সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় পাসপোর্ট, ভিসা ও অ্যাটেস্টেশন পরিষেবা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করা হচ্ছে। পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের কারণে আগামী ২৬ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নিয়মিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও নতুন আবেদন গ্রহণ বন্ধ থাকবে।
ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, দেশটিতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য কনস্যুলার পরিষেবা একটি নতুন আউটসোর্সড প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়মিত আবেদন ও সেবা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।
তবে এই সময়ে জরুরি প্রয়োজন হলে ভারতীয় নাগরিকরা সরাসরি দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে দায়িত্বে থাকা বিএলএস ইন্টারন্যাশনাল এবং এসজিআইভিএস গ্লোবাল আগামী ২৫ জুনের পর আর কোনো নতুন আবেদন গ্রহণ করবে না।
আবুধাবিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস শুক্রবার এক ঘোষণায় জানিয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আল হিন্দ ট্যুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেল এলএলসি সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে আউটসোর্সড পাসপোর্ট, ভিসা ও অ্যাটেস্টেশন পরিষেবা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট সংক্রান্ত পরিকল্পনা নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিশ্ব
View moreসাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্ধারিত ভার্চ্যুয়াল বক্তব্য নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেছে দেশটির সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা বা সম্পৃক্ততা নেই। মঙ্গলবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল বক্তব্যের অনুষ্ঠানটি ভারত সরকারের নয়, একটি বেসরকারি সংস্থা আয়োজন করছে। ফলে এ আয়োজনে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আগামী ৫ আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (FCCSA)-এর একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে তার সরকারের পতনের পর এটিই তার প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্য হতে পারে। এর আগে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে জানতে চেয়েছিল, ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই ভার্চ্যুয়াল রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের প্রতি নয়াদিল্লির সমর্থন রয়েছে কি না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছিলেন, কোনো পলাতক ব্যক্তি যদি অন্য দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন, তাহলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতের সর্বশেষ বক্তব্যের মাধ্যমে নয়াদিল্লি জানিয়ে দিল, শেখ হাসিনার নির্ধারিত ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি উদ্যোগ এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।
ড্রোন হামলার পর কৃষ্ণসাগরে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে রাশিয়া-ইউক্রেনের প্রতি তুরস্কের আহ্বান
দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র তাপপ্রবাহে ১৬ জনের মৃত্যু, ১২২ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
ধ্বংসস্তূপের নিচে দুই বছর পর মিলল ১১২ মরদেহ, গাজায় গণদাফন
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং নির্বাচন নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার সম্প্রচার ও অনলাইন প্রবেশাধিকার দেশটিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও পাকিস্তান সরকার এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেনি, দেশজুড়ে বহু ইন্টারনেট ব্যবহারকারী জানিয়েছেন যে তারা আলজাজিরা ইংলিশের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আলজাজিরার বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ সাংবাদিকতার অভিযোগ তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় দাবি করে, আলজাজিরা আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেনি। বরং রাজধানী মুজাফফরাবাদের কয়েকটি নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রকে বেছে নিয়ে নির্বাচনী পরিবেশকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময় নির্বাচন এবং নির্বাচিত ব্যক্তিদের বক্তব্য ব্যবহার করে এমন একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যা আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের সামগ্রিক ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে। তারা আলজাজিরার প্রতিবেদনকে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ আখ্যা দিয়ে দাবি করেছে, এ ধরনের প্রতিবেদন বহিরাগত স্বার্থান্বেষী পক্ষের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করছে এবং নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অযৌক্তিক প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে আলজাজিরা দাবি করেছে, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদে চলমান ধর্মঘটের মধ্যে অনেক ভোটার নির্বাচন বর্জন করেছেন। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, জুন মাস থেকে চলমান সহিংসতা ও অস্থিরতায় অন্তত ৮০ জন নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ কীভাবে সম্ভব। এদিকে সাংবাদিকদের অধিকারবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, চলমান বিক্ষোভের সময় ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবা সীমিত করা, সংবাদ সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি, সাংবাদিকদের আটক এবং নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুতর হুমকি। সিপিজে পাকিস্তান সরকারের প্রতি অবিলম্বে সংবাদমাধ্যমের ওপর সব ধরনের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, সাংবাদিকদের নিরাপদে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত এবং জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার পুনর্বহালের আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে পাকিস্তান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে আলজাজিরার সম্প্রচার নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেয়নি। তবে ওয়েবসাইটে প্রবেশে বাধা এবং সরকারি সমালোচনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ক্ষমা চাওয়ায় ইউক্রেনে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করল ইরান
ইলন মাস্কের ছবি এঁকে প্রশংসা নয়, ‘ব্লক’ পেলেন শিল্পী; ভাইরাল হলো ১ কোটি ১০ লাখ ভিউয়ের পোস্ট
ইরানের একটি বাড়িতে ৯০০ কেজির বোমা ফেলল মার্কিন বাহিনী, একই পরিবারের তিনজন নিহত
ইউরোপজুড়ে মুসলিম জনসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। সর্বশেষ জনমিতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২০ সালের হিসাব অনুযায়ী ইউরোপে প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ মুসলিম বসবাস করছেন, যা মহাদেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬ শতাংশ। জনসংখ্যাগত এই পরিবর্তনের ফলে মুসলিমরা ইউরোপের অন্যতম বড় ধর্মীয় সম্প্রদায় হিসেবে আরও দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় বলা হয়েছে, গত এক দশকে ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৬ শতাংশ বেড়েছে। গবেষকদের মতে, অভিবাসন, তুলনামূলকভাবে কম বয়সী জনগোষ্ঠী এবং স্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধিই এ প্রবণতার প্রধান কারণ। একই সময়ে ইউরোপে ধর্মীয় পরিচয়হীন মানুষের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, আর খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কমেছে। দেশভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, ফ্রান্সে ইউরোপের সর্বাধিক মুসলিম জনগোষ্ঠীর বসবাস। দেশটিতে প্রায় ৬০ লাখ মুসলিম রয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা অভিবাসী পরিবার বা তাদের উত্তরসূরি। জার্মানিতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ তুর্কি বংশোদ্ভূত। কয়েক দশক ধরে দেশটির শিল্প, উৎপাদন ও শ্রমবাজারে এই জনগোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে প্রায় সাড়ে ৪০ লাখ মুসলিম বসবাস করেন। দেশটির মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত, বিশেষ করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষ। বর্তমানে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, রাজনীতি ও সরকারি বিভিন্ন খাতে তাদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসন অব্যাহত থাকলে এবং বর্তমান জনমিতিক প্রবণতা বজায় থাকলে আগামী বছরগুলোতেও মুসলিম জনসংখ্যা বাড়তে পারে। তবে ভবিষ্যতে এই বৃদ্ধির হার অভিবাসন নীতি, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দেশের জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের ওপরও নির্ভর করবে।
তীব্র গরম থেকে বাঁচতে জনগণকে কুকুরের মাংস খাওয়ার পরামর্শ উত্তর কোরিয়ার, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচার
শরীরের ৬৫% পুড়ে গেলেও প্রেমিকাকে ছাড়েননি, বরং চাকরি ছেড়ে হলেন তার সার্বক্ষণিক সেবক