আমেরিকা

চ্যানেল পাড়ি দিয়ে অবৈধ অভিবাসন কমেছে, তবু সংখ্যা আরও কমাতে হবে: অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৬:১৩
ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করছে অভিবাসীবাহী একটি ছোট নৌকা। ছবি:সংগৃহীত
ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করছে অভিবাসীবাহী একটি ছোট নৌকা। ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেছেন, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ছোট নৌকায় অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে সরকারের এখনও অনেক কাজ বাকি এবং এই সংখ্যা “আরও অনেক নিচে নামাতে হবে।”

 

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজারের বেশি অভিবাসী ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কম। তবে সাম্প্রতিক উষ্ণ আবহাওয়ার কারণে কয়েক দিনের মধ্যে আবারও নৌকায় পারাপার বেড়েছে।

 

বার্নহ্যাম বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের নেতৃত্বে সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে একটি কঠোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তাঁর দাবি, বছরের সামগ্রিক পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে সরকারের কৌশল ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। তবে জনগণ সীমান্তে আরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ দেখতে চায় এবং সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

 

অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে নতুন সহযোগিতা চুক্তিও কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় ফরাসি উপকূল থেকে ছোট নৌকা যাত্রা ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। যদিও এ পর্যন্ত এ খাতে যুক্তরাজ্য এক বিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অর্থ ব্যয় করেছে, বিরোধীরা দাবি করছে যে সাম্প্রতিক পারাপার বৃদ্ধি প্রমাণ করে বর্তমান ব্যবস্থা এখনও পুরোপুরি কার্যকর নয়।

 

এদিকে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির নেতারা অভিযোগ করেছেন, ফরাসি কর্তৃপক্ষ অনেক ক্ষেত্রেই নৌকা থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে। তারা সরকারের অভিবাসন নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

 

বার্নহ্যাম জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হবে। তাঁর ভাষায়, সীমান্তের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ পারাপারের সংখ্যা আরও কমানোই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বাসিন্দার কার্ডের। ছবি:সংগৃহীত
কোয়েটার কাছে কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৩৪ শ্রমিক

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটার অদূরে প্রত্যন্ত সোরাঞ্জ (সোরাঞ্জে) এলাকায় একটি কয়লা খনিতে শক্তিশালী মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণে অন্তত ৩৪ জন খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা কয়েক ঘণ্টার টানা অভিযানে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং শেষ পর্যন্ত নিখোঁজ শ্রমিকদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা চালান।   স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, বিস্ফোরণের সময় খনির ক্ষতিগ্রস্ত অংশে কয়েক ডজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। বিস্ফোরণের পর খনির একটি বড় অংশ ধসে পড়ে এবং বহু শ্রমিক ভূগর্ভে আটকা পড়েন। উদ্ধারকর্মীরা প্রায় ৪ হাজার ফুট গভীরে নেমে অভিযান পরিচালনা করেন।   বেলুচিস্তানের খনি ও খনিজ উন্নয়নমন্ত্রী শোয়েব নওশেরওয়ানি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রত্যেক নিহত শ্রমিকের পরিবারের জন্য ৫ লাখ পাকিস্তানি রুপি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি খনির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দেন।   প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, খনির ভেতরে জমে থাকা মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণ থেকেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। খনি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরণের ফলে অক্সিজেনের ঘাটতি ও ধসের কারণে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।   পাকিস্তান সেন্ট্রাল মাইনস লেবার ফেডারেশন এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হওয়া এবং অবহেলার কারণেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে। সংগঠনটি দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।   বেলুচিস্তান পাকিস্তানের অন্যতম খনিজসমৃদ্ধ অঞ্চল হলেও সেখানে কয়লা খনিগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্নবিদ্ধ। পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা, গ্যাস শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং শ্রমিকদের সুরক্ষা সরঞ্জামের অভাবের কারণে এ ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। দারিদ্র্য ও কর্মসংস্থানের সংকটের কারণে ঝুঁকি জেনেও হাজারো শ্রমিক এসব খনিতে কাজ করতে বাধ্য হন।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৭:১০
যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বাসিন্দার কার্ডের। ছবি:সংগৃহীত

আগস্টে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন, কারা পাবেন সুবিধা, কারা পড়বেন চ্যালেঞ্জে?

ইরানের হামলায় কুয়েতে

ইরানের হামলায় কুয়েতে চীনা কোম্পানির ভবন ক্ষতিগ্রস্ত, নিরাপদ রয়েছেন চীনা নাগরিকরা

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সীমান্ত সংকট। ছবি:সংগৃহীত

সেউতায় অভিবাসীদের ঢলের ভিডিও শেয়ার হোয়াইট হাউসের, ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির নতুন বার্তা

ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করছে অভিবাসীবাহী একটি ছোট নৌকা। ছবি:সংগৃহীত
চ্যানেল পাড়ি দিয়ে অবৈধ অভিবাসন কমেছে, তবু সংখ্যা আরও কমাতে হবে: অ্যান্ডি বার্নহ্যাম

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেছেন, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ছোট নৌকায় অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে তিনি স্বীকার করেছেন, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে সরকারের এখনও অনেক কাজ বাকি এবং এই সংখ্যা “আরও অনেক নিচে নামাতে হবে।”   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজারের বেশি অভিবাসী ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কম। তবে সাম্প্রতিক উষ্ণ আবহাওয়ার কারণে কয়েক দিনের মধ্যে আবারও নৌকায় পারাপার বেড়েছে।   বার্নহ্যাম বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের নেতৃত্বে সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে একটি কঠোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তাঁর দাবি, বছরের সামগ্রিক পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে সরকারের কৌশল ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। তবে জনগণ সীমান্তে আরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ দেখতে চায় এবং সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।   অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে নতুন সহযোগিতা চুক্তিও কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় ফরাসি উপকূল থেকে ছোট নৌকা যাত্রা ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। যদিও এ পর্যন্ত এ খাতে যুক্তরাজ্য এক বিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অর্থ ব্যয় করেছে, বিরোধীরা দাবি করছে যে সাম্প্রতিক পারাপার বৃদ্ধি প্রমাণ করে বর্তমান ব্যবস্থা এখনও পুরোপুরি কার্যকর নয়।   এদিকে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির নেতারা অভিযোগ করেছেন, ফরাসি কর্তৃপক্ষ অনেক ক্ষেত্রেই নৌকা থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে। তারা সরকারের অভিবাসন নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।   বার্নহ্যাম জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হবে। তাঁর ভাষায়, সীমান্তের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ পারাপারের সংখ্যা আরও কমানোই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৬:১৩
ঘটনা স্থলে পুলিশ। ছবি:সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ায় অপহৃত ব্যক্তিকে গাড়ির ট্রাঙ্কে গুলি করে হত্যা, পুলিশের গুলিতে নিহত অপহরণকারী

উদ্যোক্তা। ছবি:সংগৃহীত

অসুস্থ পোষা প্রাণীর জন্য তৈরি ছোট উদ্যোগ, আজ বছরে ১ কোটি ডলারের সফল ব্যবসা

জেসন ক্লথ। ছবি:সংগৃহীত

'জোকার’ সিনেমার অর্থায়নকারী প্রযোজকের বিরুদ্ধে ১০০ মিলিয়ন ডলারের প্রতারণার অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্য
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে নিরাপদ শহরগুলোর তালিকায় নর্থ টেক্সাসের এই শহর

যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ শহর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের প্ল্যানো। জাতীয় জননিরাপত্তা সূচকে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে শহরটি। কম অপরাধপ্রবণতা, কার্যকর পুলিশি ব্যবস্থা এবং জননিরাপত্তায় ধারাবাহিক বিনিয়োগের কারণে এই অবস্থান অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।   সম্প্রতি প্রকাশিত ন্যাশনাল পাবলিক সেফটি ইনডেক্স -এ ১ লাখের বেশি জনসংখ্যার মার্কিন শহরগুলোর অপরাধের হার, সহিংস অপরাধ, সম্পত্তি-সংক্রান্ত অপরাধ, জরুরি সেবার কার্যকারিতা এবং জননিরাপত্তার বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণ করে এই র‌্যাঙ্কিং তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্ল্যানো সবচেয়ে নিরাপদ বড় শহর হিসেবে স্থান পেয়েছে। প্ল্যানো পুলিশ বিভাগের প্রধান এড ড্রেইনস বলেন, এই অর্জন শহরের বাসিন্দা, পুলিশ, অগ্নিনির্বাপণ বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তার ভাষায়, শুধু অপরাধ দমন নয়, অপরাধ প্রতিরোধে কমিউনিটির অংশগ্রহণও শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্ল্যানোতে সহিংস অপরাধ ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত অপরাধ, উভয় ক্ষেত্রেই জাতীয় গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। পাশাপাশি জরুরি সেবায় দ্রুত সাড়া দেওয়া, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক নিরাপত্তা কর্মসূচিও শহরটির ইতিবাচক অবস্থান ধরে রাখতে সহায়তা করেছে।   টেক্সাসের ডালাস-ফোর্ট ওর্থ মহানগর এলাকার অংশ হলেও প্ল্যানো দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চ জীবনমান, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নিরাপদ আবাসিক পরিবেশের জন্য পরিচিত। এ কারণে পরিবার নিয়ে বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম আকর্ষণীয় শহর হিসেবেও নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় তালিকায় স্থান পেয়ে আসছে। শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও জননিরাপত্তা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে, যাতে প্ল্যানো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম নিরাপদ শহর হিসেবে তার অবস্থান ধরে রাখতে পারে।

সামিয়া আঁখি প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ৪:৪৮
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সীমিত সংস্করণের স্মারক পাসপোর্ট

আমেরিকা ২৫০ উপলক্ষে স্মারক ‘প্যাট্রিয়ট পাসপোর্ট’ চালু করল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, আবেদন করবেন যেভাবে

ভিটামিন ইনজেকশন না নেওয়ায় রক্তক্ষরণে মারা যাচ্ছে নবজাতক

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মের পর এই ভিটামিন ইনজেকশন না নেওয়ায় রক্তক্ষরণে মারা যাচ্ছে নবজাতক! বাড়ছে উদ্বেগ

কম দামের বাড়ি পড়ে আছে ক্রেতার অপেক্ষায়

যুক্তরাষ্ট্রে দামী বাড়ির বিক্রি বাড়ছে, কম দামের বাড়ি পড়ে আছে ক্রেতার অপেক্ষায়

0 Comments