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু সরবরাহ সংকট এবং মেমোরি চিপের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতি এখন অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।” তবে ঠিক কবে থেকে দাম বাড়ানো হবে বা কোন কোন পণ্যের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি। ফলে আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে আসার সম্ভাব্য আইফোন ১৮ সিরিজের দামও বাড়বে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।   বিশ্লেষকদের মতে, স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মেমোরি চিপ। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এআইভিত্তিক ডেটা সেন্টার, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্ভার এবং উন্নত কম্পিউটিং অবকাঠামোর ব্যাপক চাহিদার কারণে এসব চিপের বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।   বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর থেকে র‍্যামের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। একই সময়ে উৎপাদন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাও চিপ শিল্পে নতুন সংকট তৈরি করেছে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক হিলিয়াম সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে বলে শিল্প বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ তৈরির প্রক্রিয়ায় হিলিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হওয়ায় এর সংকট উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।   বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোনের গড় বিক্রয়মূল্য প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা হবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়।   ওমডিয়ার স্মার্টফোন বাজার বিশ্লেষক চিউ লে জুয়ান বিবিসিকে বলেন, অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের স্মার্টফোনে উন্নত এআই সুবিধা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণে আইফোন ১৭ সিরিজের তুলনায় নতুন মডেলগুলোর দাম সর্বোচ্চ ১৫০ ডলার পর্যন্ত বেশি হতে পারে।   তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক স্মার্টফোন নির্মাতা ইতোমধ্যে পণ্যের দাম বাড়িয়েছে, বিভিন্ন প্রচারমূলক ছাড় কমিয়েছে অথবা খরচ নিয়ন্ত্রণে কিছু ফিচার সীমিত করেছে। তার ভাষায়, “এটি সাময়িক মূল্যবৃদ্ধি নয়, বরং প্রযুক্তি খাতের নতুন বাস্তবতা।”   শুধু অ্যাপল নয়, বিশ্বের অন্যান্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও একই ধরনের চাপের কথা জানিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় চুক্তিভিত্তিক চিপ নির্মাতা তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি) সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছে যে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে থাকলে তারাও মূল্য সমন্বয়ের পথে যেতে পারে।   টিএসএমসি অ্যাপল, এনভিডিয়া এবং এএমডির মতো প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যাধুনিক চিপ তৈরি করে থাকে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাংও আগে জানিয়েছিল, মেমোরি চিপের সরবরাহ সংকটের কারণে ভবিষ্যতে ইলেকট্রনিক পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।   সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সনি তাদের প্লেস্টেশন ৫ কনসোলের দাম যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে বাড়িয়েছে। একইভাবে বাজার পরিস্থিতির পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে নিনটেন্ডোও তাদের সুইচ ২ গেমিং কনসোলের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এদিকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাজারে আসা আইফোন ১৭ সিরিজের বিক্রি এখনো শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে চীনে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে অ্যাপলের ডিভাইস বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে।   চলতি বছরের শুরুতে অ্যাপল তাদের জনপ্রিয় ম্যাক মিনি কম্পিউটারের সবচেয়ে কমদামি সংস্করণ বাজার থেকে সরিয়ে নেয়। এর ফলে ডিভাইসটির প্রারম্ভিক মূল্য প্রায় ২০০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যায়। বিশ্লেষকদের ধারণা, চিপ সংকট ও এআই প্রতিযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরে স্মার্টফোন, কম্পিউটার এবং অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। ফলে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পেতে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি খরচ করতে হতে পারে।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুন ১৭, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
ভবিষ্যতের মানুষের জন্য মাটির ১৫ ফুট গভীরে এক টন ওজনের এক ‘রহস্যময় বাক্স’ লুকাচ্ছে আমেরিকা!

আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি বা সেমি কুইনসেন্টেনিয়াল (Semiquincentennial) উপলক্ষে যখন পুরো দেশ জুড়ে নানা উৎসবের প্রস্তুতি চলছে, তখন ভবিষ্যতের ৫০০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীকে লক্ষ্য করে এক অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ৪ জুলাই, ২০২৬ তারিখে ফিলাডেলফিয়ার ইন্ডিপেনডেন্স ন্যাশনাল হিস্টোরিক্যাল পার্কে মাটির ১৫ ফুট গভীরে পুঁতে রাখা হবে একটি ঐতিহাসিক ‘টাইম ক্যাপসুল’। কংগ্রেসের ২০১৬ সালের আইনি ম্যান্ডেট অনুযায়ী, ঠিক ২৫০ বছর পর অর্থাৎ ২২৭৬ সালের ৪ জুলাই আমেরিকার ৫০০তম জন্মদিনে এটি আবার মাটি খুঁড়ে বের করা হবে। যার গায়ে স্পষ্ট লেখা থাকবে—‘৪ জুলাই, ২২৭৬ সালের আগে খোলা নিষেধ’।   আমেরিকার সব কটি অঙ্গরাজ্য, অঞ্চল এবং ওয়াশিংটন ডিসি থেকে পাঠানো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক বস্তু, বই, পান্ডুলিপি ও স্মারক দিয়ে সাজানো হচ্ছে এই টাইম ক্যাপসুল। ওয়ানডে বা টেস্টের মতো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেমন দেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়, ঠিক তেমনি আমেরিকার এই ক্যাপসুলেও স্থান পাচ্ছে তাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির নানা প্রতীক। এর মধ্যে যেমন থাকছে একটি আধুনিক ‘আইফোন ১৭’ (iPhone 17), তেমনি থাকছে নেটিভ আমেরিকানদের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্ম, শিক্ষার্থীদের লেখা প্রবন্ধ, কয়েন ও পিন এবং একটি কোকা-কোলার বোতল। এমনকি আমেরিকার গৃহযুদ্ধে ইউনিয়ন সৈন্যদের সাথে থাকা একটি ঈগল পাখির পালকও সংরক্ষণ করা হচ্ছে এতে।   তবে সবচেয়ে বড় চমক থাকছে লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের সৌজন্যে পাঠানো আমেরিকার মূল ঘোষণাপত্র বা ফাউন্ডিং ডকুমেন্টসগুলোতে। সম্পূর্ণ নতুন ও উচ্চ প্রযুক্তির ‘সিন্থেটিক ডিএনএ’ (Synthetic DNA) কোডের মাধ্যমে ডিজিটাল কপি হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে থমাস জেফারসনের লেখা স্বাধীনতার ঘোষণার মূল খসড়া, আব্রাহাম লিংকনের হাতের একটি প্রতিরূপ এবং আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত ‘দ্য স্টার-স্প্যানগেল্ড ব্যানার’-এর একটি বিশেষ রেকর্ডিং। একটি ছোট থিম্বলের (Thimble) আকারের পাত্রে এই বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল ইতিহাস কোড করে রাখা হচ্ছে।   বিগত ২৫০ বছরের ইতিহাসে এত দীর্ঘ সময় টিকে থাকার মতো টাইম ক্যাপসুল তৈরি করা হয়নি। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি (NIST)-এর গবেষকেরা জানিয়েছেন, মাটির নিচে পানি ঢুকে পড়ার কারণে সাধারণত বেশিরভাগ টাইম ক্যাপসুল নষ্ট হয়ে যায়। তাই এই ক্যাপসুলটিকে সুরক্ষিত রাখতে এক টন ওজনের স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি একটি সিলিন্ডার আকৃতির নকশা বেছে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের গবেষকেরা এমন সব বস্তু বাতিল করে দিয়েছেন যা পচে যেতে পারে বা ক্ষতিকর গ্যাস তৈরি করতে পারে। ফলে কোনো চামড়ার জিনিস বা খাবার আইটেম এতে স্থান পায়নি।   আমেরিকার প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব স্মারকের মধ্যে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া পাঠিয়েছে কয়লা দিয়ে খোদাই করা তাদের রাজ্যের একটি মানচিত্র এবং ওহাইও পাঠিয়েছে রাইট ভাইদের ঐতিহাসিক বিমানের একটি কাপড়ের টুকরো, যার সাথে রয়েছে অরভিল রাইটের আসল বিবৃতি। এই প্রজেক্টের ব্যবস্থাপক টম মেডেমা জানান, এই টাইম ক্যাপসুলটি মূলত ভবিষ্যতের মানুষের সাথে যোগাযোগের একটি মাধ্যম এবং এর মাধ্যমে আমেরিকার স্বাধীনতার অবিনশ্বর আদর্শগুলো আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষুণ্ন থাকবে।

তাবাস্সুম জুন ১৩, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

আইনিভাবে বাবার ‘ক্রুজ’ পদবি বাদ দিয়ে নতুন নাম গ্রহণ করেছেন সুরি। ছবি: সংগৃহীত

কোটি টাকার সম্পত্তি ও পরিচয় ছেড়ে আইনিভাবে বাবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন টম ক্রুজের মেয়ে সুরি

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুলাই ২৭, ২০২৬ ১৪:০