মাত্র ১৮ বছর বয়সে আয়ারল্যান্ড থেকে স্কটল্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ২১.৪ মাইল (প্রায় ৩৪.৪ কিলোমিটার) দীর্ঘ, বিশ্বের অন্যতম কঠিন সমুদ্রপথ ‘নর্থ চ্যানেল’ সফলভাবে পাড়ি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলের বাসিন্দা মায়া মেরহিগে। ৮ জুলাই তিনি ১২ ঘণ্টা ১৯ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে এই একক ও সহায়তাবিহীন সাঁতার সম্পন্ন করেন। মায়ার এই সাফল্য তাকে বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন সাতটি উন্মুক্ত সমুদ্রপথ নিয়ে গঠিত ‘ওশানস সেভেন’ চ্যালেঞ্জ সম্পন্ন করার লক্ষ্যের আরও এক ধাপ কাছে নিয়ে গেছে। নর্থ চ্যানেল ছিল তার সফলভাবে শেষ করা পঞ্চম ‘ওশানস সেভেন’ সাঁতার। সুইম অ্যাক্রস আমেরিকার এক মুখপাত্র জানান, নর্থ চ্যানেল তার প্রবল স্রোত, অত্যন্ত ঠান্ডা পানি, অনিশ্চিত আবহাওয়া এবং বিষাক্ত ‘লায়ন্স মেইন’ জেলিফিশের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মায়া ১৩.৪ থেকে ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সাঁতার কাটেন। পথে একাধিক জেলিফিশের হুলের শিকার হওয়া, একটি সিল মাছের পাশ দিয়ে অতিক্রম করা, কাঁধের তীব্র ব্যথা, ক্লান্তি এবং শেষ অংশের কঠিন স্রোত, সবকিছুই তাকে মোকাবিলা করতে হয়েছে। আগামী আগস্টে তিনি মরক্কো থেকে স্পেনের মধ্যে অবস্থিত জিব্রাল্টার প্রণালি সাঁতরে পার হওয়ার চেষ্টা করবেন। সেই মিশন সফল হলে ‘ওশানস সেভেন’ সম্পন্ন করার পথে তিনি আরও এগিয়ে যাবেন। মায়া মেরহিগে তার প্রতিটি সাঁতার উৎসর্গ করেছেন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করা পরিবার, বন্ধু এবং রোগীদের প্রতি। একই সঙ্গে তিনি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘সুইম অ্যাক্রস আমেরিকা’র জন্য ক্যানসার গবেষণায় অর্থ সংগ্রহেও কাজ করছেন। মায়া বলেন, “আমি যখনই পানিতে নামি, তখন এমন মানুষদের কথা মনে রাখি, যাদের সংগ্রাম আমার চেয়েও অনেক কঠিন। আমার সাঁতারের ক্যাপে যাদের নাম লেখা আছে, তাদের জন্য, আশার খোঁজে থাকা পরিবারগুলোর জন্য এবং উন্নত চিকিৎসা উদ্ভাবনে সহায়ক গবেষণার জন্যই আমি সাঁতার কাটি।” ‘ওশানস সেভেন’কে উন্মুক্ত সমুদ্রে দীর্ঘ দূরত্বের সাঁতারের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত সাতটি দুরূহ সমুদ্রপথ একক ও সহায়তাবিহীনভাবে সম্পন্ন করতে হয় এই চ্যালেঞ্জে। নর্থ চ্যানেলকে এর মধ্যে সবচেয়ে কঠিন পথগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়, যেখানে ঠান্ডা পানি, প্রবল স্রোত এবং জেলিফিশের উপস্থিতি সাঁতারুদের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়।
সংবাদ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাসিন্দা এক নারীকে আয়ারল্যান্ডে তার নিজের বাড়িতে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ওই নারীর নাম জেমি কার্নি, যিনি আয়ারল্যান্ডের কিলার্নি শহরে বসবাস করতেন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন তার প্রেমিক এবং জর্ডানের নাগরিক আহমদ আল-সাকার। দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ আল-সাকারের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন আগেই নাকচ করে দিয়েছিল। তবে আয়ারল্যান্ডের কর্তৃপক্ষের একটি ত্রুটির কারণে আবেদন বাতিল হওয়ার পরও তাকে দেশটিতে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালে আয়ারল্যান্ডে আসা এই জর্ডানিয়ান নাগরিকের আশ্রয়ের আবেদন কেন বাতিল করা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সাধারণত আবেদন বাতিল হলে তাৎক্ষণিকভাবে দেশ ছাড়ার নিয়ম থাকলেও তার ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। এই সুযোগেই তিনি আয়ারল্যান্ডে থেকে যান এবং ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছিলেন। এই সুযোগের মাঝেই তিনি জেমি কার্নিকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আয়ারল্যান্ডের কিলার্নি শহরের বাসা থেকে জেমি কার্নির মরদেহ উদ্ধার করে তার কিশোরী মেয়ে। পরে চিকিৎসকদের করা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ৪৩ বছর বয়সী এই মার্কিন নারীকে প্রথমে মারাত্মকভাবে মারধর করা হয় এবং পরবর্তীতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। জেমি ২০২১ সালে নিউইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টার থেকে আয়ারল্যান্ডে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন। আয়ারল্যান্ডের জাতীয় পুলিশ বাহিনী জানিয়েছে, জেমির মরদেহ উদ্ধারের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে আল-সাকার ডাবলিন থেকে একটি ফ্লাইটে চড়ে তুরস্কের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যান। বর্তমানে পুলিশ তাকে এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। বন্ধুদের তথ্য অনুযায়ী, আল-সাকার একজন ফিলিস্তিনপন্থী কর্মী ছিলেন এবং পরবর্তীতে জেমির সাথে তার ইসলামিক রীতিতে বিয়ে হয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের মাত্র এক সপ্তাহ আগে আল-সাকার জেমির কাছে ৫,৭০০ মার্কিন ডলারের একটি বড় অঙ্ক দাবি করেছিলেন বলে জেমির এক বন্ধু জানিয়েছেন। বর্তমানে আইরিশ পুলিশ এই জর্ডানিয়ান নাগরিককে জর্ডানে পৌঁছানোর আগেই আটক করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ আয়ারল্যান্ডের সাথে জর্ডানের কোনো অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই।
আয়ারল্যান্ডে নিজ বাসভবনে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন জেমি কার্নি (৪৩) নামের নিউইয়র্কের এক নারী। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ তার প্রেমিক ও আশ্রয়প্রার্থী আহমাদ আলসাকেরকে (২৮) খুঁজছে, যিনি ঘটনার পরপরই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই প্রেমিকের সঙ্গেই একটি হাস্যোজ্জ্বল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন জেমি। আয়ারল্যান্ডের কিলার্নি শহরের একটি ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন জেমি। গত মঙ্গলবার তার ১৩ বছর বয়সি মেয়ে মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে। আইরিশ পুলিশের সূত্রমতে, জেমিকে পিটিয়ে হত্যার পর মঙ্গলবার ভোরে কিলার্নি থেকে বাসে করে ডাবলিনে পৌঁছান আলসাকের। সেখান থেকে তড়িঘড়ি করে একটি শেষ মুহূর্তের ফ্লাইটে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পালিয়ে যান তিনি। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় জেমি কার্নির বাড়িতে কোনো বিষয় নিয়ে কলহের সৃষ্টি হয়েছিল, যার কয়েক ঘণ্টা পরই তার ওপর এই মারাত্মক হামলা চালানো হয়। স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মরত জেমি কার্নির সঙ্গে প্রায় দেড় বছর আগে আলসাকেরের পরিচয় হয়। জানা যায়, আলসাকের ২০২৪ সালে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে আয়ারল্যান্ডে পাড়ি জমিয়েছিলেন। এর আগে তিনি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সেও বসবাস করেছেন। নিহত জেমি ফিলিস্তিনের কড়া সমর্থক ছিলেন এবং আয়ারল্যান্ডে একটি ফিলিস্তিনপন্থি সমাবেশে প্রেমিকের সঙ্গে অংশ নেওয়ার ভিডিও তিনি শেয়ার করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাদের প্রেমের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও রোমান্টিক ক্যাপশন নিয়মিত পোস্ট করতেন তিনি। শেষ পোস্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা দুজনের একটি ছবি শেয়ার করে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন জেমি। আইরিশ পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে যে, সন্দেহভাজন আলসাকের ইতোমধ্যে আয়ারল্যান্ড ত্যাগ করেছেন। সংবাদমাধ্যম আইরিশ এক্সামিনার জানিয়েছে, তুরস্ক থেকে তিনি এখন জর্ডান বা সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। পলাতক এই অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করতে বর্তমানে তুরস্ক ও ফ্রান্সে তার সম্ভাব্য পরিচিতদের বিষয়ে নিবিড় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক নারী, যিনি সম্প্রতি আয়ারল্যান্ডে বসবাস শুরু করেছিলেন, নিজ বাড়ির ভেতরে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় আয়ারল্যান্ডের পুলিশ ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে এবং সন্দেহভাজন হিসেবে ভুক্তভোগীর পরিচিত এক ব্যক্তিকে খুঁজছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে মারাত্মকভাবে শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সন্দেহভাজন ব্যক্তি পলাতক থাকায় তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীদের মতে, এটি পরিকল্পিত বা লক্ষ্য করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। নিহত নারীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে ঘটনার সময় সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন দেখে থাকলে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পূর্ণ বিবরণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।