যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির সরবরাহ কমে ক্রেতাদের সংকট, উচ্চ দাম ও সুদে নতুন বাড়ি কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে বাড়ির সরবরাহ কমে যাওয়ায় নতুন ক্রেতাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। জাতীয় রিয়েলটরস অ্যাসোসিয়েশনের জুলাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিক্রি না হওয়া বিদ্যমান বাড়ির মজুত জুনের তুলনায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১৫ লাখ ৪০ হাজার ইউনিটে নেমেছে। বর্তমান বিক্রির গতিতে এই মজুত দিয়ে প্রায় ৪ দশমিক ৬ মাসের সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।
একই সময়ে প্রথমবার বাড়ি কিনতে যাওয়া ক্রেতাদের অংশ জুলাইয়ে মাত্র ২৯ শতাংশে নেমেছে, যা জুনের ৩৩ শতাংশের চেয়ে কম। সুস্থ আবাসন বাজারে এই হার প্রায় ৪০ শতাংশের কাছাকাছি থাকা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
সীমিত সরবরাহের পাশাপাশি উচ্চ বন্ধকি ঋণের সুদ ও বাড়ির বাড়তি দাম ক্রেতাদের ওপর চাপ তৈরি করছে। জুলাইয়ে বিদ্যমান বাড়ির মধ্যম দামও এক বছর আগের তুলনায় ২ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ ডলারে পৌঁছেছে।
ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে বাড়ি কিনতে আগ্রহী অনেক মানুষ উচ্চ খরচের কারণে অপেক্ষা করছেন, আবার কম সুদের পুরোনো ঋণ ধরে রাখতে অনেক বাড়ির মালিকও নতুন করে বাড়ি বিক্রি করতে চাইছেন না। এতে বাজারে বাড়ির সরবরাহ আরও সংকুচিত থাকছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায় ১০ লাখ মার্কিন নাগরিককে ৫০০ ডলার করে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর প্রশাসনের দাবি, 'অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট' বা ওবামাকেয়ারের ফেডারেল এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিমা কেনার সময় বাইডেন প্রশাসন এসব নাগরিকের কাছ থেকে বাড়তি অর্থ আদায় করেছিল। এই অর্থ ফেরতের অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের চেক এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা চিঠি পাঠানো শুরু হয়েছে। প্রশাসনের এক কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি অঙ্গরাজ্যের প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি নাগরিক এই অর্থ পাবেন। চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন যে, হেলথকেয়ার ডট গভ (HealthCare.gov)-এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাইডেন প্রশাসন বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত অর্থ নিয়েছে। তিনি চিঠিতে লিখেছেন, "এই অর্থ কঠোর পরিশ্রমী আমেরিকানদের, সরকারের নয়; আর তাই আমি এটি আপনাদের ফেরত দিচ্ছি!"। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসের প্রকাশ করা একটি ভিডিও বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই 'ওবামাকেয়ার রিফান্ড'-এর ঘোষণা দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলে সব নাগরিককে ৫ হাজার ডলার করে লভ্যাংশ দেওয়ার যে বিতর্কিত প্রতিশ্রুতি ট্রাম্প দিয়েছেন, এই রিফান্ড তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। হোয়াইট হাউসের দাবি, বাইডেন প্রশাসন স্বাস্থ্যবিমা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে যে ফি সংগ্রহ করেছিল, তা প্রিমিয়াম বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রাহকদের থেকেই নেওয়া হয় এবং এই অর্থের পরিমাণ এক্সচেঞ্জ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় খরচের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। তবে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র পাঁচ সপ্তাহ আগে এ ধরনের চেক বিতরণের বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে যখন সাধারণ আমেরিকানরা উদ্বিগ্ন, তখন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াইয়ে ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যে ৩০টি অঙ্গরাজ্যের নাগরিকরা এই রিফান্ড পাবেন, তারা মূলত নিজেদের কোনো পূর্ণাঙ্গ এক্সচেঞ্জ পরিচালনা করে না এবং আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ফেডারেল এক্সচেঞ্জের ওপর নির্ভরশীল। তবে যেসব রাজ্য নিজেদের এক্সচেঞ্জ পরিচালনা করে এবং যাদের কাছ থেকে ফেডারেল সরকার কোনো ফি সংগ্রহ করেনি, সেসব রাজ্যের নাগরিকরা এই সুবিধার আওতাভুক্ত হবেন না। সুবিধাভোগীদের বেশিরভাগই এমন ব্যক্তি যাদের আয় ফেডারেল দারিদ্র্য সীমার ৪০০ শতাংশের ওপরে বা আশপাশে। চিঠির শেষে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি আমেরিকানদের সবকিছুর আগে রাখতে, স্বাস্থ্যসেবার খরচ কমাতে এবং জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ রক্ষায় তার লড়াই চালিয়ে যাবেন।
এফবিআইয়ের অভিযানে আন্তর্জাতিক হ্যাকার গোষ্ঠী 'শাইনিহান্টার্স'-এর প্রধান গ্রেপ্তার
লস অ্যাঞ্জেলেসে ২১তম জন্মদিনে পার্টির বদলে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র গড়লেন তরুণী
ফেডারেল সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স পেলেন মামদানি, গোপন ও সংবেদনশীল নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে মিলল প্রবেশাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৪৩ সালের একটি বিরল পেনির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ডলার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তামা সংরক্ষণের জন্য ওই বছরের বেশিরভাগ ১ সেন্টের মুদ্রা ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হলেও, অল্প কয়েকটি তামার মুদ্রা ভুল করে তৈরি হয়ে যায়। এমনই একটি বিরল মুদ্রা সম্প্রতি হিউস্টনের একটি পরিবার থেকে সংগ্রহ করেছে একটি মুদ্রা প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ১ সেন্টের মুদ্রা তৈরি করা হয়েছিল। যুদ্ধের প্রয়োজন মেটাতে তামার ব্যবহার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে ওই বছরের পেনিগুলো ইস্পাত দিয়ে তৈরির ব্যবস্থা করা হয়। দেশটির তিনটি মুদ্রা তৈরির কারখানায় ১০০ কোটিরও বেশি ইস্পাতের পেনি তৈরি হয়েছিল। তবে মুদ্রা তৈরির যন্ত্রে আগের বছরের কিছু তামার পাত রয়ে গিয়েছিল। সেগুলোর কয়েকটি ভুল করে ১৯৪৩ সালের তারিখসহ মুদ্রায় পরিণত হয়। এই ভুলের কারণেই তৈরি হয় ১৯৪৩ সালের বিরল তামার পেনি। ধারণা করা হয়, এ ধরনের তামার পেনি বর্তমানে প্রায় ২০টি রয়েছে। হিউস্টন এলাকার একটি পরিবারের কাছে থাকা এমনই একটি মুদ্রা সম্প্রতি সংগ্রহ করেছে হিউস্টনের ইউএস কয়েনস অ্যান্ড জুয়েলারি। পরিবারটি জানিয়েছে, তারা মুদ্রাটি ১৯৬০-এর দশকে একজন মুদ্রা সংগ্রাহকের কাছ থেকে কিনেছিল। পরে মুদ্রাটি পেশাদারভাবে পরীক্ষা করে এর বিরলত্ব নিশ্চিত করা হয়। পেশাদার কয়েন গ্রেডিং সার্ভিস মুদ্রাটিকে পরীক্ষা করে এক্সএফ৪০ গ্রেড দিয়েছে এবং এর মূল্য ২ লাখ ৩৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট স্টেফানি সাবিন জানান, ১৯৪৩ সালের তামার পেনি সবচেয়ে বেশি জমা পড়া বিরল মুদ্রাগুলোর একটি। তবে এর মধ্যে অনেক মুদ্রাই আসলে সাধারণ ইস্পাতের পেনি অথবা তামার প্রলেপ দেওয়া নকল মুদ্রা হয়ে থাকে। ইউএস কয়েনস অ্যান্ড জুয়েলারির কেনি ডানকান জুনিয়র জানান, একই ধরনের আরও কিছু বিরল মুদ্রা হয়তো এখনো মানুষের কাছে থাকতে পারে। পুরোনো মুদ্রার বিভিন্ন ধরনের বিরল বৈশিষ্ট্যের কারণে সাধারণ মানুষের হাতে থাকা মুদ্রার মধ্যেও মূল্যবান নমুনা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। ১৯৪৩ সালের তামার পেনিকে হুইটম্যান পাবলিশিংয়ের প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি সেরা মুদ্রার তালিকার শীর্ষ কয়েকটির মধ্যে রাখা হয়েছে। এই মুদ্রাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গল্পও প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে একটি গল্প ছিল, প্রথম তামার পেনি খুঁজে পাওয়া ব্যক্তিকে হেনরি ফোর্ড নতুন একটি গাড়ি উপহার দেবেন। তবে ফোর্ড পরে এই দাবি অস্বীকার করেছিলেন। ১৯৪৭ সালে এক কিশোর স্কুলের খাবারের দোকান থেকে ফেরত পাওয়া টাকার মধ্যে একটি তামার ১৯৪৩ সালের পেনি পেয়েছিল বলে জানা যায়। এরপরও অল্প কয়েকটি এমন মুদ্রা খুঁজে পাওয়া গেছে এবং সেগুলো খুব কমই প্রকাশ্যে বিক্রির জন্য এসেছে। হিউস্টনে পাওয়া নতুন মুদ্রাটি আগামী শনিবার, ৩ অক্টোবর থেকে ইউএস কয়েনস অ্যান্ড জুয়েলারির দ্বিতীয় তলার প্রদর্শনী কক্ষে রাখা হবে। দর্শনার্থীরা সোমবার থেকে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা এবং শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুদ্রাটি দেখতে পারবেন। সূত্র: ফক্স লোকাল
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগে পদোন্নতি পেলেন একাধিক বাংলাদেশি-আমেরিকান কর্মকর্তা
মা-বাবাকে আমেরিকায় আনতে চান? জানুন আইআর-৫ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় দীর্ঘ লড়াই শেষে না ফেরার দেশে ৩১ বছরের শুভানন সাহিদ
নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম নেওয়া অতি ছোট নবজাতকদের জন্য তৈরি দুই ধরনের ডায়াপারের নাম বদলেছে কিম্বার্লি-ক্লার্কের ব্র্যান্ড হাগিজ। আমেরিকায় সেপ্টেম্বরের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট বা এনআইসিইউ সচেতনতা মাস উপলক্ষে ‘লিটল স্নাগলার্স’ থেকে নাম হয়েছে ‘লিটল ফাইটার্স’। ৩ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটি এ ঘোষণা দেয়। পরিবর্তনটি শুধু ন্যানো প্রিমি ও মাইক্রো প্রিমি সাইজের জন্য। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ন্যানো প্রিমি দুই পাউন্ডের কম এবং মাইক্রো প্রিমি চার পাউন্ডের কম ওজনের শিশুদের জন্য তৈরি। হাগিজ জানিয়েছে, এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন শিশুদের প্রতিদিনের লড়াই ও দৃঢ়তা থেকেই নতুন নামের ভাবনা এসেছে। তাদের শারীরিক নাজুক অবস্থার পাশাপাশি টিকে থাকার সংগ্রামকে সামনে আনতে চায় ব্র্যান্ডটি। কোম্পানির ভাষ্য, এনআইসিইউ নার্স ও থেরাপিস্টদের সহযোগিতায় ডায়াপারগুলোর নকশা করা হয়েছে। চিকিৎসার টিউব ও লাইন ব্যবহারের জায়গা রাখা এবং শিশুকে পরিচর্যার উপযোগী অবস্থানে রাখতে সহায়তা করার বিষয়টি এতে বিবেচিত হয়েছে। হাগিজের দাবি, ২০১৩ সাল থেকে উইসকনসিনের নিনাহতে তিন কোটি ৮০ লাখের বেশি ন্যানো ও মাইক্রো প্রিমি ডায়াপার হাতে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরজুড়ে ‘ফাইটিং ওয়ার্ডস’ ক্যাম্পেইনে এনআইসিইউতে থাকা শিশুদের পরিবার ও পরিচর্যাকারীদের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুদানের শর্ত অনুযায়ী, ৮ মে থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত সোশ্যাল মিডিয়া ট্যাগসহ প্রতিটি পোস্টের জন্য ডেরিক হল ওয়ান পারসেন্ট ফাউন্ডেশনকে এক ডলার দেবে হাগিজ। মোট অনুদান হবে সর্বনিম্ন এক লাখ এবং সর্বোচ্চ আড়াই লাখ ডলার।
২৩৪ বছরের পথ পেরিয়ে এবার বিদায়ের পথে আমেরিকার পকেটের চেনা প্রিয় পেনি
আমেরিকায় ওষুধ নিয়ে যাচ্ছেন? কাস্টমসে যাওয়ার আগে জানুন ৯০ দিনের নিয়ম