কমলা হ্যারিস

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রকল্পের অনুদান বাতিল নিয়ে নতুন বিতর্কে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পকে ভোট না দেয়া অঙ্গরাজ্যগুলোর জ্বালানি অনুদান বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিবেচনায় জ্বালানি খাতের অনুদান বাতিলের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে মার্কিন জ্বালানি বিভাগ (ডিওই) স্বীকার করেছে, ২০২৫ সালে বাতিল করা অধিকাংশ অনুদান এমন অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রকল্পে দেওয়া হয়েছিল, যেগুলো ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিসকে সমর্থন করেছিল।    আদালতের নথি অনুযায়ী, প্রথমে প্রায় ৬২৪টি জ্বালানি প্রকল্পের অনুদান বাতিলের জন্য পর্যালোচনায় রাখা হয়েছিল। পরে এর মধ্যে ২৮৪টি অনুদান বাতিল করা হয়। জ্বালানি বিভাগের আইনজীবীরা আদালতে জানান, একটি ব্যতিক্রম ছাড়া বাতিল হওয়া প্রায় সব অনুদানের প্রকল্পই এমন অঙ্গরাজ্যে ছিল, যেগুলো হ্যারিসকে ভোট দিয়েছিল এবং যাদের প্রতিনিধি ছিলেন ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত সিনেটর। একই তালিকায় থাকা রিপাবলিকান-সমর্থিত অঙ্গরাজ্যগুলোর শত শত অনুদান অবশ্য বাতিল করা হয়নি।    এতে করে ট্রাম্প প্রশাসনের আগের অবস্থানের সঙ্গে নতুন আইনি বক্তব্যের স্পষ্ট অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। আগে জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, প্রকল্পগুলোর অর্থনৈতিক কার্যকারিতা, ব্যয় সাশ্রয় এবং নীতিগত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অনুদান বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু আদালতে জমা দেওয়া নথিতে বলা হয়েছে, কোন অনুদান বাতিল হবে তা নির্ধারণে প্রকল্পের কর্মদক্ষতা, আইনি ভিত্তি বা ব্যয়-সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।    বাতিল হওয়া এসব অনুদানের মোট মূল্য প্রায় ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। এগুলোর মধ্যে ছিল বিদ্যুৎ গ্রিড আধুনিকায়ন, হাইড্রোজেন জ্বালানি, কার্বন সংরক্ষণ, ব্যাটারি উৎপাদন এবং অন্যান্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানি প্রকল্প। এসব প্রকল্পের অর্থায়ন বন্ধ হওয়ায় একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গরাজ্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছে।    ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা এ ঘটনাকে ফেডারেল অর্থায়নকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের দাবি, এতে কর্মসংস্থান, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতের বিনিয়োগ এবং স্থানীয় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে জ্বালানি বিভাগ বলছে, তাদের অবস্থানের মধ্যে কোনো সাংঘর্ষিক বিষয় নেই এবং আদালতে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।    এদিকে বিষয়টি নিয়ে মার্কিন জ্বালানি বিভাগের অভ্যন্তরীণ পরিদর্শক (ইনস্পেক্টর জেনারেল) তদন্ত শুরু করেছেন। তদন্তে অনুদান বাতিলের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল কি না এবং ফেডারেল অর্থ বরাদ্দে রাজনৈতিক বিবেচনা প্রভাব ফেলেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুলাই ২৪, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: বামে এওসি, মাঝে পিট বুটিজেজ এবং ডানে কমলা হ্যারিস (সংগৃহীত)
২০২৮ নির্বাচনের আগাম ডেমোক্র্যাটিক জরিপে বড় চমক, শীর্ষে এওসি, কমলা হ্যারিসের সমর্থন ৫ শতাংশ

২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন এখনও দুই বছরের বেশি দূরে। তবে সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের নিয়ে নিউ হ্যাম্পশায়ারে পরিচালিত নতুন এক জরিপে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। নিউইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ, যিনি  এওসি নামে পরিচিত, ২২ শতাংশ সমর্থন নিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে ২০২৪ সালের ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের সমর্থন নেমে এসেছে ৫ শতাংশে।   ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ার সার্ভে সেন্টার এর গ্রানাইট স্টেট পোল এর সর্বশেষ ফলাফল ২২ জুলাই প্রকাশ করা হয়। এতে সম্ভাব্য ২০২৮ নিউ হ্যাম্পশায়ার ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রাইমারিতে এওসির ঠিক পেছনে রয়েছেন সাবেক পরিবহনমন্ত্রী পিট বুটিজেজ। তিনি পেয়েছেন ২১ শতাংশ সমর্থন। ফলে শীর্ষ দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর ব্যবধান মাত্র এক শতাংশ পয়েন্ট।   এরপর বেশ বড় ব্যবধান রয়েছে। অ্যারিজোনার সিনেটর মার্ক কেলি ৯ শতাংশ সমর্থন নিয়ে তৃতীয় এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম ৮ শতাংশ নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন। ভারমন্টের সিনেটর ও সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্স পেয়েছেন ৬ শতাংশ সমর্থন। কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ৫ শতাংশ। অর্থাৎ এই জরিপে হ্যারিসের চেয়ে স্যান্ডার্সও এগিয়ে রয়েছেন।   জরিপে এওসির অবস্থান বিশেষভাবে নজর কেড়েছে কারণ কয়েক মাসের ব্যবধানে তার সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ারের ফেব্রুয়ারির জরিপে সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের মধ্যে পিট বুটিজেজ এগিয়ে ছিলেন। তখন এওসির সমর্থন ছিল ১৫ শতাংশ। সর্বশেষ জরিপে তা বেড়ে ২২ শতাংশে পৌঁছেছে।   একই সময়ে কমলা হ্যারিসের সমর্থন কমেছে। ফেব্রুয়ারির জরিপে তিনি ১১ শতাংশ সমর্থন পেয়েছিলেন। জুলাইয়ে তা কমে ৫ শতাংশ হয়েছে। এই পরিবর্তন নিউ হ্যাম্পশায়ারের সম্ভাব্য ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি ভোটারদের পছন্দে প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।   ইউএনএইচ সার্ভে সেন্টার এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এওসি বিশেষভাবে নিজেদের সোশ্যালিস্ট ও প্রগ্রেসিভ হিসেবে পরিচয় দেওয়া ভোটারদের কাছ থেকে শক্তিশালী সমর্থন পাচ্ছেন। অন্যদিকে বুটিজেজের সমর্থন প্রগ্রেসিভ, লিবারেল ও মডারেট ভোটারদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত। তবে জরিপটির ফলাফলকে জাতীয় পর্যায়ে ডেমোক্র্যাট ভোটারদের সামগ্রিক অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পরিচালিত কোনো জাতীয় জরিপ নয়। জরিপটি নিউ হ্যাম্পশায়ারের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রাইমারি ভোটারদের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি।   তারপরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রাজনীতিতে নিউ হ্যাম্পশায়ারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক পর্যায়ে এই রাজ্যের ভোট দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় মনোযোগ পেয়ে আসছে। ফলে নির্বাচন থেকে অনেক দূরে পরিচালিত হলেও এখানকার জরিপগুলো সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক রাজনৈতিক শক্তি ও ভোটারদের আগ্রহ বোঝার একটি সূচক হিসেবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।   এওসি এখন পর্যন্ত ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেননি। একইভাবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই ২০২৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাননি। তাই বর্তমান জরিপকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক অবস্থানের একটি চিত্র হিসেবেই দেখা হচ্ছে।   ২০২৮ সালের নির্বাচন এখনও অনেক দূরে। এর মধ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সম্ভাব্য প্রার্থীদের সিদ্ধান্ত এবং ভোটারদের পছন্দে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ারের সর্বশেষ জরিপে আপাতত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য চিত্র হলো এওসির উত্থান এবং কমলা হ্যারিসের সমর্থন ৫ শতাংশে নেমে আসা।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুলাই ২৪, ২০২৬ ১৪:০
কমলা হ্যারিস। ছব:সংগৃহীত
২০২৮ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের প্রথম পছন্দ কি আবার কমলা হ্যারিস?

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এখনও সময় বাকি। তবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে দলের সম্ভাব্য শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী বা ‘ফ্রন্টরানার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে দলের বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন সহযোগীর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে, যদিও হ্যারিস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেননি।    প্রতিবেদনে হ্যারিসের এক সাবেক সহযোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে তাঁর পরিচিতি প্রায় সর্বজনীন। ফলে সম্ভাব্য অন্য প্রার্থীদের তুলনায় প্রচারণার শুরুতেই তিনি বড় সুবিধা নিয়ে মাঠে নামতে পারেন। অন্যদের যেখানে নিজেদের পরিচিতি তৈরি ও অর্থ সংগ্রহে সময় ব্যয় করতে হবে, সেখানে হ্যারিস ইতোমধ্যেই জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ।    হ্যারিসের ঘনিষ্ঠ একজন সমর্থক দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পরও হ্যারিস মনে করেন, তিনি জিততে পারতেন। তাঁর বিশ্বাস, প্রচারণার সময় কৌশলগত কিছু সিদ্ধান্তে পরামর্শকদের ভূমিকা ছিল ভুল, যা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তবে এ বক্তব্য ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।    তবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরে হ্যারিসকে নিয়ে একমত নন সবাই। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হন। ওই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ সব সুইং অঙ্গরাজ্যে হেরে যান এবং প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী জনপ্রিয় ভোটেও পিছিয়ে পড়েন। ফলে অনেকের মতে, ২০২৮ সালের মনোনয়ন লড়াইয়ে তাঁকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে।    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন দৌড়ে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গভিন নিউসম, সাবেক পরিবহনমন্ত্রী পিট বুটিজেজ, পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শ্যাপিরোসহ আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা অংশ নিতে পারেন। ফলে দলটির প্রার্থী বাছাইয়ের প্রতিযোগিতা বেশ জমজমাট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।    এদিকে মঙ্গলবার ছিল সেই ঘটনার দুই বছর, যেদিন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০২৪ সালের নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই কমলা হ্যারিস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হন এবং নভেম্বরের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হন। যদিও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পই বিজয়ী হন।

সিদ্দিকুর রহমান জুলাই ২১, ২০২৬ ১৪:০
কমলা হ্যারিসের নতুন ঠিকানা মালিবু l ছবি: সংগৃহীত
কমলা হ্যারিসের নতুন ঠিকানা মালিবু, ৮১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে কিনলেন সমুদ্রতীরবর্তী বিলাসবহুল বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস এবং তার স্বামী ডগ এমহফ ক্যালিফোর্নিয়ার মালিবুর অভিজাত পয়েন্ট ডুম এলাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ি কিনেছেন। বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে তারা প্রায় ৮১ লাখ ৫০ হাজার ডলার মূল্যের এই সম্পত্তিটি অধিগ্রহণ করেন।   সমুদ্রের কাছাকাছি অবস্থিত নতুন বাড়িটিতে রয়েছে চারটি শয়নকক্ষ, ছয়টি বাথরুম এবং প্রায় চার হাজার বর্গফুট বসবাসযোগ্য জায়গা। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, শান্ত পরিবেশ এবং সমুদ্রঘেঁষা অবস্থানের কারণে মালিবুর পয়েন্ট ডুম দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম আকর্ষণীয় আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। হলিউড তারকা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের আবাস হিসেবেও এলাকাটির সুনাম রয়েছে।   স্থানীয় সম্পত্তি–সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, বাড়িটি এমন একটি এলাকায় অবস্থিত যেখানে বাসিন্দারা তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও নিরিবিলি পরিবেশ উপভোগ করেন। সমুদ্রের মনোরম দৃশ্যের পাশাপাশি বাড়িটিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাও রয়েছে।   এই ক্রয়কে হ্যারিস ও এমহফের ব্যক্তিগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে তারা লস অ্যাঞ্জেলেসের ব্রেন্টউড এলাকায় বসবাস করতেন। নতুন এই বাড়ি তাদেরকে আরও নিরিবিলি এবং সমুদ্রঘেঁষা জীবনযাপনের সুযোগ করে দেবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।   কমলা হ্যারিস ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব শেষে তিনি ও তার স্বামী ব্যক্তিগত জীবন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।   তবে হ্যারিস বা এমহফের পক্ষ থেকে নতুন বাড়ি কেনা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া ব্রেন্টউডের পূর্ববর্তী বাসভবনটি তারা বিক্রি করেছেন কি না, সে বিষয়েও এখনও কোনো তথ্য জানা যায়নি।   মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালিবুর পয়েন্ট ডুম এলাকায় উচ্চমূল্যের আবাসন কেনাবেচা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং প্রশান্ত মহাসাগরের অপরূপ দৃশ্য উপভোগের সুযোগ থাকায় এলাকাটি ধনাঢ্য ক্রেতাদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ইসতিয়াক আহমেদ জুন ২০, ২০২৬ ১৪:০
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস । ফাইল ছবি
২০২৮ সালে আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বে কমলা হ্যারিস!

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন। তবে তার কিছু সাবেক সমর্থক, দাতা ও রাজনৈতিক সহযোগী মনে করছেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির সামনে নতুন নেতৃত্ব তুলে ধরার সময় এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন হ্যারিসের সাবেক দাতা, তহবিল সংগ্রাহক, নির্বাচনী প্রচারণা কর্মী, বাইডেন প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তা এবং বর্তমান উপদেষ্টাসহ ১৫ জনের বেশি ব্যক্তি। তাদের মধ্যে কয়েকজন পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে মতামত দেন।   হ্যারিসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি সম্ভাব্য সব রাজনৈতিক বিকল্প নিয়ে ভাবছেন। তবে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনও তার টিমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি।   ২০২৮ সালের ডেমোক্রেটিক মনোনয়ন দৌড়ে হ্যারিসের অন্যতম সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সান ফ্রান্সিসকো মেয়র উইলি ব্রাউন বলেন, বর্তমানে দুই নেতার মধ্যে নিউসমকে বেশি সম্ভাবনাময় মনে হয়, কারণ তিনি সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত কোনো প্রার্থী নন।   ব্রাউন বলেন, “মানুষ সাধারণত বিজয়ীকেই সমর্থন করতে চায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিউসমকে একজন বিজয়ী হিসেবে দেখা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, হ্যারিস যদি ২০২৬ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর নির্বাচনে অংশ নিতেন, তবে জাতীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়তে পারত। একজন প্রভাবশালী ক্যালিফোর্নিয়া দাতা এবিসি নিউজকে বলেন, “আমি এমন কাউকে দেখিনি যিনি মনে করেন হ্যারিসের আবার প্রার্থী হওয়া ডেমোক্রেটিক পার্টির জন্য ভালো হবে। ভোটারদের সামনে নতুন ও সতেজ নেতৃত্ব আনার প্রয়োজন রয়েছে।”   হ্যারিসের দীর্ঘদিনের সমর্থক ও তহবিল সংগ্রাহক আসিফ মাহমুদ বলেন, হ্যারিস ও নিউসম উভয়েই প্রার্থী হলে ডেমোক্রেটিক দাতাদের অর্থায়ন বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে বর্তমান গভর্নর হিসেবে নিউসম কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন। তবে হ্যারিসের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, তিনি যদি নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে অনেক দাতা ও রাজনৈতিক কর্মী অন্য প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকতে পারেন, সেটি তিনি ভালোভাবেই উপলব্ধি করেন।   ২০২৪ সালের নির্বাচনে হ্যারিসের প্রচারণা মাত্র ১৫ সপ্তাহে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করেছিল। কয়েকজন তহবিল সংগ্রাহকের মতে, এত বিপুল ব্যয়ের পর অনেক দাতাই এখন বড় অঙ্কের অর্থ রাজনৈতিক প্রচারণায় দিতে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছেন। একজন সাবেক তহবিল সংগ্রাহক বলেন, “ভোটাররা এখন নতুন, তরুণ এবং ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির নেতৃত্ব খুঁজছে। আমার মনে হয় না এই মুহূর্তে কমলা হ্যারিস সেই চাহিদা পূরণ করতে পারবেন।”   আরেকজন দীর্ঘদিনের ডেমোক্রেটিক দাতা বলেন, “আমি এমন কাউকে শুনিনি যিনি হ্যারিসকে আবার প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। বরং বেশিরভাগের মতামত এর বিপরীত।” তবে সবাই যে একই মত পোষণ করেন, তা নয়। সাবেক বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তা টম নিডস বলেন, সাধারণ ডেমোক্রেট ভোটারদের মধ্যে এখনও হ্যারিসের জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং তিনি ছোট অঙ্কের অনুদানের মাধ্যমে শক্তিশালী তৃণমূল অর্থায়ন গড়ে তুলতে সক্ষম হতে পারেন। হ্যারিসের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তার সম্পর্ক। কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক উপদেষ্টার মতে, বাইডেন প্রশাসনের অংশ হওয়ায় হ্যারিসকে এখনও সেই সময়ের সিদ্ধান্ত ও বিতর্কের মুখোমুখি হতে হতে পারে।   তবে হ্যারিসের সাবেক যোগাযোগ পরিচালক অ্যাশলি এটিয়েনের দাবি, হ্যারিস ইতোমধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এবং ২০২৮ সালে বাইডেন ইস্যু বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর পদে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্তও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি করেছে। কেউ কেউ এটিকে হারানো সুযোগ হিসেবে দেখলেও, হ্যারিসের ঘনিষ্ঠদের মতে এটি ছিল কৌশলগত সিদ্ধান্ত। বর্তমানে হ্যারিস ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে তহবিল সংগ্রহ, অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রম জোরদার এবং ভোটাধিকার-সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে সক্রিয় রয়েছেন। আগামী আগস্টে তিনি লুইজিয়ানা ডেমোক্র্যাটদের বার্ষিক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য দেবেন বলেও জানা গেছে।   হ্যারিসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের ভাষ্য, ভবিষ্যতে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন নাকি অন্য কোনো প্ল্যাটফর্ম, যেমন একটি ফাউন্ডেশন গড়ে তুলে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে ডেমোক্রেটিক রাজনীতির অনেকেই মনে করেন, জাতীয় পরিচিতি, ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিজ্ঞতা এবং নির্বাচনী প্রচারণার অভিজ্ঞতা হ্যারিসকে এখনও ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রাখছে।

Unknown জুন ৮, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ কমলা হ্যারিসের, যুদ্ধ ইস্যুতে নতুন উত্তেজনা

মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের নীতিকে কেন্দ্র করে। সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস তার সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেছেন।   কমলা হ্যারিস অভিযোগ করেন, ট্রাম্প এমন এক অবস্থান নিয়েছেন যা একটি “সম্পূর্ণ সভ্যতা ধ্বংস” এবং সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তার মতে, এই সংঘাত ট্রাম্প নিজেই শুরু করেছেন, কিন্তু তা শেষ করার জন্য কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা বা কৌশল তার নেই।   তিনি আরও বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপ শুধু আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আশঙ্কাই তৈরি করে না, বরং মার্কিন জনগণও এর পক্ষে নয়। হ্যারিসের ভাষায়, “এটি ভয়াবহ এবং অগ্রহণযোগ্য।”   হ্যারিস ট্রাম্পের নীতিকে “বেপরোয়া” আখ্যা দিয়ে বলেন, এতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সদস্যদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে, দেশের বৈশ্বিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাচ্ছে।   সবশেষে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ধরনের “অবৈধ যুদ্ধ” বন্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এর বিরোধিতা করতে হবে এবং এর অর্থায়নের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে হবে। এই বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

Unknown এপ্রিল ৭, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে এসেছে বড় অগ্রগতি। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

তাবাস্সুম জুলাই ২০, ২০২৬ ১৪:০