যমুনা

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যমুনা
যমুনায় না থাকার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রীয় আভিজাত্য নয়, বরং গুলশানের চেনা স্মৃতিঘেরা ঘরকেই বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংস্কার কাজ শেষ হওয়া সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় তিনি উঠছেন না বলে নিশ্চিত করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তার নিজের ছোট এই বাসাটিতে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি সপরিবারে এখানে বসবাস করছেন এবং সেই অনুযায়ী বাড়িটি গোছানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এই বাড়িটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তৎকালীন সরকার খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দিয়েছিল। গত বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে বাড়িটির দলিল তার হাতে হস্তান্তর করা হয়। যমুনার ভূমিকা এখন কেবলই রাষ্ট্রীয়: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দীর্ঘ দেড় বছর যমুনায় অবস্থানের পর সম্প্রতি সেটি ছেড়ে দেন। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হলেও তারেক রহমান সেখানে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে যমুনা ভবনটি কেবল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত হবে। ইতিমধ্যে সেখানে দুটি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পবিত্র ঈদের দিন কূটনীতিক ও বিশিষ্টজনদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানও সেখানেই আয়োজিত হবে। অতীতের ঐতিহ্য অনুযায়ী বিচারপতি হাবিবুর রহমান, লতিফুর রহমান এবং ফখরুদ্দীন আহমেদের মতো রাষ্ট্রপ্রধানরা যমুনায় অবস্থান করলেও, তারেক রহমান সেই প্রথা ভেঙে নিজস্ব বাসভবনেই থাকার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যমুনা
যমুনায় উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায় থাকবেন

রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারি বাসভবন। নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বুধবার নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নামেও সরকারি বাংলো বরাদ্দের কাজ শেষ করেছে আবাসন পরিদফতর। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যমুনায় অবস্থান করছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি যমুনা ছেড়ে দেবেন। এরপর দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উঠবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে গুলশানের বাসভবন থেকে সচিবালয় ও কার্যালয়ে অফিস করছেন। তবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং রমজানের ইফতার অনুষ্ঠান যমুনাতেই করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং পরবর্তীতে সেটিকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্তের ফলে সেটি এখন আর বসবাসের উপযোগী নয়। তাই সোয়া তিন একর আয়তনের যমুনাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। যমুনার পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো দুটিও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা কে কোথায় থাকছেন: সরকারি আবাসন পরিদফতরের তালিকা অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ কিছু বরাদ্দ নিচে দেওয়া হলো: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকারমন্ত্রী): ৩৫ হেয়ার রোড। সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী): ২৪ বেইলি রোড। হাফিজ উদ্দিন আহমদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী): ৫ হেয়ার রোড। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী): গুলশান। আ ন ম এহছানুল হক মিলন (শিক্ষামন্ত্রী): ৩৪ মিন্টো রোড। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (পানিসম্পদমন্ত্রী): ৬ হেয়ার রোড। খলিলুর রহমান (পররাষ্ট্রমন্ত্রী): ৩৩ মিন্টো রোড (পূর্বের বাসভবন বহাল)। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের পরেই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অধিকাংশ তাদের জন্য বরাদ্দকৃত নতুন বাসভবনে উঠতে পারবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
যমুনার সামনে পুলিশের সাথে সরকারি চাকরিজীবীদের সংঘর্ষ, আহত ১৫

৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মচারীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার পর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।   প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আন্দোলনকারীরা যমুনা অভিমুখে যাত্রা করলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। উত্তপ্ত এই পরিস্থিতিতে দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে।   এর আগে, সকাল থেকেই ৯ম পে-স্কেলের দাবিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কয়েক হাজার সরকারি চাকরিজীবী সমবেত হন। সেখান থেকে তারা বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে এগোতে থাকেন। বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে আন্দোলনকারীরা যমুনার কাছাকাছি পৌঁছে যান। এ সময় তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে অবিলম্বে গেজেট প্রকাশের দাবি জানান।   আন্দোলনরত কর্মচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে-কমিশন গঠন করা হলেও বাস্তবায়ন না করা আমাদের সাথে চরম অবিচার। আজকের মধ্যেই ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে, অন্যথায় আমরা রাজপথ ছেড়ে বাড়ি ফিরব না।” শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ‘যমুনা’ ও এর আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আন্দোলনকারীরা এখনো বড় পরিসরে অবস্থানের চেষ্টা করছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
শরীফ ওসমান হাদি হত্যা: বিচার ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিতে যমুনা ঘেরাও

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ ও তার পরিবার। এ সময় হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধান দাবি করেন সংগঠনটির নেতারা।   বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে যমুনার সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী ও শরীফ ওসমান হাদির পরিবার। কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে সরকার এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো চারবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পিছিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   তিনি বলেন, দেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশের কারণে এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত বারবার পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে সরকার ব্যস্ত থাকলেও, যারা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের হত্যার বিচার নিশ্চিতে সরকার বা রাজনৈতিক দলগুলোর দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই।   সরকারকে সতর্ক করে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু না হলে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন তারা।   এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, ইনকিলাব মঞ্চ সব সময় সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চাওয়ার ক্ষেত্রে তারা বারবার অসহযোগিতার শিকার হয়েছেন। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে।   তিনি আরও বলেন, অসহযোগিতা অব্যাহত থাকলে সারাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং পরিস্থিতির দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।   অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা, শরীফ ওসমান হাদির স্ত্রীসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতাকর্মীরা।   এদিকে, রাত সাড়ে ৯টার দিকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে সাক্ষাৎ করেন ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0