সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

মার্কিন সেনাদের পরিবারেও ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযান, আটক ৫০ জনের বেশি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ১৪:৩৬
মার্কিন সেনাদের পরিবারেও ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযান
মার্কিন সেনাদের পরিবারেও ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযান

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তাদের ব্যাপক অভিবাসনবিরোধী ও নির্বাসন (ডিপোর্টেশন) নীতির অংশ হিসেবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় সামরিক সদস্যদের অন্তত ৫০ জন পিতা-মাতা এবং স্বামী বা স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে অন্তত ছয়জনকে এরই মধ্যে নিজ দেশে ফেরত (ডিপোর্ট) পাঠানো হয়েছে। সরকারিভাবে এই ধরপাকড়ের কোনো নির্দিষ্ট হিসাব না থাকলেও, এপির মতে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে।

 

কয়েক দশক ধরে মার্কিন সেনাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বাসনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য একটি দ্বিদলীয় ঐকমত্য ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সামরিক বাহিনীর সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে যখন এসব পরিবারের সদস্যরা নিজেদের আইনি বৈধতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন, তখনই তাদের মাসের পর মাস আটকে রাখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতি ও মনোবলকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। প্রিয়জনদের হারিয়ে অনেক সেনাসদস্য মানসিক সহায়তাহীন হয়ে পড়েছেন, সন্তানদের দেখাশোনার কেউ নেই, এমনকি অনেকের বদলি বা মোতায়েনও (ডিপ্লয়মেন্ট) পিছিয়ে যাচ্ছে।

 

ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিসে কর্মরত আর্মি সার্জেন্ট হেদার লিওনেল তুরসিওস জুয়ারেজের স্ত্রীকে গত জুলাই মাসে তাদের ছয় বছরের মেয়ের সামনেই আটক করা হয়। অন্যদিকে, এয়ার ফোর্স টেকনিক্যাল সার্জেন্ট ওয়েন্ডি গ্বেভের বাবাকে আইনি বৈধতা সংক্রান্ত একটি সাধারণ সাক্ষাৎকারের সময় আটক করে মেক্সিকোতে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে। একই রকম পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন আর্মি স্টাফ সার্জেন্ট অ্যালেক্সিস জারামিলো। তার ব্রাজিলিয়ান স্ত্রীকে একটি সাধারণ অ্যাপয়েন্টমেন্ট থেকে আটক করার পর, তিনি এখন ছুটিতে থেকে একাই তার পাঁচ বছর বয়সী সৎ ছেলেকে দেখাশোনা করছেন।

 

২০২৫ সালের এপ্রিলে বাস্তবায়িত নতুন অভিবাসন নীতিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কেবল সামরিক বাহিনীতে চাকরি করলেই অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের পরিণতি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে না। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (DHS) জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কাজের মূল্যায়ন তারা করলেও, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাউকে আইনি মর্যাদা দেয় না। অথচ, আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, সেনাবাহিনী এবং ন্যাশনাল গার্ডের মতো বাহিনীগুলো এখনো নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের অভিবাসন সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি বিজ্ঞাপনে প্রচার করছে।

 

এই কঠোর নীতির কারণে খোদ সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেই অপরাধবোধ ও হতাশা তৈরি হচ্ছে। ইউএস আর্মি স্পেশালিস্ট রোমেরো রালিওস, যিনি এর আগে মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তার নিজের বাবাকেই সম্প্রতি আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় চরম অনুতপ্ত রালিওস জানান, এটি হয়তো তার কর্মফল। যে বর্ডার প্যাট্রলে কাজ করে তিনি অন্য পরিবারগুলোকে ভেঙেছেন, আজ নিজের পরিবার ভাঙার পর সেই যন্ত্রণাই তিনি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
রোগীর চোখ পরীক্ষা করছেন একজন চিকিৎসক (প্রতীকী ছবি)
নিউইয়র্কে চোখের পরীক্ষা কোথায় করবেন, খরচ কত! জানুন

চোখে ঝাপসা দেখা, চশমার পাওয়ার বদলে যাওয়া কিংবা নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করাতে নিউইয়র্কে কোথায় যেতে হবে এবং কত খরচ পড়বে, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে। বিশেষ করে যাদের চোখের চিকিৎসার বীমা নেই, তাদের জন্য আগে থেকে খরচ ও সুবিধা সম্পর্কে জেনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিউইয়র্ক সিটিতে চোখের পরীক্ষার নির্দিষ্ট কোনো একক মূল্য নেই। চিকিৎসাকেন্দ্র, পরীক্ষার ধরন এবং অতিরিক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন অনুযায়ী খরচ পরিবর্তিত হয়।   উদাহরণ হিসেবে, আমেরিকাস বেস্টের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট অফারের আওতায় দুই জোড়া চশমা নিলে চোখের পরীক্ষা বিনা খরচে হতে পারে। আবার দুই জোড়া চশমা না কিনলে তাদের সাধারণ চোখের পরীক্ষার মূল্য ৮০ ডলার। কন্টাক্ট লেন্সের পরীক্ষার জন্য আলাদা ১৩০ ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে। তাই শুধু একটি গড় মূল্য ধরে না নিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে চিকিৎসাকেন্দ্রে ফোন করে নিজের ক্ষেত্রে মোট খরচ জেনে নেওয়াই নিরাপদ।   যাদের মেডিকেইড আছে, তাদের জন্য চোখের চিকিৎসার খরচ অনেকটাই কম হতে পারে। নিউইয়র্ক স্টেটের মেডিকেইড কর্মসূচির আওতায় চোখের পরীক্ষা, চক্ষু বিশেষজ্ঞের সেবা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চশমাসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। সাধারণভাবে দুই বছরে একবার চোখ পরীক্ষা করার সুবিধা পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসাগত প্রয়োজন থাকলে আরও ঘন ঘন পরীক্ষার সুযোগ থাকতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মেডিকেইড সদস্যদের নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বছরে একবার চোখের বিশেষ পরীক্ষা করার সুবিধাও রয়েছে।   চোখের চিকিৎসার বীমা না থাকলেও কম খরচে চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি হেলথ অ্যান্ড হসপিটালসের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচিতে পরিবারের আয় ও সদস্যসংখ্যার ভিত্তিতে চিকিৎসার খরচ কমিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। যোগ্যতার ভিত্তিতে কিছু রোগী বিনা খরচেও চিকিৎসা পেতে পারেন। যারা স্বাস্থ্যবীমার জন্য যোগ্য নন কিংবা বীমার খরচ বহন করতে পারেন না, তাদের জন্য নিউইয়র্ক সিটির এনওয়াইসি কেয়ার কর্মসূচিও রয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে কম খরচে বা বিনা খরচে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।   চিকিৎসার খরচ তুলনা করার জন্য নিউইয়র্ক সিটি স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্যসেবার মূল্য তুলনা করার ব্যবস্থাও ব্যবহার করা যায়। এতে বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে নির্দিষ্ট সেবার সম্ভাব্য খরচ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। ফলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে একাধিক জায়গার খরচ তুলনা করা সম্ভব।   শিশুদের চোখের পরীক্ষার ক্ষেত্রেও অভিভাবকদের আগে থেকে খোঁজ নেওয়া উচিত। নিউইয়র্ক সিটি স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, স্কুল পর্যায়ে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা হয় এবং প্রয়োজনে চক্ষু চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়। শিশুরা অনেক সময় নিজের চোখের সমস্যা বুঝতে পারে না। বারবার চোখ কচলানো, টেলিভিশন বা বই খুব কাছে নিয়ে দেখা, চোখ কুঁচকে দেখা, মাথাব্যথা কিংবা উজ্জ্বল আলো সহ্য করতে সমস্যা হলে চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। শিশুদের চোখের পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে তথ্য পেতে নিউইয়র্ক সিটির ৩১১ নম্বরেও যোগাযোগ করা যায়।   তবে কোথায় যাবেন, তা নির্ভর করবে চোখের সমস্যার ধরনেও। অপটোমেট্রিস্ট সাধারণ চোখ পরীক্ষা, চশমার পাওয়ার নির্ধারণ এবং অনেক সাধারণ চোখের সমস্যার পরীক্ষা ও চিকিৎসা করেন। অন্যদিকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক চোখের জটিল রোগের চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারও করতে পারেন। আর চশমা প্রস্তুত ও চোখে সঠিকভাবে বসানোর কাজ করেন অপটিশিয়ান। তিনি নিজে রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা করেন না।   চোখ পরীক্ষা করাতে যাওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় ফোন করে জেনে নেওয়া ভালো। জিজ্ঞেস করুন, বীমা ছাড়া সম্পূর্ণ পরীক্ষার খরচ কত, চোখের ভেতরের অংশ পরীক্ষা করতে অতিরিক্ত কোনো পরীক্ষা লাগবে কি না, রেটিনার ছবি তোলার জন্য আলাদা খরচ আছে কি না এবং পরীক্ষার পর চশমার পাওয়ারের কাগজের কপি দেওয়া হবে কি না। শুধু চোখ পরীক্ষার খরচ কম হলেই মোট খরচ কম হবে এমন নয়। অতিরিক্ত পরীক্ষা, কন্টাক্ট লেন্সের পরীক্ষা কিংবা অন্যান্য সেবার জন্য আলাদা টাকা লাগতে পারে।   তবে কিছু উপসর্গ দেখা দিলে নিয়মিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়। হঠাৎ চোখে তীব্র ব্যথা, দৃষ্টিশক্তির আকস্মিক পরিবর্তন, চোখ অতিরিক্ত লাল বা ফুলে যাওয়া, চোখের সামনে হঠাৎ অনেক কালো দাগ বা ভাসমান ছায়া দেখা, আলোর ঝলকানি দেখা কিংবা দৃষ্টির সামনে কালো পর্দার মতো কিছু নেমে আসা গুরুতর সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে দ্রুত চক্ষু চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে নিকটস্থ জরুরি বিভাগেও যেতে হতে পারে।   নিউইয়র্কে চোখের চিকিৎসা নিতে তাই শুধু কম খরচের চিকিৎসাকেন্দ্র খোঁজাই যথেষ্ট নয়। নিজের সমস্যার জন্য কোন ধরনের চিকিৎসক প্রয়োজন, কী কী পরীক্ষা লাগবে এবং বীমা বা সরকারি সহায়তার আওতায় কোন সুবিধা পাওয়া যাবে, সেগুলোও আগে যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে যাদের চোখের চিকিৎসার বীমা নেই, তারা মেডিকেইড, এনওয়াইসি কেয়ার এবং নিউইয়র্ক সিটি হেলথ অ্যান্ড হসপিটালসের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির যোগ্যতা যাচাই করলে চিকিৎসার খরচ কমানোর সুযোগ পেতে পারেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৯:৭
মাইকের গেমিং চ্যানেলের বিজ্ঞাপনে ১ লাখ ১৮ হাজার ডলার খরচ

৯ বছরের শিশুর ইউটিউব বিজ্ঞাপনে বাবার কোম্পানির ১ লাখ ১৮ হাজার ডলার খরচ

নিউ জার্সির জার্সি সিটির বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ কড়াই কিচেন

বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট কড়াই কিচেনের নাম উঠল নিউইয়র্ক টাইমসের যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ৫০-এ

টেক্সাসে পিকআপের পেছনে থাকা পানির ট্যাংকের ভেতর থেকে চার অভিবাসীকে উদ্ধার করে সীমান্তরক্ষীরা

পিকআপের পানির ট্যাংকে লুকিয়ে ছিলেন চার অভিবাসী, মার্কিন নাগরিকসহ আ টক করল সীমান্তরক্ষী

সেপ্টেম্বরের এক সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (ফাইল ফটো)
মূল্যস্ফীতি নিয়ে অসন্তোষ, কট্টর সমর্থকদের মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদন কমেছে ৮ পয়েন্ট

যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে কট্টর রক্ষণশীল সমর্থকদের মধ্যে তার অনুমোদন কমেছে। নতুন মারকেট ল স্কুলের জরিপে দেখা গেছে, নিজেদের ‘খুবই রক্ষণশীল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া আমেরিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদন জুলাইয়ের ৮৪ শতাংশ থেকে সেপ্টেম্বরে ৭৬ শতাংশে নেমেছে। অর্থাৎ দুই মাসের ব্যবধানে এই গোষ্ঠীর মধ্যে তার অনুমোদন কমেছে ৮ পয়েন্ট।   জরিপে দেখা গেছে, একই সময়ে এই গোষ্ঠীর মধ্যে ট্রাম্পকে অনুমোদন না করার হার ১৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৪ শতাংশ হয়েছে। ফলে অনুমোদন ও অননুমোদনের ব্যবধান জুলাইয়ের প্লাস ৬৮ পয়েন্ট থেকে সেপ্টেম্বরে প্লাস ৫২ পয়েন্টে নেমেছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে একই ৮ শতাংশ মানুষ মত পরিবর্তন করেছেন। কারণ জুলাই ও সেপ্টেম্বরের জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা আলাদা ছিলেন।   ট্রাম্পের সামগ্রিক অনুমোদনও সেপ্টেম্বরে ৩৭ শতাংশে নেমেছে। বিপরীতে ৬৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক তার কাজের অনুমোদন দেননি। মারকেটের হিসাবে, তার দ্বিতীয় মেয়াদে এই জরিপে এটি সর্বনিম্ন সামগ্রিক অনুমোদনের হার।   জরিপে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়। ৩৭ শতাংশ আমেরিকান এটিকে বর্তমানে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অর্থনীতিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা বলেছেন ১৬ শতাংশ এবং ইরান যুদ্ধকে বলেছেন ১০ শতাংশ।   জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি সামলানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্পের প্রতি অনুমোদনও বেশ কম। সেপ্টেম্বরে মাত্র ১৯ শতাংশ উত্তরদাতা এ বিষয়ে তার কাজের অনুমোদন দিয়েছেন। অর্থনীতিতে অনুমোদন ছিল ২৮ শতাংশ, গ্যাসের দামে ২০ শতাংশ এবং ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় ২৬ শতাংশ।   মূল্যস্ফীতি নিয়ে ভবিষ্যৎ নিয়েও মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। জরিপে ৬৮ শতাংশ বলেছেন, আগামী ১২ মাসে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে। মাত্র ১২ শতাংশ মনে করেন তা কমবে, আর ২০ শতাংশের ধারণা পরিস্থিতি প্রায় একই থাকবে।   ট্রাম্পের নীতিগুলো মূল্যস্ফীতি কমাবে কি না, সে বিষয়েও দলীয় সমর্থকদের মধ্যে পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের জরিপে ৭৬ শতাংশ রিপাবলিকান মনে করতেন ট্রাম্পের নীতিতে মূল্যস্ফীতি কমবে। সেপ্টেম্বরে সেই হার নেমে হয়েছে ৩৭ শতাংশ।   তবে কট্টর রক্ষণশীলদের মধ্যে অনুমোদন কমলেও ভোট দেওয়ার আগ্রহের সব সূচক একই দিকে যায়নি। সেপ্টেম্বরে ৭২ শতাংশ বলেছেন, তারা ভোট দেওয়ার বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৬৯ শতাংশ। আবার খুবই বা কিছুটা উৎসাহী—দুই শ্রেণি মিলিয়ে ভোটের আগ্রহ ৭৮ শতাংশ থেকে কমে ৭৪ শতাংশ হয়েছে।   রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, এই ছোট গোষ্ঠীর মধ্যে অনুমোদনের ৮ পয়েন্টের পরিবর্তনকে সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ সেপ্টেম্বরে ‘খুবই রক্ষণশীল’ উত্তরদাতাদের সংখ্যা ছিল মাত্র ১১০ জন। ফলে নমুনাগত ওঠানামার প্রভাব এখানে তুলনামূলক বেশি হতে পারে। একাধিক জরিপে একই প্রবণতা দেখা গেলে তখন বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে।   মারকেটের জাতীয় জরিপটি ২ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ১ হাজার ২৩ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে পরিচালিত হয়। পুরো জরিপের মার্জিন অব এরর প্লাস বা মাইনাস ৩ দশমিক ৩ শতাংশ পয়েন্ট। জুলাইয়ের তুলনার ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, এটি একই ব্যক্তিদের ওপর করা ধারাবাহিক জরিপ নয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৬:৩৮
টেক্সাসের আলামো এলাকায় আইসিইর অভিযান দেখতে গিয়ে দুই কিশোরকে আটকের অভিযোগ উঠেছে

আইসিইর অ ভি যা নের ভিডিও করছিল দুই কিশোর, এরপর আ টকের অ ভি যোগ

ওয়ালমার্টে হামলার সময় নজরদারি ক্যামেরায় কিশোরীর বাবা-মা

মেয়ের সঙ্গে বাগ বি তণ্ডার জেরে বৃদ্ধকে পি টিয়ে হ ত্যার অভিযোগ বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ক্ষমতা ছাড়লেই খুলবে হরমুজ

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ক্ষমতা ছাড়লেই খুলবে হরমুজ, ইরানি কর্মকর্তার কড়া বার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে হামের সংক্রমণের আশঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে হামের সংক্রমণের আশঙ্কা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামে আক্রান্ত এক ব্যক্তির যাতায়াতের কারণে সম্ভাব্য সংক্রমণের সতর্কতা জারি করেছে শহরের জনস্বাস্থ্য বিভাগ। ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাত পর্যন্ত বিমানবন্দরের কয়েকটি টার্মিনাল ও সংযোগ এলাকায় ওই ব্যক্তি অবস্থান করেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি সম্প্রতি ফিলাডেলফিয়ার শিশু হাসপাতালে শনাক্ত হওয়া হামের সম্ভাব্য সংস্পর্শের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।   ফিলাডেলফিয়ার জনস্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য সংস্পর্শের সময় ছিল ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৭টা ২৫ মিনিট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ৫ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় ওই ব্যক্তি বি ও এফ টার্মিনাল এবং সি, ডি ও ই টার্মিনালের সংযোগ এলাকায় ছিলেন। তিনি বিমানবন্দর থেকে বাইরে যাননি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   এই সময়ে বিমানবন্দরে থাকা যাত্রী ও অন্যদের নিজেদের হামের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং টিকা নেওয়ার তথ্য যাচাই করতে বলা হয়েছে। যাদের টিকা নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত নয় বা যারা হামের বিরুদ্ধে সুরক্ষিত নন, তাদের দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ১২ মাসের কম বয়সী শিশু, হামের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই এমন গর্ভবতী নারী এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের। যারা মাত্র এক ডোজ হামের টিকা নিয়েছেন, তাদের দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োজন কি না তা চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করতে বলা হয়েছে।   হামের প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, কাশি এবং চোখ লাল ও পানি পড়ার মতো উপসর্গ থাকতে পারে। পরে শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য সংস্পর্শে আসা কেউ ৫ অক্টোবর পর্যন্ত এসব উপসর্গে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে সম্ভাব্য হামের সংস্পর্শে আসার বিষয়টি জানাতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা কথা বলার মাধ্যমে এটি ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি কোনো স্থান ছেড়ে যাওয়ার পরও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বাতাসে ভাইরাস কিছু সময় থাকতে পারে।   ফিলাডেলফিয়ার স্বাস্থ্য কমিশনার ডা. পালাক রাভাল-নেলসন জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক হামের সংস্পর্শের ঘটনাগুলো সবার টিকাদান হালনাগাদ রাখার গুরুত্ব আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে। পূর্ণ টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।   এদিকে বিমানবন্দরের এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন পেনসিলভানিয়ায় হামের সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ৭৬৭টি হাম শনাক্ত এবং হামের সঙ্গে সম্পর্কিত চারটি মৃত্যুর খবর জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   ফিলাডেলফিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই সম্ভাব্য সংস্পর্শের ঘটনা শিশু হাসপাতালের সাম্প্রতিক ঘটনার থেকে আলাদা। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাকে একই সংক্রমণ হিসেবে দেখার কোনো ভিত্তি নেই। বিমানবন্দরে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকা ব্যক্তিদের নিজেদের টিকাদানের তথ্য যাচাই এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ২:৫২
নিউইয়র্কে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

নিউইয়র্কে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ, বাড়ছে রাস্তায় থাকা মানুষের সংখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানায় ক্লার্কস ফর্ক নদীতে ডুবে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ডুবে ১৩ বছরের কিশোরের মৃত্যু

ক্যালিফোর্নিয়ার মহাসড়কে 'ফুল সেলফ-ড্রাইভিং' মোড চালু করে ঘুমাচ্ছিলেন এক টেসলা চালক। ছবি: সংগৃহীত

'সেলফ ড্রাইভিং' মোডে গাড়ি ছেড়ে চলন্ত টেসলায় ঘুমাচ্ছিলেন চালক, জরিমানা করল পুলিশ

0 Comments