সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন বিচারকদের গণহারে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন, উদ্বেগ জানাল জাতিসংঘ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৪, ২০২৬ ১৩:৫৪
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রে শতাধিক ইমিগ্রেশন বিচারককে গণছাঁটাই এবং অবৈধ অভিবাসীদের তড়িঘড়ি করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প প্রশাসনের গৃহীত এসব সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী হতে পারে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার মৌলিক অধিকারকে চরমভাবে বিঘ্নিত করতে পারে।

 

ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে শিকাগোসহ দেশজুড়ে অন্তত ১০০ জনেরও বেশি ইমিগ্রেশন বিচারককে পদচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া বহাল থাকা বিচারকদের ওপর বিচার বিভাগ থেকে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে অভূতপূর্ব চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

 

বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতা বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টার মার্গারেট স্যাটারথওয়েট এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই পদক্ষেপগুলো কেবল বিচার বিভাগ পুনর্গঠন বা ছোট করার বিষয় নয়, বরং নিরপেক্ষ বিচারকদের সরিয়ে তাদের জায়গায় মূলত 'বহিষ্কার কার্যকর করার বিচারক' বসানোর একটি রাজনৈতিক চেষ্টা।

 

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যারা নির্যাতন বা বৈষম্যের ভয়ে আশ্রয়ের আবেদন করছেন, তাদের মামলা অবশ্যই একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থার অধীনে শুনানির অধিকার রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর প্রযোজ্য বাধ্যতামূলক আইনি বাধ্যবাধকতার স্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটাচ্ছে।

 

এদিকে শিকাগোর সাবেক ইমিগ্রেশন বিচারক কার্লা এস্পিনোজা জানান, বর্তমান বিচারকদের ওপর মামলা দ্রুত শেষ করার জন্য প্রশাসনিক চাপ দিন দিন বাড়ছে। অভিবাসীদের তাদের আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কিংবা মুক্তির আবেদন জানানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না।

 

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে একজন বিচারককে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ১০০ থেকে ২০০টি মামলা নিষ্পত্তি করতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগকে কার্যত অসম্ভব করে তোলে। সংস্থাটি মনে করিয়ে দিয়েছে, মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী নাগরিক বা অনাগরিক নির্বিশেষে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রত্যেকেরই আইনি সুরক্ষার (ডিউ প্রসেস) অধিকার রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস)-এর প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে মা-বাবা হারানোর আতঙ্কে শিশুরা
যুক্তরাষ্ট্রে মা-বাবা হারানোর আতঙ্কে শিশুরা, বিচ্ছেদের কষ্টে ভাঙছে অভিবাসী পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন অভিযানকে ঘিরে উদ্বেগের মধ্যে মা-বাবা ও সন্তানদের বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গত ২০ অক্টোবর প্রকাশিত এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে ফ্লোরিডার ডোমিঙ্গো পরিবারের হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। পরিবারের ১৮ বছর বয়সী মেয়ে ওয়েন্ডি ডোমিঙ্গোকে এখন ছোট চার ভাইবোনের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে।    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট ওয়েন্ডি তাঁর মা-বাবা ও চার ছোট ভাইবোনকে নিয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য জুতা কিনতে যাচ্ছিলেন। পথে সীমান্তরক্ষী কর্মকর্তারা তাঁদের গাড়ি থামান।   ওয়েন্ডি ও তাঁর ভাইবোনেরা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেও তাঁদের মা-বাবার অভিবাসন অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে তাঁর মা-বাবাকে আটক করা হয়।   ঘটনাটির ভিডিওতে ওয়েন্ডিকে বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে এবং কেন তাঁরা বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন, তা নিয়ে আক্ষেপ করতে দেখা যায়। পরে মা-বাবাকে গুয়াতেমালায় ফেরত পাঠানো হয়। ওয়েন্ডি থেকে যান যুক্তরাষ্ট্রে, ছোট ভাইবোনদের দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে। পরিবারের সদস্যদের জন্য এই বিচ্ছেদ শুধু আবেগের সংকট নয়, বরং দৈনন্দিন জীবন, পড়াশোনা ও আর্থিক দায়িত্বেরও বড় পরিবর্তন।    এ ধরনের পরিস্থিতির প্রভাব শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও পড়তে পারে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিবাসন অভিযানের পর মা-বাবা থেকে বিচ্ছিন্ন শিশুদের মধ্যে ভয়, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা ও মানসিক চাপের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।   তবে প্রতিটি পরিবারের পরিস্থিতি আলাদা, এবং কোনো একটি পরিবারের ঘটনা দিয়ে সব অভিবাসী পরিবারের অভিজ্ঞতা বিচার করা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবিসি নিউজকে জানিয়েছে, তাদের নীতি অনুযায়ী শিশুদের নিরাপদ পরিচর্যার ব্যবস্থা বিবেচনা করা হয় এবং মা-বাবাকে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার বিকল্প দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, অভিবাসন অধিকারকর্মীরা বলছেন, বাস্তবে পরিবার বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি শিশুদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।    অভিবাসনসংক্রান্ত আইন প্রয়োগের বিতর্কের বাইরে এই ঘটনাগুলো একটি মানবিক প্রশ্ন সামনে আনে—মা-বাবার অনুপস্থিতিতে ছোট শিশুদের দেখাশোনা, স্কুলে যাওয়া এবং মানসিক স্থিতি বজায় রাখার দায়িত্ব কে নেবে? ওয়েন্ডির পরিবারের অভিজ্ঞতা দেখায়, অভিবাসনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা পুরো পরিবারের জীবন বদলে দিতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১৬:০
বাড়ি কিনবেন নাকি অপেক্ষা করবেন

বাড়ি কিনবেন নাকি অপেক্ষা করবেন, সুদের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে লাখো পরিবার

ভিসার অপেক্ষায় ভাঙছে পরিবারের স্বপ্ন

ভিসার অপেক্ষায় ভাঙছে পরিবারের স্বপ্ন, সন্তানদের থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে মা-বাবাকে

নিউইয়র্কের কুইন্সে অভিবাসী কমিউনিটির ইতিহাস

নিউইয়র্কে প্রথমবারের আয়োজন ঘিরে উৎসব, নিজেদের শিকড়ের গল্প শোনালেন অভিবাসীরা

নিউইয়র্কে অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য নতুন সুযোগ
নিউইয়র্কে অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য নতুন সুযোগ, উপকৃত হতে পারেন বাংলাদেশিরাও

যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বাড়ি কেনার পরিকল্পনাকারী, ঋণগ্রহীতা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তারা। আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান, ভোক্তাদের ব্যয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন নীতিনির্ধারকেরা।   ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাজারের বড় অংশের প্রত্যাশা হলো, এই বৈঠকে সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে। তবে মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আবারও সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। বৈঠকের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো ঘোষণা করা হয়নি।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সুদের হার অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের ঋণের খরচ ও মাসিক কিস্তির হিসাব বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।   বাড়ির ঋণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সুদের হার এবং দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণের সুদের হার এক নয়। ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখলেও বাড়ির ঋণের সুদ একই থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। সরকারি বন্ডের বাজার, মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা এবং আর্থিক বাজারের পরিস্থিতিও গৃহঋণের সুদকে প্রভাবিত করে।   যেসব পরিবার বাড়ি কেনার জন্য ঋণ নিতে চান, তাঁদের শুধু সুদের হার নয়, বাড়ির দাম, বাড়ির বিমা, সম্পত্তিকর এবং অন্যান্য নিয়মিত ব্যয়ও হিসাব করা উচিত। সুদের হার কিছুটা কমলেও বাড়ির দাম বা অন্যান্য খরচ বেশি থাকলে মাসিক ব্যয় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হতে পারে।   গাড়ির ঋণ, ব্যক্তিগত ঋণ এবং ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রেও প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। পরিবর্তনশীল সুদের ঋণের খরচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত সিদ্ধান্তের সঙ্গে তুলনামূলক দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট সুদের ঋণে চুক্তি অনুযায়ী সুদের হার স্থির থাকলে পুরোনো ঋণের কিস্তি সাধারণত শুধু নতুন নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে বদলে যায় না।   রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি আবারও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আগস্টের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে বলে অর্থনীতিবিদেরা পূর্বাভাস দিয়েছেন। এটি পূর্বাভাস, চূড়ান্ত প্রকাশিত পরিসংখ্যান নয়। ফেডারেল রিজার্ভের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ২ শতাংশ।   কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক ব্যয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। তবে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়লেও সাধারণ পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় কমে যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। জ্বালানি, খাদ্য, আবাসন ও ঋণের খরচ অনেক পরিবারের বাজেটে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।   সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্তের আগে সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করা। বাড়ি কেনার আগে একাধিক ঋণদাতার প্রস্তাব তুলনা করা, ঋণের সব শর্ত বোঝা এবং জরুরি খরচের জন্য সঞ্চয় রাখা প্রয়োজন। শুধু ভবিষ্যতে সুদের হার কমবে—এই আশায় বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।   ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তের দিকে তাই শুধু বিনিয়োগকারী বা ব্যবসায়ীরাই তাকিয়ে নেই; বাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখা পরিবার, গাড়ির ঋণ পরিশোধকারী এবং নিয়মিত খরচ সামলানো সাধারণ মানুষের জন্যও এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ।   আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবরের বৈঠকের সিদ্ধান্ত এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী বক্তব্যের ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যতে সুদের হার কোন দিকে যেতে পারে সে বিষয়ে বাজারের ধারণা। তবে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকলেও পরিবারের সব ধরনের খরচ কমবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১৩:৪৪
কটি পরিবারের ১৪ সদস্যকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন এক অপরিচিত ব্যক্তি।

জর্জিয়ায় ভুল পথে গাড়ি চালাতে গিয়ে ১৪ জনের প্রাণ বাঁচালেন অপরিচিত ব্যক্তি

নিউইয়র্ক সিটিতে কম আয়ের মানুষের জন্য ব্রঙ্কসের চারটি ভবনে ৩০টি অ্যাপার্টমেন্টের হাউজিং লটারি চালু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে মাসে মাত্র ৭৩২ ডলার ভাড়ায় অ্যাপার্টমেন্টের সুযোগ, চালু হলো হাউজিং লটারি, ডেডলাইন ১৮ নভেম্বর

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে দোদুল্যমান ভোটারদের মধ্যে ডিএসএর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে সমাজতন্ত্র নিয়ে বাড়ছে ভোটারদের উদ্বেগ, নতুন জরিপে ডেমোক্র্যাটদের জন্য সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৩৬টিতেই গত এক বছরে ক্রেডিট কার্ডের গড় লিমিট কমেছে বলে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬ রাজ্যে কমেছে ক্রেডিট কার্ডের লিমিট, বিপাকে গ্রাহকরা

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৩৬টিতেই গত এক বছরে কমেছে ক্রেডিট কার্ডের গড় লিমিট। কোনো কোনো রাজ্যে এই কমার হার প্রায় ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে। ক্রেডিট কার্ডে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি, সময়মতো বিল পরিশোধে ব্যর্থতা এবং আয় কমে যাওয়ার মতো কারণে ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলো গ্রাহকদের লিমিট কমিয়ে দিচ্ছে। এতে একদিকে যেমন প্রয়োজনের সময় টাকা খরচের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে, অন্যদিকে ঝুঁকিতে পড়ছে গ্রাহকদের ক্রেডিট স্কোরও। ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালেটহাবের ২১ অক্টোবর প্রকাশিত নতুন গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স ফাইভ।   ওয়ালেটহাবের গবেষণায় ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুন এবং ২০২৬ সালের একই সময়ের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য তুলনা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এক বছরের ব্যবধানে অধিকাংশ রাজ্যে গ্রাহকদের গড় ক্রেডিট লিমিট কমেছে। সবচেয়ে বেশি লিমিট কমার সম্মিলিত সূচকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ইউটাহ। দ্বিতীয় মিনেসোটা এবং তৃতীয় মন্টানা। এরপর রয়েছে নেব্রাস্কা ও জর্জিয়া। তবে এই তালিকা শুধু লিমিট কত শতাংশ কমেছে, তার ভিত্তিতে তৈরি নয়। গ্রাহকদের গড় লিমিট এবং লিমিট পরিবর্তনের হার মিলিয়ে রাজ্যগুলোর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।   গবেষণা অনুযায়ী, ইউটাহ রাজ্যের বাসিন্দাদের ক্রেডিট লিমিট আগে থেকেই তুলনামূলক বেশি ছিল। ফলে শতাংশের হিসাবে সবচেয়ে বড় পতন না হলেও অর্থের পরিমাণ বিবেচনায় অনেক গ্রাহকের ঋণ ব্যবহারের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। অন্যদিকে মিনেসোটায় ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে গড় ক্রেডিট লিমিট প্রায় ৮ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে নতুন খোলা ক্রেডিট কার্ড অ্যাকাউন্টের গড় লিমিট কমেছে ২৩ শতাংশের বেশি। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রাজ্যটিতে ক্রেডিট কার্ডের ঋণ বৃদ্ধি এবং সময়মতো বিল পরিশোধ না করার প্রবণতা এই পরিস্থিতির পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।   মন্টানা রাজ্যের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। সেখানে এক বছরের ব্যবধানে বাসিন্দাদের গড় ক্রেডিট লিমিট প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে খোলা নতুন ক্রেডিট কার্ডের গড় লিমিট ছিল ৪ হাজার ৯৪৬ ডলার। অন্যদিকে ওই বছরের জুনে শেষ হওয়া ১২ মাসের হিসাবে গড় লিমিট ছিল ৬ হাজার ৫৪৪ ডলার। ওয়ালেটহাবের মতে, তুলনামূলক কম আয় এবং ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধে বিলম্বের হার বেশি থাকা এই পতনের সম্ভাব্য কারণ। তবে সব গ্রাহকের ক্ষেত্রে একই কারণে লিমিট কমানো হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত গবেষণা থেকে পাওয়া যায় না।   বাংলাদেশি অধ্যুষিত রাজ্যগুলোর মধ্যেও বেশ কয়েকটি এই তালিকায় রয়েছে। ক্রেডিট লিমিট কমার সম্মিলিত সূচকে জর্জিয়ার অবস্থান পঞ্চম এবং ফ্লোরিডার অষ্টম। নিউইয়র্ক রয়েছে ২৩তম, নিউ জার্সি ৩৮তম এবং টেক্সাস ২৮তম অবস্থানে। অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার অবস্থান ২০তম। তবে এসব অবস্থানের অর্থ এই নয় যে ওই রাজ্যের সব গ্রাহকের ক্রেডিট লিমিট কমেছে। গবেষণাটি রাজ্যভিত্তিক গড় পরিবর্তনের ওপর পরিচালিত হয়েছে। ফলে ব্যক্তিগত ক্রেডিট হিস্ট্রি, আয়, বকেয়া ঋণ এবং ব্যাংকের নীতির ওপর নির্ভর করে একজন গ্রাহকের পরিস্থিতি অন্যজনের চেয়ে আলাদা হতে পারে।   ওয়ালেটহাবের বিশ্লেষক চিপ লুপো জানিয়েছেন, ক্রেডিট কার্ডের লিমিট কমানোর পেছনে একাধিক কারণ কাজ করতে পারে। গ্রাহকের ঋণের পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়া, বিল পরিশোধে বিলম্ব, ক্রেডিট স্কোর কমে যাওয়া কিংবা আয় কমার কারণে ব্যাংকগুলো ঝুঁকি বিবেচনায় লিমিট কমাতে পারে। মূল্যস্ফীতির প্রভাবেও অনেক পরিবার দৈনন্দিন খরচ মেটাতে ক্রেডিট কার্ডের ওপর বেশি নির্ভর করছে। ফলে কার্ডে ব্যবহৃত ঋণের পরিমাণ বাড়ছে এবং সময়মতো বিল পরিশোধ করতে না পারার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। তবে ব্যাংকের নিজস্ব ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্তের কারণেও কোনো গ্রাহকের লিমিট কমতে পারে।   ক্রেডিট লিমিট কমে যাওয়ার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে ক্রেডিট ইউটিলাইজেশন রেশিওতে। অর্থাৎ একজন গ্রাহক তাঁর মোট ক্রেডিট লিমিটের কত শতাংশ ব্যবহার করছেন, সেই হিসাবের ওপর। উদাহরণ হিসেবে, কারও ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ১০ হাজার ডলার এবং বকেয়া ঋণ ৩ হাজার ডলার হলে তাঁর ক্রেডিট ইউটিলাইজেশন ৩০ শতাংশ। কিন্তু ব্যাংক যদি সেই লিমিট কমিয়ে ৫ হাজার ডলার করে দেয়, তাহলে একই পরিমাণ বকেয়া ঋণ থাকা সত্ত্বেও ইউটিলাইজেশন বেড়ে দাঁড়াবে ৬০ শতাংশে। এর ফলে ক্রেডিট স্কোর কমার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তবে লিমিট কমলেই সবার ক্রেডিট স্কোর কমবে, এমন নয়। ব্যক্তির সামগ্রিক ক্রেডিট হিস্ট্রি ও অন্যান্য তথ্যের ওপর ফলাফল নির্ভর করে।   যুক্তরাষ্ট্রের কনজ্যুমার ফাইন্যান্সিয়াল প্রোটেকশন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলো সাধারণত গ্রাহকের বিদ্যমান ক্রেডিট লিমিট বাড়াতে বা কমাতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে লিমিট কমানোর আগে আলাদা করে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ব্যাংককে এই সিদ্ধান্তের কারণ জানিয়ে নোটিশ দিতে হয় অথবা কারণ জানার সুযোগ রাখতে হয়। লিমিট কমানোর কারণে কোনো গ্রাহকের বকেয়া নতুন সীমা অতিক্রম করলে জরিমানা বা অতিরিক্ত সুদ আরোপের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। তাই হঠাৎ ক্রেডিট লিমিট কমে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সিদ্ধান্তের কারণ জানা গুরুত্বপূর্ণ।   ক্রেডিট স্কোর ভালো রাখতে বিশেষজ্ঞরা ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া যতটা সম্ভব কম রাখার পরামর্শ দেন। সাধারণভাবে মোট ক্রেডিট লিমিটের ৩০ শতাংশের নিচে ব্যবহার রাখাকে একটি প্রচলিত নির্দেশনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে আরও কম ইউটিলাইজেশন অনেক ক্ষেত্রে বেশি উপকারী হতে পারে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ, অপ্রয়োজনীয় ঋণ এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত ক্রেডিট রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। যাঁদের লিমিট কমেছে, তাঁরা ব্যাংকের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদনও করতে পারেন। তবে ব্যাংক সেই আবেদন গ্রহণ করবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য এই পরিবর্তন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাড়ি কেনার মর্টগেজ, গাড়ির লোন কিংবা নতুন ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে ক্রেডিট স্কোর বড় ভূমিকা রাখে। হঠাৎ ক্রেডিট লিমিট কমে গেলে কারও ঋণ ব্যবহারের অনুপাত বেড়ে যেতে পারে, যা ভবিষ্যতে লোন পাওয়ার শর্ত ও সুদের হারকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই ক্রেডিট কার্ডের লিমিট আগের মতো আছে কি না, নিয়মিত তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। ওয়ালেটহাবের গবেষণা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে ক্রেডিট ব্যবহারের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সময়মতো বিল পরিশোধ এবং ঋণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১১:১৯
যুক্তরাষ্ট্রের হাউজিং মার্কেটে ক্রেতার অভাবে বাড়ির দাম কমানোর পাশাপাশি বাড়তি সুবিধা দিতে বাধ্য হচ্ছেন মালিকরা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রি করতে দাম কমাচ্ছেন মালিকরা, ক্রেতাদের দিচ্ছেন বাড়তি অর্থ

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার পরও বকেয়া বেতন আদায় ও শ্রম অধিকার রক্ষায় সরকারি সংস্থায় অভিযোগ জানানোর অধিকার রয়েছে কর্মীদের। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে মালিক বেতন আটকে রাখলে কোথায় অভিযোগ করবেন! জানুন বিস্তারিত

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আকিব খন্দকারের বিশেষ সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে এসেছে। ছবি: সংগৃহীত

আপনার সন্তানকে হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ডের মতো বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন?

0 Comments