আমেরিকা

মিশিগানে সরকারি চাকরির সুযোগ! ঘণ্টায় প্রায় ২২ থেকে ৩০ ডলার আয়

মিশিগান প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ২১, ২০২৬ ২:৩৭
মিশিগানে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটে স্থায়ী পদে কর্মী নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত
মিশিগানে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটে স্থায়ী পদে কর্মী নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

মিশিগানে সরকারি চাকরি খুঁজছেন এমন প্রার্থীদের জন্য ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটে নতুন নিয়োগের সুযোগ এসেছে। আগস্টে প্রকাশিত একাধিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড ৬-ই৮ পদে স্থায়ী ফুলটাইম কর্মী নেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক একটি বিজ্ঞপ্তিতে বেতন প্রতি দুই সপ্তাহে ১,৭৫৩.৬০ থেকে ২,৪১৭.৬০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

মিশিগান সিভিল সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড পদে মূলত সেক্রেটারি অব স্টেটের শাখা অফিসে নাগরিকদের বিভিন্ন সেবা দিতে হয়। গ্রাহকের আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা, বিভিন্ন ট্রানজেকশন প্রসেস করা, সেবার নিয়ম ও বিকল্প পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য দেওয়া এবং নির্ভুলতার সঙ্গে কাজ করা এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

 

তবে একটি বিষয় চাকরিপ্রার্থীদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখা দরকার। ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড ৬ হলো এন্ট্রি লেভেল পদ, যেখানে সাধারণত হাই স্কুল শেষ করার সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন এবং নির্দিষ্ট ধরনের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু ৬-ই৮ গ্রেডটি অভিজ্ঞ পর্যায়ের পদ।

 

মিশিগান সিভিল সার্ভিসের বর্তমান চাকরির স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী, ই-৮ পর্যায়ে পৌঁছাতে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড সিরিজে নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হতে পারে। তাই শুধু হাই স্কুল ডিপ্লোমা বা জিইডি থাকলেই ৬-ই৮ পদে সরাসরি যোগ্যতা নিশ্চিত হয় না।

 

এই পদে গাড়ির লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, গাড়ির টাইটেলসহ মিশিগান সেক্রেটারি অব স্টেটের বিভিন্ন সেবা সংক্রান্ত কাজও থাকতে পারে। কাজের ধরন অনুযায়ী গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং বিপুলসংখ্যক ট্রানজেকশন সামলানোর সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।

 

আগস্টে প্রকাশিত একটি ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড ৬-ই৮ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে স্থায়ী ফুলটাইম পদ হিসেবে প্রতি দুই সপ্তাহে ১,৭৫৩.৬০ থেকে ২,৪১৭.৬০ ডলার বেতনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই ধরনের আরেকটি আগস্টের বিজ্ঞপ্তিতে বার্ষিক ৪৫,৫৯৩.৬০ থেকে ৬২,৮৫৭.৬০ ডলার পর্যন্ত বেতন দেওয়া হয়েছে। পদ, লোকেশন ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বেতন ও শেষ তারিখ ভিন্ন হতে পারে।

 

মিশিগান স্টেট গভর্নমেন্টের ফুলটাইম কর্মীরা চাকরির ধরন ও যোগ্যতা অনুযায়ী হেলথ ইন্স্যুরেন্স, রিটায়ারমেন্ট সুবিধা, পেইড লিভসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পান। এছাড়া রাজ্য সরকারের চাকরিতে কর্মীদের জন্য অন্যান্য আর্থিক ও ক্যারিয়ার সুবিধাও রয়েছে।

 

আবেদন করতে হলে মিশিগান স্টেটের সরকারি চাকরির পোর্টালে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি খুঁজে আবেদন করতে হয়। আবেদন সাধারণত নিওগভ ব্যবস্থার মাধ্যমে ইলেকট্রনিকভাবে জমা দিতে হয়। চাকরিপ্রার্থীদের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট জব স্পেসিফিকেশন, পজিশন ডেসক্রিপশন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে দেখে নেওয়া জরুরি।

 

মিশিগানের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের চাকরিতে ব্যাকগ্রাউন্ড চেকসহ অতিরিক্ত নিয়োগ শর্তও থাকতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট পদে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির সব শর্ত যাচাই করা উচিত।

 

আগস্টে প্রকাশিত কয়েকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শেষ তারিখ ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে। তবে একই গ্রেডের নতুন পদ আগস্টেই প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু বিজ্ঞপ্তির আবেদন সময়ও চলমান রয়েছে। ফলে মিশিগানে সরকারি চাকরি খুঁজছেন এমন প্রার্থীদের জন্য প্রতিটি নতুন পোস্টিং আলাদাভাবে দেখে দ্রুত আবেদন করা গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ইউক্রেনের পক্ষে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার অভিযোগে টেলর সুইফটের সাবেক প্রেমিক কনর কেনেডিকে ওয়ান্টেড তালিকায় তুলেছে রাশিয়া। ছবি: সংগৃহীত
টেলর সুইফটের সাবেক প্রেমিক কনর কেনেডি আন্তর্জাতিক মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায়!

টেলর সুইফটের সাবেক প্রেমিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়রের ছেলে কনর কেনেডিকে আন্তর্জাতিক মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় তুলেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের পক্ষে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী এই মার্কিন নাগরিকের বিরুদ্ধে রাশিয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।   রাশিয়ার অভিযোগ, ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কনর ইউক্রেনের ইন্টারন্যাশনাল লিজিয়নে যোগ দিয়ে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে রুশ ফৌজদারি আইনের ৩৫৩ ধারার তৃতীয় অংশে ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে সশস্ত্র সংঘাতে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তার সাত থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।    তবে কনর নিজেই ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনে যাওয়ার কথা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতি দেখে তিনি গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং দেশটির হয়ে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর ইউক্রেনের দূতাবাসে গিয়ে ইন্টারন্যাশনাল লিজিয়নে যোগ দেওয়ার জন্য আবেদন করেন।   কনরের দাবি অনুযায়ী, তিনি নিজের পরিবার ও বন্ধুদের বিষয়টি জানাননি। এমনকি ইউক্রেনে যাওয়ার সময় বাবাকেও জানাননি যে তিনি কোথায় যাচ্ছেন। তার বাবা রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র পরে জানিয়েছিলেন, ছেলে তাকে শুধু জানিয়েছিল যে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আইন প্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেছে।   ইউক্রেনে কনরের প্রথম দায়িত্ব ছিল ড্রোন পরিচালনা করা। পরে তিনি মেশিনগান অপারেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন বলে তার বাবা জানিয়েছেন। কনর প্রায় আড়াই মাস ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ফ্রন্টে ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।    যুদ্ধে যাওয়ার আগে কনরের কোনো সামরিক অভিজ্ঞতা ছিল না। নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি জানিয়েছিলেন, সময়টা ভয়ংকর হলেও সৈনিক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার প্রত্যাশার চেয়েও বেশি অর্থবহ ছিল।   কনর কেনেডি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী কেনেডি পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত। তবে ২০১২ সালে পপ তারকা টেলর সুইফটের সঙ্গে তার স্বল্পস্থায়ী সম্পর্কের কারণে তিনি আন্তর্জাতিক বিনোদনমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন। ওই বছরের গ্রীষ্মে তাদের সম্পর্ক শুরু হলেও অক্টোবরে বিচ্ছেদ হয়।    বর্তমানে কনর বিনোদনজগতের সঙ্গে নয়, বরং তার ২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধে অংশগ্রহণের কারণে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। রাশিয়ার আদালত তার অনুপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের অনুমোদন দিয়েছে এবং এরপরই তাকে আন্তর্জাতিকভাবে খোঁজা হচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।    কনর বর্তমানে ব্রাজিলিয়ান শিল্পী জিউলিয়া বের সঙ্গে বিবাহিত। টেলর সুইফটের সাবেক প্রেমিক হিসেবে একসময় যে ব্যক্তি বিনোদন সংবাদে পরিচিত ছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধে তার গোপন অংশগ্রহণের কারণে এখন সেই কনর কেনেডিই রাশিয়ার আন্তর্জাতিক ওয়ান্টেড তালিকায় থাকা নিয়ে নতুন করে শিরোনামে এসেছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২১, ২০২৬ ৪:২৪
ইউসি বার্কলিতে ভর্তির হারে ক্যালিফোর্নিয়ার সব হাইস্কুলকে ছাড়িয়ে গেছে সান ফ্রান্সিসকোর মিশন হাইস্কুল। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ার কোন হাইস্কুল থেকে ইউসি বার্কলিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়! তালিকায় চমকপ্রদ তথ্য

মিশিগানে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটে স্থায়ী পদে কর্মী নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

মিশিগানে সরকারি চাকরির সুযোগ! ঘণ্টায় প্রায় ২২ থেকে ৩০ ডলার আয়

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির উদ্যোগে বাবা-মাদের জন্য বিনামূল্যে চাইল্ড কেয়ার কর্মসূচির আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে বাবা-মায়েদের একান্ত সময়ের সুযোগ, মামদানির ‘পেরেন্টস নাইট আউট’-এ ৪ ঘণ্টার ফ্রি চাইল্ডকেয়ার

গাজায় আন্তর্জাতিক স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স গঠনে ২০ কোটি ডলার অর্থায়নের পরিকল্পনা মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের। ছবি: সংগৃহীত
গাজায় শান্তি পরিকল্পনায় ফোর্স গঠনের লক্ষ্যে ২০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স বা আইএসএফ গঠনে ২০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ দেওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই অর্থ ব্যবহারের কথা জানিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। তবে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে মতবিরোধ থাকায় ফোর্সটি কবে গাজায় মোতায়েন হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।   স্টেট ডিপার্টমেন্ট ৩০ জুলাই মার্কিন কংগ্রেসকে অর্থায়নের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। এর মধ্যে আইএসএফের সরঞ্জাম, অবকাঠামো, যানবাহন ও অপারেশনাল খরচের জন্য ২০ কোটি ডলার রাখা হয়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ৬৩ লাখ ডলার ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নয়টি আর্মড পার্সোনেল ক্যারিয়ার এই ফোর্সের কাজে ব্যবহারের জন্য পুনর্বিন্যাস করা হবে।   রয়টার্সের হাতে আসা কংগ্রেশনাল নোটিফিকেশন অনুযায়ী, গাজায় আইএসএফ নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা, নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় সহায়তা এবং মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন সামগ্রী নিরাপদে পৌঁছাতে ভূমিকা রাখবে। ফোর্সটির চূড়ান্ত কাঠামো ও সদস্যসংখ্যা নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে।   মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগট বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন তার ২১ দফা শান্তি পরিকল্পনার পূর্ণ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আইএসএফ ওই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।   ট্রাম্পের পরিকল্পনায় ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে ধাপে ধাপে সরে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফোর্সকে নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।   এখন পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া আইএসএফে সেনা পাঠাতে সম্মতি জানিয়েছে। মিসর ও জর্ডান ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ফোর্সটি কবে গাজায় প্রবেশ করবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই।   এরই মধ্যে পরিকল্পনাটি বড় ধরনের রাজনৈতিক বাধার মুখে পড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন জুলাইয়ের শেষ দিকে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি বাহিনীর ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের একটি রোডম্যাপ সামনে আনলেও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে এর বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ রয়ে গেছে।   ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে না। অন্যদিকে হামাসও পরিকল্পনাটিতে সম্মতির কথা বললেও ইসরায়েলকে আগে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে।   এই অচলাবস্থার মধ্যেই ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার চলতি সপ্তাহে হামাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিসরে এবং পরে ইসরায়েলি নেতাদের সঙ্গে জেরুজালেমে বৈঠক করেছেন। তবে এসব বৈঠকে মূল বিরোধগুলোর কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি।   ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও জানিয়েছে, গাজায় আন্তর্জাতিক স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স প্রবেশের জন্য এখনো ইসরায়েলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব কোনো অনুমোদন দেয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র অর্থায়নের মাধ্যমে পরিকল্পনাটি এগিয়ে নিলেও এর বাস্তবায়ন এখনো নির্ভর করছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে নিরাপত্তা, নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে সমঝোতার ওপর।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২১, ২০২৬ ১:৪৮
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের জমি দখল ও উচ্ছেদের ঘটনায় ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের সতর্ক করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি। ছবি: সংগৃহীত

অন্যের জমি দখল শুধু মানুষের নয়, ঈশ্বরের আইনেরও লঙ্ঘন: ইসরায়েলিদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটিতে টিউশন ফি ছাড় ও উচ্চশিক্ষার আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ। ছবি: সংগৃহীত

কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্সে ফুল ফ্রি টিউশন, সঙ্গে প্রায় ৩২ লাখ টাকার স্টাইপেন্ড

জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত সাবেক পুলিশ অফিসার ডেরেক শভিনের মুক্তি দাবি করে আলোচনায় ইলন মাস্ক। ছবি: সংগৃহীত

জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডে দণ্ডিত পুলিশ অফিসারকে মুক্তির দাবি ইলন মাস্কের, ফের তীব্র বিতর্ক

সাবেক প্রেমিকাকে হত্যার পরিকল্পনা চ্যাটজিপিটির সঙ্গে শেয়ার করে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ড্যারেন ঝো নামের এই যুবক। ছবি: সংগৃহীত
সাবেক প্রেমিকাকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে চ্যাটজিপিটিতে আলোচনা, গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়ে দিলো এআই

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় সাবেক প্রেমিকাকে অপহরণ, যৌন নির্যাতন ও হত্যার রোমহর্ষক পরিকল্পনা করার অভিযোগে ড্যারেন ঝো নামের ২৫ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, এই ভয়ংকর অপরাধের পুরো ছকটি তিনি কষেছিলেন জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটি’র সঙ্গে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তার। চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই ওই যুবকের অস্বাভাবিক কথোপকথন শনাক্ত করে এবং বিষয়টি কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইকে জানিয়ে দেয়। এরপরই তদন্তে নেমে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মার্কিন আইনি সংবাদমাধ্যম ম্যাসাচুসেটস লয়্যারস উইকলি এবং এনডিটিভির প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য সামনে এসেছে।   আদালতের নথির তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ড্যারেন ঝো ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে বিশ্বখ্যাত বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসে একজন বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করতেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে তার ছয় মাসের প্রেমের সম্পর্কের অবসান ঘটে। এরপর থেকেই তিনি সাবেক প্রেমিকাকে নিয়ে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলা শুরু করেন। তদন্তকারীদের কাছে ঝো স্বীকার করেছেন যে, বিচ্ছেদের পর সাবেক প্রেমিকার আশপাশে অন্য পুরুষদের উপস্থিতি নিয়ে তিনি প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত ছিলেন।   তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, চ্যাটজিপিটির সঙ্গে ঝোর কথোপকথনগুলো কেবল আবেগ বা ক্ষোভ প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং মাসের পর মাস ধরে সেখানে নিখুঁতভাবে সহিংসতার পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছিল। এমনকি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে তা কীভাবে সামাল দিতে হবে, তারও বিস্তারিত আলোচনা ছিল ওই চ্যাটে। একপর্যায়ে ঝো চ্যাটজিপিটিকে জানান, তিনি ফুল হাতে তার সাবেক প্রেমিকার জিমের পার্কিং এলাকায় অপেক্ষা করবেন এবং সম্পর্ক পুনরায় জোড়া লাগানোর প্রস্তাব দেবেন। যদি তরুণী সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তবে তাকে গুলি করে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করবেন।   পরবর্তীতে এই পরিকল্পনার মাত্রা আরও ভয়ংকর রূপ নেয়। চ্যাটজিপিটির সঙ্গে আলোচনায় ঝো তার সাবেক প্রেমিকাকে জিম্মি করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার এবং সেখানে আটকে রেখে যৌন নির্যাতন করার ছক কষেন। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপ করলে তাদের ওপরও হামলা চালানোর পাশাপাশি তরুণীর পরিবারের সদস্যদেরও ক্ষতি করার হুমকি উঠে আসে ওই কথোপকথনে। এই ঘটনাগুলো আঁচ করতে পেরেই ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ এফবিআইকে সতর্ক করে।   তদন্তের অংশ হিসেবে ২১ বছর বয়সী ওই ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গেও কথা বলে পুলিশ। তিনি জানান, ড্যারেন ঝোর অস্বাভাবিক, সন্দেহবাতিক ও অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের কারণেই তিনি সম্পর্কটি শেষ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এমনকি ঝোর উগ্র আচরণে এতটাই ভয় পেয়েছিলেন যে, সামনাসামনি কথা না বলে ফোনেই তিনি বিচ্ছেদের কথা জানান। ওই তরুণীর অভিযোগ, বিচ্ছেদের পরও ঝো ফোন, খুদে বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ক্রমাগত হয়রানি করতে থাকেন। অন্য পুরুষদের নিয়ে অবান্তর প্রশ্ন করা এবং তিনি দ্রুত নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন—এমন ভিত্তিহীন অভিযোগও করতেন ঝো।   একপর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে তরুণী ঝোর ফোন নম্বর ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেন। কিন্তু এরপর বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে নতুন নতুন ভুয়া নম্বর থেকে ঝো যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন। এসব বার্তায় চরম হয়রানি, অপমানজনক বক্তব্য, যৌন ইঙ্গিত এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হতো। প্রমাণ হিসেবে ওই তরুণী এসব কথোপকথনের স্ক্রিনশট পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন।   গ্রেপ্তারের মাত্র ছয় দিন আগে এফবিআই পাম বিচ কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়কে ঝোর এই ভয়ংকর কথোপকথনের বিষয়ে সতর্ক করে। পাম বিচ কাউন্টি শেরিফের একজন ডেপুটি জানান, তদন্তে তারা চ্যাটজিপিটির প্রায় দুই মাসের চ্যাট হিস্ট্রি বা কথোপকথনের ইতিহাস পর্যালোচনা করেছেন। সেখানে দেখা গেছে, এটি কেবল হতাশা বা রাগের বহিঃপ্রকাশ ছিল না, বরং অত্যন্ত সুপরিকল্পিত একটি অপরাধের প্রস্তুতি ছিল।   গত মে মাসে ড্যারেন ঝোকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাম বিচ কাউন্টি কারাগারে দুই দিন বন্দি থাকার পর এক লাখ ডলারের মুচলেকায় তিনি জামিনে মুক্তি পান। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে গুরুতরভাবে অনুসরণ বা হয়রানি করা (স্টকিং), লিখিতভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া এবং মোবাইল ফোনের অবৈধ ব্যবহারের মতো সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও নজরদারির ক্ষেত্রে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২০, ২০২৬ ২৩:৫০
নিউইয়র্কের ক্যাপিটল ভবনে বোমা হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে জেসিকা বোয়ি নামের এক আইএস অনুসারীকে গ্রেপ্তার করেছে এফবিআই। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের ক্যাপিটল ভবনে বোমা হামলার পরিকল্পনা, আইএস অনুসারী নারী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাড়ছে ক্রেডিট কার্ড ঋণের পরিমাণ, শীর্ষ ছয়ে ফ্লোরিডা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণে শীর্ষ ছয়ে ফ্লোরিডা, গড় বকেয়া ৫ হাজার ডলারের বেশি

বিদেশে সন্তান জন্ম দেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেন-জি প্রবাসীদের বড় একটি অংশ। ছবি: সংগৃহীত

সন্তান জন্ম দিতে বিদেশে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের জেন-জি বাবা-মায়েরা, পছন্দ কানাডা-যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ

0 Comments