- প্রচ্ছদ
- Topic
কেটি পেরি
কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি দক্ষিণ ফ্রান্সে দারুণ রোমান্টিক সময় কাটাচ্ছেন। মঙ্গলবার বন্ধুদের একটি দলের সঙ্গে নৌবিহারে গিয়ে এই জুটিকে বেশ অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা গেছে। পেজ সিক্সের হাতে আসা কিছু ছবিতে দেখা যায়, হালকা নীল রঙের একটি স্প্যাগেটি-স্ট্র্যাপ পোশাক পরিহিত কেটি পেরির বুকে পরম যত্নে সানস্ক্রিন মাখিয়ে দিচ্ছেন ট্রুডো। চোখে রোদচশমা এবং কানে বড় দুল পরা ‘ফায়ারওয়ার্ক’ খ্যাত এই গায়িকা তখন বেশ ফুরফুরে মেজাজে খালি পায়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। পরে দুজনকে নৌকায় দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সেলফি তুলতেও দেখা যায়। শনিবার সুইজারল্যান্ডে পারফর্ম করার মাধ্যমে নিজের ‘ইউরো সামার ফেস্টিভ্যাল’ ট্যুর শেষ করেছেন কেটি পেরি। মূলত দীর্ঘ এই কনসার্ট ট্যুরের ক্লান্তি দূর করতেই তিনি এই অবকাশ যাপনে বের হয়েছেন। গত মাসেই একটি সূত্র জানিয়েছিল যে, কাজের ফাঁকে প্রেমিক এবং সম্ভব হলে সন্তানদের নিয়ে ইয়টে করে সুন্দর কোনো জায়গায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এই পপ তারকা। নৌবিহার শেষে এই জুটিকে ডক ধরে হাঁটতেও দেখা যায়। সে সময় ৪১ বছর বয়সী পেরির চোখ ছিল মোবাইল ফোনে এবং ৫৪ বছর বয়সী ট্রুডোর কাঁধে ছিল একটি বড় টোট ব্যাগ। ক্যাজুয়াল এই আউটিংয়ে ট্রুডোর পরনে ছিল জলপাই রঙের লম্বা হাতার শার্ট, খাকি রঙের প্যান্ট এবং বাদামি স্যান্ডেল। দীর্ঘ এক বছর ধরে প্রেম করছেন ট্রুডো ও পেরি এবং নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে তাদের কোনো রাখঢাক নেই। গত মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারায় একটি রোমান্টিক পিকনিকের সময় তাদের আবেগঘন চুম্বনের ছবিও প্রকাশ্যে এসেছিল। একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, মন্ট্রিয়লে প্রথম ডেটের পর থেকেই তারা একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন। সূত্রটি আরও জানায়, দুজনেই তাদের আগের সিরিয়াস সম্পর্ক থেকে সদ্য বেরিয়ে এসেছিলেন এবং পেরি নিজেও ভাবেননি যে তিনি এত দ্রুত কারও প্রেমে পড়বেন। কেটি পেরি তার প্রাক্তন বাগদত্ত অরল্যান্ডো ব্লুমের ৫ বছর বয়সী মেয়ে ডেইজির মা। অন্যদিকে, জাস্টিন ট্রুডো তার প্রাক্তন স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ারের ঘরের তিন সন্তান—জেভিয়ার (১৮), এলা-গ্রেস (১৭) এবং হ্যাড্রিয়েন (১২)-এর বাবা। আগের সম্পর্কের তিক্ততা ভুলে বর্তমানে তারা দুজন দারুণ সময় পার করছেন। পেরির মতে, জীবনসঙ্গীর মধ্যে তিনি যা যা খুঁজছিলেন, ট্রুডোর মধ্যে তার সবই আছে। কানাডার সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর দুর্দান্ত রসবোধ, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব এবং পুরোদস্তুর ভদ্রোচিত আচরণের কারণেই পেরি তার প্রতি ভীষণ মুগ্ধ।
কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নিজ দেশের প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ ম্যাচে গ্যালারিতে উপস্থিত না থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ দেখতে যাওয়ায় নিজ দেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। মূলত সেখানে প্রেমিকা ও জনপ্রিয় পপ তারকা কেটি পেরির লাইভ পারফরম্যান্স উপভোগ করতে এবং তাঁর প্রতি সমর্থন জানাতেই ট্রুডো যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচে হাজির হন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর এমন আচরণে কানাডিয়ান নাগরিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। গত রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্টে ট্রুডো লেখেন, কখনো কখনো সাপোর্টিভ বয়ফ্রেন্ড বা সহায়ক প্রেমিকের দায়িত্বও তো পালন করতে হয়। তবে আপনারা সবাই ভালো করেই জানেন যে, বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের জন্য আমি আসলে কোন দলকে সমর্থন করছি। নিজের লেখার শেষ অংশে তিনি কানাডার জাতীয় পতাকার একটি ইমোজিও যুক্ত করে দেন। একই দিনে টরন্টো এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রায় একই সময়ে দুটি উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ট্রুডো টরন্টোতে অনুষ্ঠিত কানাডা বনাম বসনিয়ার ম্যাচটি বর্জন করে লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বনাম প্যারাগুয়ের ম্যাচটি উপভোগ করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের সেই ভেন্যুতে কেটি পেরি মঞ্চে পারফর্ম করার পর দৌড়ে এসে ট্রুডোকে চুমু খেয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরবর্তীতে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে দুজনকে একসাথে বিয়ার খেতে, আলিঙ্গন করতে এবং প্রেমে মগ্ন অবস্থায় দেখা যায়। তাদের এই অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কানাডিয়ানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। দেশের ফুটবলপ্রেমী অনেক নাগরিক ট্রুডোর এই সিদ্ধান্তকে দেশের মুখে চড় মারার শামিল বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অনেকে তাঁকে 'প্রতারক' বলে আখ্যা দিয়েছেন। টরন্টোর সেই উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডা ফুটবল দল বসনিয়া-হার্জেগোভিনার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছাড়ে। অন্যদিকে লস অ্যাঞ্জেলেসের ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র দল প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুভসূচনা করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেটি পেরি তাঁর ২০২৪ সালের অ্যালবাম থেকে তুলনামূলক কম পরিচিত 'ওয়ান্ডার' গানটি পরিবেশন করেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ও কেটি পেরির প্রেমের সম্পর্কটি গত বছরের জুলাই মাস থেকে ব্যাপক আলোচনায় আসে। পরবর্তীতে ডিসেম্বরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার মাধ্যমে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। উল্লেখ্য, ট্রুডোর আগের স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ারের সঙ্গে দীর্ঘ ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে ২০২৩ সালে, যেখানে তাঁদের তিন সন্তান রয়েছে।
ট্রাইবেকা চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের নতুন কনসার্ট মুভি ‘কেটি পেরি: দ্য লাইফটাইমস ট্যুর – লাইভ ফ্রম প্যারিস’-এর প্রিমিয়ারে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দারুণ দক্ষতায় সামলে নিয়েছেন জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি। গত সোমবার ছবিটির প্রদর্শনীর সময় হঠাৎ করেই প্রজেক্টরে ত্রুটি দেখা দেয় এবং লাইভ মিউজিক ডকুমেন্টারিতে তাঁর ‘ক্রাশ’ গানটি চলার মাঝখানেই পর্দা অন্ধকার হয়ে যায়। এতে উপস্থিত দর্শকরা কিছুটা বিরক্ত ও হতাশ হয়ে পড়েন। তবে ৪১ বছর বয়সী এই গায়িকা মুহূর্তের মধ্যে আসন থেকে উঠে দাঁড়ান এবং উপস্থিত দর্শকদের গানটির বাকি অংশ গাইতে উৎসাহিত করেন। তাঁর এই স্বতঃস্ফূর্ততায় মুগ্ধ হয়ে দর্শকরাও তাঁর ‘১৪৩’ অ্যালবামের এই হিট গানটিতে গলা মেলান। সৌভাগ্যবশত কয়েক সেকেন্ড পরই প্রজেক্টরটি পুনরায় সচল হয় এবং কেটি পেরি তাঁর প্রেমিক জাস্টিন ট্রুডোকে নিয়ে বাকি প্রদর্শনী আনন্দের সাথে উপভোগ করেন। ডকুমেন্টারিটি মূলত প্যারিসে অনুষ্ঠিত কেটি পেরির ‘লাইফটাইম’ ট্যুরের টানা দুই রাতের কনসার্ট নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে, যে ট্যুরে তিনি বিশ্বজুড়ে ৯১টি শো করেছেন। সোমবারের এই প্রিমিয়ারটি ছিল যুগল হিসেবে পেরি ও ট্রুডোর প্রথম রেড কার্পেট উপস্থিতি, যেখানে তাঁরা বেশ হাসিমুখে ক্যামেরার সামনে পোজ দেন। অনুষ্ঠানস্থলের ভেতরেও তাঁদের চমৎকার রসায়ন ছিল চোখে পড়ার মতো; পুরোটা সময় জুড়ে তাঁরা একে অপরের হাত ধরে ছিলেন এবং কনসার্ট ফিল্মের তালে তালে তাঁদের নাচতেও দেখা যায়। সিনেমা প্রদর্শনীর পর সংগীত সাংবাদিক টমাস মিয়ারের সাথে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন কেটি পেরি। সেখানে ৫৪ বছর বয়সী কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে তাঁকে ‘জীবনের ভালোবাসা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি। পেরি জানান, প্রতিদিনের এই যাত্রায় ট্রুডো তাঁকে একজন ভালো মানুষ হতে এবং মাটির কাছাকাছি থাকতে সাহায্য করছেন। নিজেকে ‘রংধনু ঘুড়ি’-এর সাথে তুলনা করে এই পপ তারকা বলেন, “মাঝে মাঝে আমার একটি নোঙরের প্রয়োজন হয়, আর সেই নোঙরটি পেয়ে আমি এখন নিজেকে পরিপূর্ণ অনুভব করি।” উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে ইনস্টাগ্রামে নিজেদের সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া এই যুগল খুব শিগগিরই তাঁদের প্রথম বার্ষিকী উদ্যাপন করতে যাচ্ছেন। এর আগে হলিউড অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সাথে সম্পর্কে ছিলেন কেটি পেরি, যেখানে তাঁদের ডেইজি নামের ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ারের সাথে জাস্টিন ট্রুডোর ঘরে রয়েছে তিন সন্তান।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।